Upokari Foundation

Upokari Foundation

Share

community development as "a process where community members come together to take collective action and generate solutions to common problems."

We work as "Socio-Economic Development Activists (SEDA)" and our organization is working in the sense of social development using economic activism with religious or social values, using social power for change. It is a broad concept, applied to the practices of civic leaders, activists, involved citizens, and professionals to improve various aspects of communities, typically aiming to build stron

05/08/2025
29/05/2025

You don’t always land on both feet.
And that’s okay.

When you’re:

– Leaving a company after many years
– Relocating to a new place
– Shifting your career

…you might feel a bit off balance.

Uncertain
Wobbly

Not quite “there” yet.

It can feel like landing on just one wheel.

Not ideal. Not smooth.

But it still counts as a landing.

And with the right mindset and support:

- You stabilise
- You roll forward
- You lift off again

Because even a one-wheel landing is a sign of progress.

Agree?👍

Send a message to learn more

14/01/2025

বিভিন্ন রকমের মানুষ বিভিন্ন মতাদর্শ তাই তাদের সাথে আপনার আচরণ নৈতিকতা এবং ধৈর্য দিয়ে মোকাবেলা করুন এবং মাঝে মাঝে তাদের আচরণে কষ্ট পেলেও ইচ্ছাকৃত অবহেলা করার প্রয়োজন মনে করুন ।।

22/11/2024

It's a little change day by day but i think very informative post...

11/10/2024

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিপড়া।
সে প্রতিদিন ৯ টায় অফিসে ঢুকতো, তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।

সে যে পরিমাণ কাজ করত তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।

ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত,এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে।
সিংহ ভাবল পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয় তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।

কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত।

তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।
কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো,তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে।

সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোন কল মনিটর করবে আর নথিপত্র রাখবে।

সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে।

ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।

কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল।
আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।

আমাদের কর্মী পিঁপড়া যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়,সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।

নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।

সিংহ সিদ্ধান্ত নিল পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে,সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।

সিংহ ঝিঁঝি পোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল।
ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।

কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো।

কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।

পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল,‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।

পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল,সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল,তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে।
ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো,এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি,কর্মী ছাঁটাই করা হোক।

পরের সপ্তাহেই বেশ কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো।

বলুন তো কে সর্বপ্রথম চাকরি হারাল ওই হতভাগ্য পিঁপড়া।😥

কারণ পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল, এই কর্মীর মোটিভেশনের ব্যাপক অভাব রয়েছে এবং সর্বদাই নেতিবাচক আচরণ করছে যা অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট করছে।

11/10/2024

কিসের এত অহংকার!?
গত শুক্রবার যমুনা ফিউচার পার্কের মসজিদের সামনে এই লোকটা ভিক্ষা করছিলেন তার পরিচয় হচ্ছে তিনি সাবেক গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মিঃ শাহজাহান। মান্দার এলাকায় তার গার্মেন্টস ছিল। সম্প্রতি তিনি ১০ কোটি টাকা লোকসান করে আজ পথের ফ:কি:র। তার স্ত্রী খুব অসুস্থ। তিনি নিজেও হার্টের রো:গী। বড় অ-পারেশন হবে। তাই সাহায্য চাচ্ছে। মনে মনে ভাবলাম কত মানুষের রোজগারের সুযোগ করে দিয়েছিলেন আজ তিনি মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করছেন। এরকম কিছু মানুষের জন্যই হয়তো এতো বড় একটি সেক্টর এর জন্ম হয়েছিলো।
আল্লাহ যে কাকে কোন অবস্থা থেকে কোন অবস্থায় নিমিশেই নিয়ে যাবে কল্পনাও করতে পারবে না, তাই নিজের অবস্থান ও অর্থবিত্ত নিয়ে অহংকার না করি এবং অন্যের খারপ অবস্থার জন্য কাউকে খোটা না দেই। আল্লাহ সবাইকে যে যে অবস্থায় আছে সে অবস্থায় থেকেই আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার তৌফিক দান করুন৷ আমীন!

19/09/2024

সময় কখনোই ফিরে আসে না..
চলে যায় দিনশেষে রাতের আবরনে..
টান ভাঁজ থেকে কুঁচকে যায় ত্বক..
সময়ের আবর্তনে..
তবু স্বপ্নগুলো পাল্টায় না..
রোজ ভীড় করে দুচোখের ধূসর প্রান্তে..
তুমি আমি হেরে যাই সেই স্বপ্নের কাছে নিজের অজান্তে....💙💙

12/09/2024

এরকম ছবি গুলো জাদুঘরে সংরক্ষিত থাক। যেন শত বছর পরেও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এগুলো দেখে অনুপ্রাণিত হতে পারে।

06/09/2024

লোকমুখে এখন শুনছি, জাতীয় সঙ্গীত নাকি পাল্টে যাবে। অবশ্য তাতে রবীন্দ্রনাথের কিছুই যায় আসে না!

কারণ কবিগুরু সেই কবেই তো বলে গেছেন --

"যত বড়ো হও
তুমি তো মৃত্যুর চেয়ে
বড়ো নও
আমি মৃত্যু-চেয়ে বড়ো
এই শেষ কথা বলে
যাব আমি চলে।"

এক মুঠো অশুভ মেঘ চিরায়ত
রবির বহ্নি কখনও নেভাতে পারে কি?

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা' -- কেউ জোর করে চাপিয়ে দেয়নি। মুক্তিযুদ্ধ-এর সময় এই গান তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মুখে মুখে ফিরত। আজকের ভাষায় 'ভাইরাল।' সেই কারণেই স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার পর জনগণের ইচ্ছাকে মান্যতা দিতেই গানটির প্রথম দশ চরণ দেশের জাতীয় সংগীত হিসাবে গৃহীত হয়।

30/08/2024

দুই দুইটা পরমাণু বোমা ফেলে লক্ষ মানুষ মেরেও আমেরিকা যদি জাপানের বন্ধু হতে পারে 🙂
২০০ বছর সীমাহীন শোষণ করেও ইংল্যান্ড ভারতের বন্ধু হতে পারে 🙂
তাহলে কোন যুক্তিতে পাকিস্তান বাংলাদেশের বন্ধু হতে পারে না?? পাকিস্তান যত খারাপই হোক ভারত কে সঠিক লাইনে আনতে তারা আমাদের সাথে বেইমানি করবে না । এখন পাকিস্তানের সাথে সামরিক বেসামরিক লেনদেন ব্যবসা বাণিজ্য পুরোদমে চালু করা হোক। আর যাদের পাকিস্তানের নাম শুনলেই গা জ্বলে তারা যেনো ভারতে পাড়ি জমায়।

29/08/2024

আহ: ফি লি স্তি ন 😭😭
ফি লি স্তি নের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বন্যার্তদের জন্য উপহার!

তাঁরা নিজেরাই ক্ষতবিক্ষত, অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটায়। প্রতিমুহূর্তে বু লে টে র আঘাত পেতে প্রস্তুত থাকে। তাঁরা আজ বাংলাদেশের বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ পাঠিয়েছে!

আমার হৃদয় অস্বাভাবিকভাবে পূর্ণ হয়ে উঠেছে! যারা ঘাস দিয়ে ইফতার করে, যারা এক ফোঁটা পানির জন্য ট্রাকের টায়ারে মুখ পাতে, তাঁরা স্বজাতির পাশে দাঁড়িয়েছে!

এ যে সোনালি যুগের সাহাবায়ে কিরামগণের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে, যাঁরা নিজেরা অনাহারী থেকেও ক্ষুধার্ত মুসাফিরকে নিজেরটুকু দিয়ে দিয়েছেন!

মন কেঁদে উঠছে! ও আল্লাহ্ আমার প্রাণের ফি লি স্তি নের বিজয় দান করুন! বিজয় দান করুন!

Photos from Upokari Foundation's post 23/08/2024

আমি নিস্তব্ধ, আমি বাকরুদ্ধ।
❤️হে আল্লাহ তুমি সকলকে হেফাজত কর,,,🤲

পরিরারের সবাই সুস্থ আছে এর থেকে বড় আর হতে পারে, আর যারা এই বিপদের মধ্যে আছে মহান আল্লাহ আপনি তাদেরকে হেফাজত করুন! 🤲

Want your business to be the top-listed Government Service in Jamalpur Sadar Upazila?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Dhaka
Jamalpur Sadar Upazila
2012

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00