28/03/2026
স্পষ্ট ও মীমাংসিত সত্য। মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের লেখা একটি জাতির জন্ম;পৃষ্ঠা- ৫ ও ১১।
তারপরে ও যারা ইতিহাস বিকৃত করার অপচেষ্টা করছে তাদের জন্য ইতিহাস ভয়ংকর ভাবে ফিরে আসবে প্রকৃতির নিয়মে শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।।
26/03/2026
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু
শেখ হাসিনাতেই আস্থা।।
26/03/2026
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু
জয়তু দেশরত্ন শেখ হাসিনা।।
বাংলাদেশ সনদ (Bangladesh Charter) - বাংলাদেশ সনদ । Bangladesh Charter
শুভ উদ্বোধন | বাংলাদেশ সনদ ঐতিহাসিক উদ্বোধনের মাহেন্দ্রক্ষণ... কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশের পথে জনতার অঙ্গীকার সনদCharter গণ.....
26/03/2026
২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস,জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
25/03/2026
"মুক্তির মন্দির সোপান তলে
কত প্রাণ হলো বলিদান
লেখা আছে অশ্রুজলে"..
২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবসে
সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
17/03/2026
যতকাল রবে পদ্মা,মেঘনা,যমুনা,গৌরী বহমান
ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।
শুভ জন্মদিন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।।
11/03/2026
আমি যদি বলি দেশ কি আমেরিকার কাছে ইজারা দিয়েছে ইউনুস সরকার যার ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে বর্তমান সরকার তাহলে কি আমার পাপ হবে??
10/03/2026
ভারত গিয়ে বিশ্বকাপ খেলা যাবে না কিন্তু ভারত থেকে ডিজেল এনে গাড়ি চালানো যাবে! দেশের কোথাও একটা লংমার্চ হলো না পাইপলাইন অভিমুখে। এই বাংলাদেশ কি আমরা চেয়েছিলাম? হাদির আত্মার কাছে কি শাউয়া দেখাবেন... সরি মুখ দেখাবেন!
পাইপলাইন বানালো ভারত নিজেদের ৮০ ভাগ টাকায়, সে পাইপ দিয়ে বাংলাদেশে ডিজেল আসবে ভারত থেকে। এ কথা এতক্ষণে সবাই জেনে গেছেন। ফলে এই নিয়ে কিছু বলার নেই। মিস করছি বাইতুল মোকাররমে ভারতের আগ্রাসন বিরোধী মিছিল! মিস করছি নুরুল হক নুরকে! যে মোদির বানানো পাইপলাইন দিয়ে ডিজেল আসছে সেই মোদির বাংলাদেশ সফরের সময়ে নুরু ভারতীয় দূতাবাসের হামলা করতে গিয়েছিল!
একটা জিনিস সবাই জানে, ভৌগোলিক কারণে ভারতের ভেতর বাংলাদেশ আছে বলেই ভারত নিজের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশে জঙ্গি হতে দিবে না। কিন্তু বাংলাদেশে জঙ্গি পরিস্থিতিতে ভারতের নম্রতা আমাদের বিভ্রান্ত করে। একবার ভাবুন তো চীন তার পেটের মধ্যে এমন দেশ রাখবে যারা চীনের অখণ্ডতা নিয়ে রাজনীতি করবে? এনসিপির মত গজিয়ে উঠা কোন দলকে সহ্য করতো চীন? ইনুসের দেড় বছরে ভারত যদি বাংলাদেশে রপ্তানি বন্ধ করে ঘোষণা করতো নির্বাচিত সরকার ছাড়া কোন রপ্তানি নয় তাহলে বাংলাদেশে খাবারের অভাবে পাবলিক ইনুছ সরকারকে পিটিয়ে নামাতো আর ভারতের প্রতিবেশী মর্যাদা বুঝতো। আমাদের লাভ ছিল ভারতকে কেন্দ্র করে এখানে যে ডানপন্থী রাজনীতি হয় তা বড় রকমের হোঁচট খেতো। সেটা করা হয়নি। আসলে মশা না থাকলে যেমন কয়েল কোম্পানি উঠে যাবে তেমন করে জঙ্গি না থাকলে ভারতের রাজনীতির বহিঃশত্রুর আশংকার রাজনীতিও মার খাবে। তাই জিইয়ে রাখার রাজনীতি করতে হয়!
আবার পশ্চিমবঙ্গের বাম ও তৃণমূলের ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোটের জন্য মুসলিম ডানপন্থাদের তোষামোদ করতেই হবে। ফলে পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশী মুসলিম জঙ্গি কানেকশন রাজনৈতিক কারণে আশ্রয়-প্রশ্রয়ে থাকবেই। তাই ভারতের চীন বা ইসরায়েল হওয়া হবে না। দিল্লি না ঢাকা শ্লোগান দিয়ে পাইপলাইন দিয়ে তেল নিবে। নিবে আর বলবে টাকা দিয়ে কিনি মাগনা নাকি!
ভারতের কথা না হয় বুঝলাম। আওয়ামী লীগের কি সমস্যা? এই যে পাইপলাইন বানিয়ে দেশের এতবড় উপকার হয়েছে, শেখ হাসিনার এই রকম যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত, সেটা তারা জাতিকে জানাতে পেরেছে? ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বেনিফিট বাংলাদেশের জন্য কতখানি ছিল সেটা তারা জানাতে পারেনি। এখন আওয়ামী লীগের কোন দলগত অস্তিত্ব নির্বাচনের পর থেকে নেই। তৃণমূল দেখা যায় মার খাওয়ার সময়। আর ফেইসবুক লীগ কে সহি লীগ, কাদের সহি লীগ বলা যাবে তার সংজ্ঞা, কে ফেইসবুক লীগের সহি খলিফা এইসব নিয়ে সরব। দলের ১৭ বছরেরও তারা তাদের দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কিছুই দাঁড় করাতে পারেনি। এখন তো সহি আর বাতিলের ফতোয়া করেই সময় পায় না!
©সুষুপ্ত পাঠক
10/03/2026
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত নির্মিত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন যার মাধ্যমে দ্রুত গতিতে ডিজেল আমদানি করা যায় তা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ডিজেল আমদানিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।
এই পাইপলাইনের ১৩০ কিলোমিটারের প্রায় ১২০ কিলোমিটার বাংলাদেশের ভিতরে এবং এটা নির্মাণের ২৫% বাংলাদেশ বহন করেছিলো এবং ভারত বাকী অর্থ ঋণ আকারে দিয়েছিলো।
নিশ্চয়ই ভারত থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি আমদানির মাধ্যমে সাধারণ কৃষক থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ ব্যবসায়ীদের স্বস্তি এনে দিবে শেখ হাসিনার সরকারের করে যাওয়া এই পাইপলাইন অথচ তখন বিএনপি-জামাত বলেছিল শেখ হাসিনা সরকার ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করে দিচ্ছেন এই চুক্তির মাধ্যমে!!
শেখ হাসিনা সরকারের ভারতের সাথে এমন কোন দেশ বিক্রির চুক্তি থাকলে তা বিএনপি সরকার বাতিলপুর্বক জনগণের সামনে নিয়ে আসুক!!
#শেখহাসিনাতেইআস্থা
10/03/2026
দেশে তেল সংকট কাটাতে শেখ হাসিনার সময় নির্মিত পাইপলাইনে ভারত থেকে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল।
হে দিল্লি না ঢাকা
#শেখহাসিনাতেইআস্থা
10/03/2026
বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সর্বমহল থেকে একযোগে পুলিশ হ*ত্যার বিচারের দাবি উঠলেও সেটা ইতিমধ্যে ধামাচাপা দিয়ে দেয়া হয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার প্রত্যক্ষ সুবিধাভোগী হিসেবে মামলা, গ্রেফতার, ক্ষতিপূরণ বা বিচার কোনটাই তারা করবে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ সন্দেহে নির্যাতনের শিকার হওয়া শিক্ষার্থী, পিতৃহীন রাহিদ খান পাভেলের মাকে ক্রমাগত চাপ, হুমকি দিয়ে মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় এমন ধারাবাহিক ও সুপরিকল্পিত মব ভায়োলেন্সকে 'বিচ্ছিন্ন' ঘটনা বলে অপরাধ হালকা করে দায় এড়ানো ও অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করছেন।
মানসিক প্রতিবন্ধী, অসহায় এতিম তোফাজ্জলকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছে, তবে সেখানে প্রধান অভিযুক্ত বাকের মজুমদারের মতো আসামিদের নাম বাদ দিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৭ মার্চ, অবৈধ ইউনুস গং স্টাইলেই ধানমন্ডি বত্রিশ অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিলো। ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ওবং সেই ভাষণ বাজানোর অপরাধে ৩ জন ঢাবি শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী মিথ্য মামলায় জেল হাজতে।
ইউনুস গং যাওয়ার পর আওয়ামী লীগ ইস্যুতে বিএনপির অবস্থান ঠিক আগের মতোই আছে এবং থাকাটা সম্ভবত অস্বাভাবিক নয়। যেই জ*ঙ্গি-সন্ত্রা*সীদের ম্যাসাকার ও দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের ফসল হিসেবে বিএনপি সমঝোতা-ভাগাভাগির নির্বাচনে ক্ষমতায় বসেছে, তারা সেই অপরাধীদের বিচার করবে বা করার চেষ্টা করবে, সেটা আশা করছেন কিভাবে? কোন যুক্তিতে?
যে দল ক্ষমতায় থেকে ২১ আগস্ট ঘটিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বকে সম্পূর্ণ নির্মূল করার পরিকল্পনা করতে পারে, সেই দলকে দিয়ে যদি প্রত্যেক বা পরোক্ষভাবে আওয়ামী লীগের কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নের কিংবা নিজেদের ভঙ্গুর, সমন্বয়হীন সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত না করে, জনবান্ধব, তরুণ নেতৃত্ব দিয়ে টপ টু বটম সংগঠন পুনর্গঠন না করে যদি দেশী-বিদেশী কারো দয়া দাক্ষিণ্য, অনুকম্পা দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর অলীক স্বপ্ন কেউ দেখে থাকেন, তারা স্রেফ ভুল, বিভ্রান্তি ও বোকার স্বর্গে বাস করছেন।
আওয়ামী লীগ সুদীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম, চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের ওই দেশটা জন্ম দিয়েছে।
গণমানুষের দল আওয়ামী লীগ এদেশে রাজনৈতিকভাবে সর্বাবস্থায় প্রাসঙ্গিক। অধিক আশাবাদী বা হতাশ না হয়ে কেবল সকল স্তরে নিজেদের সমস্যা, দুর্বলতা, প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সমাধান প্রচেষ্টা ও স্টেপ বা স্টেপ ঘর ঘোছানোর কাজে মনোনিবেশ করতে হবে।
বাংলাদেশের ও মানুষের অত্যাবশ্যক প্রয়োজনেই আওয়ামী লীগকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে এবং সেটা দলের আদর্শিক ও পরীক্ষিত নেতাকর্মী, সমর্থকদের আন্তরিক কর্মযজ্ঞ, সাংগঠনিক দক্ষতার উপর পূর্ণ আস্থা-ভরসা রেখে পরিপূর্ণ সাংগঠনিক প্রস্তুতির মাধ্যমেই। অন্যকারো ভরসায় নয়, আওয়ামী লীগ স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হোক; জ্বলে উঠুক আপন শক্তিতে।
© Golam Rabbani ভাই