এক মেয়েকে এক
ছেলে অতিরিক্ত
মাত্রায় পাগলের
মত ভালোবাসে।
ত
যে মেয়েকে ছেলেটা ভালোবাসে
সেই
মেয়েটা ছেলেটাকে পরীক্ষা
করার জন্য
একদিন বলল যে,
"তুমি যদি তোমার
মায়ের কলিজা
নিয়ে এসে আমায়
দেখাতে পারো
তাহলে বুঝবো যে তুমি আমায়
ভালোবাসো।"
ছেলেটা মেয়েটার
কথামত সেই
কাজে মন দিলো।
কোনো ভাবনা,
চিন্তা ছাড়াই
সে সিদ্ধান্ত নিলো
যে করেই হোক
তাকে তার মায়ের
কলিজা নিয়ে তার
ভালোবাসার
মানুষকে দেখাতে হবে।
অতঃপর সেই
ছেলে তার
মায়ের
কলিজা নিয়ে তার
ভালোবাসার
মানুষটিকে দেখালো।
মেয়েটি ছেলেটির
কাজ দেখে অবাক
হয়ে গেলো এবং মনে মনে বলতে
লাগলো আমি কেনো তাকে এই
পরীক্ষা করতে গেলাম।
তখন ছেলেটা বলল
তোমার মত
মেয়ে হারিয়ে গেলেও,
আরো
অনেক মেয়ে পাবো।
কিন্তু
যিনি আমার
জন্মধারিনী
মা, যার জন্য এই
পৃথিবীর
আলো দেখা তাকে হারালে
আর কোনোদিন
ফিরে পাবো
না। নাই বা পেলাম
তোমার
ভালোবাসা।
মেয়েটি কাঁদো কাঁদো স্বরে বলল
তাহলে ঐ
কলিজাটা?
ছেলেটা বলল ঐ
কলিজাটা হলো
একটা ছাগলের।
মোরালঃ-
=====
ভালোবাসায়
কোনো পরীক্ষা নেওয়া
উচিৎ নয়।
আর কোনো ছেল/
মেয়ে যদি ভালোবাসায়
এরকম বা অন্য কোন পরীক্ষার
কথা বলে তাহলে
তাকে প্রত্যাখ্যান
করুন।
কারনঃ ভালোবাসা এভাবে হয়
না।
ফানটু বক্স . ㄷㅁㅁㄱ
enjoyin'............
পিপড়াময় জোকস!!!!!!
তিনটা পিপড়া আড্ডা দিতেসিল তখন
তারা দেখলো সামনে থেইকা তাদের শুত্রু
একটা হাতি আইতেসিলো।।।
১ম পিপড়া = চল
আইজকা হাতি ডারে মাইরা দি...
২য় পিপড়া = হ চল।। আইজ অর
হাড্ডি গুড্ডি ভাইংগা দি।।।
৩য় পিপড়া =
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
=আইজকা ছাইড়া দে ।। আমরা ৩ জন
আর
হাতি বেচারা একা।। মারলে অবিচার
হবে।।।
মেয়েরা পরীক্ষার
হলে মেয়েরা যে ৭টি কাজ করে
১. লেখা
২. চুল কানের পিছে টানা
৩. আবার লেখা
৪. কলম বদলানো
৫.আবারো লেখা
৬. এক্সট্রা পেজ নেয়া
৭. এবং লিখতে থাকা
ছেলেরা যে ৭টি কাজ করে
১. পরীক্ষা হলের মেয়েদের সংখ্যা গোনা
২. কমবয়স্ক মহিলা পরীক্ষকদের দেখা
৩. জানালা আর দরজার সংখ্যা গোনা
৪. পকেটে রাখা নকল চেক করা
৫. কলমের নাম দেখা
৬. গতরাতে পড়ার সময় নষ্ট করার জন্য
আফসোস করা
৭. এরপরের পরীক্ষার জন্য
কমপক্ষে ভালোভাবে পড়ার কথা ভাবা
একমত লাইক হবে।।
>>>আল্লু
গিয়েছে লন্ডনে...>>>
ভ্রমনের
ফাঁকে বৌকে নিয়ে রেস্টুরেন্টে খেতে গেলো।
ওয়েটার অর্ডার
নিতে এসে বললো...>>
what kind of food
do u
interested?
আল্লু ভাবনায়
পড়ে গেল
সেতো ইংরেজি জানেনা....হঠাৎ
মনে পড়ে গেল ক্লাস
ফাইভের
ইংরেজী বইয়ের
সেই ছুটির
আবেদন
পত্রের কথা।
শেষে অনেক
ভেবে চিন্তে বললো
>> Sir. I
beg to state that,
my
father is seriously ill.
kindly
grant me leave
after third
period.
কিংকর্তব্যবিমুড়
ওয়েটার
ভাবলো,
রেষ্টুরেন্টে আসছে যখন,
নিশ্চয় খাবার
চাইতেছে।
সে তার
ইচ্ছামতো, খাবার
এনে দিলো।
এদিকে জামাইয়ের
প্রতিভা দেখে বৌ সে রকম
মুগ্ধ
>> ও আল্লাহ!
তুমি ইংরেজিতে কথা বলতে পারো ?
আল্লু ভাব নিয়া বলল
>>
আরে এখনো তো The
Cow
শুনাই নাই.....
the cow is a
domestic
people.......
মেয়ে - hi
আমি - hlw frnd
মেয়ে - kishe poren?
আমি - ১০ ম শ্রেণী তে।
আপনি?
মেয়ে - Buet e mechanical
engineering
আমি - ও তাই? আচ্ছা?
(মূহূর্তে আমি 3 idiots
মনে হয়ে গেল)
আচ্ছা বলেন তো induction
motor
কিভাবে চালু
হয়?
মেয়ে - actually.. vaia.. ami BBA
te
pori...
আমি - আচ্ছা। বলেন তো what
are the
principles of economics?
মেয়ে - sorry... mittha bolar
jonno... ami
political science e pori
আমি - আচ্ছা। ফ্রান্স এর
রাজনীতির নীতি কি?
মেয়ে - ufff... shotti kotha hocce
ami class
10 e pori
আমি - আলোর গতি কত?
মেয়ে - Offfoo.. ami 8 e pori...JAST
FUN
_.-^-._
]| ' |[
]| ' |[
]| ' |[
]| ' |[ _.-^-._
]| ' |[ (((""'))) _.-^-._
]| ' |[ (((""'))) (((""')))
★★★★★★★★★★★★★★★★
eid mubarak
দোকানদারঃ কোনো কাস্টমার
আসলে ফেরত দিবি না*
কর্মচারিঃ কাস্টমার যা চায়
তা যদি না থাকে?
দোকানদারঃ অন্য একটা দিয়ে বলবি,
এটা দিয়ে আপাতত চালান*
কর্মচারিঃ ঠিক আছে*
কিছুক্ষন পর এক লোক আসল......
কাস্টমারঃ এক প্যাকেট টয়লেট টিস্যু
দাও*
কর্মচারিঃ টয়লেট টিস্যু নাই* এই নিন
সিরিজ কাগজ* এটা দিয়ে আপাতত
চালান*
১.অনন্ত জলিল: অসম্ভবকে সম্ভব
করা অনন্তের কাজ।
—কত বড় মিথ্যা কথা।ভাই
কবে আপনি অসম্ভবকে সম্ভব
করছেন?
যদি পারেন একটা ডিম পেড়ে দেখান।
২.আরেকটা বিষয় খেয়াল করলাম।
তামিম: বয়সতো মাত্র ২৩।এখন
না হলে কখন?
—গত দুই বছর
থেকে শুনে আসতাছি তোমার বয়স মাত্র
২৩।
তোমার বয়স কি বাড়ে না?
আর এখন না হলে কখন কথাটার অর্থ
কি?
তুমি বিয়ে করছ না??
পরকীয়া করবা না কি?
৩.Fair & Handsome : মাত্র তিন
সপ্তাহে ফর্সা হোন।
—তিন সপ্তাহে যদি ফর্সা হওয়া যায়
তাহলে আফ্রিকায়
এতো নিগ্রো কেন?
আর আমিতো তিন সপ্তাহ না, তিন মাস
ধরে লাগাই।
তাহলে ফর্সা হই
না কেন?
৪.সাকিব আল হাসান: টিফিন বিস্কুট খাও
ছক্কা হাঁকাও।
—যদি টিফিন বিস্কুট
খেলে ছক্কা হাঁকানো যায়।
তাহলে রুবেল
হোসেনকে খাওয়া।
ছক্কা মেরে ম্যাচ জিতাবে।আর
আফ্রিদি মনে হয় টিফিন
বিস্কুট
খায়।
৫.গ্রামীনফোন : চলো বহুদূর।
— বহুদূরতো যেতে চাই।ভাড়া দিবা??
৬.রবি: জ্বলে উঠুন আপন শক্তিতে।
—দিশলাই কিনে দেন।নিজের শক্তি নাই।
৭.বাংলালিংক : দিন বদলের চেষ্টায়
বাংলালিংক।
— আজকে দশ বছর থেকে এক কথাই
শুনছি।
দেশতো বদলালো না।
৮.এয়ারটেল : ভালোবাসার
টানে পাশে আনে।
— শালা মিথ্যুক। তাহলে আমি সিঙ্গেল
কেন?
৯.ম্যাগি নুডুলস: মাত্র দুই
মিনিটে ম্যাগি নুডুলস
বানান।
—জীবনেও ২ মিনিটে বানাতে পারবেন না।
কারন
পানি সিদ্ধ
হতেই লাগে ৫ মিনিট।
ক্লাসরুমে শিক্ষক
পাপ্পুকে বললেন
ইংরেজিতে 0 থেকে 10
পর্যন্ত গুনতে…
পাপ্পুঃ “0, 1, 2, 3, 4, 6, 7, 8,
9,
10”
শিক্ষকঃ “5 কোথায়
গেলো??”
পাপ্পুঃ “মারা গেছে স্যার
”
শিক্ষকঃ “কিভাবে?”
পাপ্পুঃ “গতকালকে
ইংরেজি খবরে শুনলাম যে-
5 died in a car accident..!!
বলুন তো! একটি র্গাল ফ্রেন্ডের
সঙ্গে হেডফোনের কোনটা মিল?
উওরটা হল-
_
_
_
__
_
_
_
_
___
_
_____
____
আপনি যতই
এটিকে গুছিয়ে রাখুননা কেন,অবশ্যই
পেচিয়ে যাবে।
পল্টু হেঁটে যাচ্ছিল বনের ভেতর
দিয়ে। ঘুটঘুটে অন্ধকার। হঠাৎ
শোনা গেল অশরীরী আওয়াজ,
‘পল্টু’।
পল্টু: কে? কে কথা বলে?
অশরীরী: ভয় পেয়ো না।
আমি ইচ্ছাপূরণ দৈত্য। আজ এই
শুভদিনে আমি তোমার
একটি ইচ্ছা পূরণ করব। বলো,
কী চাও তুমি?
সাহস ফিরে পেল পল্টু। বলল,
‘আমার
জন্য পুরো বিশ্ব পরিভ্রমণ
করে আসবে, এমন একটা ট্রেন
সার্ভিস চালু করে দাও, যেন
আমি ঘুরে ঘুরে সব দেশের
নববর্ষের
উৎসব উপভোগ করতে পারি।’
দৈত্য: এটা তো খুব কঠিন কাজ।
তুমি বরং অন্য কিছু চাও।
পল্টু: তাহলে আমাকে এমন
ক্ষমতা দাও, আমি যেন মেয়েদের
মন
বুঝতে পারি।
দৈত্য: ট্রেন কি এসি, নাকি নন-
এসি লাগবে?
হাতি যাচ্ছে নদীতে গোসল করতে।
৩ পিপড়া বন্ধু গাছের উপর
থেকে হাতিকে দেখে বলল, চল
আমরা হাতিরে মাইর লাগাই!
ব্যাটা আমাগো অনেক
বন্ধুরে পাড়া দিয়া মারছে।
৩ জনে গাছ থেকে লাফিয়ে হাতির
পিঠে চড়ে কামড়াতে শুরু করল।
হাতি গা ঝাড়া দিল,
একটা পিপড়া নিচে পড়ে গেল। শুড়
দিয়ে বাড়ি দিল,
আরেকটা পিপড়া পড়ল। কিন্তু
৩য়টা কিছুতেই পড়েনা!
হাতি ভাবল, যাই, পানিতে ডুব
দেই। গোসলও হয়ে যাবে, পিপড়াও
চলে যাবে। যেই ভাবা, সেই কাজ।
হাতি তাড়াতাড়ি নদীতে নেমে ডুব
দিতে থাকল। এদিকে হাতির পিঠ
থেকে পড়ে যাওয়া দুই পিপড়াও
হাতির পিছে পিছে নদীর
পাড়ে গিয়ে উপস্থিত হল।
তারা দেখল, হাতিটা ডুবছে আর
ভাসছে আর তাদের বন্ধু হাতির
পিঠ কামড়ে ধরে বসে আছে! এই
দেখে তারা উল্লাসে চিৎকার
দিয়ে তাদের বন্ধুকে বলল, "
সাব্বাস দোস্ত, সাব্বাস! চুবা....
হাতিডারে ভালা কইরা পানিত
চুবা! চুবাইতে চুবাইতে মাইরালা........
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Jessore
