সম্মানিত যশোরের নাগরিকবৃন্দ, বর্তমানে অনলাইন জুয়া প্রকট আকার ধারণ করেছে। আপনার পার্শ্ববর্তী কোন ব্যক্তি যদি অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হয়ে থাকে এবং জুয়া পরিচালনা করে। তাহলে আমাদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন। আপনার পরিচয় গোপন রাখা হবে।
Cyber Crime investigation Cell, Jashore
Cyber crime investigation cell provides necessary advice and legal assistance towards the victims.
03/06/2025
ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলায় ভুয়া মেজর গ্ৰেফতার করেছে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর।
বাদী একজন চিকিৎসক এবং প্রতিনিয়ত তার চেম্বারে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় আসামি মোঃ বেনজির হোসেন(৪১), চিকিৎসা নিতে আসে বাদীর চেম্বারে এবং একপর্যায়ে সে নিজেকে সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয় দেয়। সে ক্যাডেটে পড়াশোনা করেছে বলে জানায়।
একপর্যায়ে আসামি বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বাদীকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে থাকে এবং বাদীকে বিয়ের মিথ্যা আশ্বাস দেখিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে।
পরবর্তীতে বাদী তার প্রেমের ফাঁদে আটকে যায়, তখন আসামি নানা উপায়ে আবাসিক হোটেলে নিয়ে মিথ্যা আশ্বাস প্রদান করে বাদীর সাথে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। আসামি বাদীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সময় অত্যন্ত সুকৌশলে বাদীর নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করে রাখে।
এরপর আসামি বাদীকে উক্ত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেবার ভয় দেখিয়ে বাদীর বাসায় এসে তার সাথে জোর পূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
একটা সময় আসামি বাদীকে জানায় যে তার বিদেশে যোগাযোগ রয়েছে এবং সে বাদীকে ভালো চাকরির ব্যবস্থা করে দিবে মর্মে বাদীর নিকট হতে বিভিন্ন সময়ে সর্বমোট ৫০,০০,০০০/-(পঞ্চাশ লক্ষ টাকা) নেয়। একপর্যায়ে বাদী বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ ও টাকা ফেরত চাইলে আসামি তাকে কোন টাকা ফেরত দিবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়।
এরই মাঝে বাদী খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারেন যে, আসামি কোন মেজর নন, সে একজন প্রতারক। সে এভাবে নিজেকে বড় অফিসার দাবি করে প্রতারণার মাধ্যমে নারীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে থাকে।
এমনতথ্য জানতে পেরে বাদী আসামিকে ডেকে এবিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে আসামি সব শিকার করে এবং এ সম্পর্কে কাউকে কিছু জানালে বাদীর শিশু পুত্রকে গুম করে দিবে এবং তার নিকট থাকা বাদীর নগ্ন ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে।
এমন অবস্থায় বাদী কোন প্রকার উপায় অন্ত না পেয়ে থানায় এসে আসামির বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে বিষয়টি জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব রওনক জাহান মহোদয় অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেন এবং জড়িত আসামিকে দ্রুত গ্ৰেফতারের জন্য সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলকে নিদর্শননা প্রদান করেন।
বাদীর এজাহার ও সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় যশোর সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল অদ্য ০৩/০৬/২০২৫খ্রিঃ ভোর রাতে অভিযান পরিচালনা করে নড়াইল সদর থানাধীন মির্জাপুর এলাকায় আসামি বেনজির হোসেনকে তার বসত বাড়ির শয়ন কক্ষ হতে গ্ৰেফতার করেছে।
এসময় আসামির নিকট হতে ০৬(ছয়)টি মোবাইল ফোন, তিনটি সিম কার্ড, আসামির নামীয় একটি পাসপোর্ট ও চারটি চেকের পাতা উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।
আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং সে বিভিন্ন সময়ে প্রতারণার মাধ্যমে নারীদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন সহ অর্থ হাতিয়ে নেয় মর্মেও জানায়।
এসংক্রান্তে গ্ৰেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আসামির নামে এর আগেও বিভিন্ন থানায় পর্নোগ্রাফি সহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে একজন পেশাদার প্রতারক।
আসামির নাম ও ঠিকানাঃ
মোঃ বেনজির হোসেন (৪১), পিতা-মৃত জামির হোসেন, সাং-মির্জাপুর (পূর্বপাড়া), থানা-নড়াইল সদর, জেলা-নড়াইল।
উদ্ধারঃ
১। ০৬(ছয়)টি মোবাইল ফোন,
২। তিনটি সিম কার্ড,
৩। আসামির নামীয় একটি পাসপোর্ট,
৪। চারটি চেকের পাতা।
15/05/2025
সাইবার সংক্রান্ত কোন অপরাধের শিকার হলে এই পেইজে নক দিন। ধন্যবাদ।
28/03/2025
অনলাইন জুয়া পরিচালনা করে দেশের অর্থ বিদেশে পাচারচক্রের ছয় সদস্য গ্রেফতার।
সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর সাইবার পেট্রোলিং করাকালীন দেখতে পায়, অজ্ঞাতনামা কতিপয় ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে ঝিকরগাছা থানা এলাকায় অনলাইন জুয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
অপরধ চক্রটি 1XBet, Melbet, Linebet এর এজেন্ট নিয়ে অনলাইন জুয়ার ব্যবসা পরিচালনা করছে, তাদের এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড লোক চক্ষুর আড়াল করতে অফিসে গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ইউটিউব চ্যানেলের কার্যক্রমও পরিচালনা করে যাচ্ছে।
এই চক্রটি মূলত নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে অন্যের নামে রেজিস্ট্রেশন করা বিকাশ সিম দিয়ে বিগত এক বছর অনলাইন জুয়া পরিচালনা করে আসছিল।
সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল আরো জানতে পারে যে এই চক্রটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক, ইন্সটাগ্রাম ও টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে জুয়ার প্রচার-প্রচারণা
চালাতো। তারা অনলাইন জুয়ার সমস্ত টাকা বেনামী বিকাশ একাউন্ট গুলোর মাধ্যমে সংগ্রহ করত এবং পরবর্তীতে সেই টাকা ডলারে কনভার্ট করে Binance এবং Swap.Paykassma এর মাধ্যমে ভারত ও রাশিয়ায় পাচার করে দিত।
উপরোক্ত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে বিষয়টি সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তপক্ষের নির্দেশনায় এসআই(নিঃ)/ শিবু মন্ডলের নেতৃত্বে একটি টিম গতকাল ইং ২৭/০৩/২০২৫ খ্রিঃ রাত ০৯.০০ ঘটিকায় ঝিকরগাছা থানাধীন হাজের আলী গ্রাম অভিযান পরিচালনা করে অনলাইন জুয়া পরিচালনার সাথে জড়িত ছয়জনকে গ্ৰেফতার করে এবং তাদের দখল হতে মোবাইল ও ল্যাপটপে অনলাইন জুয়ার একাউন্ট লগইন অবস্থায় পায়।
পরবর্তীতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় অনলাইন জুয়ার কার্যক্রম পরিচালনায় আসামিরা প্রতিদিন প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মত লেনদেন করত।
মূলত গ্রেফতারকৃত আসামি নাজমুল ওয়াহীদ@মিল্লাত ও তার ভাই নাজমুল শাহাদাতের নেতৃত্বেই অনলাইন জুয়ার কার্যক্রম পরিচালিত হত।
এসংক্রান্তে ঝিকরগাছা থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের নাম
১। নাজমুল ওয়াহীদ@মিল্লাত (৩৪),
২। মোঃ নাজমুল শাহাদাত (৩০),
৩। মোঃ মাহাবুবুর রহমান @ মাসুম(৩২),
৪। মোঃ আসাদুল ইসলাম(২২),
৫। মোহাম্মদ জাহিদ হাসান (২২),
৬। মোঃ তারেক রহমান (২২)।
জব্দকৃত আলামতঃ
১। বিভিন্ন ব্রান্ডের মোবাইল ফোন ১০ টি।
২। স্যামসাং ট্যাব ০২ টি।
৩। বিভিন্ন ব্রান্ডের ল্যাপটপ ০৫ টি।
৪। সিম সর্বমোট ৩০ টি।
৫। হার্ডডিস্ক ০৩ টি।
৬। বিকাশ এজেন্ট ব্যালান্স ২,৬৩,০০০ টাকা।
23/06/2024
সাইবার ক্রাইম ইনভেষ্টিগেশন সেল, যশোর জনগনের সেবায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ফলস্বরুপ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর গত মে/২৪ মাসে যশোর জেলার বিভিন্ন থানায় সাধারন ডায়রেীভূক্ত ৪৫ টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মোবাইল ফোনের প্রকৃত মালিকের নিকট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন থানার জিডি মূলে হ্যাকিংকৃত সর্বমোট (১৫) টি ফেসবুক আইডি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। ভুলবশতঃ অন্য নাম্বারে চলে যাওয়া ০৭ জন ভুক্তভুগীর নগদ/বিকাশের সর্বমোট ১,২৭,৫০০/-(এক লক্ষ সাতাশ হাজার পাঁচশত) টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের নিকট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ০২ টি ইমো আইডি রিকভারি করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন থানায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের/ ভিকটিম উদ্ধারে থানা পুলিশকে সহায়তা করিয়া ০৫ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ আইডি পূনরুদ্ধার- ০১ টি। অন্যান্য অভিযোগ নিষ্পত্তি-০৫ টি।
07/04/2024
সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর এর ধারাবাহিক সাফল্য অব্যাহত।
সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর জনগনের সেবায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ফলস্বরূপ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর গত মার্চ/২৪ মাসে যশোর জেলার বিভিন্ন থানায় সাধারন ডায়েরী ভূক্ত ২৭ টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মোবাইল ফোনের প্রকৃত মালিকের নিকট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন থানার জিডি মূলে হ্যাকিংকৃত সর্বমোট (১৫) টি ফেসবুক আইডি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। ভুলবশতঃ অন্য নাম্বারে চলে যাওয়া ১৬ জন ভুক্তভুগীর নগদ/বিকাশের সর্বমোট ১,৫৯,৯৭৫/-(এক লক্ষ ঊনষাট হাজার নয়শত পঁচাত্তর ) টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের নিকট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ০৩ টি ইমো আইডি রিকোভারি করা হয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন থানায় নিখোঁজ ব্যাক্তিদের/ ভিকটিম উদ্ধারে থানা পুলিশকে সহায়তা করে ০৫ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর মার্চ/২৪ খ্রিঃ মাসের উদ্ধারঃ
০১। মোবাইল উদ্ধার ২৭ টি।
০২। ফেসবুক আইডি ১৫ টি ।
০৩। ইমো আইডি রিকোভারি ০৩ টি।
০৪। ভিকটিম উদ্ধারে সহায়তা ০৫ জন।
০৫। নগদ/বিকাশের সর্বমোট ১,৫৯,৯৭৫/-(এক লক্ষ ঊনষাট হাজার নয়শত পঁচাত্তর ) টাকা মাত্র।
28/03/2024
অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করুন।ভেরিফাইড শপ ব্যাতীত কেনাকাটা করবেন না।পণ্য হাতে পাওয়ার পর মূল্য পরিশোধ করার চেষ্টা করুন (ক্যাশ-অন-ডেলিভারি)।
প্রতারিত না হয়ে কেনাকাটা করুন, ভালো থাকুন, ভালো রাখুন।
20/03/2024
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা বিভিন্ন উপহার বা ঈদ বোনাস দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ইনবক্সে ফিশিং লিঙ্ক প্রেরণ করছে। অনলাইনে বিভিন্ন পেইজে ঈদ বোনাস বা বিভিন্ন পণ্যের ডিসকাউন্ট এর লোভ দেখিয়ে মানুষের সাথে প্রতারণার নতুন ফাঁদ পেতেছে। কতিপয় ক্ষেত্রে বেশি বেশি সাবধানতা অবলম্বন করবেন।
১) লোভে পা দিবেন না।
২) কোন ফিশিং লিংকে প্রবেশ করবেন না।
৩) অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত কোন পেজ ছাড়া কেনাকাটা করবেন না।
৪) সব সময় চেষ্টা করবেন ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পণ্য ক্রয়ের জন্য।
নিজে সতর্ক হোন, অন্যকে সতর্ক করুন। প্রতারক চক্র থেকে নিরাপদে থাকুন। ধন্যবাদ...
অফিসার ইনচার্জ এর কার্যালয়
অভয়নগর থানা, যশোর
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ-১৪/০৩/২০২৪ খ্রিঃ।
বিষয়ঃ- অভয়নগরে চাঞ্চল্যকর মুরাদ হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচনসহ ০৩ জন আসামী গ্রেফতার প্রসঙ্গে।
ঘটনাস্থলঃ-অভয়নগর থানাধীন নওয়াপাড়া তরফদার পাড়া স্বপ্ন ভিলার সামনে রাস্তা।
ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ-
গত ইং-১১/০২/২০২৪ তারিখ রাত্র ২১:৪৫ ঘটিকার সময় নিহত মুরাদ হোসেন (২৮) মামলার ঘটনাস্থল অভয়নগর থানাধীন নওয়াপাড়া, তরফদারপাড়া স্বপ্ন ভিলার সামনে পৌঁছাইলে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে হত্যা করার উদ্দেশ্যে দূবৃর্ত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুরাদ হোসেনকে উপর্যুপরি কোপায়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাতœক গুরুতর কাটা জখম করে। মুরাদ হোসেন এর পেটে কোপ মারিলে পেট কাটিয়া নাড়িভুড়ি বাহির হইয়া যায় এবং ডান হাতের একটি কব্জি বিছিন্ন হইয়া যায়। আসামীগণ মুরাদ হোসেনকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে ঘটনাস্থল হতে চলে যায়। আশেপাশের লোকজন এবং নিহতের পরিবারের লোকজন তাকে প্রথমে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাৎক্ষনিক ভাবে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। সেখানে নিয়ে গেলে ঐ রাতেই মুরাদ হোসেনকে মৃত ঘোষনা করে। এই ঘটনায় নিহত মুরাদ হোসেন এর বোন লিলিমা বাদী হয়ে ১০ জন আসামীর নাম উল্লেখ পূর্বক এজাহার দাখিল করিলে অভয়নগর থানার মামলা নং-১২, তাং-১৩/০২/২০২৪ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
ঘটনার পরপরই যশোর জেলার সূযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব প্রলয় কুমার জোয়ারদার, বিপিএম-বার, পিপিএম মহোদয়ের নিদের্শে অভয়নগর থানা পুলিশ এবং জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন সহ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে তদন্ত কার্য পরিচালনা করে। তদন্তকালে বিভিন্ন প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় সম্পৃক্ত আসামীদের বিষয়ে আমরা তথ্য প্রাপ্ত হই। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম সোহাগ, পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার “খ” সার্কেল মহোদয়ের সরাসরি নেতৃত্বে অফিসার ইনচার্জ, অভয়নগর থানা, ইন্সপেক্টর (তদন্ত), অভয়নগর থানা ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ মনিরুল ইসলাম এর সমন্বয়ে পুলিশের একটি টিম আসামী মোঃ সাগর কাজী (৩০), পিতা-মৃত মহাসিন কাজী, সাং-নওয়াপাড়া (মডেল কলেজ রোড মধ্যপাড়া), থানা-অভয়নগর, জেলা-যশোরকে অদ্য ইং-১৩/০৩/২০২৪ তারিখ দিবাগত রাত্রে নওয়াপাড়া রেল স্টেশন এলাকা থেকে গ্রেফতার করি। গ্রেফতার পরবর্তী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী মোঃ সাগর কাজী “মুরাদ হত্যাকান্ডে” নিজের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করে এবং অন্যান্য সম্পৃক্ত আসামীদের নাম অকপটে স্বীকার করে। আসামী মোঃ সাগর কাজীর দেওয়া তথ্য মতে নওয়াপাড়া পৌরসভা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ আল আমিন শেখ (২৫), পিতা-বাবু শেখ, সাং-ধোপাদী ও আসামী মোঃ রনি বেপারী (৩২), পিতা-মৃত নুর মোহাম্মদ, সাং-রানাভাটা সবুজবাগ, উভয় থানা-অভয়নগর, জেলা-যশোরদেরকে অদ্য ইং-১৪/০৩/২০২৪ তারিখে গ্রেফতার করি। উক্ত আসামীদ্বয়ও ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করিয়া ঘটনার হুবহু একই বিবরণ প্রকাশ করে এবং অন্যান্য আসামীদের নাম প্রকাশ করে। ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনসহ মাষ্টারমাইন্ড, অর্থ যোগানদাতা ও ইনফরমারদের বিষয়ে আমরা তথ্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অপরাধীদের গ্রেফতারের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের নাম-ঠিকানাঃ
১। মোঃ সাগর কাজী (৩০), পিতা-মৃত মহাসিন কাজী,
সাং-নওয়াপাড়া (মডেল কলেজ রোড মধ্যপাড়া),
২। মোঃ আল আমিন শেখ (২৫), পিতা-বাবু শেখ, সাং-ধোপাদী
৩। মোঃ রনি বেপারী (৩২), পিতা-মৃত নুর মোহাম্মদ, সাং-রানাভাটা সবুজবাগ,
সর্ব থানা-অভয়নগর, জেলা-যশোর।
"বাংলাদশে পুলশিরে শপথ-দশেরে মানুষকে রাখবো নরিাপদ,
সত্য উদঘাটনে বদ্ধ পরকির, যশোর জলো পুলশি"
ধন্যবাদান্তে
মোঃ জাহিদুল ইসলাম সোহাগ, পিপিএম-সেবা,
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার “খ” সার্কেল, যশোর।
07/03/2024
সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর এর ধারাবাহিক সাফল্য অব্যাহত।
সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর জনগনের সেবায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ফলস্বরূপ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর গত জানুয়ারি /২৪ ও ফেব্রুয়ারি/২৪ মাসে যশোর জেলার বিভিন্ন থানায় সাধারন ডায়েরী ভূক্ত ৪৪ টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মোবাইল ফোনের প্রকৃত মালিকের নিকট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন থানার জিডি মূলে হ্যাকিংকৃত সর্বমোট (৩২) টি ফেসবুক আইডি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। ভুলবশতঃ অন্য নাম্বারে চলে যাওয়া ১৫ জন ভুক্তভুগীর নগদ/বিকাশের সর্বমোট ২,৯১,৭০৩/-(দুই লক্ষ একানব্বই হাজার সাতশত তিন) টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের নিকট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ০৭ টি ইমো আইডি রিকোভারি করা হয়েছে।এছাড়া বিভিন্ন থানায় নিখোঁজ ব্যাক্তিদের/ ভিকটিম উদ্ধারে থানা পুলিশকে সহায়তা করিয়া ১৫ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। Police Cyber Support for Women (PCSW) হতে প্রাপ্ত অভিযোগ নিষ্পত্তি ০২ টি করা হয়েছে। এছাড়াও বিকাশ প্রতারক সনাক্তপূর্বক মামলা রুজু ও ০২ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে।
সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর গত জানুয়ারি /২৪ ও ফেব্রুয়ারি/২৪ খ্রিঃ মাসের উদ্ধারঃ
০১। মোবাইল উদ্ধার ৪৪ টি।
০২। ফেসবুক আইডি ৩২ টি ।
০৩। ইমো আইডি রিকোভারি ০৭ টি।
০৪। ভিকটিম উদ্ধারে সহায়তা ১৭ জন।
০৫। প্রতারক সনাক্তপূর্বক মামলা রুজু ০১ টি ও ০২ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে।
০৬। নগদ/বিকাশের টাকা উদ্ধার (০৪ জন) ২,৯১,৭০৩/-(দুই লক্ষ একানব্বই হাজার সাতশত তিন) টাকা।
০৭। Police Cyber Support for Women (PCSW) হতে প্রাপ্ত অভিযোগ নিষ্পত্তি ০২ টি ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Police Super Office Jashore
Jessore
7400
