30/08/2021
Inbox for order❣️
Green Jamalpur
30/08/2021
Inbox for order❣️
30/08/2021
কোকোপিট ব্যবহারের সুবিধা
ক) কোকোপিটে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান আছে। এতে রয়েছে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, উচ্চতর পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো উপাদান।
খ) কোকোপিটে দ্রুত পানি ও বাতাস চলাচল করতে পারে ফলে গাছের শিকড় দ্রুত বাড়ে। গাছের শিকড় বাড়ার কারনে গাছও দ্রুত বাড়ে এবং স্বাস্থ্যবান হয়।
গ) কোকোপিটে দ্রুত পানি ও বাতাস আসা যাওয়ার কারনে ক্ষতিকারক ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করতে পারে না।
ঘ) কোকোপিটে রাসায়নিক সার না মেশালেও চলে। শুধু মাত্র ভার্মিকম্পোষ্ট অথবা জৈব সার মিশিয়ে চাষ করা যায় ফলে রাসায়নিক মুক্ত সবজি, ফল, ফুল, অর্কিড ও অন্যান্য গাছ উৎপাদন করতে পারবেন।
ঙ) কোকোপিটে আছে পানি ধরে রাখার অসাধারন ক্ষমতা। ১ কেজি কোকোপিট ১৫ কেজির মতো পানি ধরে রাখতে পারে। বিভিন্ন ঋতুতে এর পরিমাণ বিভিন্ন হয়ে থাকে। একবার কোকোপিট ব্যবহার করলে পানি দেওয়া নিয়ে দূঃশ্চিন্তা করার প্রয়োজনি পড়বে না।
চ) কোকোপিটের আর্দ্রতা ধরে রাখার ক্ষমতা ৬০০-৮০০ ভাগ।
ছ) গাছের জন্য যতটুকু পানি দরকার ঠিক ততটুকু পানি এই কোকোপিট ধারন করে রাখে ফলে গাছের শিকড়ে পঁচন ধরে না।
জ) কোকো পিটে প্রাকৃতিকভাবে অপকারী ব্যাকটেরিয়া এবং ফাঙ্গাস প্রতিরোধী উপাদান বিদ্যমান থাকে।
ঝ) কোকো পিটে প্রাকৃতিক মিনারেল থাকে যা উদ্ভিদের খাদ্য তৈরি এবং উপকারী অণুজীব সক্রিয় করার জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখে।
ঞ) কোকোপিট দিয়ে গাছ লাগালে ক্ষতিকারক পোকা মাকড় আসে না।
ট) কোকোপিট মাটির তুলনায় পরিষ্কার ও পরিছন্ন ফলে যেখানে গাছ রাখবেন যেমন আপনার ঘর, বারান্দা ও ছাদ নোংরা হবে না সর্বসময় পরিষ্কার ও পরিছন্ন থাকবে।
ঠ) কোকো পিট ১০০% জৈব উপাদান সমৃদ্ধ
ড) জৈব উপাদান দিয়ে তৈরি হওয়ায় এ্রর উচ্চতর ক্যাটায়ন আদান-প্রদান ক্ষমতা রয়েছে। এটি প্রয়োজনানুসারে গাছের জন্যে পুষ্টি উপাদান নিঃসরণ করে। এটি পুষ্টির অপচয় রোধ করে।
ঢ) কোকোপিটকে মেশিনের সাহায্যে নিজের আকৃতির এক-পঞ্চমাংশ করে ফেলা খুবই সহজ। এজন্যে এটি খুবই সহজে পরিবহণযোগ্য
ণ) হাইড্রোপনিক উদ্ভিদ কোকোপিটে মাটির চেয়ে ৫০ ভাগ দ্রুত বাড়তে পারে।
ত) কোকোপিট ব্যবহার করলে সার ও কীটনাশকের ব্যবহার দরকার পরে না। যেহেতু কোকোপিটেই প্রয়োজনীয় উপাদান থাকে।
থ) কোকোপিটে প্রাকৃতিকভাবেই ট্রাইকোডার্মা থাকে যা কিনা বায়োএজেন্ট হিসেবে ক্ষতিকর প্যাথোজেন ও আগাছা প্রতিরোধ করে। এছাড়াও এটি উপকারী ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস জন্মাতে সাহায্য করে।
কোকোপিট এর উপকারিতা অনেক🥰🥰🥰
তাই কারো প্রায়োজন হলে অবশ্যই ইনবক্স করবেন।
30/08/2021
ভার্মি কম্পোস্ট : রাসায়নিক সারের বিকল্পঃ
তালায় রাসায়নিক সারের ব্যবহার ছেড়ে ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচো সার) সারের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা। রাসায়নিক সারের ক্ষতিকারক দিক বিবেচনায় কৃষকদের মধ্যে সচেতনতার ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে উপজেলার তৃণমূলে কৃষকরা এখন ব্যাপকভাবে শুরু করেছেন ভার্মি কম্পোস্টের ব্যবহার। আর ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতেও শুরু হয়েছে ভার্মির উৎপাদন। সুফলও পাচ্ছেন ভার্মির সাথে সংশ্লিষ্টরা- এমনটাই জানিয়েছেন কৃষকদের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি বিভাগ।
খাদ্য ছাড়া জীবন অচল। আর পৃথিবীর সকল জীবের খাদ্যের যোগান মেটে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাটি থেকেই। গঠন অনুসারে পানি, বায়ু, অজৈব/খনিজ ও জৈব এ ৪টি উপাদানে মাটি গঠিত। আমরা মাটিতে রাসায়নিক সার প্রয়োগের মাধ্যমে কিছুটা হলেও অজৈব ঘাটতি পূরণ করে থাকি। তবে মাটিতে জৈব উপাদান না দেওয়ায় এর ঘাটতি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে একসময় মাটি প্রাণহীন হয়ে পড়বে বলে কৃষি তথ্য আমাদের নিয়মিত জানান দিচ্ছে।
এরই মধ্যে রাসায়নিক সারের কূফল যেমন ফসলের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, জমির প্রাকৃতিক গুণাগুণ নষ্ট,মাটির স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করে এর পরিবেশ দূষিত, ফসলের ভাইরাস ও ছত্রাকজনিত নতুন রোগ-জীবাণুর আক্রমণ ও শত্রু পোকার বংশ বিস্তার, উৎপাদিত ফসলে খাদ্য পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়, মাটির অণু ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মাটির পানি ধারণক্ষমতা লোপ পাওয়া সহ নানা কুফল তুলে ধরে ভার্মি কম্পোস্টের উৎপাদকরা লিফলেটও বিতরণ করছেন কৃষকদের মধ্যে।
কৃষি তথ্য ও বিভিন্ন উৎপাদক গোষ্ঠীর প্রচারপত্রানুযায়ী আরো জানা যায়, ভার্মি কম্পোস্ট মানবদেহের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য-শষ্য উৎপাদনে বোটানিকা অ্যাগ্রো লি. ২০০৭ সালে পরিবেশবান্ধব ও প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত জৈব সার উৎপাদনের জন্য গবেষণামূলক কার্যক্রম শুরু করে। একপর্যায়ে ২০০৯ সালে (এপিজিক) জাতের রেড ওয়ান (অস্ট্রেলিয়া) ও ব্লাব নাইট (অফ্রিকা) এই দুই জাতের কেঁচো বেশ কয়েকবার সংকরায়ন করার পর আবিষ্কার হয় নতুন প্রজাতির বি এস ওয়ান। এতে চূড়ান্ত সফলতাও আসে। এই কেঁচোকে নির্দিষ্ট পরিবেশে গ্যাসমুক্ত গোবর খাওয়ালে মল আকারে এক ধরনের সার উৎপন্ন হয়। এই জাতের কেঁচো শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে রস নিঃসরণ করে। এ রস উদ্ভিদেও প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ এবং সারের সাথে মিশে যায়। ফলে উৎপাদিত সারের মান বহুগুণে বেড়ে যায়।
তবে আর দেরি কেন।।জলদি ইনবক্স করুন🥰