ইসলামী ছাত্র আন্দোলন জামালপুর জেলা শাখার অফিশিয়াল পেইজে স্বাগতম।
ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর পরিচিতি
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
প্রারম্ভিকাঃ
‘সত্যের প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়ের প্রতিরোধ’ এর মধ্যেই মুসলমানদের শ্রেষ্ঠত্ব নিহীত। এ কাজ সাধ্যানুযায়ী সর্বাত্মকভাবে আঞ্জাম দেওয়া প্রত্যেক মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব। বিশেষ করে ছাত্রসমাজ এ কাজের যোগ্য সৈনিক কারণ ছাত্রসমাজই দেশ ও জাতির সক্রিয় ও কার্যকর জনশক্তি। এরা দেশের অমূল্য সম্পদ, ভবিষ্যত কর্ণধার। ছাত্রদের ক্লান্তিহীন শ
্রম, অপ্রতিরোধ্য শক্তি এবং তীক্ষ্ম মেধার সঠিক চর্চা ও প্রয়োগের ওপর নির্ভর করে দেশের গতি-প্রকৃতি, সুখ-সমৃদ্ধি তথা জাতির আশা আকাক্সক্ষার প্রতিফলন। ছাত্রদের শ্রম দেশগড়ায় ও মানব কল্যাণে প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের শক্তি অন্যায়-অবিচার-জুলুম তথা বাতিলের বিরুদ্ধে আর তাদের মেধা সত্য অন্বেষণ, দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণে ব্যবহৃত হওয়ার মাধ্যমেই সার্থক হয়ে ওঠে। ছাত্রজীবনই সৎ ও আদর্শ মানুষ হওয়ার প্রথম সোপান।
ছাত্রদের মন ও মানস সর্বদাই অনুসন্ধিৎসু। একজন সচেতন ছাত্রের সম্মুখে থাকে দু’টি প্রশ্ন। একটি জীবন-জিজ্ঞাসা; সে কোথা থেকে এসেছে, এ দুনিয়ার জীবনে তার করণীয় কী এবং পরিণামে তার গন্তব্য কোথায়? দ্বিতীয়টি, যুগ-জিজ্ঞাসা; দেশব্যাপী অন্যায়, অবিচার, জুলুম, নির্যাতন, হাহাকার, অশান্তি কেন? দেশের স্থায়ী শান্তি এবং মানুষের সার্বিক মুক্তির পথই বা কী? নৈতিক আদর্শ বিবর্জিত বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা এসবের উত্তর দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তাছাড়া বিদ্যমান জাহিলী সমাজব্যবস্থার ধারক ও বাহকেরা ছাত্রদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে অক্ষম। আমাদের অনেকেই নিজেদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে ছাত্রসমাজকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তারুণ্যের শ্রম, শক্তি ও মেধা ভুল পথে পরিচালনার মাধ্যমে এই বিভ্রান্ত নেতৃত্ব নিষ্কলুষ ছাত্রসমাজের মসৃণ ও নির্মল ঐতিহ্যকে কলঙ্কময় করে তুলছে।
বারবার আমাদের সরকার পরিবর্তনে ছাত্রসমাজের বলিষ্ঠ ভূমিকা থাকলেও শিক্ষাঙ্গণে সুষ্ঠু পরিবেশ কখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। হয়নি তাদের দাবি-দাওয়ার বাস্তব প্রতিফলন। যার কারণে ছাত্রদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম হতাশা। তারা আস্থা হারিয়ে ফেলছে নৈতিকতা বিবর্জিত এই ধর্মহীন শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি। তাদের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে যুদ্ধংদেহী মনোভাব। ছাত্রদের এহেন ভূমিকার কারণে সমগ্র জাতি আজ দিশেহারা এবং তাদের ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে আতংকিত। এরূপ নাজুক ও সংকটময় মুহূর্তের কথা চিন্তা করে দেশের বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম, পীর মাশায়েখ এবং দীনদার বুদ্ধিজীবীগণের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ছাত্রদের ভবিষ্যৎ কল্যাণচিন্তায় এবং তাদের শ্রম, শক্তি ও মেধার সঠিক চর্চা করে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি, আদর্শ মানুষ হওয়ার শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন এবং প্রচলিত জাহিলী সমাজব্যবস্থার পরিবর্তন সাধন করে ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে পরিপূরক শক্তি হিসেবে ভূমিকা পালনের নিমিত্তে দেশের সর্বস্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিশীল, প্রতিভাবান ও প্রতিনিধিত্বশীল ছাত্রদের নিয়ে ১৯৯১ সালের ২৩ আগস্ট, শুক্রবার ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশের তরুণ ছাত্রসমাজকে চারিত্রিক ও নৈতিক অধঃপতন থেকে তুলে এনে সিরাতুল মুস্তাকীমে পরিচালিত করে মুসলিম মিল্লাতের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস-ঐতিহ্যের অভিমুখে পরিচালিত করার লক্ষ্যেই আমাদের এ অভিযাত্রা।
লক্ষ্য-উদ্দেশ্যঃ
লক্ষ্য : জাহিলিয়াতের সকল প্রকার আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী খোলাফায়ে রাশেদার নমুনায়-সাহাবায়ে কেরামের অনুসৃত পথে মানবজীবন গঠন ও সমাজের সর্বস্তরে পূণ দ্বীন বাস্তবায়ন।
উদ্দেশ্যঃ আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন।
এ লক্ষ্য হাসিলের জন্য ইশা ছাত্র আন্দোলন প্রণয়ন করেছে সুচিন্তিত পাঁচ দফা কর্মসূচি।
কর্মসূচিঃ
১. ইলম ও তারবিয়াত (জ্ঞানর্জন ও প্রশিক্ষণ)
২. আমল ও তাযকিয়াহ (আমল ও আত্মশুদ্ধি)
৩. তাবলীগ (দাওয়াত)
৪. তানজীম (সংগঠন)
৫. ইনকিলাব (বিপ্লব)
১. ইলম ও তারবিয়াত:
১.১ তরুণ ছাত্রসমাজকে ইসলামী আদর্শে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইসলামের সঠিক জ্ঞান অর্জনে উদ্বুদ্ধ করা।
১.২ ইসলামী ও আধুনিক শিক্ষায় ব্যুৎপত্তি অর্জন এবং প্রচলিত ধর্মহীন শিক্ষা ও মানবরচিত সকল মতাদর্শের অসারতা অনুধাবনে উৎসাহিত করা।
১.৩ জাহিলিয়াতের সকল প্রকার চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় ইসলামী সমাজবিপ্লবের যোগ্য কর্মী হিসেবে গড়ে তোলার সার্বিক প্রচেষ্টা চালানো।
২. আমল ও তাযকিয়াহ:
২.১ ব্যক্তিজীবনকে ইসলামী শরীয়তের আলোকে সুন্নত তরীকায় গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালানো।
২.২ সর্বাবস্থায় সকল কাজে আল্লাহ তায়ালার জিকির জারী রাখা।
২.৩ আল্লাহওয়ালা ব্যক্তিদের সোহবত লাভের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির প্রচেষ্টা চালানো।
২.৪ জাহেরী ও বাতেনী নেক আমল অর্জন এবং বদ আমল বর্জনের চেষ্টা করা।
৩. তাবলীগ:
৩.১ সকল প্রকার তাগুতী মত ও পথ অস্বীকার করে জীবনের সর্বক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালার সার্বভোমত্ব ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শরীক হবার আহ্বান করা।
৪. তানজীম:
৪.১ যে সকল তরুণ শিক্ষার্থী আন্দোলনের উদ্দেশ্যের সাথে একমত হয়ে জীবনের সর্বস্তরে কুরআন সুন্নাহর আইন তথা ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শরীক হতে আগ্রহী তাদেরকে সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ করা।
৪.২ শিক্ষাঙ্গনসহ সর্বত্র ছাত্রসমাজের মাঝে সংগঠন গড়ে তোলার মাধ্যমে আন্দোলনের সম্প্রসারণ ঘটানো।
৫. ইনকিলাব:
৫.১ শিক্ষাঙ্গনের সমস্যাবলী চিহ্নিত করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে তা দূরীকরণের জন্য ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালানো।
৫.২ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নির্দেশিথ ও অনুমোদিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা।
৫.৩ সকল প্রকার ইসলামবিরোধী কার্যকলাপের অবসান ঘটিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের স্থায়ী শান্তি এবং মানবতার সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে ইসলামী বিপ্লব সাধনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো।
সাংগঠনিক কাঠামোঃ
কেন্দ্রীয় সংগঠন, জেলা শাখা, মহানগর শাখা, থানা শাখা, পৌর শাখা, ইউনিয়ন শাখা, ওয়ার্ড শাখা ও প্রতিষ্ঠান শাখাসমূহের সমন্বয়ে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের সাংগঠনিক কাঠামো গঠিত হবে।
যোগদানের নিয়মঃ
ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কাজের মানোন্নয়নের জন্য আমলের ৩টি স্তর থাকবে:
১. সদস্য ২. কর্মী ৩. মুবাল্লিগ
সদস্য: যদি কোন শিক্ষার্থী ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের উদ্দেশ্যের সাথে একমত হয়ে কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির উপর আস্থাবান হন এবং সঠিক ইসলামী জীবন-যাপন ও আন্দোলনের সামগ্রিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন, তাহলে নির্ধারিত ফরম পূরণের মাধ্যমে তিনি সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন।
দৈনন্দিন কর্মসূচিঃ
১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতের সাথে আদায় ও তাহাজ্জুদের অভ্যাস গড়ে তোলা। ফরয সালাতের পর অন্তত কিছু সময় জিকির, অজিফা, কুরআন তিলাওয়াত ইত্যাদি নফল ইবাদতে মশগুল থাকা। সকল অবস্থায়, সর্বদা জিকরুল্লাহ ও দরুদ শরীফ জারী রাখা।
২. নিয়মিত কুরআন হাদীস, মাসআলা-মাসায়েল, সাংগঠনিক বই-পুস্তক ও পত্র-পত্রিকা পড়া।
৩. দৈনিক অন্তত এক ব্যক্তিকে সংগঠনের দাওয়াত দেওয়া।
৪. আল্লাহর পথে জানমাল কুরবানী করার জযবা সৃষ্টি করা।
৫. দৈনন্দিন পারস্পরিক লেনদেন স্বচ্ছতা এবং আচার-আচরণ মার্জিত হওয়ার দিকে লক্ষ্য রাখা।
৬. প্রত্যহ কারো কোন উপকার করা।
৭. নিদ্রার পূর্বে মুহাসাবায়ে নফ্স (আত্মপর্যালোচনা) করা।
৮. দ্বীন প্রতিষ্ঠার নিয়তে প্রতিদিন দু’রাকাত সালাতুল হাজত আদায় করা।
বৈশিষ্ট্যঃ
*ইসলামী আদর্শ বিবর্জিত জাহেলী সমাজব্যবস্থার পরিবর্তনের নবী রাসূলগণের (সা.) উত্তরসূরী উলামায়ে কেরামের অনুপ্রেরণা, দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি ছাত্র কাফেলা।
*আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে ইসলামী সমাজ গঠনের সার্বক্ষণিক জিহাদে একটি পরিপূরক শক্তি।
*রূহানিয়াত ও জিহাদের একটি সমন্বিত প্রয়াস।
*প্রচলিত ছাত্র রাজনীতি নয়; বরং একটি ঐক্যপ্রয়াসী আন্দোলনকামী শক্তি।
*প্রচলিত ছাত্র রাজনীতি নয়; বরং আমর বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকারের ঈমানী দায়িত্ব পালনের একটি প্রক্রিয়া।
সংগ্রামী ছাত্র ভাইয়েরা!
আসুন, আল্লাহর দেয়া জীবন-যৌবন, শ্রম, শক্তি ও মেধা তাঁরই নির্দেশিত পথে পরিচালিত করে অন্যায়-অসত্য ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গড়ে তুলি। দেশের স্থায়ী শান্তি ও মানবতার সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে সর্বপ্রকার ইসলামবিরোধী কার্যকলাপের অবসান ঘটিয়ে ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলি এবং জিহাদ ফী সাবীলিল্লাহ-এ শরীক হয়ে স্বীয় জীবনকে আল্লাহর রং এ রঙ্গীন করি। আল্লাহ আমাদেরকে কবুল করুন।
বিস্তারিত জানতে আরো পড়ুন
*এসো মুক্তির মোহনায়
*এসো মুক্তির রাজপথে
*কালিমায়ে তায়্যিবার দাবি
*আমাদের লক্ষ্য ও পথ চলার নীতি
*পাঁচ দফা কর্মসূচির যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ
*নীতির পরিবর্তন চাই
*আল্লাহর পথে সংগ্রাম
*নীতিমালা
*কর্মকৌশল এবং
*ছাত্র সমাচারসহ নিয়মিত প্রকাশনা
প্রকাশনায়:
ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন
কেন্দ্রীয় কার্যালয়
৫৫/বি, পুরানা পল্টন (তয় তলা), ঢাকা-১০০০
ফোন: ৯৫৬৭১৩০
পিআরসহ ৫ দফা দাবীতে যুগপৎ আন্দোলনের ঘোষণা ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে দাবি সমূহ
03/08/2025
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ জামালপুর জেলা শাখার উদ্যোগ আয়োজিত অগ্রজ অনুজ মতবিনিময় সভা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান।
02/08/2025
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ জামালপুর জেলা শাখার অগ্রজ-অনুজ মত বিনিময় সভা ও স্মৃতিচারণে আপনাদের অপেক্ষায় অপেক্ষমান ইশা নেতৃবৃন্দ ৷
27/07/2025
চোখ রাখুন যমুনা ও একুশে টেলিভিশনের পর্দায়
26/07/2025
ফিরে দেখা দ্রোহের জুলাই
২৬ জুলাই, শুক্রবার
শত শত মায়ের বুক খালি, পুলিশের গুলিতে চোখের আলো হারিয়েছে চোখ ভরা রঙিন স্বপ্ন নিয়ে দেশ গড়তে রাজপথে নেমে আসা সহস্র তরুন। হয়েছে অঙ্গ হানি। ঠাঁই মিলছে না হাসপাতাল। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে না পেরে করুণ পরিণতিকে বরণ করে নিচ্ছে ছাত্র-জনতা। এই নির্মম পরিস্থিতিতেও রক্ত পিপাসু হাসিনা তাদের প্রতি বিন্দুমাত্র সহানুভূতি প্রদর্শন না করে বরং আন্দোলনকারীদের অপরাধী আখ্যা দিয়ে আনাচে-কানাচে থেকে ধরে এনে বিচার করার নির্দেশ দেন। শিক্ষার্থীদের সহিংসতাকারী আখ্যা দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন সহিংসতাকারীদের বিচার করা হবে।
এই দিন গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসিফ, নাহিদ, বাকের এই ৩ সমন্বয়ককে তুলে নিয়ে যায় প্রশাসন। বলা হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের প্রশাসনের হেফাজতে নেয়া হচ্ছে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ভাগ করে 'ব্লক রেইড' দিয়ে সাঁড়াশি অভিযান চালানো সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সারাদেশে গণগ্রেফতারের মাধ্যমে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করলে, জাতীয় গণমাধ্যমে এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মায়াকান্না শোনা যায়। কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলন দমন করতে সরকার নৃশংসভাবে দলীয় সন্ত্রাসী ও পুলিশ দিয়ে শত শত ছাত্র-জনতাকে গুলি করে হত্যার বিষয়টি বেমালুম ভুলে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, সকল শ্রেণি পেশার মানুষ যেভাবেই খুন হন না কেন তার বিষয়ে সরকার ব্যথিত হওয়ার কথা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তার দলীয় কর্মী কোন জায়গায় কীভাবে সমস্যায় পড়েছে, ক্ষতির সম্বমুখীন হয়েছে, কোন জায়গায় কোন স্থাপনা ক্ষতি হয়েছে, তার বিশদ বিবরণ তুলে ধরলেও তার দলের ক্যাডার ও পুলিশের গুলিতে খুন হওয়াদের বিষয়ে কোন কথা নেই যা সচেতন নাগরিকদেরও ভাবিয়ে তুলছে।
26/07/2025
26/07/2025
26/07/2025
24/07/2025
২৫ জুলাই‘২৫ শুক্রবার ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যুব জমায়েত সফল হোক