গাজীপুর মহানগর সাইবার দল

গাজীপুর মহানগর সাইবার দল

Share

গাজীপুর মহানগর সাইবার দল পেজে আপনাকে ?

29/05/2025

কোনো নেতার অপকর্মের দায় বিএনপি বহন করবে না। বিএনপি সবসময় স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী।

22/01/2024

্ডিয়া

বয়কট ইন্ডিয়ান থার্ডক্লাস প্রোডাক্ট।

28/08/2022

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এবং কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাজাকারপুত্র শাখাওয়াত হোসেন প্রধানের বিরুদ্ধে বাসার কাজের মেয়েকে ধর্ষণ করে বাচ্চার বাবা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালী মহল ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে। ধর্ষিতা অসহায় কিশোরী মেয়েটি তার সন্তানের পিতৃপরিচয় ও ন্যায়বিচার চায়।
সাংবাদিক এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

13/08/2022

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সেক্টর নিয়ে (বিএনপি)'র পরিকল্পনা:

21/04/2022

জাহাংগীর তুমি ভ্লা হয়ে যাও...🙄

13/12/2018

১৫-২২ বছরের কিশোর ও তরুণদের জন্য এই পোস্ট:-

যারা বলে বিএনপি দেশের জন্য কি উন্নয়ন করেছে খেয়াল করে দেখবেন তাদের বেশীরভাগই বয়স ১৫থেকে২০এর মধ্যে।
তারা এই কথা বলার কারণ হচ্ছে তাদের জন্মের পরে বুদ্ধি হওয়ার পর থেকেই তারা শুধুমাত্র একটা সরকারকেই টানা ১০বছর ক্ষমতায় দেখেছে, তাই বিএনপির উন্নয়ন সম্পর্কে তাদের না জানাটাই স্বাভাবিক।

বিএনপিই প্রথম এদেশে "উন্নয়ন" নামক জিনিসটা দেখিয়েছে। আজ অনেকে উন্নয়নের ঢোল পিটাই, অথচ এদেশে উন্নয়ন বিএনপির হাত ধরেই এসেছে।

বিএনপির উন্নয়নের কথা বলে শেষ করা যাবেনা, তবুও আমি সামান্য কিছু উন্নয়ন কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরলাম:-

#আজ যারা গলা ফাটিয়ে বলে সবার হাতে হাতে মোবাইল ফোন দিয়েছে, অথচ বিএনপিই প্রথম এদেশে মোবাইল নিয়ে আসে। হ্যা, তখন এরকম স্মার্টফোন ছিলোনা, সাধারণ মোবাইল ছিল।
বিএনপিই বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ফোন ও এর নেটওয়ার্ক শুরু করেছে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট সাবমেরিন কেবল ১৯৯৬ সালের মে মাসে বিএনপি সরকারই নিয়ে আসে।
#আজ যে আপনারা ডিস চ্যানেল দেখছেন এটা বিএনপিরই অবদান। বিএনপিই বাংলাদেশে স্যাটেলাইট চ্যানেল উন্মুক্ত করেছে। দেশে প্রথম আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট বেইজড টিভি চ্যানেল দেখার সুযোগ হয় বিএনপি সরকার ১৯৯২ সালে ডিশ এনটিনা ব্যবহারের সুযোগ দেবার পর। এসব উন্মুক্ত করে দেবার ফলে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ বিদেশী টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার দেখার সুযোগ লাভ করে।
#বিএনপিই টেলিযোগাযোগ ব্যাবস্থা এ্যানালগ থেকে ডিজিটালাইজড করেছে।
#বিএনপির আমলে দেশের সবচেয়ে বড় সেতু যমুনা সেতুর নকশা প্রণয়ন, অর্থায়ন ও বেশীরভাগ কাজ সম্পন্ন হয় ১৯৯৪ সালে শুরু হয়ে। পদ্মা সেতু আর মেট্রো রেলের মত বহু মেগা প্রজেক্টের মুলা দশ বছর ধরে খেয়ে যাচ্ছি কিন্তু শেষ হচ্ছে না। কবে শেষ হবে তাও কেউ জানেনা।
#খিলগাঁও এবং মহাখালী ফ্লাইওভার বিএনপির আমলে হয়েছে।
#ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক রাস্তা প্রশস্ত হয়েছে।
#শিল্প বান্ধব নীতির কারনে ব্যাপক গার্মেন্টস কারখানা গড়ে উঠেছে তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমল থেকে
#পরিবেশ বান্ধব ইটভাটা, টু স্ট্রোক ইঞ্জিন আমদানি নিষিদ্ধ করে সিএনজি চালিত যানবাহন আমদানির পথ খুলে দিয়েছে।
#পলিথিন ব্যাগ ও প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করে পরিবেশ রক্ষার আন্তরিক উদ্যোগ নিয়েছিল, কিন্তু পরবর্তিতে অন্য সরকার ক্ষমতায় এসে আবার পলিথিন ব্যাগ চালু করে।
#বাংলাদেশ থেকে নকল দূর করেছিলো তৎকালীন বিএনপি শিক্ষামন্ত্রী মিলন
#প্রাথমিক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিল এই বিএনপি সরকারই
#১৯৯১-৯৬ সময়ে মাধ্যমিক পর্যন্ত এবং ২০০১-২০০৬ সময়ে ডিগ্রী পর্যন্ত নারী শিক্ষা অবৈতনিক করেছিল এই বিএনপি সরকারই
#স্বাধীনতা পদক, একুশে পদক চালু করেছিল এই বিএনপি সরকারই
#সবুজ-বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ং-সম্পূর্ন করেছিল বিএনপি সরকারই
#৭৪ সালে যে দেশে খাদ্যের অভাবে দুর্ভিক্ষে ১০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল সেই দেশ থেকে ১৯৮০ সালে নেপালে ২লক্ষ টন চাল রপ্তানী করেছিল
#শিশুদের জন্য শিশুপার্ক, শিশু একাডেমি এবং নারী ও শিশু মন্ত্রনালয় প্রতিষ্ঠা করেছিল বিএনপি সরকারই
#উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগময় এলাকায় কোটি কোটি টাকা ব্যায়ে বিভিন্ন জেলায় ৩৫টি নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল বিএনপি।
#সারাদেশে ৪৮টি জেলায় ২৮৫টি ফায়ারসার্ভিস প্রতিষ্ঠা করেছিল তৎকালীন বিএনপি সরকার।
#বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের সুবিদার জন্য অসংখ্য "হল" নির্মাণ করেছিল বিএনপি, সর্বশেষ আমরা দেখেছি চট্টগ্রাম ভার্সিটির "বেগম খালেদা জিয়া হল" এর নামফলক ভেঙ্গে ফেলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
#দেশে প্রথম বিমানবন্দর "জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর" প্রতিষ্ঠা করেছিল বিএনপি, কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে সেটার নাম পরিবর্তন করে রাখে "হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর"
#দেশের বেকার যুবকদের জন্য যুব মন্ত্রনালয় প্রতিষ্ঠা করে যুব উন্নয়ন কেন্দ্র চালু করেছিল বিএনপি
#দেশের বেকার জনগোষ্টীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের জন্য প্রতিটি জেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করেছিল বিএনপি
#দেশের বেকার জনশক্তিকে মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রপ্তানী শুরু করেছিল বিএনপি
#বেসরকারী উদ্যোক্তাতাদের ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি'র সুবিধা দিয়ে দেশে গার্মেন্ট শিল্প প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তৈরী পোষাক রপ্তানী শুরু করেছিল বিএনপি সরকার
#মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রনয়নের কাজ শুরু করেছিল তৎকালীন বিএনপি সরকার।
#দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিল বিএনপি
#দেশে একদলীয় বাকশালের পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিল বিএনপি..।

16/10/2018

#প্ল্যান_বি

এক মহিলা তার ডাক্তার বন্ধুর সাথে প্রেম চালাচ্ছিল, কিন্তু বেশিদিন হওয়ার আগেই সে গর্ভবতী হয়ে গেল। তো, নয় মাসের সময় ডেলিভারির জন্য সে যখন হাসপাতালে ভর্তি হল অপারেশনের
জন্য, তখনি মাহী বি চৌধুরিও তার প্রস্টেট অপারেশনের জন্য ভর্তি হলো। মাহী বি চৌধুরী তখন সজীব ওয়াজেদ জয়ের সাথে সেইরকমের ভিওআইপি ব্যবসা করছেন।
ডাক্তার তখন প্ল্যান সাজালেন। এই প্ল্যানের নাম দিল 'প্ল্যান-বি'।
সে তার বান্ধবীকে বলল, ''আমরা মাহীর অপারেশনের পর বলব যে এই বাচ্চাটা আপনার !! '
বান্ধবী বলল, ''কি বল এইসব, সে কি বিশ্বাস করবে ?? ''
ডাক্তার বলল, '' করতেই হবে, কারণ তাকে বলব , এটা একটা মিরাকল''
তো, নির্দিষ্ট দিনে মাহী বি চৌধুরীর প্রস্টেট অপারেশন হয়ে গেল ... তার পরই বান্ধবীর ডেলিভারিও হলো, ডাক্তার বাচ্চাটা মাহীর কাছে নিয়ে গিয়ে বলল , ''ভাই, এই নিন আপনার বাচ্চা ''
মাহী তো খুব আশ্চর্য হলেন, বললেন ''এ কিভাবে সম্ভব ?? ''
ডাক্তার বলল, '' ফাদার , আশ্চর্য আমরাও হয়েছি , এটা একটা মিরাকল এ ধরনের ঘটনা খুব কমই ঘটে '
'
মাহী আর কিছু বললেন না। তিনি ভাব্লেন রাজনীতিতে যখন এত উলটা পালটা জিনিস হয় আর এতো সামান্য বাচ্চা।
--

প্রায় ১৫ বছর হয়ে গিয়েছে এর মাঝেই , বাচ্চাটাও বড় হয়ে গেছে,
একদিন মাহী বাচ্চাটাকে ডাকলেন, বললেন ''তোমার সাথে কিছু গোপনীয় কথা বলার আছে
..আমি আসলে তোমার বাবা নই '' !!
বাচ্চাটা খুব অবাক হয়ে বলল, ''মানে? তুমি আমার বাবা নও...??? ''
মাহি গম্ভীর স্বরে বললেন , " না। আমি তোমার মা, জয় তোমার আসল বাবা....!!!

10/10/2018

দেশনায়ক জনাব #তারেক_রহমান এর বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী সরকারের আজ্ঞাবহ আদাললের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর ছাত্রদল এর তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ....।

09/10/2018

জীবনের ভয় করলে অামার বাবা স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে পারতেননা, গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার অান্দোলন থেকে সরে গেলে অামার মাকে কারা নির্যাতন তথা কারাগারে থাকতে হতোনা। ইনশাআল্লাহ অামিও সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দেশ এবং দেশের মানুষের স্বার্থে এগিয়ে যাবো, অামার দল এগিয়ে যাবে। এগিয়ে যাবে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী শক্তি, এগিয়ে যাবে এ দেশ এবং দেশের জনগণ ইনশাআল্লাহ....।

______ #দেশনায়ক_তারেক_রহমান

08/10/2018

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সম্পর্কে যত জানি ততই অবাক হই উনার ভিশন এবং দূরদর্শী চিন্তা গুলো দেখে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপ কে বাংলাদেশের অংশ হিসাবে প্রশাসনিক ভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে এই মানুষটি ১৯৮০ সালেই মাত্র ১৮০ জন ভোটার নিয়ে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন বোর্ড চালু করেন।

যে দ্বীপটি কেবল মুখে মুখে ছিল বাংলাদেশের। মাত্র ১৮০ জন ভোটারকে ব্যাবহার করে জিয়াউর রহমান কাগজে-কলমে ও সেই দ্বীপ কে করে নিয়ে ছিলেন বাংলাদেশের।

08/10/2018

আল্লামা শফীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিচ্ছে হেফাজত !

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসার মহাপরিচালক শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। হেফাজতের নেতৃত্বের ‘শুদ্ধি অভিযানে’র অংশ হিসেবে সময়-সুযোগ মতো তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হবে এমনটি উঠে আসছে জোরালো আলোচনায়।

হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র নায়েবে আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর হেফাজতের সাথে সম্পর্ক ছিন্নের ঘটনায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠাতা নায়েবে আমির বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি ও ইসলামী ঐক্যজোট একাংশের চেয়ারম্যান মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদী আওয়ামী এজেন্টদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করায় আমি তাকে অভিনন্দন জানাই।
এদিকে গতকাল (শনিবার) মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী দৈনিক ইনকিলাবকে বলেছেন, হেফাজতের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করায় মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। তবে আমি হেফাজত ছাড়ছিনা। হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা নায়েবে আমির হিসেবে সংগঠনে থেকেই শুদ্ধি অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, যারা ব্যক্তিস্বার্থের বিনিময়ে হেফাজতের আদর্শ জলাঞ্জলি দেবেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে ‘সময় সুযোগ বুঝে’ সংগঠন থেকে অদূর ভবিষ্যতে বহিষ্কার করা হতে পারে এবং ‘মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের’ বিষয়ে বলিষ্ঠ তদন্ত করা হবে বলেও জানান মুফতি ইজহার। তিনি বলেন, ব্যক্তি স্বার্থে যিনি আপোষ করেন, সংগঠনের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হন তাকে হেফাজতের আমির রাখা যায় কি না এ ব্যাপারে সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থক এবং তৌহিদী জনতা সময়মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
তিনি বলেন, সংবিধান থেকে আল্লাহর উপর বিশ্বাস ও আস্থা বাদ দেয়ার পর আওয়ামী লীগের সাথে কোন দেশপ্রেমিক ঈমানদার সম্পর্ক রাখতে পারেন না। আর হেফাজতের মতো অরাজনৈতিক, আধ্যাত্মিক ও ঈমানী সংগঠনের কোন নেতার পক্ষে তা একেবারেই অসম্ভব। এ অবস্থায় যারা হেফাজতের আদর্শ বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
লিখিত বিবৃতিতে মুফতি ইজহার তার সম্পর্কে অপপ্রচারের জবাবে বলেছেন, আওয়ামী এজেন্টরা সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য প্রচারে খুব পারদর্শী। তারা দীর্ঘকাল ধরে আমার ব্যাপারে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছিল যে, আমি নাকি কাউকে রাবেয়া বসরী বলেছি। আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করছি যে আমি কোনদিনই কাউকে রাবেয়া বসরী বলিনি। হযরত মুফতী ফয়জুল্লাহর আজীবনের একান্ত মুখপাত্র কোনদিনই এরকম কথা বলতে পারে না।

অপরদিকে বর্ষিয়ান আলেমেদ্বীন আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী হেফাজতের সাথে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণায় হেফাজতে ইসলামে তোলপাড় চলছে। সর্বস্তরের নেতাকর্মী সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন চলে আসা চাপা ক্ষোভ-অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ ঘটতে শুরু করেছে। ‘ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদী আওয়ামী এজেন্ট’ উল্লেখ করে ইসলামী ঐক্যজোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করার ২৪ ঘণ্টার মাথায় হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নায়েবে আমির থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন দেশের প্রবীণ আলেম আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তিনি হেফাজতের শীর্ষ ব্যক্তিসহ কতিপয় নেতার স্বার্থের বিনিময়ে হেফাজত প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থেকে সরে যাওয়ার অভিযোগ এনে সম্পর্ক ছিন্ন করার এ ঘোষণা দেন।
গত ১ অক্টোবর হাটহাজারীর এক অনুষ্ঠানে হেফাজত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী নিজে আওয়ামী লীগ হয়ে গেলেও দোষের কিছু নেই বলে যে মন্তব্য করেছেন তার জের ধরে দলের অভ্যন্তরে চাপা অসন্তোষ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। এর মধ্যেই হেফাজতের সাথে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দেন সিনিয়র নায়েবে আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তিনি অভিযোগ করেন, যে ১৩ দফা দাবি নিয়ে হেফাজতের আন্দোলন তার কোনোটাই আদায় হয়নি। এ অবস্থায় ব্যক্তিগত স্বার্থের বিনিময়ে যারা সরকারের সাথে আপোষ করছে তাদের প্রতি তার আস্থা নেই।
তার এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান অপর নায়েবে আমির মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস বাদ দেয়ার কারণে কোন মুসলমান আওয়ামী লীগকে সমর্থন করতে পারে না। মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী আওয়ামী এজেন্টদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করায় অশেষ ধন্যবাদ জানান তিনি। তিনি বলেন, যখন যে কোন উপায়ে ৫ জানুয়ারির মত একটি পাতানো নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে এবং আওয়ামী এজেন্টরা ধর্মপ্রাণ ও স্বাধীনতাপ্রিয় দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করছে তখন আল্লামা মহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর এ সিদ্ধান্ত একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস বাদ দেয়ার কারণে কোনদিনই কোন মুসলমান আওয়ামী লীগকে সমর্থন করতে পারে না। এ ব্যাপারে হাটহাজারী মাদরাসার মাওলানা মুফতি নুর আহমদ, পটিয়া মাদরাসার মাওলানা মুফতি আহমদ উল্লাহ ও মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরীসহ প্রায় শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের অনুরোধে ঐ সময় আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফতোয়াও রচনা করেছিলাম।
আল্লামা মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী বিবৃতিতে আরো বলেন, আমরা ক্বওমী সনদের স্বীকৃতি চাই, তবে তা ঈমানের বিনিময়ে নয়। স্বীকৃতি পাওয়ার শুকরিয়ার নামে কাউকে সংবর্ধনা দেয়া একটি আত্মঘাতি পদক্ষেপ হবে বলেও আলেম সমাজকে হুঁশিয়ার করে দেন তিনি।
হেফাজতের ১৩ দফায় উল্লেখযোগ্য হলো ঃ সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন এবং কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী সব আইন বাতিল করা। আল্লাহ, রাসুল (সাঃ) ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুৎসা রোধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আইন পাস। কথিত শাহবাগি আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী স্বঘোষিত নাস্তিক-মুরতাদ এবং প্রিয় নবী (সাঃ)-এর শানে জঘন্য কুৎসা রটনাকারী ব্লগার ও ইসলামবিদ্বেষীদের সব অপপ্রচার বন্ধসহ কঠোর শাস্তিদানের ব্যবস্থা করা।

ব্যক্তি ও বাকস্বাধীনতার নামে সব বেহায়াপনা বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা। ইসলাম বিরোধী নারীনীতি, ধর্মহীন শিক্ষানীতি বাতিল করে শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা। সরকারিভাবে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা। এসব দাবির কোনটিই পূরণ হয়নি বলে জানান হেফাজতের নেতারা।

জাহাঙ্গীরের আয়ের চেয়ে দান বেশি 23/04/2018

কর, জরিমানা ও বিলম্ব ফি দেওয়ার পর জাহাঙ্গীরের নিট আয় ৭৮ লাখ দুই হাজার ২৫৮ টাকা। কিন্তু তার পরিচালিত 'জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষা ফাউন্ডেশন'-এর দানের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা। বিপুল এ দানের তথ্য নেই হলফনামায়। তথ্যানুযায়ী, জাহাঙ্গীর আলমের সম্পদ এই দানের চেয়ে কম।

জাহাঙ্গীরের আয়ের চেয়ে দান বেশি গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের বার্ষিক আয় দুই কোটি ১৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। কর, জরিম.....

Want your business to be the top-listed Government Service in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Gazipur
1700