19/08/2026
সুরা #ইয়াসিনের আলোকে #রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর #রিসালাত এবং তাঁর ওপর অর্পিত #দায়িত্বের #গুরুত্ব
সুরা ইয়াসিনের প্রথম কয়েকটি আয়াতে অত্যন্ত জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। উস্তাদ নোমান আলী খানের আলোচনা অনুসারে, এই দায়িত্বের মূল দিকগুলো নিচে সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করা হলো:
১. #রিসালাতের_সত্যতা ও আল্লাহর কসম
#নিশ্চিত_ঘোষণা: আল্লাহ তাআলা "ইয়াসিন, ওয়াল কুরআনিল হাকিম" বলে প্রজ্ঞাময় কুরআনের কসম খেয়েছেন।
#সত্যের_সাক্ষ্য: এর অবিলম্বেই আল্লাহ ঘোষণা করেছেন যে, মুহাম্মদ (সা.) অবশ্যই আল্লাহর পাঠানো রাসুলদের একজন।
#সংশয়_নিরসন: তৎকালীন মক্কার কাফেরদের সব সংশয় ও অবিশ্বাস দূর করতেই আল্লাহ স্বয়ং এই সাক্ষ্য দিয়েছেন।
২. #সঠিক_পথের_দিশারী (সিরাতুল মুস্তাকিম)
: রাসুল (সা.)-এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব ছিল মানুষকে "সিরাতুল মুস্তাকিম" বা সরল-সঠিক পথ দেখানো।
#আদর্শ_চরিত্র: তিনি কেবল পথপ্রদর্শক ছিলেন না, বরং নিজে সেই পথে চলে মানুষের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ স্থাপন করেছেন।
#পরিত্রাণ: তাঁর দেখানো পথ ধরেই মানুষ দুনিয়া ও আখিরাতের চূড়ান্ত সফলতা লাভ করতে পারে।
৩. #সতর্ককারী হিসেবে আগমন (ইনজার)
#উদাসীন_জাতি: রাসুল (সা.)-কে এমন জাতির কাছে পাঠানো হয়েছিল, যাদের পূর্বপুরুষদের কাছে দীর্ঘকাল কোনো সতর্ককারী আসেনি।
#ঘুম_ভাঙানো: মক্কার কুরাইশরা চরম জাহিলিয়াত ও গাফিলতির (উদাসীনতা) মধ্যে ডুবে ছিল।
#দায়িত্বের_গুরুত্ব: নবীজির মূল দায়িত্ব ছিল এই ঘুমন্ত ও উদাসীন জাতিকে আল্লাহর আজাব ও কিয়ামত সম্পর্কে সতর্ক করা।
৪. #আল্লাহর_বাণী হুবহু পৌঁছে দেওয়া (তাবলিগ)
#আমানতদারিতা: ওহীর মাধ্যমে যে জ্ঞান নবীজি পেতেন, তা বিন্দুমাত্র পরিবর্তন না করে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া ছিল তাঁর দায়িত্ব।
#ধৈর্য_ও_সহনশীলতা: কাফেরদের পক্ষ থেকে আসা চরম বিরোধিতা, ঠাট্টা-বিদ্রূপ ও শারীরিক নির্যাতনের মুখেও তিনি এই দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত হননি।
https://rkmri.co/lMElpAMAIeeT/