Dr. Habibullah

Dr. Habibullah

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Habibullah, Gazipur City, West Bangla.

20/12/2025

সবাই জানেন, দীর্ঘদিন পায়ের যন্ত্রণায় ভুগছি। তবে আগের থেকে অনেকটা ভাল আলহামদুলিল্লাহ। গতকালকে আমার বাড়ির চেম্বার খুলেছি প্রায় নয় মাস পর। ক্রাচ এ ভর করেই হাটতেছি। গতকাল একজনের খৎনার কাজ করলাম। এখন থেকে চেম্বারে খৎনার কাজ চালাবো ইনশাআল্লাহ। কসমেটিক/ডিভাইস মুসলমানি। রোগী দেখাও শুরু করেছি সীমিত পরিসরে। চর্মরোগে অনেকটা সারা পেয়েছিলাম আলহামদুলিল্লাহ। বাড়ি ছাড়া আপাতত অন্য কোথাও চেম্বার করার সুযোগ নেই। শুভাকাঙ্খীদের কাছে ম্যাসেজটা পৌছে দিবেন ইনশাআল্লাহ। জাজাকুমুল্লাহ ♥

24/11/2025

★প্রতারকরা সুস্থ মানুষকে অসুস্থ বানাতে পারে★

অনেক ডাক্তার আগের কোন রিপোর্ট দেখতে চান না। আমি অবশ্য পূর্বের কোন রিপোর্ট নিয়ে আসলে রোগের হিস্ট্রি নিই সময় নিয়ে। শারীরিক চিকিৎসা শুধু মেডিসিনে নয়, সাইকোলজিক্যালও বটে।

২০১৯ সালে কুষ্টিয়াতে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প এ রোগী দেখেছিলাম। এক বয়স্ক সহজ সরল মহিলা রোগী একটি আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্ট নিয়ে আসেন (ছবি সংযুক্ত)। এই রিপোর্ট পাওয়ার পর থেকে তিনি কিডনী রোগী হিসেবে নিজেকে ট্রিট করে আসছেন। গ্রাম্য ডাক্তার, আধ্যাতিক চিকিৎসক সব দেখানো শেষ। বড় ডাক্তারের কাছে যাওয়ার টাকা নেই। গাছগাছড়া, পাতালতা কম খাননি।

যদিও গাছগাছড়া, পাতালতা মূলধারার চিকিৎসার অংশ। সেটিই কয়জন জানেন বা মানেন! আধুনিকতার নাম করে তো নানা ধরণের সাইড ইফেক্ট যুক্ত মেডিসিন খাওয়ানো হচ্ছে। যত্রতত্র এন্টিবায়োটিক প্রয়োগে রেজিস্টেন্স হয়ে যাচ্ছে। সেদিকে কারো ভ্রুক্ষেপ নেই। মেডিসিনের ন্যাচারাল সোর্স নিয়ে গবেষণার কোন উদ্যোগ নেই আমাদের দেশে।

এমনিতেই বয়স্ক মানুষ। তারপর কিডনী রোগের কথা জানার পর থেকে শরীরে আরো রোগ বাসা বেঁধেছে। যদিও কিডনী জনিত কোন লক্ষণ ছিল না।

উনি বেঁচে আছেন কিনা, বা শারীরিক অবস্থা কী, সেটি আর জানার সুযোগ নেই। একবার ভেবেছিলাম আমার সব রোগীর জন্য একটা ডেটা তৈরি করে সব হিস্ট্রি নোট রাখবো পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থা জানার জন্য। উন্নত দেশে প্রত্যেকের আলাদা ডেটা থাকে। আমাদের এনআইডি ডিজিটাল হলেও এখনো অকেজো একটা কার্ড। অবশ্য আমি এখন চেষ্টা করি রোগীদের ফোনে কানেক্ট রাখার।

এমন ভুয়া ডায়াগনস্টিক ক্লিনিক কি এখনো আছে? অথবা লাইসেন্সধারী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মানসম্মত পরীক্ষা নিরীক্ষা হয়? সুস্থ মানুষকে অসুস্থ বানিয়ে অথবা অসুস্থ মানুষকে সুস্থতার রিপোর্ট দিয়ে যে প্রতারণা হয়, তা কি আদৌও বন্ধ হয়েছে?

ডা. হাবীবুল্লাহ
ন্যাচারোপ্যাথিক ফিজিশিয়ান

06/11/2025

সকল প্রকার মাদক কে না বলুন। ধুমপান করবেন না।

28/10/2025

করোনা টিকা আমাদের যে ক্ষতি করেছে, তা অপূরণীয়। তখন বহু ডাক্তার, সেলিব্রেটি টিকা নেয়ার ছবি/ভিডিও শেয়ার করে জনগনকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল।
টায়ফয়েড টিকা নিয়েও এবার যেভাবে প্রচারণা হচ্ছে, তাতে করোনা টিকার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। ঔষধ ব্যবসায়ীদের কাছে আমরা এখনো গিনিপগ!

27/10/2025

টাইফয়েড ভ‍্যাকসিন নিয়ে দুই একটি সত‍্য এবং গুরুত্বপূর্ণ কথা।

যেহেতু দেশের ৫ কোটি শিশুকে (৯ মাস থেকে ১৫ বছর) টাইফয়েডের গণটিকা দেয়া হচ্ছে সেহেতু বাচ্চাদের বাবা-মায়েদের এই টিকাটি সমন্ধে সঠিক তথ্য জানার অধিকার রয়েছে।

(১) দেশে যে টিকাটি দেয়া হচ্ছে তার নাম TyphiBEV ভ‍্যাকসিন। এটা টাইফয়েডের নতুন ধরণের একটা ভ্যাকসিন যা তৈরি করেছে ভারতের বায়োলজিক‍্যাল বি নামের একটি কোম্পানি। ধরনগত দিক দিয়ে এই টিকাটি একটি Vi-polysaccharide conjugate ভ‍্যাকসিন। সাধারণভাবে এই ধরনের ভ্যাকসিনকে TCV ভ‍্যাকসিন বা টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন বলে।

(২) টাইফয়েডের এইরকম আরেকটি TCV ভ্যাকসিন হল Typbar-TCV যেটা তৈরী করেছে ভারতের আরেকটি কোম্পানি ভারত বায়োটেক। এই ভ্যাকসিনটির সকল ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে বড় পরিসরে এবং খুবই কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে (৮০-৮৫% প্রতিরক্ষা)। বাংলাদেশেও এই টিকাটির ডাবল-ব্লাইন্ড ফেইজ-৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে ৬০,০০০ শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের উপর যেটার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আইসিডিডিআরবির ড. ফেরদৌসী কাদরী।

(৩) তবে বাংলাদেশে কোন বিশেষ কারণে Typbar-TCV টিকাটি না দিয়ে দেয়া হচ্ছে TyphiBEV টিকা তা বোধগম্য নয়।

(৪) TyphiBEV ভ্যাকসিনটির কার্যকারিতা কেমন হবে তা পরীক্ষার জন‍্য কোন ফেইজ-৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করা হয়নি। সুতরাং এই ভ্যাকসিনটি টাইফয়েড প্রতিরোধে কতটুকু কার্যকর হবে তা নিশ্চিত ভাবে জানা নেই। এটা WHO এর ওয়েবসাইটেও পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা রয়েছে যে এই ভ্যাকসিনটির কোন ক্লিনিক্যাল এফিকেসি ডেটা নেই।

(৫) Typbar-TCV এবং TyphiBEV এই দুটো ভ্যাকসিনই WHO এর প্রিকোয়ালিফাইড ভ‍্যাকসিনের স্ট‍্যটাস পেয়েছে। অর্থাৎ এই দুটো টিকাই জনসাধারণে প্রয়োগ করা যাবে। এখন প্রশ্ন হলো, ফেইজ-৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (ক্লিনিক্যাল এফিকেসি ট্রায়াল) ছাড়াই TyphiBEV ভ্যাকসিনটি কিভাবে জনসাধারণে প্রয়োগের অনুমোদন পেল?

(৬) সেইফটি এবং ইমিউনোজেনিসিটি (ইমিউন রেসপন্স) পরীক্ষার জন‍্য TyphiBEV ভ্যাকসিনটির উপর দুটি ফেইজ-২ ক্লিনিক‍্যাল ট্রায়াল করা হয়েছে। এতে দেখা যায় এই ভ্যাকসিনটি নিরাপদ এবং শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিবডি (এন্টি-ভাই-পলিস‍্যাকারাইড এন্টিবডি) তৈরি করতে পারে। এই অ্যান্টিবডির পরিমান Typbar-TCV ভ‍্যাকসিনে তৈরি হওয়া এন্টিবডির সমান। যেহেতু এই দুটি ভ্যাকসিন একই ধরনের এবং এরা একই পরিমান এন্টিবডি তৈরী করে (৪২ দিনের ফলোআপ) তাই ধরে নেয়া যায় যে এদের ক্লিনিক্যাল এফিকেসি বা কার্যকারিতাও একই রকম হবে। এফিকেসি ট্রায়াল রিপোর্ট ছাড়া এই পদ্ধতিতে ভ্যাকসিনের এপ্রোভাল দেয়াকে বলা হয় নন-ইনফেরিওরিটি অ‍্যাসেসমেন্ট বা ইমিউনোব্রিজিং পদ্ধতি। TyphiBEV ভ্যাকসিনের এপ্রোভাল এভাবেই দেয়া হয়েছে।

(৭) WHO রিপোর্ট অনুযায়ী TyphiBEV ভ‍্যাকসিনটিকে নিরাপদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কোথাও বলা হয়নি টাইফয়েড প্রতিরোধে এটা কতটুকু কার্যকর। কারণ একটাই, এভিডেন্সের অভাব। ‘পটেনশিয়াল কার্যকারিতা’ এবং ‘পরিলক্ষিত কার্যকারিতার’ মধ্যে ব‍্যপাক পার্থক্য রয়েছে। এখন পর্যন্ত যেটুকু ডেটা আছে তাতে বলা যায় TyphiBEV ভ‍্যাকসিনটি খুব সম্ভবত কার্যকর হবে (potentially effective based on statistical prediction)। বর্তমানে এই ভ‍্যাকসিনটির কমপক্ষে দুই-তিনটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। WHO এর পাবলিক এসেসমেন্ট রিপোর্টে (updated 18 December 2024) অনুযায়ী এই ভ‍্যাকসিন প্রস্তুতকারক কোম্পানিটিকে TyphiBEV এর এফিকেসি স্টাডি চালাতে হবে এবং এর রিপোর্ট জমা দিতে হবে। “The company is committed to conduct an effectiveness study” - WHO ডকুমেন্টে এই কথাটাই লেখা আছে।

(৮) যে ৫ কোটি শিশুকে TyphiBEV টিকা দেয়া হচ্ছে তাদের বাবা-মায়েদের এই টিকা সমন্ধে সঠিক তথ্যটি জানার অধিকার রয়েছে। এটাই এথিক্স। এই এথিক্স গ্লোবাল সাউথ এবং গ্লোবাল নর্থে একই হতে হবে। আসলে গ্লোবাল সাউথ/গ্লোবাল নর্থ এই টার্মিনোলজি এবং আইডিয়াটাই পরিহার করতে হবে। যে কোন ক্লিনিক‍্যাল ইন্টার্ভেনশনের ক্ষেত্রে নিন্ম আয়ের এবং উচ্চ আয়ের দেশে একই এথিক্স এবং নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। যেসব শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেয়া হচ্ছে তাদের বাবা-মাকে অবহিত করতে হবে যে এই টিকাটি নিরাপদ তবে এর কার্যকারিতা এখনও সঠিকভাবে নির্ধারিত হয়নি। এই তথ‍্যটি বৈজ্ঞানিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ কারণ কোন ভ্যাকসিনের মাধ্যমে শরীরে এন্টিবডি তৈরি হলেই যে তা রোগ প্রতিরোধে কার্যকর হবে এমন কোন নিশ্চিয়তা নেই। এই কারনেই প্রতিটি ভ্যাকসিনের ফেইজ-৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রয়োজন রয়েছে।

(৯) দুঃখজনক হলেও সত্য যে মেইনস্ট্রিম এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে কিছু কিছু চিকিৎসক এবং সাইনটিস্ট Typbar-TCV ভ‍্যাক্সিনের ফেইজ-৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের রিপোর্ট দিয়ে TyphiBEV ভ‍্যাকসিনের কার্যকারিতা প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন! কারন তারা বলছেন এই দুটো ভ্যাকসিন একই। আসলেই কী তাই?

(১০) ধরনগত দিক দিয়ে এই দুটোই কনজুগেট ভ‍্যাকসিন বা TCV ভ‍্যাকসিন এটা ঠিক আছে। তবে এই দুটো ভ‍্যাকসিনের কম্পোজিশন ভিন্ন। এদের এন্টিজেনের সোর্স ভিন্ন এবং ক‍্যারিয়ার প্রোটিনও ভিন্ন। দুটো ভ‍্যাকসিন তৈরি দুটো ভিন্ন কোম্পানির।

(১১) TCV ভ‍্যাকসিনে দুটি প্রধান উপাদান থাকে। একটি হলো সালমোনেলা টাইফি ব‍্যাকটেরিয়ার ক‍্যাপসুলের Vi-polysaccharide সুগার মলিকিউল এবং একটি ক‍্যারিয়ার প্রোটিন। আমাদের শরীরের ইমিউন সিস্টেম ভ‍্যাকসিনের Vi-polysaccharide অংশটির উস্থিতিতে টাইফয়েডের জীবাণু সালমোনেলা সনাক্ত করে। আর ক‍্যারিয়ার প্রোটিন এই জীবাণুর বিরুদ্ধে শক্তিশালী ইমিউন রেসপন্স করতে সহায়তা করে। দুইয়ে মিলে তৈরি হয় টাইফয়েডের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধী ইমিউনিটি। যে TCV ভ্যাকসিনটির (Typbar-TCV) ব‍্যাপক পরিসরে সকল ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে তার Vi-polysaccharide অংশটি নেয়া হয়েছে Salmonella typhi ব‍্যাকটেরিয়া থেকে। আর এই Vi-polysaccharide কে যুক্ত করে দেয়া হয়েছে টিটেনাস টক্সয়েড (TT) ক‍্যারিয়ার প্রোটিনের সাথে। অন‍্যদিকে যে ভ‍্যাকসিনটি বাংলাদেশে দেয়া হচ্ছে (TyphiBEV) তার Vi-polysaccharide অংশটি নেয়া হয়েছে Citrobacter freundii ব‍্যাকটেরিয়া থেকে যার সাথে টাইফয়েডর কোন সম্পর্ক নেই তবে এই ব‍্যাকটেরিয়ার কিছু কিছু স্ট্রেইন Vi-polysaccharide তৈরী করে। আর এই ভ‍্যাকসিনে Vi-polysaccharide কে যুক্ত করা হয়েছে ডিপথেরিয়া টক্সোয়েড বা CRM197 ক‍্যারিয়ার প্রোটিনের সাথে। এই দুই ব‍্যাকটেরিয়া থেকে প্রাপ্ত Vi-polysaccharide এর গঠনগত সাদৃশ্য থাকলেও এদের মলিকিউলের O-acetylation প্রোসেসর কিছুটা বিসাদৃশ‍্য রয়েছে। Vi-polysaccharide এর O-acetylated অংশটিই মূলত শরীরে ইমিউন রেসপন্সের জন‍্য দায়ী।

(১২) যেহেতু এই দুটি ভ‍্যাকসিনের Vi-polysaccharide সোর্স ভিন্ন এবং Citrobacter এর পলিস‍্যাকারাইডের O-acetylation কিছুটা ভিন্ন হতে পারে তাই ভ‍্যাকসিনের কার্যকারীতাও ভিন্ন হতে পারে। এছাড়াও TT এবং CRM197 এর ইমিউন রেসপন্স ডায়নামিক্সও ভিন্ন। সুতরাং এই গঠনগত ভিন্নতার কারণে TypBar-TCV এবং TyphiBEV ভ‍্যাকসিনের কার্যকারিতাও ভিন্ন হতে পারে। যারা স্বল্প জ্ঞানকে পূঁজি করে বলে বেড়াচ্ছেন যে এই দুটি ভ‍্যাক্সিনের কার্যকারিতা একই হবে তাদের উচিত TyphiBEV ফেইজ-৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফলের জন‍্য অপেক্ষা করা।

(১৩) আমার এই লেখাটির উদ্দেশ্য জনসাধারণের কাছে TyphiBEV ভ‍্যাকসিনটির কিছু সঠিক তথ‍্য তুলে ধরা যাতে তারা সঠিক তথ্যটি জেনে তাদের বাচ্চাদের টিকা দিতে পার।

(১৪) তবে আমার একটাই প্রশ্ন, যে ভ‍্যাকসিনটির ট্রায়াল বাংলাদেশে হলো ৬০,০০০ মানুষের উপর, যার সকল ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পন্ন হলো এবং যার কার্যকারিতা প্রমানিত হল ৮৫ শতাংশ, সেই ভ্যাকসিনটি না দিয়ে ৫ কোটি শিশু-কিশোরকে কেন এমন একটি ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে যার সবগুলো ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এখনও শেষ হয়নি এবং যার কার্যকারিতার হার অজানা? টাইফয়েড তো বাংলাদেশে মহামারি বা হেল্থ ইমারজেন্সিও না যে তরিঘরি করে সবাইকে টিকা দিতে হবে! টিকা দিয়েই কী সব অসুখ নির্মূল করা যাবে? দেশে প্রায় ৫ হাজার শিশু প্রতিবছর টাইফয়েডে মারা যায়- এটা অবশ্যই দুঃখজনক। কিন্তু দেশে তো প্রতিবছর ২৪,০০০ শিশু মারা যায় নিউমোনিয়াতে। প্রায় ১০ বছর হল ইপিআইতে নিউমোনিয়ার ভ‍্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। কিন্তু আজও দেশে শিশু (under-5) মৃত্যুর প্রধান কারন এই নিউমোনিয়াই।

ড. খোন্দকার মেহেদী আকরাম,
(এমবিবিএস, এমএসসি, পিএইচডি)
মলিকুলার সাইনটিস্ট,
শেফিল্ড ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাজ্য
SBMC-27th

Photos from Dr. Habibullah's post 08/10/2025

আমাদের মুবীন ভাই। আমার ছোট্টবেলায় খুব কাছ থেকে পেয়েছি। অনেক স্নেহ করতেন আমাকে।
অভিনন্দন প্রিয় মুবীন ভাই।

06/10/2025

বিড়াল কামড়ালে করণীয়
---- ডা. হাবীবুল্লাহ
বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ের ক্ষেত্রে ক্ষতস্থানের গভীরতা দেখা গুরুত্বপূর্ণ। আঁচড়ের ফলে যদি সামান্য পরিমানও রক্তপাত হয়, তাহলে রক্তের সঙ্গে জীবাণুর সংস্পর্শ ঘটে। তখন টিকা নেয়া এবং যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের দরকার হয়। কোন গ্রাম্য কবিরাজের কাছ কলা পড়া খেয়ে রিস্ক নিবেন না।

১. বিড়াল যদি আঁচড় দেয় কিন্তু রক্ত না বের হয় তবে ভয় পাওয়ার কারণ নেই। আঁচড় দিলে জীবাণুনাশক দিয়ে ক্ষতস্থানটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। তবে ক্ষত সৃষ্টি হলে বা রক্তপাতে অবহেলা করবেন না।

২. জলাতঙ্ক বা র‍্যাবিস ভাইরাস জীবাণু রোধে সবচেয়ে কার্যকর হলো সাবান পানি। অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক সল্যুশন এই জীবাণু ধ্বংস করতে পারে না। তাই ক্ষত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৩. ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে তরল অ্যান্টিসেপটিক ব্যবহার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্যাভলন বা ডেটল বেশি কার্যকর।

৪. রক্তপাত হলে তা বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যান্ড এইড লাগিয়ে নিন। কোনরকম মলম বা ক্রিম ব্যবহার না করাই ভালো।

৫. ক্ষত গভীর না হলেও অনেক সময় জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। ফলে হালকা ক্ষত দেখে অবহেলা করবেন না। দেখুন ক্ষতস্থান ফুলে গেছে কি না। এ ছাড়া লাল হয়ে গেলে, রক্তপাত বন্ধ না হলে বা তীব্র ব্যথা করলে বুঝবেন জীবাণু সংক্রমিত হচ্ছে। তখন দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

৬. বিড়াল কামড়ানোর পর জ্বর এলে বুঝতে হবে এটা বিপদের চিহ্ন। অনেক সময় আঁচড় দিলে বয়স্কদের জ্বর আসে না তবে ছোটদের জ্বর আসতে পারে। এটাকে বলে ক্যাট স্ক্র্যাচ ডিজিজ। জ্বর আসা, ফোসকা পড়া, পিঠ বা পেটব্যথার মতো লক্ষণ দেখলে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

যে বিড়ালটি কামড়েছে সেটি র‍্যাবিস আক্রান্ত কি না, বোঝার জন্য কতগুলো লক্ষণ আছে। বিড়ালের আচরণে পরিবর্তন আসবে, আগ্রাসী হয়ে উঠবে। ঘন ঘন শ্বাস নেবে, মুখ দিয়ে লালা ঝরা বা গলার স্বরে পরিবর্তন আসবে। এসব দেখলে বুঝবেন বিড়াল র‍্যাবিসে আক্রান্ত। র‍্যাবিসে আক্রান্ত বিড়াল সাধারণত বেশি দিন বাঁচে না। যদি ৮-১০ দিন সুস্থ থাকে, তাহলে বুঝতে হবে বিড়াল র‍্যাবিসে আক্রান্ত ছিল না।
(জনসচেতনতার জন্য পোস্টটি শেয়ার বা কপি করতে পারেন।)

25/06/2024

পরামর্শ মেনে চলুন। কিডনী ভাল রাখুন।

25/06/2024

আমার উপর রোগীর স্বজনদের আস্থা আমাকে সাহস জুগিয়েছে। কোলে করে নিয়ে আসা রোগী যখন হেটে বাসায় ফিরে, ডাক্তারের আনন্দ হয়তো রোগীর স্বজনদের থেকেও বেশি।

মফস্বলে যখন ট্রিটমেন্ট দিই, দুইটা শ্রেণী থাকে। একশ্রেণীর মানুষ আস্থা নিয়ে ট্রিটমেন্ট নিতে চায়। আরেক শ্রেণীর মানুষ রিকশা/সিএনজি রেডি করে ফুসলাতে থাকে হসপিটাল নিয়ে যেতে। ডাক্তারের মানসিক অবস্থা কেমন হতে পারে তখন চিন্তা করেন তো!
শুকরিয়া ইয়া রাব্বি.........

09/06/2024

এবারের মিশন, "প্রচুর হাটতে হবে।" ভুঁড়ি উঁকি মারতেছে। আর ধৈর্য্য ধরা যায় না।

Want your business to be the top-listed Government Service in West Bangla?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Culinary Team

Attire

Telephone

Website

Address


Gazipur City
West Bangla