আগামী ৩-৪দিনের ভিতরে ডিম ফুটতে পারে...এমন পরিস্থিতিতে চাইলে ডিমের গায়ে হালকা পানি স্প্রে করে দিতে পারেন, কারন বিগত কিছুদিন যাবত তীব্র গরম এবং বৃষ্টি না হওয়ার ফলে বাতাসে আদ্রতাও একদম কম, যা ডিম ফুটে বাচ্চার বের হওয়ার জন্য প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে।
প্রাকৃতিকভাবে এই সময়ে কবুতর নিজেই গোসল করে ভেজা শরীর নিয়ে ডিমে তা দিতে বসে যায়, কিন্তু আমাদের খাচার কবুতরের জন্য সাধারনত গোসল করার সুব্যবস্থা থাকে না। তাই এই পরিস্থিতিতে ডিমের গায়ে হালকা পানি স্প্রে করে দেওয়া যেতে পারে...এতে করে আদ্রতা বৃদ্ধি পাবে এবং বাচ্চাও খুব সহজে ডিম ফুটে বের হতে পারবে।
Grizzle Pigeon Valley
"Grizzle Pigeon Valley" Lofts is a breeding venture. I'm trying to have my own pigeon farm "Grizzle
মল্টিং নিয়ে কিছু কথা-
মল্টিং সিজন হল সেই সময় যখন কবুতর সম্পূর্ণরূপে তাদের পালক পরিবর্তন করে। পালক ভাল না হলে কবুতর শীতকালে ঠিকমত পারফর্ম করতে পারে না। পালক যদি চকচকে, সুদর্শন এবং স্বাস্থ্যকর হয় তবে কবুতর প্রতিযোগিতায় ভাল পারফর্ম করতে পারে। কবুতর যখন মল্টিং এ পড়ে তখন কবুতরকে সপ্তাহে ১ বা ২ বার গোসল দেয়া উচিৎ। গোসলে বাথসল্ট ব্যবহার করা ভাল কিন্তু বাথসল্ট না পাওয়া গেলে বৃষ্টির পানি বা হালকা লবণ পানি ব্যবহার করা উচিৎ। এই সময়কালে প্রচুর শক্তি খরচ হয়, তাই কবুতরকে অবশ্যই খনিজ, ভিটামিন, অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ভাল সুষম খাদ্য দিতে হবে। গ্রিড ও মাল্টিভিটামিন প্রতিনিয়ত দেয়া দরকার এবং বীজ জাতীয় খাবার বাড়িয়ে দিতে হবে। মল্টিং এর সময় কবুতরকে জোড়া দেয়া উচিৎ না। অনেক সময় ভাল কবুতরও শীতকালে উড়ে না কারণ কবুতরটির মল্টিং পরিপূর্ণ হয় নি। আর মল্টিং এর সময় কবুতর উড়ানো থেকে বিরত থাকা উচিৎ, কবুতরকে যথেষ্ট পরিমাণে বিশ্রামে রাখা দরকার।
আমার সব কবুতর মল্টিং এ পড়েছে, মল্টিং এর সময় কবুতরের রূপ হারিয়ে যায় এবং দেখতে অনেক কদর্য লাগে। মল্টিং এর পর কবুতর অনেক সুন্দর হয়ে যায়, নবরূপ লাভ করে। আমার সিলভার কবুতরগুলো এখন পুরাই মল্টিং এ আছে। সবাই আমার ও কবুতরের জন্য দোয়া করবেন।
12/01/2023
কবুতর বিক্রি হবে।
লোকেশন: খিলগাঁও / বাসাবো ।
যোগাযোগ : 01625084301 (WhatsApp Available)
দাম: দাম আলোচনা সাপেক্ষে ।
30/11/2022
এক জোড়া ব্রীডিং পেয়ার লাল চোখের বাগদাদি হোমা কবুতর বিক্রি হবে।
100% marking লাল চোখের বড় সাইজের কবুতর, দেখতে খুব সুন্দর। রানিং জোড়া। রেগুলার ডিম বাচ্চা করে সুস্থ সবল, দেখে শুনে নিতে পারবেন। নিতে হলে লোকেশন আসতে হবে।
লোকেশন: খিলগাঁও / বাসাবো ।
যোগাযোগ : 01625084301 (WhatsApp Available)
দাম: দাম আলোচনা সাপেক্ষে ।
এক জোড়া ব্রীডিং পেয়ার লাল চোখের বাগদাদি হোমা কবুতর বিক্রি হবে।
100% marking লাল চোখের বড় সাইজের কবুতর, দেখতে খুব সুন্দর। রানিং জোড়া। রেগুলার ডিম বাচ্চা করে সুস্থ সবল, দেখে শুনে নিতে পারবেন।নিতে হলে লোকেশন আসতে হবে।
লোকেশন: খিলগাঁও / বাসাবো
যোগাযোগ : 01625084301 (WhatsApp Available)
দাম: দাম আলোচনা সাপেক্ষে ।
29/11/2022
শীতে কবুতরের যত্ন কিভাবে নিবেন Grizzle Pigeon Valley
১) কবুতর কে সপ্তাহে/১৫ দিনে/মাসে অন্তত ১ দিন কিছু সময়ের জন্য উপবাস রাখা। এতে কবুতরের কর্প এ জমে থাকা সঞ্চিত খাদ্য হজম হয় ফলে বিভিন্ন রোগ থেকে বেচে থাকে। এইদিন সকালে অল্প করে খাবার দিবার আগে আপনি যদি কালজিরা+মেথি+মউরি+জাউন এই উপাদানের (৪০%+৩০%+১৫%+১৫%) অনুপাতে মিক্স করে খেতে দেন, আপনার কবুতর কে তাহলে দেখবেন আপনার খামারে অনেক অনাখাঙ্কিত রোগ থেকে মুক্ত থাকবে।
২) ৪৫ দিন পর পর কৃমির ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে। তবে অসুস্থ ও বাচ্চা যেগুলোর আছে সেগুলো কে বাদে বা যেগুলো ১-২ দিনের মধ্যে ডিম দিতে পারে এমন বা যে সমস্থ কবুতরের ৭ দিনের মধ্যে বাচ্চা ফুটবে বা অসুস্থ থেকে কেবল ভাল হয়েছে এমন কবুতর কে অনুগ্রহ করে দিবেন না।
৩) আপনার খামার পরিস্কার পরিছন্ন রাখারা চেষ্টা করবেন, আর এই লক্ষে আপনার খামারকে প্রতিদিন বা একদিন পরপর অন্তত ২-৩ দিন পর পর তাদের বিষ্ঠা বা মল পরিস্কার করা উচিৎ। কারন কবুতরের রোগের অন্যতম আরেকটি উপাদান হল এই মল। এগুলো শুকিয়ে ধুলাই পরিনত হয় আর ফলে না ধরনের রোগ জীবাণু ছড়ায়। আর পরিস্কার করার পাশাপাশি জীবাণু মুক্ত ঔষধ ছিটান উচিৎ। যেমন- VIROCID, FARM30, VIRCON S, HALAMID,OMNICIDE, TEMSEN ETC ১ লীটার পানিতে ১ গ্রাম মীক্স করে স্প্রে করা ভালো।
৪) খাবারে ফাঙ্গাস এর কারনে বেশীরভাগ ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানা দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে আগে আপনাকে খাবার হালকা ভাবে গরম করে নিতে হবে।
৫) অনেক সময় ভিটামিন প্রয়োগের ফলে পাতলা হলুদ ধরনের পায়খানা দেখা দিতে পারে, তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে যে আপনি যে ভিটামিন টি প্রয়োগ করছেন সেটা নষ্ট হয়ে গেছে, আর এ ক্ষেত্রে আপনাকে সেই ভিটামিন তা পরিবত্তন করতে হবে।
৬) প্রতি সপ্তাহে গোসল দিবার ব্যাবস্থা করতে হবে।
৭) ফুটান পানি, ফিল্টার পানি বা গভির নলকূপের পানি ব্যাবহার করতে হবে। পানির ও খাবারের পাত্র নিয়মিত পরিস্কার রাখতে হবে।
৮) শীতের মৌসুম মানেই রোগ বালাই বেশি এই ভুল ধারনা থেকে মুক্ত হতে হবে। আর কবুতর ঝিম ধরে বসে থাকা মানেই রোগ হয়েছে এই চিন্তা করবেন না। শীতের সময় বেশি রোগ বালাই হবার কারন খামার ব্যাবস্থাপনা, এই সময়ে দরজা জানালা এমন ভাবে বন্ধ করে রাখা হয় ফলে গ্যাস জমে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত রোগ হয়। তাই বাতাস চলাচলের ব্যাবস্থা রাখতে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
Khilgaon
1219
