নয়নে মেহের আলী শাহ
Biographical Encyclopaedia of Sufi's
সুন্নী অনলাইন প্লাটফর্ম
05/10/2022
❣️❣️❣️আহলে-বাইত মিডিয়া❣️❣️❣️
রেখে গেলাম পবিত্র কোরআন এবং আমার সুন্নাহ বা হাদিস--
ভিত্তিহীন একটি হাদিসঃ-
আসুন,-
এ বিষয়ে একটু আলোচনা করি---
একটি বহুল প্রচলিত মুরছাল হাদিস এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা — মহানবী (সাঃ) তাঁর ওফাতের পূর্বে সমগ্র উম্মতগনের জন্য বললেন যে , ” — রেখে গেলাম পবিত্র কোরআন এবং আমার সুন্নাহ বা হাদিস ——- ” । প্রিয় পাঠক , উপরে উল্লেখিত হাদিসটি আমাদের চারিপাশে প্রচলিত ইসলামে সর্বাধিক প্রচারিত একটি জনপ্রিয় একটি হাদিস । হাদিসটি আমাদের সম্মাানীয় আলেম ওলামাগন বিভিন্ন ওয়াজে , টিভি প্রোগ্রামে বয়ান করে থাকেন । বেশ ভাল কথা । তো এবারে আমাদের সম্মাানীয় আলেমগনের পক্ষ থেকে সর্বাধিক প্রচারিত হাদিসটির রেফারেন্স খুঁজতে যেয়ে পবিত্র কোরআনের ঠিক পরেই সবথেকে নির্ভরযোগ্য সহীহ আল বুখারি শরীফ এবং সহীহ আল মুসলিম শরীফে এই হাদিসটির কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেল না । এমনকি সহীহ তিরমিজি শরীফ , আবু দাউদ শরীফ , ইবনে মাজাহ এবং নাসায়ি শরীফেও এই হাদিসটির কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেল না । মোটকথা এই যে , সহীহ সিহাহ সিত্তাহ হাদিসগ্রন্থ সমূহে এই হাদিসটির কোন অস্তিত্ব নেই । স্বভাবতই প্রশ্ন চলে আসে যে , সর্বাধিক প্রচারিত ও বাজারজাতরন কৃত জনপ্রিয় এই হাদিসটি তাহলে কোথায় আছে ? গবেষনায় দেখা গেল যে , হাদিসটি আছে মুয়াত্তা মালেকি তে । হাদিসটি বর্ণনা করেছেন মালেক বিন আনাস (রঃ) । কে ছিলেন এই মালেক বিন আনাস (রাঃ) ? উনি সাহাবি ছিলেন না । উনি ছিলেন তাবেঈন । সংগত কারনে আমাদের প্রিয় রাসুল (সাঃ) এর বিদায় হজ্ব ভাষণের সময় উনি উপস্থিত ছিলেন না । তাছাড়া হাদিস বর্ণনাকারীদের মধ্যে ধারাবাহিকতা বজায় থাকে নি । অর্থাৎ উসুলে হাদিসের নীতিমালা অনুযায়ী হাদিসটি মুরসাল । মূরসাল হাদীস হচ্ছে যেই হাদীসের রাবিদের পরম্পরায় একজন বা একটি জেনারেশান বাদ পড়ে গেছে । অন্য দলীল না থাকলে মূরসাল হাদীস গ্রহনযোগ্য নয় । পাঠক , এবারে জেনে নিন যে , প্রকৃত সত্য তাহলে কোনটি । হাদিসে সাকালাইন নামে এই হাদিসটি বহুল প্রচারিত — মহানবী (সাঃ) বলেন যে – ” হে মানবসকল , নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মধ্যে অতীব গুরুত্বপূর্ন দুটি ভারী জিনিষ (সাকালাইন) রেখে যাচ্ছি , যদি এই দুইটি আঁকড়ে ধরে থাক তাহলে কখনই পথভ্রষ্ট হবে না । প্রথমটি হচ্ছে , পবিত্র কোরআন এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে , আমার ইতরাত , আহলে বাইত (রক্তজ বংশধর) । নিশ্চয়ই এই দুইটি জিনিষ হাউজে কাওসারে আমার সাথে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত কখনই পরস্পর থেকে বিছিন্ন হবে না ” । সূত্র – সহীহ তিরমিজি , খন্ড – ৬ , হাদিস – ৩৭৮৬ , ৩৭৮৮ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) / মেশকাত , খন্ড – ১১ , হাদিস – ৫৮৯২ , ৫৮৯৩ (এমদাদীয়া লাইব্রেরী) ।
তাফসীরে মাযহারী , খন্ড – ২ , পৃষ্ঠা – ১৮১ , ৩৯৩ (ইসলামিচ ফাউন্ডেশন) / তাফসীরে হাক্কানী (মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী ) , পৃষ্ঠা – ১২ , ১৩ (হামিদীয়া লাইব্রেরী) / তাফসীরে নুরুল কোরআন , খন্ড – ৪ , পৃষ্ঠা – ৩৩ (মাওলানা আমিনুল ইসলাম) / মাদারেজুন নাবুয়াত , খন্ড – ৩ , পৃষ্ঠা – ১১৫ (শায়খ আব্দুল হক দেহলভী) / ইযাযাতুল খিফা (শাহ ওয়ালিউল্লাহ) , খন্ড – ১ , পৃষ্ঠা – ৫৬৬ / মুসলিম মুসনাদে আহমদ / নাসাঈ / কানযুল উম্মাল / তাফসীরে ইবনে কাছির / মিশকাতুল মাছাবিহ / তাফসীরে কবির ।
সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষন – পথভ্রষ্টতা থেকে মুক্তি পাওয়ার সনদ হচ্ছে , মহানবী (সাঃ) এর রক্তজ বংশধর তথা পুতঃপবিত্র আহলে বাইত (আঃ) গনের অনুসরন ও আনুগত্য করা । এই সাবধান বানী মহানবী (সাঃ) সেই সময় সকল সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন । অর্থাৎ মহানবী (সাঃ) এর পবিত্র আহলে বাইত (আঃ) গনের অনুসরন ও আনুগত্য করা সকল সাহাবীগনের জন্যও বাধ্যতামূলক ছিল । এই অবস্থায় আমরা যদি মহানবী (সাঃ) এর পবিত্র আহলে বাইত (আঃ) গনের অনুসরন ও আনুগত্য না করি , তাহলে পথভ্রষ্টতা থেকে আদৌ কি মুক্তি পাব ? আল্লামা সানাউল্লাহ পানিপথী তার তাফসীরে মাযাহারীতে লিখেছেন – ” নবীজী (সাঃ) এর পবিত্র আহলে বাইত (আঃ) এর কথা এজন্যে তাগিদ করেছেন যে , হেদায়েত ও ইমামত তথা বেলায়েতের বিষয় আহলে বাইত (আঃ) গনই একমাত্র পথপ্রর্দশক ” । সূত্র – তাফসীরে মাযহারী , খন্ড – ২ , পৃষ্ঠা – ৩৯৩ (ইফাঃ) / তাফসীরে নুরুল কোরআন , খন্ড – ৪ , পৃষ্ঠা – ৩৩ । বিশ্লেষন — উসুলে হাদিসের নীতিমালা অনুযায়ী এই হাদিসে সাকালাইন হাদিসটি সম্পূর্ণ সহীহ । সবথেকে অবাক করা বিষয় এই যে , প্রচলিত ইসলামে একটি মুরসাল হাদিস নিয়ে অনেক আলোচনা , ব্যাপক প্রচার ও বাজাতজাতকরন হয় । কিন্ত অতীব দুঃখের বিষয় হল যে , এতগুলো সনদে উল্লেখ থাকা সত্বেও বিশুদ্ব সহীহ এই হাদিসটি নিয়ে আলোচনা খুবই কম হয় ! নবীজী (সাঃ) এর পবিত্র আহলে বাইত (আঃ) গন তথা নবী বংশ নিয়ে আলোচনা এত কম হয় কেন ? পরিশেষে পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত মনে করিয়ে দিয়ে আপাঃতত বিদায় – “ — এবং সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিও না অথবা সত্যকে গোপন কর না যখন তোমরা জান – “ । সুরা – বাকারা / ৪২ । পাঠক , বহুল প্রচারিত একটি মুরছাল হাদিসের বিপরীতে আসুন আমরা গ্রহন করে নেই সর্বাধিক বিশুদ্ব রেওয়ায়েত সমৃদ্ব সহীহ হাদিসকে ।
==============================
20/09/2022
""শানে ইমাম হুসাইন আলি মাকাম আঃ""
নবিয়ে মুহাম্মাদ সাঃ বলেন, "" হুসাইন মিন্নি ওয়া আনা মিনাল হুসাইন"" অর্থঃ হুসাইন আমা হতে এবং আমি হুসাইন হতে।
নবি হতে হুসাইন এটা সবাই বুঝি কিন্তু হুসাইন হতে নবি কিভাবে??
এটা বুঝার জন্য আসেন ইব্রাহিম আঃ এর কাছে ফিরে যাই।
সূরা সাফফাত আয়াত ১০৩, ইব্রাহিম আঃ বলিলেন হে আমার সন্তান ইছমাইল আমি স্বপ্নে দেখেছি আল্লাহর নির্দেশে তোমাকে জবাই করেছি। ইছমাইল আঃ বললেন হে আমার পিতা আপনি স্বপ্নে যাহা দেখেছেন তাই করুন।
ইছমাইল আঃ কে জবাই করার জন্য যখন ছুরি চালাতে লাগলেন তখন কিছুতেই গলা কাটছিলো না। ইব্রাহিম আঃ আশ্চর্য হয়ে এর রহস্য জানার জন্য আসমানের দিকে তাকালেন। সূরা আনাম আয়াত ৭৫, আল্লাহ তায়ালা ইব্রাহিম আঃ কে আসমান এবং জমিনের সমস্ত ঘটনাবলি অবলোকন করান।
ইব্রাহিম আঃ যখন আসমানে তাকালেন পর্দা উঠে গেলো, ১০ মহরম আশুরার দিনে কারবালার প্রান্তরে ইমাম হুসাইল আঃ এর কোরবানি স্বচক্ষে দেখলেন এবং ক্রন্দন করতে করতে তিনি শোকাহত হয়ে পরলেন।
অতপর আল্লাহ তায়ালা বললেন হে ইব্রাহিম আঃ তুমি ইমাম হুসাইন এর প্রেমে ক্রন্দন করেছো তাই আমি খুশি হইলাম। আল্লাহর পক্ষ হইতে আয়াত আসলো সূরা সাফফাত ১০৭, "" ওয়াফা দাইনাহু জীবহি আজিম"" অর্থঃ হে ইব্রাহিম আমি তোমার উপর খুশি হইলাম। ইমাম হুসাইন আঃ এর কোরবানির বিনিময়ে তোমার কোরবানি কবুল করিলাম এবং তোমার ছেলেকে বাচিয়ে দিলাম।
সেদিন যদি সত্যি ইছমাইল আঃ কোরবানি হইতেন তাহলে আমরা ইছমাইল নবির বংশের মাধ্যমে আমাদের নবি মুহাম্মাদ সাঃ কে পাইতাম না। ইমাম হুসাইন আঃ কোরবান হয়ে ইছমাইল আঃ কে বাচিয়ে দিলেন যার মাধ্যমে ইছমাইল আঃ এর বংশে আমরা মুহাম্মাদ সাঃ কে পেলাম।
এই জন্যই নবিজি বলেছেন আমি হুসাইন হইতে।
একই কারনে খাজা গরিব নেওয়াজ মইনুদ্দিন চিশতি আঃ বলেছেন, "" শাহ আস্ত হুসাইন, বাদশাহ আস্ত হুসাইন, দ্বীন আস্ত হুসাইন, দ্বীন পানাহ আস্ত হুসাইন।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ইমাম হুসাইন আঃ এর শান ও আজমত বুঝার তৌফিক দান করুক এবং ইমাম হুসাইন আঃ এর গোলাম হিসেবে কবুল করুক।
প্রকৃতিও যেন নিশ্চুপে বলে যাচ্ছে আল্লাহর অলীদের ক্ষতি তার সাধ্যবহির্ভূত।
নিরবে যেন ওই পবিত্র কদমে চুম্বন করছে ক্ষিপ্ত ঐ জলধারা। 💙
-
#সংযুক্তি: ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের শিভানাসামুদ্রা/শিমসা (গগনছুক্কি ও ভরাছুক্কি) ঝর্ণার পাদদেশে এই মাজার শরীফ অবস্থিত।
সাহেবে মাজার, শায়খ সৈয়দ জালাল শাহ কাদেরী রহ.। স্থানটি কয়েকটি ঝর্নার পানির মিলনস্থল হওয়ায় পানির স্রোতে আসেপাশের মাটি ভেঙ্গে গেলেও মাজারটি দাঁড়িয়ে আছে সগৌরবে। হযরতের ব্যাপারে বিস্তারিত জানা না গেলেও অনেকেই ধারণা করেন। এই ঝর্ণার একটু উপরেই হিন্দুস্তানে আগত অন্যতম বিখ্যাত সুফী দরবেশ শায়খ মারদানে গায়েব রহ. এর সাথে আগত ৯০০ কলন্দর আউলিয়াদের একজন এই সৈয়দ জালাল শাহ কাদেরী রহ.। 💙
(২০২২)
14/09/2022
⭕"খোদার দিদারের পেয়ালা আমাকে এমন
ভাবে মাতাল করেছে যে, তার যাতনায় আমি
বেহেশত ও হুরের কাছেও বসি না"⭕
💞খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী (রহ.)💞
হযরত শাহজালাল (রঃ) এর মাজারের গজার মাছ....
09/09/2022
→ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার 'আখাউড়া' উপজেলার "খড়মপুর"-এ অবস্থিত "হযরত সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাজ (রঃ)" এর দরগাহ, যা "কেল্লা শহীদের দরগাহ" নামে সারাদেশে পরিচিত।
তবে,"খড়মপুর মাজার" নামেই চিনেন বেশিরভাগ মানুষ। কেল্লা শহীদের দরগাহ সম্পর্কে দু'টি কাহিনী প্রচলিত রয়েছে।
প্রথম কাহিনীঃ
"তখন খড়মপুরের জেলেরা তিতাস নদীতে মাছ ধরতো।একদিন 'চৈতন দাস' ও তার সঙ্গীরা উক্ত নদীতে মাছ ধরার সময় হঠাৎ তাদের জালে একটি খন্ডিত শির আটকা পড়ে।তখন জেলেরা ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে এবং খন্ডিত শিরটি উঠাতে গেলে আল্লাহর কুদরতে খন্ডিত শির বলতে থাকে-'একজন আস্তিকের সাথে আর একজন নাস্তিকের কখনো মিল হতে পারে না।তোমরা যে পর্যন্ত কলেমা পাঠ করে মুসলমান না হবে ততক্ষণ আমার মস্তক স্পর্শ করবে না।'খন্ডিত মস্তকের এ কথা শুনে মস্তকের কাছ থেকে কালেমা পাঠ করে চৈতন দাস ও সঙ্গীরা হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলমান হয়ে যায়।মস্তকের নির্দেশ মোতাবেক ইসলামী মতে খড়মপুর কবরস্থানে মস্তক দাফন করে।ধর্মান্তরিত জেলেদের নাম হয় যথাক্রমে-'শাহবলা','শাহলো','শাহজাদা','শাহগোরা' ও 'শাহরওশন'।তারাই এ দরগাহের আদিম বংশধর।তারপর এই দরগাহের খ্যাতি ধীরে ধীরে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।এ থেকেই শাহ পীর 'সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাজ' ওরফে 'কেল্লা শহীদের পবিত্র মাজার শরীফ' নামে পরিচিতি লাভ করে।"
দ্বিতীয় কাহিনীঃ
"খড়মপুরের জেলেরা তখন মাছ ধরতো তিতাস নদীতে জাল ফেলে।সেদিনও তারা মাছ ধরছিলো।সেই মস্তকটি হঠাৎ তাদের জালে আটকা পড়ে।জেলেরা যখন জাল টান দেয়,তখনি নদীতে ভূমিকম্প শুরু হয়।ফলে "গৌরাঙ্গ দাস" নামক এক হিন্দু ঘটনার রহস্য বের করতে গিয়ে জলে ডুব দিয়ে দেখেন যে,জালের মধ্যে একটা কাটা মস্তক "'আল্লাহু' 'আল্লাহু'"-বলে জিকির করছে।এটা দেখে সে অবাক হয়।তখন সেই বাবা কেল্লা শাহ (মস্তক) তাকে মুরিদ করে নেন এবং খরমপুরে তাকে ইসলাম প্রচার করার নির্দেশ দেন।এরপর গৌরাঙ্গ দাস সেই জাল নদী থেকে তুললে বাবা কেল্লা শাহ তাদের আড়ালে যেতে বলেন।তারা আড়ালে গেলে তিতাস নদীর পাড়েই আল্লাহর কুদরতে আপনাআপনি গায়েবি কেল্লা শাহ্র মাজার সৃষ্টি হয়।"
২৬০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত দরগা শরীফের জায়গা তৎকালীন "আগরতলা" এর মহারাজা দান করেন।
এটি ১৮০০ শতাব্দীতে নির্মিত বলে জানা যায়। বিখ্যাত আউলিয়া ও ধর্ম প্রচারক "হযরত শাহ্ জালাল (রঃ)" এর সঙ্গে সিলেটে যে ৩৬০ জন আউলিয়া এসেছিলেন,"হযরত সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাজ" ছিলেন তাদের অন্যতম (কিছু কিছু ক্ষেত্রে ঐতিহাসিকগণের ধারণা)।
"হযরত সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাজ" এর শহীদ হওয়া নিয়ে আছে ভিন্ন ভিন্ন মত।সেগুলো উল্লেখ করছিঃ
-"তরফ" রাজ্যের রাজা "আচক নারায়ণ" এর সঙ্গে ''হযরত শাহ জালাল''-এর প্রধান সেনাপতি 'হযরত সৈয়দ নাসিরউদ্দিন' যে যুদ্ধ পরিচালনা করেন,সে যুদ্ধে শহীদ হন "হযরত সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাজ" এবং তার মস্তক তিতাস নদীর স্রোতে ভেসে আসে।(সূত্র-জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
-তৎকালীন বাংলার রাজা ছিলেন "গৌর গোবিন্দ"।তিনি ছিলেন তান্ত্রিক শক্তিতে বলিয়ান।তার "জীয়ন কূপ" নামে একটি আশ্চর্য জনক কূপ ছিলো।হযরত শাহ জালালের সাথে তার যুদ্ধকালে তার মারা যাওয়া সৈন্যদের ওখানে ফেলে জীবিত করে ফেলতো।ফলে শাহ জালালের পক্ষে যুদ্ধ জয় করা সম্ভব হচ্ছিলো না।যুদ্ধ জয় করতে হলে কূপের শক্তি নষ্ট করা দরকার ছিলো।ধ্যানে তিনি কূপের শক্তির কথা জানতে পারলেন এবং সঙ্গে থাকা ৩৬০ আউলিয়াদের বললেন কূপের শক্তি নষ্ট করতে।কেউ রাজি না হলেও সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাজ রাজি হলো এবং নিজের তরবারি দিয়ে কেল্লা কেটে ফেললো "আল্লাহু আকবার" বলে (কারণ,ঐ কূপ ৪০ জন উলঙ্গ নারী পাহারা দিতো,ইসলামে অশ্লীলতার নিকটে যাওয়া হারাম।)।কেল্লা ছাড়া বাবা গেছুদারাজ কূপের কাছে যেতেই উলঙ্গ নারীরা পালিয়ে যায় এবং এক টুকরা গরুর মাংস ফেলে ঐ কূপের ক্ষমতা নষ্ট করেন।তারপর কেল্লা ছাড়া দেহ হযরত শাহ জালালের পায়ের সামনে গিয়ে প্রাণত্যাগ করে।পরে হযরত শাহ জালাল (রঃ) নিজ হাতে সেই পাক দেহ সিলেটে দাফন করেন।আর,কেল্লা তথা,মস্তকটি তিতাসে ভাসতে ভাসতে খড়মপুর চলে আসে।(সূত্র-বার্তাকক্ষ সিলেট)
সেদিন "হযরত শাহ্ জালাল (রঃ)" বলেছিলেন,"যদি কেউ আমার দরগাহ জিয়ারত করতে আসে,তাহলে সে যেনো সবার আগে কল্লা শাহ্র মাজার (কেল্লা শাহ্) জিয়ারত করে নেয়।না হলে জিয়ারত অসম্পূর্ণ রয়ে যাবে।"(সূত্র-বার্তাকক্ষ সিলেট)
প্রতিদিন প্রচুর মানুষ আসেন এই মাজারটি জিয়ারত করতে।
[তথ্যসূত্রঃ"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়নঃব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা" ও "বার্তাকক্ষ সিলেট"]
ছবি সুত্র ঃ ইন্টারনেট
09/09/2022
সিলেটের প্রথম মোসলমান হযরত শেখ গাজী বোরহান উদ্দীন (রহঃ) এর পবিত্র মাজার শরীফ সিলেট..
09/09/2022
অলী কুলের শিরমনি, কুতুবুল আখতাব, ১৪৫০ টি মসজিদের প্রতিষ্টাতা, হযরত শাহ্ সূফী হাজী গাজী মোল্লা কাজিমুদ্দিন কালিয়াপুরী আউলিয়া (রাঃ) এর পবিত্র মাজার শরীফ, কালিয়াপুর, লাকসাম।
09/09/2022
সুলতানুল আরেফিন বোরহানুল আশেকিন হযরত মাওলানা শাহ্ নূরী (রহঃ) এর মাজার শরীফ ★ মগবাজার, ঢাকা।
09/09/2022
শাহেন শাহে সুলতানুল বাংলা হযরত শাহ্ জালাল (রহঃ) এর পবিত্র মাজার শরীফ ★ সিলেট|
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka
Gazipur
