Rubel Chowdury

Call Directions Contact the organization

Rubel Chowdury Every family has a late joke / joke! That man goes to eat at the end of it all, wakes up at the end

রাজনীতি করতে হলে ইতিহাস জানতে হয় ইতিহাস চর্চা করতে হয় বাংলাদেশের ইতিহাস লিখতে গেলে শে রে বাংলা একে ফজলুল হক. মাওলানা ভ...
15/09/2026

রাজনীতি করতে হলে ইতিহাস জানতে হয় ইতিহাস চর্চা করতে হয় বাংলাদেশের ইতিহাস লিখতে গেলে শে রে বাংলা একে ফজলুল হক. মাওলানা ভাসানী.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জিয়াউর রহমান এর নাম যেমনি বাদ দেওয়া যায় না তেমনি জিন্নাহর নামও বাদ দেওয়া যায় না বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশের ৪০কোটি মুসলিমকে উ*গ্রবাদী হিন্দুদের হাত থেকে রক্ষার কারিগর মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ। যার জন্য আমরা মুসলিম বাংলাদেশে মাথা উচু করে বেঁচে আছি এবং শান্তিতে ধর্ম পালন করছি।
অথচ সেই মহানায়ক জিন্নাহকে বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে আড়াল করে রেখেছে ভারত! তার নামে ভারত ছড়িয়েছে নানা রকম প্রোপাগান্ডা। কারণ জিন্নাহ সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষ বেশি জেনে গেলে ভারতের চেতনা বাংলাদেশে আর কাজ করবেনা।

জিন্নাহ ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ করে ১৯৪৮ সালেই মারা যান। ১৯৭১ সালে জিন্নাহর কোন হাত ছিল না। ১৯৫২ সালেও জিন্নাহ ছিল না। তাহলে জিন্নাহকে নিয়ে কেন এতো চুলকানি? ৭১ এর যুদ্ধে কিংবা ৫২ তে তো জিন্নাহর কোন হাত ছিল না?

১৯৪৭ সালে জিন্নাহ দেশ ভাগ করে পাকিস্তান বানিয়েছে। আর সেই পাকিস্তানের অংশই আজকের বাংলাদেশ।

জিন্নাহ যদি ৪৭ এ পাকিস্তান না তৈরি করতো তাহলে বাংলাদেশ নামক কোন দেশই পৃথিবীতে থাকতোনা। তখন আমরা হয়তো ভারতের অংশ হয়ে থাকতাম। বর্তমান ভারতের মুসলিমদের মতোই আমরা নির্যাতিত হতাম। মুসলিম হবার অপরাধে আমাদের মে*রে ফেলা হতো। নামাজরত অবস্থায় হ*ত্যা করা হতো। মুসলিম হবার অপরাধে আমাদের মা-বোনরা ধর্ষি*ত হতো। যা হচ্ছে বর্তমান ভারতে। ঠিক আমাদেরও একই অবস্থা হতো।🇧🇩

যেহেতু জিন্নাহর কারণে আমরা আলাদা দেশ পেয়েছি। কট্টর হিন্দুদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি। কোনরকম বাধা ছাড়াই গরুর গোস্ত খেতে পারছি। ধর্ম পালন করতে পারছি। সে হিসেবে অবশ্যই জিন্নাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের ঈমানের দায়িত্ব।

যে মানুষটার জন্য আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি। আজ তার মৃতুবার্ষিকী। ভারতীয় উপমহাদেশের কোটি কোটি মুসলমানকে হিন্দুদের হাত থেকে রক্ষা করে শান্তিতে ইসলাম ধর্ম পালন করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য হলেও আল্লাহ আপনাকে মাফ করে দিক আমিন।
মেহেদী হাসান হাওলাদার
সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষ।🇧🇩

১৫ আগস্টের প্রহর কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, বরং তা ছিল শেখ মুজিবের অপশাসন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এক অনিবার্য গণবিস্ফোরণ! তা...
15/08/2026

১৫ আগস্টের প্রহর কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, বরং তা ছিল শেখ মুজিবের অপশাসন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এক অনিবার্য গণবিস্ফোরণ! তার চরম ক্ষমতার অপব্যবহার, নীতিহীনতা ও সীমাহীন লুটপাটের কারণে গঠিত রক্ষীবাহিনী তখন ভিন্নমতের ৪০ হাজার মানুষকে হত্যার পাশাপাশি রাতের আঁধারে নারীদের তুলে নিয়ে চরম বেহায়াপনায় মেতে উঠতো।

যখন দুর্নীতিবাজি ও স্বজনপ্রীতির কারণে সৃষ্ট ১৯৭৩ সালের দুর্ভিক্ষে ১৫ থেকে ৩০ লাখ মানুষ অনাহারে ধুঁকে ধুঁকে মারা যাচ্ছিল, তখন নির্লজ্জতার চূড়ান্ত সীমা পার করে শেখ কামালের রাজকীয় বিয়ের জমকালো আয়োজন করেছিল মুজিব সরকার।

নিয়মিত সেনাবাহিনীকে সুকৌশলে পঙ্গু করে দলীয় রক্ষীবাহিনীকে ক্ষমতায় বসানোর এই ধূর্তামি ও হঠকারিতা মূলত দেশকে ভারতের গোলামির শৃঙ্খলে বেঁধে ফেলার এক গভীর ষড়যন্ত্র ছিল। জাতির এই চরম নৈতিক দেউলিয়াপনা, লুণ্ঠন ও জুলুমের অন্ধকার অধ্যায় থেকে সার্বভৌমত্বকে বাঁচাতে মেজর ডালিমসহ দেশপ্রেমিক সেনাসদস্যরা ১৫ আগস্টের সেই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

তাদের এই সাহসী হস্তক্ষেপের মাধ্যমেই জাতি মুক্তি পেয়েছিল এক ভয়াবহ বিশ্বাসঘাতকতা, দলবাজি ও ভণ্ডামির কবল থেকে।🇧🇩🇧🇩


26/07/2026

কেন জানি মনে হচ্ছে জামায়াতকে বড় ধরনের কোনো বেকায়দায় ফেলতে বড় কোনো লেনদেন বিনিময়ে/ অন্য কিছুর বিনিময়ে গাজী নজরুল ই...
26/07/2026

কেন জানি মনে হচ্ছে জামায়াতকে বড় ধরনের কোনো বেকায়দায় ফেলতে বড় কোনো লেনদেন বিনিময়ে/ অন্য কিছুর বিনিময়ে গাজী নজরুল ইসলাম গাদ্দারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে!! 😥
অনেকের স্মরণে থাকার কথা ১৯৯১-৯৫ এর সংসদে জামায়াতের ৯০ যশোর ৬ কেশবপুরের এমপি মাওলানা সাখাওয়াত হোসেনকে। যাকে ক্রয় করে ফেলেছিল তৎকালীন বিএনপি। যে সময় কেয়ারটেকার নিয়ে আন্দোলন তুঙ্গে সেই সময়ে সাখাওয়াত হোসেন জামায়াতের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। পরে যাকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বানিয়েছিল। এবং যতদূর মনে পড়ে ৯৬ এর নির্বাচনে তিনি বিএনপির নমিনেশন পেয়েছিলেন।

এবারেও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্যে বিএনপির বিরুদ্ধে যখন আন্দোলন জমিয়ে আনছে ধাপে ধাপে, ঠিক তখন নজরুল ইসলাম কাণ্ড সবার দৃষ্টি অন্য দিকে নিয়ে গিয়েছে! নজরুল ইসলাম একই আসন থেকে ইতিপূর্বে দুবার নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের মনোনয়ন পেয়ে। প্রথমবার তার বয়স ছিল ৬০ কোটায়। ঐ সময় এমন কিছু ঘটেনি। ঘটলো ৭০ কোটায় এসে। এটাকে স্বাভাবিক ভাবার কোন সুযোগ নেই। হয় তিনি ঘটনার নায়ক অথবা ট্রাম্পের শিকার। ঘটনার পর যে দলের নেতা কর্মীরা বিচার চেয়ে মাঠে নেমেছিল বহিস্কারের পর ঐ দলের বড় বড় নেতারা ইনিয়ে বিনিয়ে নজরুল ইসলামের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। জামায়াত চাইলেও তাঁর সংসদ সদস্য পদ বাতিল হচ্ছে না আইনের দোহাই দিয়ে। ফলে জামায়াত থেকে তার চেপ্টা এখনি শেষ হচ্ছে না।

নজরুল ইসলাম কান্ডের পিছনে অন্য কারো হাত আছে তা অনুমেয় পুরো ঘটনা বাংলাদেশী/ পাশ্ববর্তী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার স্ক্রিপটেড!!
চারিত্রিক সততা জামায়াতের রাজনীতির সবচাইতে বড় পুঁজি, সেখানেই আঘাত হানা হয়েছে!
তীব্র আন্দোলনের পূর্বেই জামায়াতের জনশক্তিদের নৈতিক মনোবল যাতে ভালভাবেই ভেঙ্গে যায় সেজন্যেই পরিকল্পিতভাবে এটি ঘটানো হতে পারে!! বিচিত্র কিছু না। মীর জাফরের ইতিহাস ভুরিভুরি আছে পৃথিবীর ইতিহাসে। মুল ঘটনার পিছনে গাজী নজরুল ইসলাম/ তার দ্বিতীয় স্ত্রী/ গাড়ি চালক সরাসরি জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যারা এ ঘটনার পিছনের কারিগর তাঁরা এখনো খেলবে। যেহেতু দুটি ঘটনা দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ঘটেছে সেহেতু এ অঞ্চলে এমন ঘটনা আরো ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এ তালিকায় থাকতে পারে যশোরের এক জন জামায়াত দলীয় সাংসদ। যার বর্তমান ভুমিকা/ কথাবার্তা সন্দেহ জনক। তার পিএসের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ।

সামনের দিনগুলোই বলে দিবে বহুকিছু। সত্য গোপন থাকবেনা।
আমার ধারণা ভুল হলেও জামায়াতের জন্যে ভাল যে একজন মুনাফিকের বিদায় হয়েছে জামায়াত থেকে। আর সঠিক প্রমাণিত হলেও সেটি জামায়াতের জন্যে আরো চরম সতর্ক হওয়ার বার্তা।

আপাতত ব্যারিস্টার আরমান এমপি এবং অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপির মোবাইল হারানোর ঘটনাকে সিরিয়াসলি নিন! প্রায় একই সময়ে একই দলের রানিং দুজন এমপির মোবাইল বেহাত হওয়া আমার কাছে কাকতলীয় ঘটনা মনে হয় না। পিছনে রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র।

জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের সতর্ক হতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে দলীয় নেতাদের। দলীয় গোয়েন্দা পরিধি বাড়াতে হবে। সামান্য ত্রুটি দেখলেই ব্যাবস্থা। যাতে কেউ রাস্তায় নামতে না পারে।

সাংবাদিক শামছুর রহমান
(Copy)

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের বাইরে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস নেতাদের বি/ক্ষোভ গড়িয়...
22/07/2026

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের বাইরে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস নেতাদের বি/ক্ষোভ গড়িয়েছে পার্লামেন্ট পর্যন্ত।🤖

নিট বা এনইইটি-ইউজি ২০২৬ প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে অনলাইনভিত্তিক জেন-জি সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এ বি/ক্ষোভ শুরু করলেও এবার উঠেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে পার্লামেন্ট চত্বরে বি/ক্ষোভ করেন কংগ্রেসের সংসদ সদস্যরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদল কালো পোশাক পরে পার্লামেন্টে হাজির হয়ে ফটকের বাইরে বি/ক্ষোভ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে কংগ্রেসের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন বিরোধী সংসদ সদস্যও যোগ দেন এ বি/ক্ষোভ কর্মসূচিতে।

সরকারবিরোধী বি/ক্ষোভে যোগ দিতে সমাজবাদী পার্টির (এসপি) সাংসদরাও কালো স্কার্ফ পরেছিলেন। এসপি প্রধান অখিলেশ যাদবও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে কংগ্রেসের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন। পরে কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে তাকেও আটক করা হয়েছিল।

বিরোধীরা নিট ইস্যু এবং সোমবার রাজধানীতে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের দ/মন-পী/ড়ন নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানাচ্ছেন। বুধবার পার্লামেন্ট ভবনের ফটকে জড়ো হয়ে সরকার এবং শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন তারা।

এনডিটিভি জানিয়েছে, বুধবার বিরোধীরা দাবি করেছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পরই কেবল যেকোনো আলোচনা হতে পারে।

কংগ্রেসের সংসদ সদস্য পবন খেরা বলেন, ‘প্রথমে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে, তারপর আলোচনা হবে। এতগুলো ছাত্রছাত্রীর ওপর লাঠিচার্জের পর এখন কী আলোচনা হবে? ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতেই হবে।’

এদিকে বিরোধী দলের দাবি অনুযায়ী সরকার সংসদের উভয় কক্ষে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। সব দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর কোন নিয়মে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে, তা স্পিকার ঠিক করবেন।

Source: আরটিভি/এসএইচএম
(Copy)

আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন🥵🥵
19/07/2026

আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন🥵🥵

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আহত মেজো মেয়ে নাফিজা আক্তার ইকরাও মারা গেছে। এ নিয়ে মা শাহিনুর ...
26/06/2026

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আহত মেজো মেয়ে নাফিজা আক্তার ইকরাও মারা গেছে। এ নিয়ে মা শাহিনুর বেগম ও তিন মেয়ের মৃত্যু হলো। পরিবারে শুধু বেঁচে আছে ইকরার একমাত্র ভাই জুনায়েদ। 😥

শাহিনুর বেগমের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। তারা বেশ কয়েক বছর ধরে রায়পুরের ওই বাসায় ভাড়া আছেন। তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। মেজো মেয়ে নাফিজা আক্তার ইকরা রায়পুর সরকারি মার্চেন্টস একাডেমি থেকে এসএসসির ফলপ্রত্যাশী ছিল। একই প্রতিষ্ঠানের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল ছোট মেয়ে শিফা আক্তার। আর একমাত্র ছেলে জুনায়েদ ইসলাম রায়পুর সরকারি কলেজে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ার পাশাপাশি একটি দোকানে কাজ করছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহিনুরের স্বামী মো. কামাল হোসেন ২০১৯ সালে উপজেলার মোল্লারহাট এলাকায় রাস্তায় পড়ে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। তিনি গ্রামে ঘুরে ঘুরে হাঁড়ি-পাতিল বিক্রি করতেন।

এদিকে তাদের কুপিয়ে হত্যার পর গণপিটুনির শিকার হন অভিযুক্ত যুবক অন্তর মজুমদার ফল বিক্রেতা। আহত অবস্থায় তাকে দুপুরে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান।😥😥

.                     😥"হায়রে বাংলাদেশ"!😂 ৪০ পয়সার বিদ্যুৎ ফেলে রেখে ২২ টাকায় রেন্টাল বিদ্যুৎ কিনে! শুনতে কত অবাক লাগ...
17/06/2026

. 😥"হায়রে বাংলাদেশ"!😂
৪০ পয়সার বিদ্যুৎ ফেলে রেখে ২২ টাকায় রেন্টাল বিদ্যুৎ কিনে! শুনতে কত অবাক লাগে!!
মাত্র ৩৫ থেকে ৪০ পয়সায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ ফেলে রেখে, আমরা ২২ টাকা দিয়ে তেলের বিদ্যুৎ কিনছি! পার্বত্য চট্টগ্রামের ২০০০ মেগাওয়াট আটকে রেখেছে কোন সিন্ডিকেট?

আমরা লোডশেডিং আর চড়া বিদ্যুৎ বিলের যন্ত্রণায় পুড়ছি। অথচ রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির নদী আর ঝর্ণাগুলোতে লুকিয়ে আছে প্রায় ২,০০০ মেগাওয়াট পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ! কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো এখানেও প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বানাতে খরচ হবে মাত্র ৪০ পয়সার মতো!

তাহলে এই সস্তা বিদ্যুৎ আমরা কেন বানাচ্ছি না?
✅ তেল-কয়লার সিন্ডিকেট: দেশে জলবিদ্যুৎ তৈরি হলে বিদেশ থেকে তেল-কয়লা আনা বন্ধ হয়ে যাবে। আর আমদানি বন্ধ হলে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের হাজার কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্যও বন্ধ হয়ে যাবে!
✅ ভুয়া অজুহাত: সিন্ডিকেট যুক্তি দেয়—শীতকালে তো পাহাড়ে পানি থাকে না, তখন বিদ্যুৎ আসবে কোথা থেকে?
✅ জাদুকরী সমাধান (Pumped Storage): নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড বা নেপাল শীতকালেও পানি দিয়ে বিদ্যুৎ বানায়! তারা 'পাম্পড স্টোরেজ' প্রযুক্তি ব্যবহার করে। অর্থাৎ, রাতে যখন বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকে, তখন পানি পাম্প করে পাহাড়ের ওপরে তুলে জমা রাখা হয়। আর দিনে পিক-আওয়ারে সেই পানি নিচে ফেলে আবার বিদ্যুৎ তৈরি করা হয়! এটি বিশাল এক 'পানির ব্যাটারি'র মতো কাজ করে।

বড় বাঁধ না দিয়ে ছোট ছোট ঝর্ণায় মাইক্রো-হাইড্রো (অণু জলবিদ্যুৎ) বসালে পরিবেশেরও কোনো ক্ষতি হবে না।

আপনার মতে, বিদ্যুতের দাম কমাতে সরকারের কি অবিলম্বে তেল-কয়লাভিত্তিক নতুন কেন্দ্র বাতিল করে পার্বত্য চট্টগ্রামে 'পাম্পড স্টোরেজ' জলবিদ্যুৎ প্রকল্প শুরু করা উচিত?

(কপি)

Address

Khulna

Telephone

+8801611883814

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rubel Chowdury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Rubel Chowdury:

Shortcuts

Share