09/04/2026
১৯৭১-এর অগ্নিঝরা দিনে, জাতির আশা আর সংগ্রামের প্রতীক হয়ে ১০ই এপ্রিল গড়ে উঠেছিল মুজিবনগর সরকার। মুজিবনগর-এর সেই ঐতিহাসিক মাটিতে শপথ নিয়ে শুরু হয়েছিল স্বাধীনতার পথচলার আনুষ্ঠানিক অধ্যায়।
এই সরকারের প্রধান নেতৃত্বে ছিলেন—
রাষ্ট্রপতি: শেখ মুজিবুর রহমান
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম
প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ
মন্ত্রীপরিষদের সদস্য: খন্দকার মোশতাক আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, এ এইচ এম কামারুজ্জামান
বন্দি থেকেও জাতির নেতৃত্ব দিয়েছেন শেখ মুজিবুর রহমান, আর তাঁর আদর্শকে সামনে রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন তাজউদ্দীন আহমদ ও তাঁর সহযোদ্ধারা।
মুজিবনগর সরকার শুধু একটি প্রশাসনিক কাঠামো ছিল না, এটা ছিল মুক্তির ঘোষণা, আত্মত্যাগের অঙ্গীকার, আর একটি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা।
শ্রদ্ধা সেই সব নেতৃবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি, যাদের ত্যাগে আমরা পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা 🇧🇩
07/04/2026
জনাব তারেক রহমান, আমরা আশা করি ভবিষ্যতে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হবে আপনার একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান। আমি ব্যাক্তিগতভাবে খুশি হবো যদি আপনার শিক্ষিত ও আধুনিক মেয়ে রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে বিএনপিকে নেতৃত্ব দেয়।
কিন্তু সে যে রাজনীতিতে আসবে তার জন্য কি নিরাপদ পরিবেশ আপনি রেখেছেন ?
আজ স্পিকার শিরীন শারমিনের সাথে আপনার সরকার যে মাপের অসভ্যতা ও বর্বরতা চালিয়েছে তারপর কিভাবে বলি ভবিষ্যতে নারীরা এই রাজনীতিতে সন্মান পাবে, নিরাপদ থাকবে ?
অন্যের মা-বোনের সন্মান ও নিরাপত্তার কথা না ভাবলেও আপনাকে অন্তত নিজের স্ত্রী-কন্যার ভবিষ্যত সন্মান ও নিরাপত্তার কথা তো ভাবা উচিত ছিল।
একজন বয়স্ক নারী যিনি জীবনে কোন পরিক্ষায় ২য় হননি, ৩ মেয়াদে দেশের স্পিকার ছিলেন, কোন দূর্নীতি করেননি, আপনার মা তাকে মাননীয় স্পিকার সম্মোধন করেছেন, তাকে আজ শারিরীক নির্যাতন করালেন ? তার গালে চড় পর্যন্ত মারালেন ?
গালের চড়ের দাগ ঢাকতে দুই গালে মেকআপ করিয়ে, ঠোঁটে লিপস্টিক মাখিয়ে আদালতে তুললেন ? মনে করলেন আপনারাই বুদ্ধিমান আর দেশের সবাই আফিমখোর, কেউ বিষয়টা বুঝবেনা ?
পাপের পরিমান যখন খুব বেশি হয়ে যায় তখন সকল পাপী নিজেকে অসীম ক্ষমতাবান মনে করতে থাকে, আর তখনই তার পতন হয়।
ইতিহাস ঘেঁটে দেখেন ..!!
07/04/2026
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং মিথ্যা ও বানোয়াট হত্যা মামলায় গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর ওপর সংঘটিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
শিরীন শারমিন চৌধুরী মহান জাতীয় সংসদে সংবিধানসম্মত পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং তিনি দেশের প্রথম নারী স্পিকার। একজন মেধাবী, পরিশীলিত ও মানবিক বোধসম্পন্ন নারী রাজনীতিবিদের প্রতি এ ধরনের অমানবিক আচরণ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও আইনের শাসনের পরিপন্থী এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
রাষ্ট্রের সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকারী এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের মর্যাদা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে এ ধরনের আচরণ শুধু ন্যক্কারজনকই নয়, বরং তা নিকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকবে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের মিথ্যা মামলা ও নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ড দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে বিপন্ন করেছে। এটি ন্যায়বিচারের পরিপন্থী এবং আইনের অপব্যবহারের একটি জঘন্য দৃষ্টান্ত।
আমরা অবিলম্বে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি। পাশাপাশি জাতীয় নেতৃবৃন্দ-সহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং সকল রাজবন্দির মুক্তি চাই। বাংলাদেশকে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে এর বিকল্প নেই।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
03/04/2026
শেখ হাসিনা একবার বলেছিলেন, 'আপনাদের সবার কাছে মোবাইল আছে না? এই মোবাইল কে দিয়েছে? আমরা দিয়েছি। আওয়ামী লীগ সরকার দিয়েছে।' এই কথা শুনে সুশীল সমাজের সে কি প্রতিবাদ! তারা মোবাইল কিনেছে নিজের পকেটের টাকায়, শেখ হাসিনা কেনে বললো, মোবাইল আওয়ামী লীগ সরকার দিয়েছে?
এবার আসেন বর্তমান প্রসঙ্গে। এই যে এই লোকদের দেখছেন, কাঠফাটা রোদের মধ্যে অর্ধমৃত হয়ে ফুয়েলের জন্য পেট্রোল পাম্পে বসে আছে, এরা কিন্তু মাগনা বা ডিসকাউন্টে ফুয়েল নিতে আসে নি। পকেটে টাকা নিয়েই এসেছে। লাগলে নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি টাকা দেবে। তাও পাচ্ছে না। অর্থাৎ পকেটে টাকা থাকলেই সব পাওয়া যায় না।
আমরা নিজেরা স্বয়ংসম্পূর্ণ নই। যে কোনো পণ্যের প্রয়োজন মেটাতে হলে আমাদের বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। সেটাও টাকা থাকলেই হয় না। এরজন্যও অনেক ভূরাজনৈতিক সমীকরণ থাকে, অনেক দেন-দরবার করতে হয়। তারপর সেই পণ্যটা দেশে আসে। শেখ হাসিনা এই বিষয়টা ইঙ্গিত করেই মোবাইল ফোন দেওয়ার কথা বলেছিলেন।
একইভাবে পদ্মাসেতু ও অন্যান্য স্থাপনা যে শেখ হাসিনা বাপের টাকায় না করেও ক্রেডিট নেয় এর কারণও এটাই। টাকা থাকলেই নদীর ওপরে সেতু ওঠে না। সেতু ওঠার জন্য সেই টাকার সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হয়। সেতু তৈরির জন্য অকল্পনীয় কর্মযজ্ঞ চালাতে হয়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হয়। যা সবাই পারে না। শেখ হাসিনা পারতেন।
শেখ হাসিনা পারতেন বলেই শেখ হাসিনার সময়ে ফুয়েলের জন্য মানুষকে এতো কষ্ট করতে হয় নি। যুদ্ধ করে ফুয়েল কিনতে হয় নি। শেখ হাসিনা পিয়াঁজের সংকট নিরসন করেছিলেন ১০ দিনের মধ্যে। ফুয়েলের সংকট নিরসন করতেও ১০ দিনের বেশি লাগতো না। জটিল ভূরাজনৈতিক সমীকরণ মোকাবিলা করেও এতোদিনে ফুয়েলের অভাব পূরণ করতেন। অবশ্যই সেটা শেখ হাসিনার নিজের টাকায় নয়, জনগণের টাকা দিয়েই।
কোনো সরকারই নিজের টাকায় কিছু করে না। সব সরকারই জনগণের টাকায় কাজ করে। কিন্তু জনগণের টাকা কিভাবে কাজে লাগাতে হয় সেটা সব সরকার জানে না। বর্তমান সরকার জানলে মানুষকে এক মাসের বেশি সময় ধরে এভাবে সামান্য অকটেনের জন্য যুদ্ধ করতে হতো না।