এই পেইজ এবং ফরিদপুর জেলা ছাত্রদল নামক গ্রুপ দুটোরই কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হলো। ❎
এই পেইজ থেকে ভবিষ্যতে আর কোনো পোস্ট দেয়া হবেনা। ধন্যবাদ সবাইকে। যারা সমর্থন দিয়ে পেইজ টিকে বড় করতে সহযোগিতা করেছিলেন।
_________________X________________
ফরিদপুর জেলা ছাত্রদল
Welcome to Faridpur Zilla Chatra Dol's page. Follow us & never miss an update about BSD Faridpur. Thank you.
27/02/2025
অভিনন্দন, মহানগর ছাত্রদলের নবগঠিত সকল কলেজ ইউনিটের সর্ব স্তরের নেত্রীবৃন্দদের।
জেলা ছাত্রদল এর সকল কলেজ আগামীকাল স্ব স্ব কলেজে মানববন্ধন করবেন ব্যানার সহ।ব্যাপক উপস্থিতি থাকবে ইনশাআল্লাহ।
25/11/2024
ফরিদপুর ক্যাম্পাসে যাতে কোন অরাজকতা সৃষ্টি না হয় সে জন্য ছাত্রদল ক্যাম্পাসে প্রতিনিয়ত থাকবে।
আগামীকাল যৌথ কর্মিসভায় জেলা ছাত্রদল এর সকলে,থানা-পৌর-কলেজ এর সুপার ফাইভ,ইউনিয়নের সুপার টু ডেলিগেট থাকবেন।সকালে দপ্তর সম্পাদকের থেকে কার্ড নেবেন।
আজ ১৬ নভেম্বর,ফরিদপুরে জিয়াউর রহমান স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধনে ফরিদপুর জেলা ছাত্রদল।
আজ ১৬ নভেম্বর,ফরিদপুরে জিয়াউর রহমান স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধনে ফরিদপুর জেলা ছাত্রদল।
09/11/2024
ক্রিকেট খেলা হবে।🔥
আগামীকাল সকাল ১১ টার সময় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের সাথে সরকারী রাজেন্দ্র কলেজ এর সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সভা। সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হইলো।
29/10/2024
ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের বিপ্লবী সভাপতি Syed Adnan Hossain Anu ও সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক Tanzimul Hasan Kayes আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া ছাত্রদলের সদস্য ফরম বিতরণ কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবেন। প্রত্যেকটি উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক ও সদস্য সচিব বৃন্দকে স্ব স্ব কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের সাথে সমন্বয় করে কর্মসূচি সফল করতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাইতেছে।
29/10/2024
আগামীকাল ৩০শে অক্টোবর ২০২৪ ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত সকল কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতৃত্বে ছাত্রদলের সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচি শুরু হবে, উক্ত কর্মসূচি সফল করার জন্য ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত প্রত্যেকটি থানা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিজ নিজ উপজেলার কলেজ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের সাথে সমন্বয় করে কর্মসূচি সফল করার জন্য, কাজ করতে বিনীতভাবে অনুরোধ করা হইল। এই কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবেন ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের বিপ্লবী সভাপতি Syed Adnan Hossain Anu ও সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক Tanzimul Hasan Kayes।
২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাস। রাজশাহী সিটি কলেজে ছাত্রলীগের নিয়মিত কার্যকলাপের অংশ হিসেবে, তারা প্রায়ই জোর করে ছাত্রছাত্রীদের মিছিলে অংশ নিতে বাধ্য করত। একদিন মেইন গেট বন্ধ করে ঘোষণা দিল, সবাইকে মিছিলে থাকতে হবে। বাধ্যতামূলক মিছিলে অংশ নিতে না চেয়ে গেটে দাঁড়িয়ে থাকা এক কর্মীর কাছে গিয়ে বললাম, “আমাকে বাসায় যেতে হবে।” কিন্তু সে আমার কথা না শুনে, উল্টো ধাক্কা দিয়ে আমাকে ভিতরে পাঠিয়ে দিল। প্রচন্ড রাগ হলো। বাসায় ফিরে ফেসবুকে লিখলাম, “ছাত্রছাত্রীদের জোর করে মিছিলে বাধ্য করা, গেট আটকে দাঁড়িয়ে রাখা—এটাই সিটি কলেজ ছাত্রলীগ।”
পোস্টটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে গেল। তখন আমাদের পরীক্ষা চলছিল। ১৪ই ফেব্রুয়ারি ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষার দিন। পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিটের মাথায় ১৫-২০ জন ছাত্রলীগের কর্মী পরীক্ষার হলে ঢুকল। একজন জোরে জিজ্ঞেস করল, “তানভীর আখতার শাকিব কে?” আমি উঠে দাঁড়ালাম। তারা শিক্ষককে আমার উত্তরপত্র নিয়ে নিতে বলল। একজন বলল, “ওর পরীক্ষা শেষ, খাতা নিয়ে নেন।” তারপর দুইজন এসে আমাকে দুই পাশ থেকে ধরে হল থেকে বের করে কলেজ প্রাঙ্গণে নিয়ে গেল।
ওরা জিজ্ঞেস করল, “তুই ছাত্রদল না শিবির?” আমি বললাম, “আমি সাধারণ ছাত্র।” তাদের একজন আমার ফেসবুক পোস্টটি দেখিয়ে বলল, “তাহলে ছাত্রলীগ সম্পর্কে এমন কথা কেন লিখেছিস? ফোন বের কর।” আমি আপত্তি করলাম, “ফোন তো আমার ব্যক্তিগত জিনিস, কেন দিব?” আমার কথা শেষ হওয়ার আগেই একজন আমার ফোন কেড়ে নিয়ে পোস্টটি ডিলিট করে দিল। এর পরপরই হঠাৎ করে একজন প্রচণ্ড জোরে আমার গালে থাপ্পড় দিল, আমি মাটিতে পড়ে গেলাম। এরপর আবারও আমাকে টেনে তুলে বলল, “কান ধরে মাফ চা, হাঁটু গেড়ে বসে, তা না হলে তোকেও মেরেই ফেলব।”
মনের ভেতরে তখন ঝড় বইছিল। আমি নিজেকে বললাম, “মরতে হলে মরব, কিন্তু মাফ চাইব না।" আমি তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিলাম, “তোমরা মারতে মারতে মেরেও ফেললেও মাফ চাইবো না।” এরপর তারা আমাকে অমানুষিকভাবে মারধর শুরু করল। চারপাশ ঝাপসা হয়ে যাচ্ছিল। এক কোনায় পুলিশের ভ্যান দাঁড়িয়েছিল। পুলিশ চুপ চাপ তাকিয়ে দেখছিল। একসময় টের পেলাম, শরীরে আঘাত লাগছে, কিন্তু ব্যথা পাচ্ছি না—মুখটা যেন অবস হয়ে গেছে। একজন বলল, “মাফ চাইবি না? তোকে মারতে মারতে মেরেই ফেলব।”
ঠিক সেই মুহূর্তে একজন শিক্ষক এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। তিনি বললেন, “বাবারে, আর মারিস না, ছেলেটাকে অনেক মেরেছিস।” কয়েকটা আঘাত শিক্ষকের গায়েও লাগল। তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে কলেজ গেটের বাইরে নিয়ে এলেন এবং একটি রিকশা করে বাসায় পাঠিয়ে দিলেন।
ভালোবাসা দিবসে লাল গোলাপ নিয়ে নয়, আমি ফুলে যাওয়া মুখ নিয়ে বাসায় ফিরলাম। আমার পরিবার আতঙ্কে পড়ে গেল। আমার বাবা বললেন, “কলেজেই যদি এই অবস্থা হয়, ভার্সিটিতে গেলে তো ওকে মেরেই ফেলবে।" সেই ভীতি, কষ্ট, ঘৃণার কারণেই ২০১৯ সালে এইচএসসি পাস করে আমি বিদেশে পাড়ি জমালাম।
সম্প্রতি ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হওয়ার খবর শুনে আমি প্রচন্ড খুশি হয়েছি। ব্যক্তিগত বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি, এ নিষেধাজ্ঞা ন্যায়সংগত।
© Tanvir Akhter Shakib
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Faridpur
