Sir PC Roy House, Raruli, Paikgacha, Khulna

Sir PC Roy House, Raruli, Paikgacha, Khulna

Share

Scientists Sir PC Roy

25/01/2026

সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা

01/10/2025

আজকের নবমীর দিনে পিসি রায়ের বাসভবন মন্দিরে

01/10/2025

অষ্টমীর দিনের রাতে

29/09/2025
Photos from Sir PC Roy House, Raruli, Paikgacha, Khulna's post 01/08/2024

১৬৩ তম জন্মদিনে তোমার ভুবন রাঙাতে রঙিন সারা'র আগমন

শেখ মেহেরিন নুর সারা
SMMA Jubaer

01/08/2024

১৬৩ তম জন্মদিনে
লাল গোলাপ শুভেচ্ছা

13/03/2024

॥ সাধনা ঔষধালয় - একটি অনন্য ব্যতিক্রমী বাঙালি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস ॥
#সাধনাঔষধালয়, ঢাকা। আজকের দিনে বড় বেমানান এই প্রতিষ্ঠান।
দোকান বন্ধ। অথচ কর্মচারীদের এখনও বসিয়ে বসিয়ে মাহিনা দেয়। সারা ভারতবর্ষে তথা বর্তমান বাংলাদেশে এটি একটি বিরল ঘটনা।
আজ ফিরে দেখা সেই ইতিহাস।
১৯০৫ সাল বঙ্গভঙ্গ।
চারিদিকে তখন স্বদেশি আন্দোলনের জোয়ার।
বিদেশি পণ্য বয়কট কর।
দেশীয় শিল্প গড়ে তুলতে নেমে পড়লেন একদল উদ্যোগী বাঙালি যুবক। নেতৃত্বে বিশ্ববিখ্যাত বাঙালী বৈজ্ঞানিক আচার্য #প্রফুল্লচন্দ্ররায়
একের পর এক দেশীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠল।
এইচ বোসের কলের গান, কেশতেল, দেলখোশ সুবাস, সি কে সেনের জবাকুসুম, বেঙ্গল পটারি,বেঙ্গল গ্লাস ফ্যাক্টরি, পি এম বাকচির কালি, সুগন্ধি, মোহিনী মিলের কাপড়ের কারখানা,সেন রেলের সাইকেল কারখানা এবং স্বয়ং আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের বেঙ্গল কেমিক্যাল আরো কত শিল্প।
আর এই পথ ধরে এক বাঙালি যুবক গড়ে তুললেন সাধনা ঔষধালয়।
নাম তার যোগেশচন্দ্র ঘোষ।
সেই আমলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের এম এ।
ভাগলপুরে অধ্যাপনার চাকরি ছেড়ে মাস্টারমশাই আচার্য পি সি রায়ের অনুপ্রেরণায় গড়ে তুললেন আয়ুর্বেদ ঔষধের কারখানা।
তার নাম হল সাধনা ঔষধালয় ঢাকা।
অচিরেই এই প্রতিষ্ঠানের নাম সারাভারতে ছড়িয়ে পড়ল।
সুভাসচন্দ্র বসু, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই প্রতিষ্ঠানের ওষুধ ব্যবহার করতেন।
১৯২৪ সালে নেতাজী সুভাষচন্দ্র নিজে এলেন ঢাকায়, পরিদর্শণ করে গেলেন সাধনা ঔষধালয়।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জ্বর হলেই এই প্রতিষ্ঠানের ওষুধ খেতেন।
সেইসময় প্রায় চারশোর বেশি শাখা ভারতে ছড়িয়ে পড়েছিল।
পণ্য রফতানি হত আমেরিকা, চীন, ইরাক, ইরান, আফ্রিকার দেশে।
এবার এল সেই দিন! ১৯৭১ সাল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ।
যোগেশচন্দ্র পরিবারের সকলকে কলকাতায় পাঠিয়ে দিলেন।
শত বলা সত্বেও বাংলাদেশ ছেড়ে গেলেন না।
বললেন, মরলে এখানেই মরবো।
তবু এদেশ ছেড়ে কোথাও যাবো না।
ফলে যা হবার হল।
১৯৭১ সালের এপ্রিল মাস।
সশস্ত্র খান সেনেরা কারখানায় এলো।
গুলি করে খুন করল যোগেশচন্দ্র ঘোষকে।🙂
তবু ফ্যাক্টরি বন্ধ হল না।
কারণ সাধনা ঔষধালয়ের প্রডাক্টের তখনও প্রবল চাহিদা।
একশো তিরিশটা দোকান চলছে ভারতে।
কলকাতায় তিরিশটা শাখা।
দাক্ষারিস্ট,চ্যবনপ্রাশ, সারিবাদি সালসা, জ্বরের ওষুধ,বিউটি ক্রিম আরো কত প্রডাক্টের তখনও হেভি ডিমান্ড।
৮০ সাল পর্যন্ত কোম্পানি চার কোটি টাকা লাভ করেছে।
তারপর ২০০৮ থেকে ২০১২ কোম্পানি বন্ধ হয়ে যায় আধুনিকীকরণের অভাবে।
অনেক দোকান তবু খোলা ছিল।
কিন্তু যোগেশচন্দ্রের অলিখিত নিয়ম অনুযায়ী কর্মীদের বেতন দেওয়া বন্ধ হল না।
তাদের চলবে কিভাবে?
সারা ভারতবর্ষে এই ঘটনা এক বিরল দৃষ্টান্ত।
যেখানে মালিকরা শ্রমিক কর্মচারীদের পি এফ, গ্র্যাচুয়াটির টাকা মেরে দেয় সেখানে যোগেশচন্দ্ররা ব্যতিক্রম তো বটেই।
সব মালিক যদি এরকম হত!
এই কোম্পানির জীবিত একমাত্র বংশধর হলেন শীলা ম্যাডাম।
তিনিই উত্তরাধিকার সূত্রে বর্তমানে কোম্পানির মালিক।
তিনি বিবাহ করেননি।
তিনি আধ্যাত্মিকতা নিয়ে থাকেন।
এই কোম্পানির বর্তমানে কিছু দোকান এখনও খোলা আছে।
অনেক ওষুধই নেই।
বিক্রি একরকম নেই।
কর্মচারীরা বলেন আজকের দিনে ৩৪ টাকা কিংবা ৫৫ টাকায় কোন ওষুধ পাওয়া যায়?
দাম বাড়ানো দরকার।
কিন্তু শীলা ম্যাডাম অনড়।
তিনি বলেন অল্প লাভ রেখে গরীব মানুষের পাশে একটু দাঁড়ালে ক্ষতি কি?
অত টাকা করে কী লাভ?
যতদিন পারে চলুক।
তবু টিমটিম করে জ্বলছে শতবর্ষের বেশি প্রাচীন সাধনা ঔষধালয়।
এখনও কলকাতা ও রাজ্যের বুকে দু'একটা রঙচটা সাধনা ঔষধালয়ের বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে, শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড়ে যার একটি আজও বিদ্যমান।
" সাধনা ঔষধালয়, ঢাকা" একটি আয়ুর্বেদিক প্রতিষ্ঠান।
কালের নিয়মে একদিন হারিয়ে যাবে এই প্রতিষ্ঠান।
শুধু জেগে থাকবে এক দেশপ্রেমিক বাঙালির স্বপ্ন,
"সাধনা ঔষধালয়।"
শ্রদ্ধা ছাড়া আর কিবা জানাতে পারি আপনাকে শ্রদ্ধেয় #যোগেশচন্দ্রঘোষ মহাশয়।
তথ্যসূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকার নিবন্ধ।
NG Banerjee এর ওয়াল থেকে

01/08/2023

আশ্চর্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জন্মদিন ও কিছু কথা

এডঃ এফ এম এ রাজ্জাক ✍️
জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী আশ্চর্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ইংরেজি ১৮৬১ সালের ২ আগষ্ট মোতাবেক বাং ১২৬৮ সালের ১৮ শ্রাবণ এক শুভ লগ্নে নিতি খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলাধীন কপোতাক্ষ তীরে ছায়াঢাকা পাখি ডাকা রাড়ুলী জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হরিশচন্দ্র রায় চৌধুরী ও মাতা ভুবন মোহিনী দেবী। পৃথিবীতে তিনি স্মরণীয় বরণীয় হয়ে আছেন। আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ছিলেন একজন ব্যতিক্রমধর্মী মানুষ। তার ছিল বহুমুখী প্রতিভা। তিনি একজন আদর্শ শিক্ষক, বিজ্ঞান, শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনকার, রাজনীতিবিদ, সমবায়ী, সমাজ সংস্কারক, সাহ্যিতিক ও সর্বোপরি বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের মূল প্রবক্তা। তার জন্ম গৌরবে শুধু তার জন্মভূমি দক্ষিণ খুলনায় অবহেলিত জনপদ পাইকগাছা থানার রাড়ুলী গ্রামই ধন্য হয়নি বরং সমগ্র ভারতবর্ষের মানুষ তাঁর গৌরবে গৌরবান্বিত। আজ তার জন্মদিনে তিনি তার বহুমুখী গুণের মধ্যে সমাজ সংস্কারক মূলক দুটি কথা লিখলাম। ধর্ম ও জাতিগত ভেদাভেদ বা হিন্দু সমাজের জাতিভেদ প্রথা অস্পৃশ্যতা আচার্যদেবকে ব্যাকুল করে তুলত। তিনি লক্ষ্য করেন সমগ্র ভারতে পাশ্চাত্য ভাব ও শিক্ষা বিস্তারের পর পুনা ও মাদ্রাজের ব্রাহ্মণ, বাংলার ব্রাহ্মণ, বৈদ্য, কায়স্থ এবং যুক্ত প্রদেশের অধিবাসী কাশ্মীর পন্ডিতদের মধ্য হতেই সাহিত্য, সমাজ ও রাজনীতি ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ভব হয়েছে। হিন্দু সমাজে মুষ্টিমেয় লোক ইহার মস্তিষ্ক, কিন্তু বিশাল জনসমষ্টি যারা এই সমাজের দেহ, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তারা এই মস্তিষ্ক থেকে পৃথক এমন কি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নিম্নবর্ণের মানুষও যে অনেক মহৎ কাজ করেছে উদাহরণ দিতে যেয়ে তিনি ঢাকার জগন্নাথ কলেজ, সিলেটের মুরারী চাঁদ কলেজ ও ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজ সাহাদের বদান্যতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলেছেন । জাতিভেদের কারণে হিন্দুদের পশ্চাদপশারতার কারণ হিসেবে সমুদ্রযাত্রা নিষিদ্ধ একটা বড় কারণ হিসেবে নির্ণয় করেছেন। তাঁর লেখনীর মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন দেেেশর মানুষ জাতিভেদ প্রথা উঠিয়ে দিয়ে কিভাবে উন্নতির শিখরে উঠেছে দেখিয়েছেন। ইসলামের উদারতার কারণেই যে বহু হিন্দু এর সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নিচ্ছে একথাও তিনি তুলে ধরেছেন। আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন উৎসবে ভাষণ দিতে যেয়ে তিনি বলেছেন, সমগ্র মানবজাতির ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখি পক্ষপাতিত্ব, ধর্মীয় গোঁড়ামী তথা কারণ হীনতাই মানুষের প্রগতির সবচেয়ে বড় দুষমন এবং কর্তৃপক্ষের অনিষ্টকারক আত্মহননের প্রচেষ্টা এবং ধর্মীয় গোঁড়ামীই মানব চিত্ত বিকাশের প্রধান অন্তরায়।" ১৯৩২ সালে দেশবন্ধুর সভাপতিত্বে ফরিদপুরে কংগ্রেসের সভায় তিনি বলেন, “কুকুর বিড়াল আস্তাকুঁড় থেকে এসে ঘরের ভিতর প্রবেশ করলে আমাদের মনে কোন নীচ ভাব জাগে না, তথাপি অনুন্নত শ্ৰেণীকে আমরা চিরদিনই অধম ও ঘৃণ্য মনে করে পদদলিত ও একঘরে রেখে সমাজকে সবদিক থেকে দুর্বল ও যুগ ধরবার ব্যবস্থা করছি ।" ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে মেদিনীপুর এক বহু পুরাতন মন্দিরে হরিজনদের প্রবেশাধিকার দেওয়ার জন্য এক সভায় তিনি পৌরহিত্য করেন । দৌলতপুর বি.এল কলেজে একবার এসে মুসলমান ছেলেদের হাস্টেলে তাদের ভরকারী চেখে দেখে টিকিধারী অধ্যাপকদের ভ্রুকুটি পড়েন। তার নিজের জন্মস্থান পাইকগাছা থানার নিম্নবর্ণের মেহের মুছল্লী, ইসলামী সাধক জাফর আউলিয়া, রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু, এবং ভীম চন্দ্র সরদারকে তিনি ভালবাসতেন। উত্তরবঙ্গের বন্যা পিড়িত মানুষের সেবাকার্যের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে যেয়ে তিনি বলেছেন, “মানুষের মনই তার সবচেয়ে বড় সম্পদ তাই মনের টানে যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে হোক সে হিন্দু মুসলমানের বন্ধুত্ব, হোক সে হিন্দু শিখের বন্ধুত্ব, যে বন্ধুত্বের জন্য কোন প্যাক্ট বা আলোচনার প্রয়োজন নেই।” তাই বোধ হয় তিনি কবি নজরুল সম্পর্কে বলতেন, “ও হলো বাংলার আপামর জনসাধারণের ইচ্ছার বাণীমূর্তি।” নজরুলও তাই লিখেছেন,
হিন্দু না ওরা মুসলিম? ও জিজ্ঞাসে কোন জন?
কান্ডারী! বল ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মার।

Photos from Sir PC Roy House, Raruli, Paikgacha, Khulna's post 01/08/2023

স্যারের ১৬২ তম জন্মবার্ষিকী

Want your business to be the top-listed Government Service in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Raruli
Khulna
9280