21/02/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ২১/০২/২০২৬ খ্রিঃ
“মহান ভাষা শহীদ দিবসে জাতীয় ছাত্রদলের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ”
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার মহান ভাষা শহীদ দিবস উপলক্ষে জাতীয় ছাত্রদল যশোর জেলা কমিটির উদ্যোগে সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এ সময় ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ছাত্রদল যশোর জেলা কমিটি ও কলেজ কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির জেলা সভাপতি ফরিদা পারভীনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা যুগ্ম-আহ্বায়ক মধুমঙ্গল বিশ্বাস। বক্তব্যে তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি জাতির সামগ্রিক জাতীয় ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অংশ। ২১ ফেব্রুয়ারির ইতিহাস বুঝতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে ১৯৫২ সালে, এমনকি তারও পূর্বে। ১৯৫২ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের রাষ্ট্রভাষা বাংলার বিরুদ্ধে অবস্থানের প্রতিবাদে ছাত্রসমাজ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং পুলিশের গুলিতে কয়েকজন ছাত্র-যুবক শহীদ হন। তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই ভাষা আন্দোলন নতুন গতি পায়।
তিনি আরও বলেন, ১৯৪৭ সালে সাম্রাজ্যবাদ তার দালাল সামন্তবাদ ও আমলাতান্ত্রিক শক্তির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে তথাকথিত স্বাধীনতার আবরণে উপমহাদেশকে বিভক্ত করে। “ভাগ কর ও শাসন কর” নীতির ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়, যা প্রকৃত জাতীয় মুক্তি ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল জাতীয় মুক্তি, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। পরবর্তীতে ১৯৬২, ১৯৬৯ ও ১৯৭১ সালের সংগ্রামসহ বহু আন্দোলন সংঘটিত হলেও প্রকৃত জাতীয় মুক্তির প্রশ্ন আজও প্রাসঙ্গিক। সভায় বক্তারা বলেন, একুশ হোক সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের প্রেরণা এবং জাতীয় মুক্তি, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার।
বার্তা প্রেরক
মধুমঙ্গল বিশ্বাস
যুগ্ম-আহ্বায়ক
জাতীয় ছাত্রদল
যশোর জেলা কমিটি
মোবাইল: ০১৭৪৬-১৮৪৬৯১
20/02/2026
তারিখঃ১৯/ ০২ / ২০২৫
সংগ্রামী সাথী,
আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫( ৮ ফাল্গুন ১৪৩২) শনিবার মহান ভাষা শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় ছাত্রদল যশোর জেলা কমিটির উদ্যেগে সকাল ৭:০০ টায় সরকারি এম এম কলেজে অবস্থিত যশোর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করা হবে । উক্ত কর্মসূচীতে নেতাকর্মীসহ সকলকে সকাল ৬.৩০ টায় জেলা কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্যে আহ্বান জানাচ্ছি ।
বার্তা প্রেরক
মধুমঙ্গল বিশ্বাস
যুগ্ম-আহবায়ক
জাতীয় ছাত্রদল
যশোর জেলা কমিটি
০১৭৪৬-১৮৪৬৪৯১
23/10/2025
তারিখ ঃ ২৩/১০/২০২৫
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
২৩ অক্টোবর ’২৫ বৃহস্পতিবার পাঁচ শহীদ বিপ্লবী (কমরেড আসাদ, শান্তি, মানিক, তোজো ও ফজলু)’র ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
আজ ২৩ অক্টোবর ’২৫ বৃহস্পতিবার পাঁচ শহীদ বিপ্লবী (কমরেড আসাদ, শান্তি, মানিক, তোজো ও ফজলু)’র ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। প্রয়াত বিপ্লবীদের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিকাল ৪টায় যশোর দড়াটানা শহীদ চত্ত্বরে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় ছাত্রদলের জেলা কমিটির আহ্বায়ক বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের যশোর জেলা সভাপতি আশুতোষ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, কৃষক সংগ্রাম সমিতির জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সমীরণ বিশ্বাস, জাতীয় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি দিলিপ বিশ^াস, বাংলাদেশে ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের জেলা সহ-সভাপতি এ্যাডঃ আহাদ আলী লস্কর, ধ্রুবতারা সাংস্কৃতিক সংসদের জেলা সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান বাদল প্রমুখ। সভাটি পরিচালনা করেন জেলা যুগ্ম-আহ্বায়ক মধুমঙ্গল বিশ্বাস। সভায় নেতৃবৃন্দ প্রয়াত শহীদ বিপ্লবীদের অসমাপ্ত জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লবকে সম্পন্ন করার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্বের একক পরাশক্তি ক্ষয়িষ্ণু সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার বাজার ও প্রভাব-বলয়-আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে প্রতিপক্ষ সাম্রাজ্যবাদী চীন-রাশিয়ার সাথে আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের তৎপরতা চালাচ্ছে। বৃহৎ সাম্রাজ্যবাদী শক্তি চীন মধ্যএশিয়া থেকে ইউরোপ-আফ্রিকার দেশগুলোতে বাণিজ্য বিস্তৃতির লক্ষ্যে বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ(বিআরআই) কর্মসূচি এবং মুক্তার মালা (স্ট্রিং অব পার্ল) নামে অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। চীনের এ পরিকল্পনা ঠেকাতে মার্কিন সা¤্রাজ্যবাদ তার নৌশক্তির বৃহৎ অংশ দক্ষিণ চীন সাগরে মোতায়েনের লক্ষ্যে ‘পিভট টু এশিয়া’ কৌশল গ্রহণ করে। এ প্রেক্ষিতে ‘চীন ঘেরাও’ কৌশল বাস্তবায়নে আমেরিকা ইন্দো-প্যাসিফিক রণকৌশল অগ্রসর করছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাথে ভারত, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার দেশগুলোর অর্থনীতি-রণনীতি তথা সামগ্রিক লক্ষ্যের প্রেক্ষিতে বঙ্গোপসাগরীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের অতি বিশ্বস্ত দালাল ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মার্কিন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে মানবিক করিডর প্রদানের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। একই সাথে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশী কোম্পানির পরিচালনায় দেওয়াসহ জাতীয় ও জনস্বার্থবিরোধী বিভিন্ন অপতৎপরতা চালাচ্ছে। এর মধ্যদিয়ে বাংলাদেশকে সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করা হচ্ছে। সাম্রাজ্যবাদী দেশসমূহের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তোলার আহবান জানান নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বন্দর ও করিডর প্রদানের বিরুদ্ধে জাতীয়ক্ষেত্রে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন যখন আরও গুরুত্বের সহিত সামনে এসেছে তখন তথাকথিত নির্বাচন, সংস্কার ও জাতীয় ঐক্যের বিষয় সামনে এনে জনগণের মধ্যে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলনের ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত তৈরির চেষ্টা চলছে। তাই সাম্রাজ্যবাদ ও তার দালালদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৩ অক্টোবর (বাংলা ৬ কার্তিক) পাকিস্তানী শাসকদের এদেশীয় দোসর রাজাকার বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন কমরেড আসাদ, শান্তি, মানিক, তোজো ও ফজলু। যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার চিনাটোলা বাজার সংলগ্ন গ্রাম থেকে রাজাকাররা গ্রেপ্তার করে বাজারের পাশ্ববর্তী হরিহর নদীর ব্রীজের উপর এই পাঁচজনকে হত্যা করে পৈশাচিক উল্লাসে শহীদ বিপ্লবীদের মরদেহ নদীর জলে নিক্ষেপ করে। এর আগে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি ও জাতীয় ছাত্রদল যশোর জেলা কমিটি উদ্যোগে সকাল ১০টায় প্রয়াতদের সমাধিস্থল মনিরামপুরের চিনাটোলায় পুষ্পমাল্য অর্পন, শোক নিরবতা পালন ও শপথ পাঠ করা হয়। মনিরামপুরের শহীদ বিপ্লবী স্মৃতি রক্ষা কমিটির আয়োজনে আলোচনা সভায় সংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক কামরুল হক লিকু।
বার্তা প্রেরক
বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
আহ্বায়ক
মোবাঃ ০১৭-৩১২৫-৬৭৯৭
22/10/2025
জাতীয় ছাত্রদল যশোর জাতীয় ছাত্রদল অভয়নগর জাতীয় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি জাতীয় ছাত্রদল সরকারী এমএম কলেজ শাখা জাতীয় ছাত্রদল কুষ্টিয়া জেলা জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জাতীয় ছাত্রদল সিলেট-শহর পূর্বাঞ্চল
23/08/2025
তাং:২৩/০৮/২০২৫
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সাম্রাজ্যবাদ ও তার দালাল শাসক-শোষকগোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র-চক্রান্তে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সর্বজনীন ও গণমুখী বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও আমলা-দালাল পুঁজিবিরোধী ছাত্ররাজনীতির ধারাকে অগ্রসর করুন।
আজ ২৩ আগস্ট ২০২৫ শনিবার জাতীয় ছাত্রদলের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে যশোর ও খুলনা জেলা কমিটির যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের নওয়াপাড়া কার্যালয়ে সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলিপ বিশ্বাস। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মধুমঙ্গল বিশ্বাস। বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সম্পাদক অধ্যাপক তাপস বিশ্বাস। আরও বক্তব্য রাখেন, খুলনা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা: কে. পি. সরকার, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট যশোর জেলা সভাপতি আশুতোষ বিশ্বাস, জাতীয় ছাত্রদলের যশোর জেলা আহ্বায়ক বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, সদস্য আতিকুর রহমান জিহাদ, খুলনা জেলা কমিটির সদস্য শিউলি আক্তার, অভয়নগর থানা যুগ্ম-আবায়ক সাইফুল ইসলাম ইমন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ অভয়নগর থানা সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুসাইন প্রমুখ। আলোচনা সভাটি পরিচালনা করেন যশোর জেলা যুগ্ম-আহবায়ক নাইস হাসান কাশেম।
নেতৃবৃন্দ বলেন, এ বছর জাতীয় ছাত্রদলের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হচ্ছে। জাতীয় মুক্তি, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের স্লোগান নিয়ে ১৯৭৩ সালের ২৩ আগষ্ট জাতীয় ছাত্রদল প্রতিষ্ঠিত হয়। পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের উত্তরসূরী হিসেবে মোহাম্মদ সুলতান এবং শহীদ আসাদদের বিপ্লবী ধারার ছাত্ররাজনীতির উত্তরাধিকারী হিসেবে জাতীয় ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা হয়। গণমুখী, বিজ্ঞানভিত্তিক ও সর্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা কায়েম করার জন্য প্রয়োজন শ্রমিক-কৃষক-সৈনি-কদের বিপ্লবী একনায়কত্বে পরিচালিত রাষ্ট্র, সরকার ও সংবিধান। সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও আমলা-দালাল পুঁজিপতি- এই তিন শত্রুদের উচ্ছেদ ছাড়া এ ধরণের জাতীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, সরকার ও সংবিধান প্রতিষ্ঠা করা যায় না। তাই জাতীয় ছাত্রদল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই তিন শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করে সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যে জাতীয় মুক্তি, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে। সংগঠনের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আমরা এমন এক সময়ে উদযাপন করছি যখন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের অন্যতম তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গী-রনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই সাথে বিদেশী শক্তির কাছে চট্টগ্রামের বন্দর ইজারা দেওয়ার অপতৎপরতা ও মিয়ানমার সীমান্তে মানবিক করিডোর বা চ্যানেল প্রদানের নামে দেশকে সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করার তৎপরতা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের গঠণতন্ত্র অনুযায়ী প্রতিবছর ছাত্রসংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে এবং আবাসিক হল থেকে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচিত করার বিধান রয়েছে। নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী ব্যাপারে সরাসরি অংশ নিতে পারেন। তাদের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসু-বিধা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়। নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ার কারণে বেশির ভাগ সময়ে সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি ছিল না। কিন্তু বিগত সময়ে দেখা যায়, নির্বাচন হলেও প্রচলিত স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ছাত্ররা গণতান্ত্রিক উপায়ে তার প্রতিনিধি নির্বাচন করার সুযোগ পায় না। সরকারের পছন্দনীয় ব্যক্তিদের দিয়ে সাজানো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের নির্দেশে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে নির্বাচনে কারচুপি ও প্রভাব সৃষ্টি করেছে। যেভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্বৈরতান্ত্রিক উপায়ে শিক্ষার্থীদের উপর বিভিন্ন অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়ার সুযোগ পেয়েছে। এবারও বর্তমানে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আকাংখার চেয়ে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় মদদপুষ্ট ছাত্র নেতৃত্বদেরকে ছাত্র সংসদে নির্বাচিত করে সাম্রাজ্যবাদের দালাল ক্ষমতাসীন সরকারের সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য বাস্তবায়নে তৎপর রয়েছে।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকে উপমহাদেশের ছাত্রসমাজ দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশমাতৃকার প্রয়োজনে মা, মাটির স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষায় গৌরবোজ্জ্বল আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছে। ব্রিটিশ আমল থেকে অদ্যাবধি বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী শক্তি আমাদের দেশের উপর আধিপত্য, নিয়ন্ত্রণ চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকে যতগুলো সরকার ক্ষমতাসীন হয়েছে সবগুলো সরকার সাম্রাজ্যবাদের তাঁবেদারী করে তাদের স্বার্থ ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে। অন্যদিকে দেশের শ্রমিক-কৃষক-জন-গণের উপর শোষণ-নিপীড়ন দিন দিন তীব্র হয়েছে। শিক্ষা মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হলেও এটিকে বাণিজ্যিকীকরণ করায় শ্রমিক-কৃষক-জনগণের সন্তানরা শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারপরও অনেক কষ্ট করে যারা পড়াশোনা করে শিক্ষা শেষে তাদের চাকুরির নিশ্চয়তা নেই। প্রতিবছরই শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামাজিক এই বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে বার বারই ছাত্রসমাজ আন্দোলন করেছে, কিন্তু যে আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী তা পরিবর্তন করা যায় নি। বরং ছাত্রসমাজের এই আন্দোলনকে ব্যবহার করে প্রতিক্রিয়াশীল রাজনৈতিক গোষ্ঠীর ক্ষমতার হাতবদল ঘটেছে। সাম্রাজ্যবাদের দালাল স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারকে উৎখাত করে সাম্রাজ্যবাদের আরেক দালাল ড. ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতাসীন হয়েছে। এই সরকার একদিকে সংস্কারের নামে এদেশ থেকে সাম্রাজ্যবাদী রাশিয়া ও নয়া-ঔপনিবেশিক আধা-সামন্তবাদী ভারতের সকল ধরণের প্রভাব ও জন্মদাগ মুছে দিয়ে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থ ও পরিকল্পনা কার্যকর করতে দেশের জনগণকে সংস্কার, বিচার ও জাতীয় ঐক্য ইস্যুতে ব্যস্ত রাখছে, অন্যদিকে চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশী কোম্পানির কাছে ইজারা দেয়া ও করিডর প্রদানের নামে দেশকে সামাজ্যবাদী যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করা হচ্ছে। দেশের সচেতন জনগোষ্ঠী হিসেবে ছাত্রসমাজকে যখন এই তৎপরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো প্রয়োজন, তখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নির্বাচনের আমেজ তুলে দিয়ে ছাত্রসমাজকে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন থেকে দূরে রাখার কৌশল গ্রহণ করেছে। একই সাথে ক্যাম্পাসগুলিতে সাম্প্রদায়িকতা ও উগ্র-জাতীয়তাবাদের রাজনীতির আওয়াজ তুলে দিয়ে ছাত্রদেরকে সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের বিরুদ্ধে অপতৎপরতা থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার ষড়যন্ত্র করছে। অত্যন্ত সুকৌশলে ক্যাম্পাসগুলিতে বিরাজনীতিকরণের প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। প্রতিক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলো একদিকে বিরাজনীতিকরণের পক্ষে সাফাই গাইছে, অন্যদিকে পরিচয় আড়াল করে প্রতিটা ক্যাম্পাসে তাদের নিজেদের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। আজ জরুরি হয়ে উঠেছে প্রগতিশীল ও সচেতন ছাত্রসমাজকে এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সচেতন থেকে সাম্রাজ্যবাদের অন্যায় যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী নিপীড়িত জাতি জনগণের সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমাদের দেশেও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন অগ্রসর করা। তাই আসুন, জাতীয় ছাত্রদলের পতাকাতলে সংগঠিত হয়ে সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও আমলা-দালালপুঁজি বিরোধী আন্দোলন অগ্রসর করি এবং একটি জাতীয় গণতান্ত্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বেগবান করি।
অভিনন্দনসহ
বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
আহবায়ক
জাতীয় ছাত্রদল
যশোর জেলা কমিটি
০১৭-৩১২৫-৬৭৯৭
21/08/2025
সংগ্রামী সাথী,
বিপ্লবী শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইল।আগামী ২৩ আগস্ট ২০২৫ শনিবার আমাদের প্রাণপ্রিয় সংগঠন, জাতীয় ছাত্রদল - এর ৫২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষকী। এ উপলক্ষে জাতীয় ছাত্রদল যশোর ও খুলনা জেলা কমিটির যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন নওয়াপাড়া অফিসে সকাল ১১ টায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা সভায় সাবেক ছাত্রনেতা যশোর -খুলনা ও নড়াইল জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ছাত্রনেতাদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।আপনার/আপনাদের উপস্থিতি ও সহযোগী জাতীয় ছাত্রদল তথা বিপ্লবী বিকল্প ধারার ছাত্র সংগঠন -সংগ্রাম বিকাশে উৎসাহ ও প্রেরণা জোগাবে বলে আশা করছি।
অভিনন্দন,
বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
আহ্বায়ক
জাতীয় ছাত্রদল
যশোর জেলা কমিটি।
সুকৃতি সরকার
আহ্বায়ক
জাতীয় ছাত্রদল
খুলনা জেলা কমিটি।
17/06/2025
তারিখ ঃ ১৭/০৬/২০২৫ প্রেস বিজ্ঞপ্তি
১৭ জুন ২০২৫ মঙ্গলবার কমরেড আজিবার রহমান শেখর-এর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন।
১৭ জুন ’২৫ মঙ্গলবার কমরেড আজিবার রহমান শেখর’র ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে জাতীয় ছাত্রদল যশোর জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সকাল ১১টায় প্রয়াতের বেজপাড়াস্থ সমাধিতে নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করে। শহীদ-এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১মিনিট শোক নিরবতা পালন ও শপথ গ্রহণ করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মধুমঙ্গল বিশ্বাস, যশোর জেলা আহ্বায়ক বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, সদস্য আতিকুর রহমান জিহাদ, খালিদ হাসান ও প্রয়াতের সহোদর বদিউজ্জামান বাদল, প্রয়াতের ভাগ্নি জান্নাতুল ফোয়ারা অন্তরা, জান্নাতুল ফাতেমা অনন্যা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালের এই দিনে তিনি জাসদের গণবাহিনীর নির্যাতনের পর কারাগারে বিনা চিকিৎসায় মারা যান। ১৯৫৭ সালের ২৭ জুন যশোর শহরের বেজপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা জিন্নাত আলী, মাতা রাফেয়া বেগম। চার ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন জেষ্ঠ্য। ছাত্র জীবনেই তিনি প্রগতিশীল ছাত্র রাজনীতি এবং কমিউনিস্ট আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তিনি ছিলেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের শরিক সংগঠন জাতীয় ছাত্রদলের এম.এম. কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং যশোর জেলা সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক। ছাত্রজীবনে তৎকালীন স্বৈরশাসন ও পরবর্তিতে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন তৎকালিন যশোরের ছাত্র রাজনীতির সবচেয়ে জনপ্রিয় বলিষ্ঠ ছাত্রনেতাদের অন্যতম। তিনি ছাত্রাবস্থায় কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অধিকাংশ সময়ই ক্ষমতাসীন খুনীচক্রের হাত থেকে এবং রাজনৈতিক পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পেতে আধাআত্মগোপন আধাপ্রকাশ্য অবস্থায় রাজনীতি করতে হতো।
বার্তা প্রেরক
বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
আহ্বায়ক
মোবাঃ-০১৭-৩১২৫-৬৭৯৭
21/02/2025
২১/০২/২০২৫খ্রিঃ
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ-
“মহান ভাষা শহীদ দিবসে এমএম কলেজ শহীদ মিনারে জাতীয় ছাত্রদলের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ”
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শুক্রবার মহান ভাষা দিবসে জাতীয় ছাত্রদল সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ কমিটি কর্তৃক কলেজে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিয়ে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানায়ি এক মিনিট নিরবতা পালন করে। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পনের পর কলেজ কমিটির সদস্য মধুমঙ্গল বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট জেলা সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক কামরুল হক লিকু, গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি জেলা সভাপতি ফরিদা পারভীন, সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা আদিবা জালাল তৃষাসহ জাতীয় ছাত্রদল জেলা কমিটি ও কলেজ কমিটির নেতৃবৃন্দ। বক্তব্য রাখেন জাতীয় ছাত্রদল জেলা আহ্বায়ক বিশ্বজিৎ বিশ্বাস প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, ভাষা আন্দোলন কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এ হচ্ছে জাতি সমস্যার অংশ। যদি ২১ ফেব্রুয়ারির দিকে তাকানো যায় তাহলে আমাদের ফিরে যেতে হবে ১৯৫২ তে, ফিরে যেতে হবে আরও দূরে। ৫২ সালে সৃষ্টি হয়েছিল ভাষা আন্দোলনের। আর এই আন্দোলন গড়তে যেয়ে তৎকালীন সরকারের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন কয়েকজন যুবক। কিন্তু এ আন্দোলনের পর অনেক আন্দোলন হয়েছে, অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ১৯৫২ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার কর্তৃক বাংলা ভাষার উপর যে খড়গহস্ত প্রসারিত হয়েছিল এবং তার বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ তাকে আমরা কিভাবে দেখব? অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ন্যায় সঙ্গত। ১৯৪৭ সালে সাম্রাজ্যবাদ তার দালাল সামন্তবাদ এবং আমলা মুৎসুদ্দীদের ওপর ক্ষমতা হস্তান্তর করে। তথাকথিত স্বাধীনতার প্রলেপ দিয়ে আড়ালে সরে দাঁড়ায়। এই সামন্ত ও আমলা মুৎসুদ্দীরা পরিপূর্ণভাবেই সাম্রাজ্যবাদের ওপর নির্ভরশীল। এই দালালের ওপর নির্ভর করে ১৯৪৭ সালে দু`টো নয়াঔপনিবেশিক রাষ্ট্র-এর সৃষ্টি করে সমগ্র ভারতবর্ষের জাতীয় মুক্তি ও গণতান্ত্রিক বিপ্লবকে বিভ্রান্ত করে। সৃষ্টি হয় ভারত- পাকিস্তান। ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টি হয় সাম্রাজ্যবাদের "ভাগ কর শাসন কর" নীতির ভিত্তিতে। ৪৭'র পর ৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল জাতীয় মুক্তি, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একটি প্রচেষ্টা। ৫২-এর পর ৬২, ৬৯, ৭১ বহু লড়াই হয়েছে কিন্তু জাতীয় মুক্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি। তাই বক্তারা বলেন, একুশ হোক সাম্রজ্যবাদ বিরোধী লড়াইের প্রেরণা।
বার্তা প্রেরক
মধুমঙ্গল বিশ্বাস
সদস্য
জাতীয় ছাত্রদল
সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ কমিটি, যশোর।
০১৭৪৬-১৮৪৬৯১