Nasihahboi.com

Nasihahboi.com

Share

Tawhidi Kontho - তাওহীদি কন্ঠ সহিহ আকিধা সংক্রান্ত ইসলামিক লেকচার পাবেন।

14/09/2025

আপনার নিরাপত্তা কি খুব দুরুহ ব্যাপার? এ নিরাপত্তার মাঝে কি বিপদের হাতছানি দেখছেন? ডাক্তাররা কি আপনাকে জানিয়ে দিয়েছে যে, আপনার অমুক আত্নীয়ের আরোগ্য লাভের সম্ভাবনা নেই? আপনার কাজের আশানুরূপ ফলাফল না পেলে কি আপনি হতাশায় ভুগেন?
তাহলে আসুন আমরা পরিচিত হই আল্লাহর সূক্ষ্মদর্শী নামটির সাথে,এ নাম পপর্যবেক্ষণ করলে নিশ্চিত হবেন যে,এ জীবনে অসম্ভব বলে কিছুই নেই।আল্লাহ সব কিছুই করতে পারেন। আপনার অসম্ভব সপ্নগুলো বাস্তবে রুপ নিবে যদি আপনি সূক্ষ্মদর্শী আল্লাহর দরজায় কড়া নাড়েন,,,,,

12/12/2024
08/12/2024

বাংলাদেশের স্বৈরাচার পালানোর পর
আরেকটা স্বৈরাচার পালাইছে সিরিয়া থেকে।
আগামীতে ইন্ডিয়ার স্বৈরাচার টার্গেট। ইনশা আল্লাহ ।

এই ভাবে সকল স্বৈরাচার ধবংস হবেই। ইনশা আল্লাহ

02/12/2024

হজ-উমরাহ বিশ্বকোষ। Hajj Umrah Bisshokosh
===================================
পবিত্র কাবার কালো গিলাফ স্পর্শ করা প্রত্যেক মুমিনের হৃদয়ের গভীরতম এক আকুতি। আর এ আকুতি পূরণে প্রতিবছর পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ ছুটে আসেন পবিত্র মক্কা নগরীতে।২০২৩ সালে কেবল বাংলাদেশ থেকেই কাবা জিয়ারতে গিয়েছেন প্রায় ছয় লক্ষাধিক মানুষ। কিন্তু দুনিয়াজুড়ে মুসলিম জাতির অবস্থা দেখলে কি মনে হয়, এ সফর আমাদের জীবনে ইতিবাচক কোনো পরিবর্তন আনতে পেরেছে?হজ বা উমরাহর এই সফরের মাধ্যমে আপনার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হলে এ সফরকে বানাতে হবে একটি সমৃদ্ধ জ্ঞানের সফর। অন্যথায়, হাত দিয়ে হয়তো হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করবেন, কিন্তু হৃদয় দিয়ে কিছু অনুভব করতে পারবেন না। জমজমের পানি আপনার গলা ঠান্ডা করবে কিন্তু অন্তরকে শীতল করবে না। কাবাঘর আপনার চোখকে তৃপ্ত করবে কিন্তু হৃদয়ে প্রশান্তি আনবে না।লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয়ে আয়োজিত আপনার এই সফরকে আসমানি ও ঐতিহাসিক জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতেই সিয়ান পাবলিকেশন নিয়ে এসেছে ‘হজ-উমরাহ বিশ্বকোষ’। এই গ্রন্থে রয়েছে সূচনাকাল থেকে নিয়ে বর্তমান পর্যন্ত পবিত্র কাবাঘর ও মসজিদে নববির নির্মাণ ও সম্প্রসারণের ইতিহাস এবং নির্মাণশৈলীর সচিত্র ধারাবর্ণনা।রয়েছে মক্কা নগরী ও মদিনা মুনাওয়ারায় অবস্থিত সকল পবিত্র ও বরকতময় স্থানের রঙিন মানচিত্র; ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সেসব স্থানের করণীয় বর্জনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা। আরও আছে যুগে যুগে পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে হজ যাতায়াতের মানচিত্র, ঐতিহাসিক রুটম্যাপ এবং পর্যালোচনা; সাথে দেওয়া হয়েছে হজ ও উমরাহ আদায়ের সংশ্লিষ্ট সকল মাসআলার যথাযথ বর্ণনা।আপনার কষ্টার্জিত টাকা ব্যয় করে আয়োজিত হজ-উমরাহর সফর হয়ে উঠুক সমৃদ্ধ ও শুদ্ধ; জ্ঞানের আলোয় আলোকিত। আপনার জীবন হয়ে উঠুক আল্লাহর রঙে রঞ্জিত, আল্লাহর রাসুলের সুন্নাহর অনুসরণে পরিচালিত।হজ-উমরাহ যাত্রী আপনার পরিচিত ও আপনজনদের জন্য ‘হজ-উমরা বিশ্বকোষ’ গ্রন্থটি হতে পারে শ্রেষ্ঠ উপহার।

26/10/2024

**বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম**

"সন্তানকে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে চালিত করুন"—এটি প্রতিটি মুসলিম মা-বাবার জন্য একটি মহান দায়িত্ব। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের সন্তানদেরকে কেবল দুনিয়ার জন্য নয়, আখেরাতের জন্যও প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, *"হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারকে সেই আগুন থেকে রক্ষা কর, যার ইন্ধন হবে মানুষ এবং পাথর..."* (সুরা তাহরিম, ৬)। এর অর্থ হলো, সন্তানদেরকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেন তারা আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে চলে এবং নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাতে পারে।

রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, *"তোমাদের প্রত্যেকেই রক্ষক, এবং তোমাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জবাবদিহি করা হবে..."* (বুখারি ও মুসলিম)। এই হাদিসটি নির্দেশ করছে, সন্তানদের সঠিক ইসলামী শিক্ষা দেওয়া এবং আল্লাহর পথে পরিচালিত করার দায়িত্ব মা-বাবার ওপর অর্পিত।

সুতরাং, সন্তানদেরকে ইসলামের আদর্শে পরিচালিত করতে হলে আমাদের তাদেরকে আল্লাহর ভালোবাসা, রাসূলুল্লাহর (স) সুন্নাহ এবং ইসলামের মূল শিক্ষাগুলো শিখাতে হবে। আল্লাহর পথে সন্তানদের পরিচালিত করা শুধুমাত্র তাদের আখেরাতের মুক্তির পথই নয়, আমাদেরও সফলতার মাধ্যম। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমিন।

24/10/2024

টেনশন দূর করতে নেশা নয়, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজই যথেষ্ট

মানব জীবনে টেনশন, উদ্বেগ এবং মানসিক চাপ এমন একটি চিরন্তন বাস্তবতা, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমরা অনেক সময় বিভিন্ন কারণে হতাশায় ভুগি—ব্যক্তিগত সম্পর্ক, কাজের চাপ, আর্থিক সমস্যা, কিংবা ভবিষ্যতের চিন্তা। এ ধরনের সমস্যাগুলোর সমাধান খুঁজতে অনেকেই ভুল পথে হাঁটে, যেমন নেশা বা অন্যান্য ক্ষতিকর অভ্যাসের আশ্রয় নেওয়া, যা সাময়িক মুক্তি দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে আমাদের জীবনে আরও দুর্বিষহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।

নেশার ক্ষতি ও ইসলামের নিষেধাজ্ঞা:

ইসলামে নেশাজাতীয় দ্রব্য সম্পূর্ণরূপে হারাম। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন:

"হে মুমিনগণ! মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য নির্ধারণকারী তীরসমূহ শয়তানের অপবিত্র কর্ম। সুতরাং তোমরা তা থেকে বেঁচে থাকো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।" (সূরা মায়েদা, ৫:৯০)

নেশা মানুষের চিন্তা ও কর্মশক্তিকে ধ্বংস করে, তাকে ঈমানের পথে থেকে সরিয়ে শয়তানের পথে নিয়ে যায়। এর বিপরীতে, ইসলামে রয়েছে এক অভাবনীয় মুক্তির পথ—পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ: মানসিক প্রশান্তির মূলমন্ত্র

নামাজ একজন মুসলমানের জীবনে সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু। এই ইবাদত কেবল আল্লাহর সামনে আত্মসমর্পণ নয়, এটি আত্মার প্রশান্তি এবং মানসিক স্থিতির জন্যও অপরিহার্য। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেন:

"নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।" (সূরা আনকাবূত, ২৯:৪৫)

নামাজের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি, আমাদের কষ্ট ও উদ্বেগ দূর করতে তার কাছে সরাসরি নিবেদন করতে পারি। আল্লাহ সর্বদা তার বান্দার কাছে আছেন এবং তার কাছে আমাদের সব ধরনের সমস্যার সমাধান রয়েছে।

প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আমাদের জীবনকে সুশৃঙ্খল করে, মনকে শান্ত করে, এবং টেনশনের বোঝা হালকা করে। নামাজের সেজদার মাধ্যমে আমরা আমাদের সকল ভার আল্লাহর ওপর অর্পণ করতে পারি। সেজদা হলো এমন একটি মুহূর্ত, যেখানে বান্দা তার রবের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে। তাই এই সেজদায় কান্নার মাধ্যমে আমরা আমাদের অন্তরের সব পীড়া এবং টেনশন আল্লাহর কাছে প্রকাশ করতে পারি।

নামাজের মধ্যেই শান্তি:

নামাজ এমন এক ইবাদত, যা আমাদের আত্মার সাথে গভীর সংযোগ স্থাপন করে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

"নিশ্চয়ই আমি নামাজে শান্তি খুঁজে পাই।" (সহীহ মুসলিম)

প্রতিটি নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তি লাভ হয়। নামাজের প্রতিটি রাকাতে আমাদের মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে, আমাদের সমস্যা ও টেনশনগুলো সাময়িক, আর আল্লাহর রহমত ও সাহায্য আমাদের সব সময়ের জন্য স্থায়ী।

সমাপনী কথা:

নেশা নয়, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজই যথেষ্ট আমাদের টেনশন দূর করার জন্য। ইসলামে নেশাজাতীয় বস্তু হারাম এবং তা আমাদের দুনিয়া ও আখিরাত উভয়কেই ধ্বংস করে। কিন্তু নামাজ আমাদের মনে আস্থা, সাহস এবং প্রশান্তি দেয়। যারা নিয়মিত নামাজ পড়ে, তারা আল্লাহর উপর ভরসা করতে শেখে এবং তাদের জীবনের প্রতিটি সমস্যায় আল্লাহর সাহায্য লাভ করে।

আসুন, আমরা সকলেই আমাদের জীবনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে গুরুত্ব দিয়ে পালন করি, এবং আল্লাহর কাছ থেকে মানসিক প্রশান্তি ও দুনিয়া-আখিরাতের সফলতা অর্জন করি।

19/09/2024

"ভাই ও বোনেরা,
জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের জন্য এক পরীক্ষার অংশ।
আমরা জানি না, আমাদের কতটা সময় বাকি।
তবে একটা জিনিস আমরা জানি –
মৃত্যুর পর আমাদের হিসাব দিতে হবে।
তুমি কি ভেবে দেখেছো, আল্লাহ আমাদের কতবার ডাকেন প্রতিদিন?
সেই ডাকে সাড়া দেওয়া মানে কি শুধুই একটি কাজ? না, বরং এটা তোমার প্রভুর সাথে সম্পর্কের প্রথম ধাপ।
নামাজ মানে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো,
তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, এবং
নিজের জীবনের জন্য দোয়া করা।

একটি ছোট্ট প্রশ্ন ভাবো,
'যদি আজই আমার শেষ দিন হয়, আমি কি প্রস্তুত?'

যদি উত্তরটা না হয়, তবে নামাজই তোমার সেই প্রথম প্রস্তুতি।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন,
এবং সঠিক পথে চলার শক্তি দিন।"

Photos from Nasihahboi.com's post 17/09/2024

গত ১৬ বছর যাবত বাংলাদেশের University
গুলোর মধ্যে নাস্তিক ওইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষ
হিন্দুবাদী ছাত্র সন্ত্রাসীদের দখলে ছিলেন।

আলহামদুলিল্লাহ্‌
আল্লাহ তায়ালা একদল বাহিনী দিয়ে
আমাদেরকে মুক্ত করেছেন,

বর্তমানে University গুলোর মধ্যে
প্রাণ খুলে সবাই স্বাধীনভাবে দাওয়াতি কাজ করেছেন।

গতকাল বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটির মধ্যে
প্রফেসর মোখতার আহমাদ স্যার
রাসুল (সাঃ) এর সিরাহ নিয়ে
অসাধারন আলোচনা করেছেন
আলহামদুলিল্লাহ্

Photos from Nasihahboi.com's post 16/09/2024

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সিরাত পাঠ করা একজন মুসলিমের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। সিরাতের মাধ্যমে রাসুল (সা.) এর জীবন, চরিত্র, আদর্শ, এবং ইসলাম প্রচারের ধৈর্যশীলতা সম্পর্কে জানলে একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে:

১. ধর্মীয় অনুপ্রেরণা ও ইমান বৃদ্ধি:
সিরাত পাঠে রাসুল (সা.) এর প্রতি ভালোবাসা ও ইমান দৃঢ় হয়। তাঁর জীবন সংগ্রাম, ত্যাগ ও আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস দেখে একজন ব্যক্তি নিজের ইমানকে আরো শক্তিশালী করতে পারেন।

২. আখলাক বা চরিত্র উন্নয়ন:
রাসুল (সা.) এর আখলাক বা চরিত্র অত্যন্ত উত্তম ছিল। সিরাত পাঠ করে একজন ব্যক্তি তাঁর ন্যায়পরায়ণতা, ধৈর্য, ক্ষমাশীলতা, এবং দয়ালুতা সম্পর্কে জানতে পারেন। এসব গুণাবলী নিজের জীবনে প্রয়োগ করে মানুষ নিজেও চরিত্রবান হতে পারেন।

৩. ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা বৃদ্ধি:
রাসুল (সা.) প্রচুর বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হয়েছিলেন, কিন্তু কখনো হতাশ হননি। সিরাত পড়লে মানুষ ধৈর্য ধরে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে শিখতে পারে। কঠিন সময়গুলোতে শান্ত থেকে ধৈর্য ধারণের অনুপ্রেরণা পাওয়া যায়।

৪. নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ:
রাসুল (সা.) সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং মানুষের সেবা করেছেন। তাঁর জীবন থেকে সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন, ন্যায্যতা, এবং সহযোগিতার শিক্ষাও পাওয়া যায়, যা ব্যক্তি নিজের জীবনে প্রয়োগ করতে পারে।

৫. দৈনন্দিন জীবনে সুন্নাহ অনুসরণ:
সিরাত পড়লে একজন ব্যক্তি রাসুল (সা.) এর সুন্নাহ সম্পর্কে জানতে পারেন এবং সেগুলো নিজের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করতে উৎসাহী হন। যেমন, খাওয়া-দাওয়া, পোশাক পরিধান, আচরণ ইত্যাদিতে রাসুল (সা.) এর পদ্ধতি অনুসরণ করা শুরু করা যায়।

৬. আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল বা ভরসা বৃদ্ধি:
রাসুল (সা.) সবসময় আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা করেছেন। সিরাত থেকে এই শিক্ষা নিয়ে একজন ব্যক্তি তার জীবনেও আল্লাহর উপর ভরসা করতে পারে, যা তার মানসিক শান্তি এবং স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হয়।

৭. জ্ঞানার্জনের প্রতি আগ্রহ:
রাসুল (সা.) এর জীবন ছিল জ্ঞান এবং শিক্ষার প্রতি উৎসর্গীকৃত। সিরাত পড়লে মানুষ ইসলামের ইতিহাস ও জ্ঞানার্জনের প্রতি অনুপ্রাণিত হতে পারে এবং ধর্মীয় শিক্ষায় মনোযোগী হয়।

সিরাত পাঠ শুধু ইতিহাস জানা নয়, বরং রাসুল (সা.) এর জীবন থেকে শিক্ষাগ্রহণ করে একজন ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

14/09/2024

আপনি জ্ঞান অর্জন করুন,
নিম্নে ৪ থেকে ৫ বছর,

বিশেষ করে একটা সংক্ষিপ্ত তাফসীর
আরেকটা বড় তাফসির।
(তাফসির ইবনে কাসির)

এরপর কুরআন ও হাদিসের আলোকে
বিষয় ভিত্তিক বই গুলো, ইনশা আল্লাহ।

এরপর দেখবেন আপনার মধ্যে একটা
বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবেই, ইনশা আল্লাহ

দ্বীন মোহাম্মাদ

Photos from Nasihahboi.com's post 03/09/2024

তারবিয়াহ অনলাইন মাদরাসার ছাত্র ও ছাত্রীদের সার্টিফিকেট এর সাথে উপহার হিসাবে পাচ্ছেন প্রফেসর মোখতার স্যারের প্রথম বইটি নাসীহাহ।

21/08/2024

মা-বাবার প্রতি নিষ্ঠুরতা কেন বাড়ছে:?
𝓟𝓻𝓸𝓯𝓮𝓼𝓼𝓸𝓻 𝓜𝓸𝓴𝓱𝓽𝓮𝓻 𝓐𝓱𝓶𝓪𝓭

Want your business to be the top-listed Government Service in Feni?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dhaka
Feni