ডহর মাগুরা,ঝিকরগাছা,যশোর.

ডহর মাগুরা,ঝিকরগাছা,যশোর.

Share

ডহর মাগুরা,ঝিকরগাছা, যশোর।

It is a small villege bazar.Here have a Magura Union Parished,a Primary school,a High school,a Mosque,a family planning Hospita,some tea stalll & some shops.

17/05/2025

১০০টি কালো পিঁপড়ার সাথে ১০০টি লাল পিঁপড়াকে একটি বৈয়ামের ভিতরে রেখে দিলে,অস্বাভাবিক কিছুই ঘটবে না!
কিন্তু,
বৈয়ামটিকে ঝাঁকিয়ে দিতেই,পিঁপড়েগুলো পরস্পরকে মেরে ফেলতে শুরু করবে!লাল পিঁপড়ারা ধারণা করবে,,কালো পিঁপড়াগুলো তাদের শত্রু,এবং কালো পিঁপড়ারা মনে করতে আরম্ভ করবে,,লাল পিঁপড়াগুলো তাদের শত্রু!অথচ,প্রকৃত শত্রু হচ্ছে,, বৈয়ামটিকে যে ঝাঁকিয়ে দিয়েছিলো, সে!

মানব-সমাজে ঠিক এটিই ঘটে!

পরস্পরকে মারতে ছোটার আগে,আমাদের অন্তত একবার ভেবে দেখা উচিৎ,,বৈয়ামটি ঝাঁকাচ্ছে কে!

সংগৃহীত

05/05/2025

ডহর মাগুরা গ্রামে রাস্তা সংস্কারঃ
১)মহব্বত/ছব্বত এর বাড়ীর সামনে হতে রফি উদ্দিন/রমজান এর বাড়ি পযন্ত।
২)আমিনুর ডা:এর দোকানের সামনে হতে মানিক মোড় পযন্ত।
৩)কালাম এর পুকুর পাড় থেকে আবেদের বাড়ি পযন্ত।

27/04/2025

সবকিছুই পরিবর্তনশীল।আমাদের যশোরের কত প্রতিষ্ঠান কত স্থাপনার পরিবর্তন দেখলাম।যশোরের ঐতিহ্য যশোর কমবস এন্ড সোপকেস ফ্যাক্টরি ছিল বর্তমান ওরিয়ন হোটেলের শেষপ্রান্তে পিছন দিকে । সম্পূর্ণ জমিটি ছিল কিরন বাবুর।আর ফ্যাক্টরিটির নাম ছিল যশোর কিরন সোপকেস এন্ড কমবস ফ্যাক্টরি। ১৯৪৭ পরবর্তী কিরণবাবু ভারত চলে যান এবং জায়গা সহ ফ্যাক্টরিটি আহমদ আলী সরদার কিনে নেন।ফ্যাক্টরিটির টিনের চালের স্থাপনাটি আনেকদিন অবধি দাঁড়িয়ে ছিল।পরবর্তীতে ফ্যাক্টরিটির যন্ত্রপাতি ডাইস বিক্রয় হয়ে যায়।এরপর গড়ে উঠে চুড়িপট্টিতে শফি কমবস এন্ড সোফ ফ্যাক্টরি।জাপান থেকে স্যালুলাইড শিট আমদানি করে পণ্য তৈরী হতো।এবং সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন চলে।পাকিস্তানে পণ্যগুলির বিপুল চাহিদা ছিল।তারপর ঘোপের গোরা ইন্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠা করে সম্ভবত গোরা কমবস এন্ড সোপকেস ফ্যাক্টরি যশোর নামে।১৯৭১স্বাধীনতা পরবর্তী তৈরী হয় যশোর মাছবাজারে মুশতাক আলীর তত্বাবধানে মিতা কমবস এন্ড সোপকেস ফ্যাক্টরি নামে আর একটি প্রতিষ্ঠান।তারা ভারতীয় নিম্নমানের শিট দিয়ে মাল তৈরী করতো।দাম পড়তো জাপানি শিটের থেকে অনেক কম,এবং ভারত থেকে চোরাপথে নিম্নমানের কমবস ও সোপকেস ঢুকে যশোরের ঐতিহ্য বাহি পণ্যটির সুনাম ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।এবং প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে এক সময় প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যায়।ইতিহাসের অতলে হারিয়ে যায় শতশত বর্ষের ঐতিহ্য।
বর্তমান হোটেল জাবির যে জায়গায় অবস্থিত সেটা আগে একটা সিনেমা হল ছিল নাম ছিল বেঙ্গল টকিশ হল।পরে পাকিস্তান আমলেই সংস্কার করে নুতন নাম করন হয় চিত্রা হল।
(বি,সরকার মেমোরিয়াল হল) বিশ্বেশ্বর সরকার মেমোরিয়াল ঘুর্নায়মান নাট্য মঞ্চ তৈরী করেন সেই সময়কার যশোরের বিশিষ্ট স্বর্ণ ব্যাবসায়ী বিশ্বেশ্বর সরকার।পূর্ব বাংলায় এটা ছিল দ্বিতীয় ঘুর্নায়মান নাট্য মঞ্চ।প্রথমটা খুব সম্ভবত রাজশাহীতে পদ্মা ঘুর্নায়মান নাট্যমঞ্চ।পরে বি,সরকার মেমোরিয়াল সিনেমা হলের রুপ নিয়ে নাম হয় তসবির মহল।এখন আবার নাম করন হয়েছে সম্ভবত বি,সরকার নাট্য মঞ্চ।াঅনেকদিন মঞ্চটি নষ্ট হয়ে পরেছিল।পরে নুরুল ইসলাম চুন্নুর তত্বাবধানে এবং ঐকান্তিকতায় মঞ্চটি আবার স্বমহিমায় ফিরে এসেছে।১৯২১ সালে আর্য থিয়েটার ও টাউন ক্লাব মিলিত ভাবে যশোর ইন্সটিটিউট রুপে প্রতিষ্ঠিত রুপ নেয়।১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে আর্য থিয়েটার ও টাউন ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়।
হরিদাস লেনে নন্দ ব্যারিস্টারের বাড়ী ছিল, পাশে পুকুর তারপর সিনেমা হল।হলটি আগে ছিল পাটের গুদাম।পরে সিনেমা হলের রুপ দিয়ে নাম করন হয় মধুচক্র পরে নাম হয় নিরালা সিনেমা হল।বর্তমানে হলটি বিলুপ্ত।
আব্দুস সামাদ মেমোরিয়াল স্কুলের নাম আগে ছিল যশোর নিউ মডেল স্কুল।পরে আহাদ সাহের তার বাপের নামে নাম করন করেন এবং স্কুলের উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তা করেন।
হরিদাস লেনে ইসলামিয়া বালিকা বিদ্যালয়টি আগে ছিল অবাঙ্গালীদের ইসলামিয়া উর্দু স্কুল।স্বাধীনতা পরবর্তী বর্তমানের নাম করনটি করা হয়।
আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়টি ছিল জমিদার রায় বাহাদুর যদুনাথের পরিত্যক্ত জায়গা। জায়গাটির মধ্যে ছিল দ্বিতল সরকারি অফিস,যাহা জমিদার যদুনাথের খাজনা আদায়ের অফিস হিসাবে ব্যবহৃত হতো।।একটি পাকা শান বাঁধানো পুকুর ঘাট যাহা যদুবাবুর পুকুর নামে খ্যাত ছিল।একটি ভগ্নগ্রস্থ বেশ বড় নাট মন্দির ছিল।মন্দিরের মাথায় ছিল চারটি পিতলের কলস।মন্দিরে ছিল একটি পিতলের বুদ্ধ বিগ্রহ। পরে বিগ্রহটি চুরি হয়ে যায় মন্দিরে ঘুমন্ত এক হত দরিদ্র কাঠ মিস্ত্রিকে খুন করে।কলসগুলো তার অনেক আগেই লাপাত্ত।সারিবদ্ধ সুপারি গাছ ছিল।পুরাতন বিশাল একটি লিচু গাছ ছিল।সন্মিলনী স্কুলের পেছনের দিকে যে গেট আছে,ঠিক তার সামনে ছিল একটি বড় পাকা গেট।স্বাধীনতার পর জায়গাটি আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। এই স্কুল প্রতিষ্ঠার পিছনে গোলাম নকির মিয়া এবং চুড়িপট্টির দেওয়ান মোহম্মদ আমাল সহ আরও অনেকের অবদান আছে।
খালধার রোডের আলিয়া মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রতিষ্ঠাতে মজিবর রহমান (মজু মিয়া)র একক অনেক অবদান আছ।জায়গাটি আগে খোলা মাঠ হিসাবে পরিত্যক্ত অবস্থায় পরে ছিল।
আগে খুলনা মটর স্ট্যান্ড ছিল হোটেল জাবিরের সামনে ঝাউ তলায়,সেখানে অনেক ঝাউ গাছ ছিলো।সেখানে চৌরাস্তা নিবাসী লালু মিয়ার ঝাউতলা হোটেল সাধারন জনসাধারারনের কাছে জনপ্রিয় ছিল সস্তায় থাকা ও খাওয়ার জন্য।রেল রোডে সারিবদ্ধ অনেক ঝাউ গাছ ছিল।বিয়েতে গেট সাজাতে আমরা ঝাউ গাছের কচি ডাল সহ পাতা নিয়ে এসে গেট সাজাতাম।জাবিরের ঐপারের পরিচয় এখনও গাড়ীখানা রোড আর এইপারে পরিচিত মিস্ত্রি খানা রোড নামে।পরে স্ট্যান্ড সরে যায় সুধির বাবুর কাঠগোলার সামনে নিমতলায়।সেখান থেকে বর্তমান মনিহারে,যেখানে একসময় শহরের সব মুত্র পৌরসভা ফেলতো।যাহা কে এক কথায় বলে মুত্রের ভাগাড়।বর্তমানে তাহা মনিহার এবং যাহা সিটি কলেজ।আর এখনতো শঙ্করপুরে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল স্বমহিমায় জ্বাজ্জল্যমান।ধন্যবাদ।

12/04/2025

বাংলাদেশে এখন সবচে বেশি দরকার, একটা হেলথ কার্ড।

ডিজিটাল হেলথ কার্ড। এনআইডির মতো। সবার একটা করে থাকবে।

হাসপাতালে গেলে কাগজে কলমে আর ভর্তি টর্তি হতে হবে না। জাস্ট নাম্বারটা টাইপ করে এন্ট্রি করে নিলেই হবে। অনেক সময় আর হয়রানি বেঁচে যাবে। ম্যানপাওয়ার কম লাগবে।

সাথে ডাক্তারদের আলাদা করে আর কোন হিস্ট্রি বলতে হবে না। জাস্ট নাম্বার টাইপ করলেই ডাক্তাররা দেখতে পাবে, কী কী অসুখ ছিলো আগে। কী কী ট্রিটমেন্ট হয়েছে।

হাতে কলমে আর প্রেসক্রিপশন লিখতেও হবে না। ফোনেই লিখে দিবে ওষুধের নাম ধাম। ডোজ। রোগীরা চাইলে ফোনের ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন দেখাইয়া ওষুধ কিনবে। কেউ চাইলে বাইরের দোকান থেকে ১০ টাকা দিয়ে প্রিন্ট করাইয়া নিতে পারবে।

সরকার ডিসিশন নিয়েছে সরকারি ফার্মেসির।

এই সরকারি ফার্মেসির কম দামের ওষুধ বিক্রির সময় রোগীর কার্ড নাম্বার টাইপ করে বিক্রি করতে হবে। ফলে ডোজের চে বেশি ওষুধ বিক্রি করার কোন সুযোগ থাকবে না।

সপ্তাহে বা মাসে দুই দিন অডিট হবে।

হাসপাতালের ডাটা আর ফার্মেসির ডাটা চেক করে অডিট টিম জানাতে পারবে কোন অনিয়ম হইছে কি না। চাইলে সফটওয়্যার দিয়েও কাজটা করা যাবে।

তবে সার্ভিস ফ্রি হবে না। কার্ড এর জন্য প্রতিবছর ৪০০-৫০০ টাকা করে রিনিউয়াল ফি নেওয়া যায়। সার্ভিস পাইলে মানুষ এই টাকা হাসিমুখেই দিবে বলে বিলিভ করি।

বাংলাদেশের হেলথ সেক্টরে যেইটা চলে, সেইটা হচ্ছে ম্যাসাকার। এইখানে সবকিছুই তদবির আর দুর্নীতি দিয়ে চলে।

এইটা কোন দলীয় সরকার ঠিক করতে পারবে না। কারণ হাসপাতালের পুরো সিন্ডিকেট দলীয় লোকজন চালায়। চাঁদা তুলে। সো, এখন পর্যন্ত কোন সরকারই দালাল মুক্ত করে নাই।

কারণ, এইসব দালালই আসলে রাজনৈতিক কর্মী।।রাজনৈতিক নেতাদের শেল্টারে থাকে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা পর্যন্ত এই দালালির কমিশন পাইতো। এই কমিশন নিয়ে মারামারি পর্যন্ত হইছে।

ভবিষ্যতে ওখানে নতুন শিশু আসবে কমিশন নেওয়ার জন্য। আমার আপনার অবস্থার কোন পরিবর্তন হবে না।

এই পরিবর্তনটা ইউনূস সরকার করতে পারবে, যদি চায়।

কারণ ইউনূসের কোন ক্যাডার বাহিনী নাই, যাদের পুষতে হবে ঐ টাকাতে। এন্ড একবার মানুষকে যদি এইটার সুফল পাওয়ায়া যায়, এর পরের সরকার আইসা ঐটা কন্টিনিউ করতে বাধ্য হবে।

ইউনূস সরকারের কাছে আহ্বান, ডু ইট। যেহেতু সরকারি ফার্মেসির কথা ভাবতেছেনই, নজরটা আরেকটু ওয়াইড করেন।

পাতার পর পাতা রাজনৈতিক সংস্কার করছেন, রাজনৈতিক দলের সাথে কথা বলছেন।

মানুষের জীবনের কিছু সংস্কারও করে যান।

একটা ডিজিটাল হেলথ কার্ড আর মেডিকেল সেবা হতে পারে সেই জীবন সংস্কারের প্রথম ধাপ।

11/04/2025

কে লিখেছেন জানি না, কিন্তু অসাধারণ👌
১. মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।

২. মা বিনা বেতনে সংসার চালায়, বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন, উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।

৩. মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন, বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে। জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে।

৪. ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান, কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন। আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না? ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।

৫. আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন।

৬. মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না। তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে।

৭. বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে, কেন জানি না তিনি সবসময় পিছিয়ে থাকেন।

৮. মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে, দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি। দুজনেরই ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছে জানি না।

৯. বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায়, তখন বাচ্চারা বলে, মা ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী, কিন্তু তারা বলে, বাবা অকেজো।

১০. বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড। আর আমাদের মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে। অথচ তার কারণেই আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি। সম্ভবত, এই কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন...!!!!

*জানিনা কে লিখেছে, কুড়িয়ে পাওয়া।
সমস্ত বাবাদেরকে উৎসর্গ করছি *
সালাম জানাই পৃথিবীর সকল বাবাদেরকে!

08/04/2025

মাত্র ১০ টাকায় অসাধারণ চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় ঢাকার এই হাসপাতালগুলোতে। নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দেওয়া হলো, যেখানে মাত্র ১০ টাকার টিকিটে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।

১. কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল

ঠিকানা: কুর্মিটোলা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা-১২১৬
ফোন: +880-2-55062350
ওয়েবসাইট: http://kurmitolahospital.gov.bd

২. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল

ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-58151368, 02-48120079
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://www.nins.gov.bd

৩. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইএনটি (নাক-কান-গলা) অ্যান্ড হসপিটাল

ঠিকানা: লাভ রোড, বেগুনবাড়ি, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮
ফোন: 02-8878155
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://nient.gov.bd

৪. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (DMCH)

ঠিকানা: বকশিবাজার, ঢাকা-১২০৩
ফোন: 02-9668690
ওয়েবসাইট: https://www.dmc.gov.bd

৫. মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

ঠিকানা: মুগদা, ঢাকা-১২১৪
ফোন: 02-7215400
ওয়েবসাইট: https://mmch.gov.bd

৬. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-9122560
ওয়েবসাইট: https://shsmc.gov.bd

৭. জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-9137292
ওয়েবসাইট: https://www.nhf.gov.bd

৮. জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

ঠিকানা: মহাখালী, ঢাকা-১২১২
ফোন: 02-9893491
ওয়েবসাইট: https://www.nicrh.gov.bd

এই হাসপাতালগুলোতে সকাল বেলা বহির্বিভাগে (OPD) মাত্র ১০ টাকায় টিকিট কেটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যায়। ওষুধও অনেক সময় বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়।

৯. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল

ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭, বাংলাদেশ

ফোন নম্বর:

০২-৫৮১৫১৩৬৮

০২-৪৮১২০০৭৯

০২-৪৮১১৮৮০৮

ইমেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: https://www.nins.gov.bd

১০. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইএনটি (নাক-কান-গলা) অ্যান্ড হসপিটাল

ঠিকানা: লাভ রোড, বেগুনবাড়ি, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ

ফোন নম্বর: ০২-৮৮৭৮১৫৫

ইমেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: https://nient.gov.bd

13/02/2025

এক গ্রামে শ্রমিক লাগে ৬০০। বেডা আছে ৫০০৷ মহাজনের কাছে শ্রমিক শর্ট৷ বেডা শ্রমিকদের ১০০০ টাকা মজুরি দেয়া লাগে। ঐ টেকা দিয়ে পুরুষ শ্রমিকরা সংসার চালায়৷ মহাজন তো দেখল, ব্যাপক মুশকিল৷ সে গ্রামের বেডিদের যাইয়া কইলো, তোরা জামাইর অত্যাচার সহ্য করতাছস কেন, জামাই তোগোরে খাওয়ার খোটা দেয়, ঠিক মত শপিং এর টেকা দেয় না, আয় আমার কারখানায় কাম কর, তোগোরে টেকা দিমু, তোরা ঐ টেকা দিয়া শপিং করতে পারবি, রেস্টুরেন্টে ঘুরতে পারবি৷ জামাইর দিকে চাইয়া থাকতে হবে না, নিজে স্বাবলম্বী হবি, নিজের খরচ নিজে চালাবি৷ এখন বেডিগুলা নেমে গেছে কামলা দিতে৷ শ্রমিক হয়ে গেছে ১০০০, শ্রমিক লাগে ৬০০। শ্রমিকের দাম কমে গেছে৷ এইদিকে বেডিগুলা ২০০ টাকা মজুরি তেই কামলা দিতে রাজি হইয়া গেছে, ওদের তো আর একাই পুরা ফ্যামেলি চালাইতে হবে না। এখন বেডাগুলো যখন ১০০০ দাবি করল, মহাজন কয়, আরে যা ব্যাডা যাহ৷ ২৫০ টাকা মজুরি দিমু, আইলে আয়, না আইলে ভাগ। আরো ৪০০ শ্রমিক সিরিয়ালে আছে৷ এখন ব্যাডাগুলো ২৫০ টাকায় কামলা দিতেই রাজি হয়ে গেল৷ এখন ২০০ + ২৫০ = ৪৫০ জামাই বৌ দুইজন মিলে কামাই করল৷ কিন্তু সংসার চালাইতে ১০০০ লাগে৷ তাই লিভিং স্ট্যান্ডার্ড কমাইয়া ফেলল৷ অথচ, জামাই যদি একা কামাই করতো, তাহলে কিন্তু ১০০০ টাকাই কামাতে পারতো৷ এইদিকে লাগলো আরেক ভ্যাজাল। জামাইর ২৫০ টাকা দিয়া তো হচ্ছে না, সে বৌয়ের কামাইতে ভাগ দাবি করে বসল৷ সংসারের খরচ দেয়া তো জামাইর দায়িত্ব, বৌয়ের দায়িত্ব না৷ বৌ কামলা দিতে গেছে নিজে ভোগবিলাস করার জন্য, সংসারের খরচ দেয়ার জন্য না৷ এখন এই ট্যাকা নিয়া লাগলো বৌ জামাই মারামারি৷ সংসারে অশান্তি৷ কিসের পুরুষ মানুষ হইছে৷ সংসারের খরচ দেয়ার মুরোদ নাই, আবার বৌয়ের কামাই খাইতে চায়, কিসের পুরুষ সে৷ এরপরই একটা একটা করে সংসার ভাঙতে লাগলো৷ নারী এখন নিজে ২০০ টাকা কামাই করে, নিজে খায় শুধু৷ পুরুষও নিযে ২৫০ টাকা কামাই করে, নিজে খায় শুধু৷ একার ইনকাম দিয়ে সংসার চালানো সম্ভব না৷ এইদিকে মহাজন তো লালে লাল৷ ব্যবসা চাংগা৷ অধিক প্রোডাকশন, স্বল্প মজুরি, প্রচুর প্রফিট হচ্ছে৷ এই প্রফিট দিয়ে সে বান্ধা নারীবাদী ভাড়া রাখলো৷ নারীবাদী গুলো মহাজনের টাকায় মৌজ মাস্তি করতেছে, আর সাধারন নারীদেরকে বলতেছে, জামাইর সংসারে লাথি দিয়ে চলে আয়৷ মহাজনের কারখানায় কাম নে। স্বাবলম্বী হ৷ পরাধীন থাকিস না৷ নিজের খরচ নিজে চালা৷ আর সাধারন নারীগুলো মগজ বন্ধক দিয়ে দিল।

21/12/2024

কতবার পড়েছি আর হেসেছি মনে নেই

ফুলকপি সমাচার!!

একজন শখের কবি একবার ফুলকপি নিয়ে একটা কবিতা ফেসবুকে লেখেন!! এরপর যা যা হয়েছিল সেটা ওনার বয়ানেই শুনুন.....

“মানুষের মাথায় ভূত চাপে, আমার মাথায় চেপেছিলো ফুলকপি!! কোন দুঃখে আমি সেদিন ফুলকপি নিয়ে একটা ছড়া লিখেছিলাম,

"শীতের দিনে,
তোমার কাছে,
ফুল চাইনি প্রিয়;
সময় পেলে,
রান্না করে,
ভাজা ফুলকপি দিও!!"

ফেসবুকে এই ছড়া পোস্ট করার পর, আমার জীবন এবং যৌবন ''ভাজা ভাজা, তিলের খাজা'' হয়ে গেছে !!

বউ আমাকে বললো:- এই কবিতা কার উদ্দেশ্যে লিখেছো?

আমি সরল গলায় বললাম, "কার উদ্দেশ্যে মানে?"

এরপর একদমে অনেকগুলো প্রশ্ন করলো!! সবমিলিয়ে প্রায় শ-পাঁচেক প্রশ্ন; সব কটা প্রশ্ন আমার মনে নেই; অল্প কয়েকটা মনে আছে যেমন:-

১. প্রথম লাইনে একটা শব্দটা আছে, "প্রিয়"!! কে তোমার প্রিয়?

২. কে তোমাকে ফুল দেয়?

৩. কেন দেয়?

৪. কীভাবে দেয়?

৪. কোথায় দেয়?

৫. দিনে কয় বার দেয়?

৬. কি ফুল দেয়?

৭. আর কি কি দেয়?

৮. কি কি দিতে বাকি রাখছে?

৯. তাজা ফুল না প্ল্যাস্টিকের ফুল?

১০. কার কাছে তুমি এই শীতে ফুলের বদলে ফুলকপি চাইছো?

১১. এত কিছু থাকতে ফুলকপি চাইতে গেলে কেন?

১২. কাঁচাফুলকপি না চেয়ে রান্না করা ফুলকপি কেন চাইলে?

১৩. অন্য কোনো মেয়ে কেন তোমার জন্য ফুলকপি রাঁধবে?

১৪. ঘরের রান্না মুখে রোচে না?

১৫. ফুলকপি মানে কি সবজি ফুলকপি না এর অন্য কোনো গোপন অর্থ আছে?

১৬. সারাজীবন ফুলকপি খেয়েও শখ মেটেনি?

১৭. আর কত ফুলকপি চাও?

১৮. কবে তোমার পেট ভরবে?

১৯. বুড়ো হচ্ছো আর ক্ষিধে বাড়ছে তোমার না?

২০. পেয়েছো কি তুমি?

২১. তোমাকে কি আমি খেতে দিই না?

২২. রাস্তা ঘাটে ফুলকপি চেয়ে বেড়াও?

২৩. আজ ফেসবুকে চাইছ , কাল কি থালা নিয়ে রাস্তায় বসবে?

২৪. পরশু কি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেবে?

২৫. আমার কাছে চাইলে কি আর আমি ফুলকপি দিতাম না?

সর্বশেষ প্রশ্নটা বড়ই নির্মম:-

২৬. তোমার এত নোলা কেন?

আমি কোনও প্রশ্নের উত্তর গুছিয়ে দিতে পারিনি ফলে আমার জীবন হয়ে গেছে ফুলকপিময় !!

সকালে রুটির সাথে ফুলকপি ভাজা, দুপুরে রান্না করা ফুলকপি, রাত্রে ফুলকপি দিয়ে মাছ!! মাঝে বেলায় বেলায় ফুলকপি আর ফুলকপি; মাঝখানে ফুলকপির স্যুপ পর্যন্ত খেতে হয়েছে!! গত এক সপ্তাহে আমি যে পরিমাণ ফুলকপি খেয়েছি, মাটি ও মানুষের উপস্থাপকও তার গোটা জীবনে এতগুলি ফুলকপি দেখেননি!!

আজ সন্ধ্যায় বললাম, আদা দিয়ে একটু লাল চা করে দাও, একটু সর্দি লেগেছে!! ও পাথর মুখ করে চা বানাতে গেলো; আর আমি ভয়ে ভয়ে রইলাম!! চায়ে আদার বদলে ফুলকপি দিয়ে ফেলে কিনা কে জানে!! অশেষ কৃপায় খানিকবাদে ও আদা চা নিয়ে এলো; গলাটা একটু কোমল করে বলল, খালি পেটে চা খাবে না। ফুলকপির বড়া ভেজেছি। ওটা খেয়ে তারপর চা খাও !!

পুনশ্চ:- আরেকটা প্রশ্ন ছিলো এখন মনে পড়েছে!! "কি আছে ফুলকপিতে, যা আমার নেই? (বলে কান্না)
(সংগৃহীত)

21/12/2024

আমার ক্লাসের ফার্স্ট গার্ল বান্ধবী ১ লাখ স্যালারির চাকরি পেয়ে যায়, বিয়ে হবার পর স্বামীকে পাত্তা দেয় না।
কারণ তার আরেক কলিগের সঙ্গে পরকীয়া চলছিল, সেই কলিগও লাখ টাকা বেতন পায়।
তারা বিয়ে করবে ভাবছে।
এর মধ্যে একটা মেয়ে বাচ্চা হয়েছে। তাতে কী, মায়ের বুদ্ধিতে স্বামীকে ডিভোর্স দেয়।
কিছুদিন পর সেই প্রেমিক কলিগ বিদেশ চলে যায়, এতদিন আসলে সে প্রেমের নামে পরকীয়া করেছে।
বান্ধবী এখন বাবার বাড়িতে থাকেন।
২ বছর যাবার পর সে বুঝতে পারে পারিবারে তার গুরুত্ব স্যালারির সমান, একটা সময় চরম একাকিত্ব বোধ করে এবং আবার বিয়ের কথা বলে।
কিন্তু ৩ বছরের বাচ্চাসহ কেউ বিয়ে করতে রাজি হয় না, যারা রাজি হয় তারা লোয়ার ক্লাস। যা তার সঙ্গে যায় না।
পরে ২ বছরেও একটা পাত্র জোগাড় হয়নি, বান্ধবী তখন হাড়ে হাড়ে টের পায় বাস্তবতা কত কঠিন।
এদিকে করোনায় কোম্পানির ব্যবসা খারাপ, বেশি বেতনের অনেক কর্মী ছাঁটাই হলো। আমার বান্ধবীও তার মধ্যে। চাকরি যাওয়ার মাত্র ২ মাসের মধ্যেই বান্ধবী ও তার মেয়ে বাবার পরিবারে বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একটা পর্যায়ে পরিবার অতিষ্ঠ হয়ে যায়, ২ ভাই বিয়ে করেছে। ভাইদের বৌরা ননদ ও তার মেয়েকে সংসার ছাড়তে বলছে।
তখন বান্ধবী বুঝতে পারে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে ভেবে নিজের পায়েই কুড়াল মেরেছে। এখন তার সন্তান বাবাহীন অবস্থায় বড় হচ্ছে। টাকা দিয়ে কী হবে।
যে পুরুষকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে ডিভোর্স দিলো ঐ ছেলে ৩ মাসের মাথায় ঠিকই একটা অবিবাহিত মেয়ে বিয়ে করে নেয়।
বেতন কম হলেও সেই মেয়ে সুখে শান্তিতে সংসার করছে।
নিরুপায় বান্ধবী আবার আগের স্বামীর অফিসে গিয়ে সংসার করবে বলে জানায়।
কিন্তু তিনি বেকার স্ত্রী নিয়ে নতুন সংসারে সুখে আছেন বলে উত্তর দেন। ইচ্ছা করলে মেয়েটিকে দিতে পারেন বলে জানান।
বাধ্য হয়ে তাই করেন আমার বান্ধবী।
কিন্তু নিজে কী করবেন, কী খাবেন?
এর মধ্যে কোভিড চলে গেছে। পুরনো অফিসে যোগাযোগ করলেন, সেখানে চাকরির সুযোগ নেই, কিন্তু অফিসের সাথে একটা লন্ড্রির দোকান আছে, তার সাবেক বস তাকে সেই দোকানটি লিজ দেয়ার ব্যবস্থা করেন।
আমার যে বান্ধবী পুরুষের ওপর পৌরুষত্ব দেখাতে চেয়েছিলেন, সে এখন দিন রাত শত পুরুষের প্যান্ট পাজামা, ধৌত করেন।
উপার্জন করা নারীরা স্বামীকে ছোট করে দেখার পরিণতি কত নির্মম তার আমার বান্ধবীতে দিয়ে দেখা যায়।
(সংগৃহীত)

Want your business to be the top-listed Government Service in Jessore?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


ডহর মাগুরা। অমৃত বাজার।ঝিকরগাছা।যশোর।
Jessore
৭৪২০