23/02/2026
সামাজিক দায়বদ্ধতার পক্ষ থেকে আলম ভাই এর উদ্যোগে চান্দুরা গ্রামে ইফতারি বিতরণের কাজ চলছে
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from সামাজিক দায়বদ্ধতা, Social service, jamalpur, Jamalpur Sadar Upazila.
সামাজিক দায়বদ্ধতা একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক মেয়াদ, যা আমাদের প্রতিটি ব্যক্তির মানবিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি দায়বদ্ধতা বোঝায়। এটি ব্যক্তির সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্বের সাথে সম্পর্কিত।
23/02/2026
সামাজিক দায়বদ্ধতার পক্ষ থেকে আলম ভাই এর উদ্যোগে চান্দুরা গ্রামে ইফতারি বিতরণের কাজ চলছে
এমন একটি পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা প্রদান করা হলো যে আর্থিকভাবে অসচ্ছল
সমাজেসামাজিক দায়বদ্ধতা ফাউন্ডেশনে সদস্যবৃন্দ যারা আর্থিকভাবে অর্থ দিয়ে সহায়তা করেছেন সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ
06/03/2025
সামাজিক দায়বদ্ধতা ফাউন্ডেশনের বীর সৈনিক
06/03/2025
সামাজিক দায়বদ্ধতা ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে যাদেরকে ইফতার সামগ্রী দেওয়া হয়েছে তাদের তালিকা
সমাজের অসহায় হতদরিদ্র মানুষের মাঝে সামাজিক দায়বদ্ধতার পক্ষ থেকে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে
আল্লাহর কাছে একশ’ বারের বেশি ইসতিগফার (আসতাগফিরুল্লাহ) বা ক্ষমা প্রার্থনা করা যায়। এর ফজিলত আপনার অজানা নয়। এটি ক্ষমা প্রাপ্তি ও জান্নাতে প্রবেশের উপায়। এটি সুখময় জীবন, শক্তি বৃদ্ধি, বিপদ-আপদ রোধ, সব কাজ সহজীকরণ, বৃষ্টি বর্ষণ, সম্পদ ও সন্তানের বৃদ্ধি ইত্যাদির মাধ্যম।
কবর দেখে মৃত্যুকে স্মরণ হয়, তাতে মুসলিমগণ যেন সৎ আমল করে এ কবরের জন্য প্রস্তুতি নেয়। আর এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী:
«فَزُورُوهَا فَإِنَّهَا تُذَكِّرُ الآخِرَةَ»
“সুতরাং তোমরা কবর যিয়ারত কর, কেননা তা পরকালকে স্মরণ করিয়ে দিবে।”
প্রত্যেক স্থানের কবর যিয়ারতই শরী‘আতসম্মত। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«زُورُوا الْقُبُورَ فَإِنَّهَا تُذَكِّرُ الْمَوْتَ»
“তোমরা কবর যিয়ারত কর, কেননা তা তোমাদের মৃত্যুকে স্মরণ করিয়ে দিবে।”
কালেমায়ে ত্বইয়েবাহ (পবিত্র বাক্য) হ’ল لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ (লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ) ‘নেই কোন উপাস্য আল্লাহ ব্যতীত’। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘সর্বোত্তম যিকির হ’ল ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ এবং সর্বোত্তম দো‘আ হ’ল ‘আল-হামদুলিল্লাহ’।[2] আর যদি কেউ উক্ত বাক্যটি একনিষ্ঠতার সাথে পাঠ করে, তাহ’লে তার জন্য আকাশের দরজা খুলে দেওয়া হয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,مَا قَالَ عَبْدٌ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ قَطُّ مُخْلِصًا، إِلَّا فُتِحَتْ لَهُ أَبْوَابُ السَّمَاءِ، حَتَّى تُفْضِيَ إِلَى العَرْشِ، مَا اجْتَنَبَ الكَبَائِرَ. ‘কোন বান্দা একনিষ্ঠতার সাথে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ পাঠ করলে তার জন্য আকাশের দ্বারসমূহ খুলে দেওয়া হয়। ফলে সেই কালেমা আরশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। যতক্ষণ সে কবীরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকে’।[3] একদা আবু যার (রাঃ) নবী করীম (ছাঃ)-কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আমাকে কিছু উপদেশ দিন। আল্লাহর রাসূল বললেন, إِذَا عَمِلْتَ سَيِّئَةً فَأَتْبِعْهَا حَسَنَةً تَـمْحُهَا ‘পাপ কাজ করার সাথে সাথেই সৎ আমল করবে, তাহ’লে এটা তোমার পাপকে মিটিয়ে দিবে’। ছাহাবী বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ বলা কি সৎ আমল’? তিনি বললেন, هِيَ أَفْضَلُ الْـحَسَنَاتِ ‘এটা তো সর্বোৎকৃষ্ট সৎ আমল’।[4]
مَنْ تَرَكَ الْجُمُعَةَ ثَلاَثَ جُمَعٍ مُتَوَالِيَاتٍ فَقَدْ نَبَذَ الْإِسْلاَمَ وَرَاءَ ظَهْرِهِ، ‘যে ব্যক্তি অবহেলা করে পরপর তিন জুম‘আ পরিত্যাগ করল, সে ব্যক্তি ইসলামকে পশ্চাতে নিক্ষেপ করল’।
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,لاَ يَغْتَسِلُ رَجُلٌ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، وَيَتَطَهَّرُ مَا اسْتَطَاعَ مِنْ طُهْرٍ، وَيَدَّهِنُ مِنْ دُهْنِهِ، أَوْ يَمَسُّ مِنْ طِيْبِ بَيْتِهِ ثُمَّ يَخْرُجُ، فَلاَ يُفَرِّقُ بَيْنَ اثْنَيْنِ، ثُمَّ يُصَلِّى مَا كُتِبَ لَهُ، ثُمَّ يُنْصِتُ إِذَا تَكَلَّمَ الإِمَامُ، إِلاَّ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الأُخْرَى- ‘যে ব্যক্তি জুম‘আর দিন গোসল করে সাধ্যমত পবিত্র হয়ে তেল ও সুগন্ধি মেখে মসজিদে এল, দু’জনের মাঝে ফাঁকা করল না এবং সাধ্যমত নফল ছালাত আদায় করল। অতঃপর চুপচাপ ইমামের খুৎবা শ্রবণ করল ও জামা‘আতে ছালাত আদায় করল, তার পরবর্তী জুম‘আ পর্যন্ত এবং আরও তিনদিনের গোনাহ মাফ করা হয়’।[21]
তিনি আরও বলেন,مَنْ غَسَّلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَاغْتَسَلَ وَبَكَّرَ وَابْتَكَرَ وَمَشَى وَلَمْ يَرْكَبْ وَدَنَا مِنَ الإِمَامِ فَاسْتَمَعَ وَلَمْ يَلْغُ كَانَ لَهُ بِكُلِّ خَطْوَةٍ عَمَلُ سَنَةٍ أَجْرُ صِيَامِهَا وَقِيَامِهَا- ‘যে ব্যক্তি জুম‘আর দিন ভালভাবে গোসল করে। অতঃপর সকাল সকাল মসজিদে যায় পায়ে হেঁটে, গাড়ীতে নয় এবং ইমামের কাছাকাছি বসে ও মনোযোগ দিয়ে খুৎবার শুরু থেকে শুনে এবং অনর্থক কিছু করে না, তার প্রতি পদক্ষেপে এক বছরের ছিয়াম ও ক্বিয়ামের অর্থাৎ দিনের ছিয়াম ও রাতের বেলায় নফল ছালাতের সমান নেকী হয়’।[22]
লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ’ (অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপায়-সামর্থ্য ও কোনো শক্তি নেই) ৪০ বারের বেশি পড়া যায়। এ বাক্যটির সওয়াব জান্নাতের জন্য সঞ্চিত অমূল্য রত্ন এবং সামগ্রিক দুশ্চিন্তা দূর করে দেয়। বুখারি ও মুসলিমে এ প্রসঙ্গে হাদিস বর্ণিত হয়েছে।