ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং আঘাত হানার আগে করণীয়ঃ
১. ইন্টারনেটে পোস্ট দেখে আতঙ্কিত না হওয়া:
যেকোনো পেজে ঘূর্ণিঝড় নিয়ে পোস্ট দেখে আতঙ্কিত না হয়ে টেলিভিশন অথবা এফএম রেডিওতে খবর শুনুন। রেডিও এবং টেলিভিশনে ভেরিফায়েড নিউজ পাবেন। বিপদে শান্ত থেকে সমাধানের চেষ্টা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
২. চার্জ দেওয়া
পাওয়ার ব্যাংক, চার্জার লাইট, টর্চ লাইটে চার্জ ফুল রাখুন। এর আগে ঘূর্ণিঝড় আইলার জন্য ১ দিনের বেশি বিদ্যুৎ, গ্যাস, মোবাইল ফোনের সার্ভিস পাওয়া যায়নি। শহরে আছি বলে কিছু হবে না, এমন মনে করা বোকামি। ব্যাকআপ হিসেবে মোমবাতি এবং লাইটার রাখা ভালো। তবে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আগুন সব সময়ই লাস্ট অপশন।
৩. ফার্স্ট এইড বক্স
প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় পানিবাহিত রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। ডায়রিয়া, জ্বরের জন্য স্যালাইন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহে রাখুন।
৪. নিরাপদ আশ্রয়
বাসা টিনশেড হলে বা নিচ তলায় হলে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস ওয়াটারপ্রুফ বক্সে টেপ এবং পলিথিন পেঁচিয়ে রাখুন। ফ্লোরে মাল্টিপ্লাগ রাখবেন না।
৫. শুকনো খাবার
নিরাপত্তার জন্য গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোন লাইন বন্ধ থাকতে পারে। রাস্তা বন্ধ থাকতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে শুকনো খাবার সংগ্রহে রাখুন।
৬. ফুলের টব, নির্মাণ সামগ্রী নিরাপদ স্থানে রাখুন
ফুলের টব নিরাপদ স্থানে রাখুন। খোলা জায়গায় নির্মাণ সামগ্রী রাখবেন না। বাসার পাশে নির্মাণাধীন ভবন থাকলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন।
ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে করণীয়
১. রাস্তায় থাকলে শপিং মল, মসজিদ, স্কুল বা যেকোনো পাকা ইমারতে আশ্রয় নিন। কোনোভাবেই খোলা আকাশের নিচে থাকা যাবে না।
২. রাস্তায় যানজটে পড়লে গাড়ির পাশে জায়গা রেখে দাঁড়ানোর চেষ্টা করুন যেন বিপদের মুহূর্তে দরজা খোলা যায়।
৩. বাড়ির বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের মেইন লাইন বন্ধ করে দিন।
৪. দরজা-জানালা বন্ধ রাখুন যাতে বাইরে থেকে ময়লা বা ভারী কিছু উড়ে এসে আঘাত করতে না পারে।
৫. টিনশেড বাসা হলে বা নিচু জায়গায় হলে নিরাপদ কোথাও আশ্রয় নিন।
৬. ইন্টারনেট ব্যবহার না করে ফোনে রেডিও শুনতে হবে। ডাটা কানেকশন অন রেখে ফেসবুক স্ক্রল করলে ব্যাটারিও দ্রুত শেষ হবে, নেটওয়ার্কও বেশি ব্যস্ত থাকবে।
৭. কোনোভাবেই ট্যাপের পানি সরাসরি খাওয়া যাবে না। ফুটিয়ে বা ভালো ফিল্টার ব্যবহার করতে হবে।
৮. খুব বেশি জরুরি না হলে রাস্তায় বের হওয়া নিরাপদ নয়।
৯. কল করে নেটওয়ার্ক বিজি না রেখে এসএমএস ব্যবহার করে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করুন। ডাটা কানেকশন অফ রাখুন।
সর্বোপরি উদার হওয়ার চেষ্টা করুন। বিপদগ্রস্তকে সাহায্য করার সুযোগ থাকলে সাহায্য করুন। নিজে উপরতলায় থাকলে নিচতলার বসবাসকারীদের দিকে খেয়াল রাখুন। বাসার পাশের টিনশেডের বসবাসকারীদের আশ্রয় দিন।
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং আঘাত হানার পরে করণীয়ঃ
১. ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িতে প্রবেশ করবেন না।
২. যত দ্রুত সম্ভব সুরক্ষিত স্থানে চলে যান।
৩. ছিঁড়ে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারে হাত দেবেন না।
©
#সচেতনতায়:
টিম মধু'দার আপডেট
GBDS
The blood you donate gives someone another chance at life. One day that someone may be a close relat
01/10/2022
সারাদেশে ভিন্ন জেলায় "চোখ ওঠা" কিংবা
"ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস" ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ছে।
যেভাবে সর্তক থাকবেন এবং পরিচিত বন্ধু বান্ধবী পরিবার এর সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন করবেন।
দ্রুত বিষয়টি সবাইকে জানাতে শেয়ার এবং মেনশন করে সর্তক করুন।
চোখ ওঠা একটি স্পর্শকাতর রোগ।
চোখ ওঠাকে কনজাংটিভাইটিস বা রেড/পিংক আই বলে। অর্থাৎ কনজাংটিভা নামক চোখের পর্দায় প্রদাহ হলে তাকে চোখ ওঠা রোগ বলা হয়। চোখ ওঠার মূল কারণ ভাইরাসজনিত এবং এটি অতিমাত্রায় ছোঁয়াচে।
চোখ ওঠায় আক্রান্ত কারও চোখের দিকে তাকালে কারোর চোখ ওঠে না। ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত চোখ কিছুদিন পর ভালো হয়ে যায় ঠিক, কিন্তু আশপাশে অনেককেই আক্রান্ত করে বা করতে পারে। তবে চোখ ওঠা রোগী মূলত সে তার নিজের জন্য সমস্যা নয়, বরং অন্যের জন্য সমস্যা।
কারও চোখ ওঠা হয়তো তিন দিনে ভালো হয়ে যায়, কারোর আবার ৩ সপ্তাহ লাগতে পারে। সেটা নির্ভর করে কার কী ধরনের ভাইরাস আক্রান্ত করেছে এবং সেই রোগীর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কেমন তার ওপর।
""" যেভাবে ছড়াচ্ছে এই বিষয় গুলো মাথায় রেখে সবাই সচেতন হলে এটি থেকে রক্ষ্যা পাওয়া সম্ভব। """
চোখে ভাইরাস দিয়ে প্রদাহ হলে চোখের পানিতে ভাইরাস ভেসে বেড়ায়। যখন এই অশ্রু মুছতে যাই, তখনই এটি আমাদের হাতে এসে যায়।
এরপর থেকেই সেই হাত দিয়েই আমরা যা কিছুই ছুঁই না কেন, সেখানে ভাইরাস চলে আসে। যেমন কারোর সঙ্গে করমর্দন, টিভি, এয়ারকন্ডিশনার রিমোট, ব্যবহৃত তোয়ালে, বিছানার চাদর, বালিশের কভার, এমনকি মুঠোফোন ইত্যাদিতে চলে আসতে পারে।
এ জন্যই আক্রান্ত ব্যক্তিকে এই সময়ে বাসায় থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়। তার ব্যবহৃত জিনিসপত্রও কিছুটা আলাদা রাখা ভালো।
এটি হলে ভয় পাওয়ার একদমই কোন কারণ নেই তবে সচেতন থাকতে হবে যাতে কারো মাধ্যমে এটি না ছড়ায়।
জনসচেতনতায়ঃ সাইবার ৭১
13/08/2022
রোগী খুঁজে দেন প্লিজ
ব্লাড গ্রুপ:B+
লোকেশন:ডুয়েট, গেট,জয়দেবপুর,গাজীপুর,
মোবাইল নাম্বার:01521459740
অনেকে আমাকে বলে থাকেন "ভাল
কাজ প্রকাশ্যে করার কোন মানে
নাই... ভাল কাজ নিভৃতে করতে হয়...
দান এমন ভাবে করতে হয় যে ডান
হাতে দান করলে বাম হাত যেন তা
জানতে না পারে..."
ঠিক বলেছেন...
তবে আমি একটু ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে
দেখি... আমার কথা কিছুটা ভিন্ন...
"
রক্তদান প্রকাশ করার মাধ্যমে সেই সকল
সুস্থ মানুষদের উদ্বুদ্ধ করতে চাই যাদের
ডান হাত, বাম হাত - দুই হাতই এখনো
অব্যবহৃত আছে ... ভাল কাজকে যদি
আমরা ভাল ভাবে তুলে না ধরি,
তাহলে নতুন রক্তদাতা আসবে কোথা
থেকে? নতুনদের উৎসাহিত কে করবে?
আপনাকে দেখে অন্যরা অনুপ্রাণিত
হবে... আমরা খারাপ কাজ প্রকাশ্যে
করি নির্লজ্জের মত, তবে ভাল কাজ
কেন নিভৃতে করতে হবে?
এভাবে প্রকাশ করা যদি শুরু না হত,
তাহলে রক্তদানের কাজ আজ এই
পর্যায়ে আসতো না...
"
ভাল কাজ প্রকাশ পাক, অন্যরা
অনুপ্রাণিত হোক... এতে ভাল কাজের
পথ সবার কাছে দৃশ্যমান হবে...
শেষ কথা 'সার্ফ এক্সেলের' বয়ান দিয়ে
বলছি "শো-অফ থেকে যদি ভাল কিছু হয়,
তাহলে তো শো-অফই ভাল "
11/08/2022
নতুন বাসের তালিকা
01/08/2022
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Telephone
Website
Address
Gazipur
