10/10/2020
ছাত্র অধিকার পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার পক্ষ থেকে উপকূলবর্তী এলাকায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচী চলছে। তারই অংশ হিসাবে আজ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপন করা হয়। উক্ত প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর সভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ তিনি বলেন প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলায় আমাদের উপকূলবর্তী এলাকা গুলোতে বেশি বেশি বৃক্ষরোপন করতে হবে সে লক্ষ্যে ছাত্র অধিকার পরিষদ খুলনা মহানগর শাখা কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি সচেতন নাগরিকদের কাছে অনুরোধ রইলো আপনিও আপনার বাড়ির আঙ্গিনায় বেশি বেশি বৃক্ষরোপন করুন।
02/09/2020
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ খু্লনা মহানগর শাখার পক্ষ থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়রা উপজেলার ৫০০ পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী পৌছায়ে দিব আমরা। এই মহতী উদ্যোগে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানাচ্ছি। বিশেষ ভাবে প্রবাসী ভাইদের সহযোগীতা কামনা করছি। একটা পরিবারের জন্য বাজেট ৩০০ টাকা। আপনারা ১/২/৩ টা পরিবারের দায়িত্ব নিন। যতটুকু পারেন মানবতার সেবায় এগিয়ে আসুন।
আহবানে
আরিফুল ইসলাম
সভাপতি
ছাত্র অধিকার পরিষদ খুলনা মহানগর
14/06/2020
নতুন রাজনৈতিক দল কেন প্রয়োজন বিস্তারিত পড়েন। নুর ভাইর সাক্ষাৎকার
কী চমক নিয়ে আসছেন ডাকসু ভিপি নুর? তার পরিবর্তনের ঘোষণায় কি থাকছে? কেন তিনি নতুন দল গঠন করতে যাচ্ছেন? এমন নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ছাত্র আন্দোলন করতে গিয়ে দেশজুড়ে আলোচিত নুরুল হক নুর। পটুয়াখালীর চরাঞ্চলে বেড়ে ওঠা নুর দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত ভিপি। ছাত্র অধিকার পরিষদের ব্যানারে আন্দোলন করতে গিয়ে বহুবার তিনি হামলার শিকার হয়েছেন। তারপরও দমে যাননি। এবার তিনি রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দিয়ে ফের আলোচনায়। নুরের কথা- দলের মধ্যে যদি গণতান্ত্রিক চর্চা না থাকে তাহলে কিভাবে দেশের মানুষকে ওই দল গণতন্ত্র উপহার দেবে? একটি দল যদি সঠিক নেতা বাছাই করতে না পারে তাহলে তারা কিভাবে মানুষের জন্য সঠিক নেতৃত্ব তৈরি করবে? নুর বলেন, আমরা চাই এই সিস্টেমের পরিবর্তন করতে। দলের মধ্যেই গণতন্ত্রের চর্চা করতে।
প্রশ্ন- তার কাছে প্রশ্ন-কবে নাগাদ আপনার দল আত্মপ্রকাশ করবে? নুর বলেন, আমরা কাজ করছি অনেকদিন ধরেই।নির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণ বলবো না। তবে চমক হিসেবে দেখতে পাবে মানুষ। আমরা চেষ্টা করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক এবং সিভিল সোসাইটিতে যাদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে তাদের যুক্ত করতে। আমরা নামসর্বস্ব দল, কিংবা এক ব্যক্তি এক দল- সেরকম চাচ্ছি না। এ জন্যই আমরা একটু সময় নিচ্ছি। অনেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হতে চান, কিন্তু সুযোগ পাচ্ছে না। আমরা চেষ্টা করছি সেসব মানুষের কাছে পৌঁছানোর।
নুরুল হক নুর বলেন, আমরা সব সময় বলে আসছি বর্তমানে দেশে যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বা যে ধরনের রাজনীতি চলছে সেটা সাধারণ জনগণের কাঙ্ক্ষিত রাজনীতি না। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরের দ্বারপ্রান্তে আমরা। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনার যে মূলমন্ত্র ছিল সাম্য মানবিক মর্যাদার সামাজিক সুবিচার এবং বৈষম্যহীন একটি সমাজ গঠন করা। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। আমি মনে করি এর কোনো একটি অংশও এখন পর্যন্ত পুরোপুরি পূরণ হয়নি। না পেয়েছি আমরা একটি বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা। না পেয়েছি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। না প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি ন্যায় বিচার। সে জায়গা থেকে আমরা দেখেছি মানুষের মনে অনেক ক্ষোভ রয়েছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ দেখেছে প্রতিহিংসার রাজনীতি। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে তারা দমন-পীড়নের রাজনীতি করে। ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার জন্য নানা ধরনের অপচেষ্টা চালায়। এসব কারণে তরুণ সমাজ এই রাজনীতি থেকে বিমুখ হচ্ছে। সে কারণে তরুণ সমাজকে রাজনীতিতে আকৃষ্ট করার জন্য আমরা বলেছি, তরুণদের নিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে চাই। কারণ আমাদের যে সিনিয়র সিটিজেন তাদের রাজনীতির চিন্তা-ভাবনা এবং চিন্তাধারা আমরা দেখেছি। আমরা মনে করি গত পঞ্চাশ বছরে তারা ব্যর্থ হয়েছে। যেহেতু আমি ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তারপরও অন্যান্য পেশার মানুষকে যুক্ত করার জন্য আমরা যুব অধিকার পরিষদ গঠন করেছি। শ্রমিকদের যুক্ত করতে শ্রমিক অধিকার পরিষদ গঠন করেছি। দেশের যেহেতু দেড় কোটির মতো শ্রমিক যারা প্রবাসী। বিভিন্ন দেশে রয়েছেন। সুতরাং তাদেরও আমি মনে করি দেশের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সে কারণে তাদের যুক্ত করতে একটি প্রবাসী অধিকার পরিষদ গঠন করেছি। আল্টিমেটলি আমাদের ভিত্তিগুলো যদি মোটামুটি শক্তভাবে তৈরি করতে পারি তারপর হয়তো মূল দল ডিক্লারেশনের চিন্তা-ভাবনা করবো।
প্রশ্ন- দেশে প্রতিষ্ঠিত একাধিক দল থাকতে মানুষ কেন আপনাদের নতুন দলের প্রতি আকৃষ্ট হবে?ভিপি নুর বলেন, ষাটের দশকের শুরুতে, আশির দশকের শুরু বা শেষের দিকে, বাহান্নের ভাষা আন্দোলনসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ছিল ছাত্র রাজনীতির বিশাল ভূমিকা। ছাত্ররা বিভিন্ন গণআন্দোলনে মানুষের গণমুখী কথা বলতো। আন্দোলন করতো। সে কারণে ছাত্রদের ভালো একটি অংশগ্রহণ ছিল। ওই সময় ছাত্র আন্দোলনগুলোতে শিক্ষকরা, সাংবাদিকরা সমর্থন দিতেন। কিংবা অংশগ্রহণ করতেন। মেধাবী ছাত্ররা সেখানে নেতৃত্ব দিতেন। কিন্তু এখন এই মেধাভিত্তিক রাজনীতিটা নেই। আজকে আমরা দেখতে পাই ক্ষমতাসীন দল, বিরোধী দলের বড় বড় নেতারা নিজেরাই বলেন যে, এখন রাজনীতি অর্ধশিক্ষিত, অশিক্ষিতদের হাতে। রাজনীতি ধান্ধাবাজ-টেন্ডারবাজদের হাতে। সুতরাং তার মানে বোঝা যাচ্ছে যে এই কারণেই হয়তো আমরা যেটা বলি ভদ্রলোক, শিক্ষিত লোক কিংবা সৎ সাহসী লোক এই নোংরা রাজনীতি পছন্দ করে না। আমরা সেখানে চেষ্টা করবো যোগ্যতাকে প্রাধান্য দেয়ার। এখানে মেধাবী মানুষদের উৎসাহী করবো। আমরা মনে করি, আমাদের দেশে যে প্রথা চালু হয়েছে- একজন হোমরা চোমরা ছোট নেতা যায়, তার পেছনে একটি বিশাল বহর হেঁটে যায় তাকে প্রটোকল দেয়ার জন্য। এটা তো একটি রাজনীতির ধারা হতে পারে না। রাজনীতি করবেন সমাজের প্রয়োজনে। রাষ্ট্রের প্রয়োজনে। সমর্থকরা মিছিল-মিটিং করবে। কিন্তু কোনো ব্যক্তি-পূজার যে রাজনীতি এটা কোনো রাজনীতির সংস্কৃতি না। আমাদের দেশে দেখা যায় কোনোমতে একজন ছোটোখাটো নেতা বা জনপ্রতিনিধি হতে পারলে সে মনে করে রাজনীতিটা একটি টাকা কামানোর মেশিন। এই যে একটি অসৎ চিন্তা-ভাবনা এ কারণে সৎ মানুষগুলো রাজনীতি থেকে দূরে। এখানে আমরা তরুণ এবং আমাদের অন্যতম একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এখানকার নেতৃত্ব দেবে তরুণরা। আমরা সিনিয়র সিটিজেনদের কাছ থেকে পরামর্শ নেবো। কিন্তু এটার পরিচালনা করবে এবং নেতৃত্ব দেবে তরুণরা। নিউজিল্যান্ডের মন্ত্রিসভার বেশিরভাগ নেতার বয়স চল্লিশের নিচে। আমরা চাই যে এই ধরনের তরুণরা একটা চমক দেখাক। এবং আমাদের বিশ্বাস বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই পরিবর্তন চায়। দেশে এখন যে রাজনৈতিক নেতৃত্বশূন্যতা বা বিরাজনীতিকরণ চলছে। ওয়ান ইলেভেনের পর থেকে শুরু করে এখন দেশে কোনো রাজনীতি আমি মনে করি না আছে। ২০১৩ সালের পর থেকে বিরোধী দলগুলোর যে ভূমিকা পালন করার কথা ছিল তারা আদৌ কি পেরেছে? পারেনি। এই যে গৃহপালিত বিরোধী দল বা প্যাকেট গৃহপালিত বিরোধী দল বলেন। এছাড়া অন্য যে বড় বড় শক্তি বা রাজনৈতিক দলগুলো আছে তারা কি করতে পেরেছে। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হলো এটার স্বপক্ষে কি করতে পেরেছে? তারা কোনো বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তুলতে পেরেছে? পারনি। মানুষ ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
09/06/2020
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, খুলনার পক্ষ থেকে কয়রায় ১০০ টি পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরন করা হয়।
কয়রার অবস্থা খুবই খারাপ।আপনারা যদি সহযোগিতা করেন তবে কয়রায় আমাদের খাদ্য সামগ্রী বিতরনের এই কার্যক্রম চলতে থাকবে। আমরা কিছুদিনের মধ্যে আবারও কয়রাতে যেতে চাচ্ছি আপনাদের কাছে অনুরোধ যতটুকু পারেন সাহায্যের হাত বাড়ান। কোন দানই ছোট না!
যোগাযোগঃ ০১৭৩৭৮৭৩০৫০ ( আহবায়ক)
বিকাশঃ ০১৭৬৬-৫৭৭-১৯৯ পারসোনাল।
রকেটঃ ০১৯৬৬৯৪৪৩৬৫৯ পারসোনাল।
04/05/2020
রমজানের উপহার হিসেবে ছাত্র অধিকার পরিষদ, খুলনা শাখার পক্ষ থেকে ২০ টি পরিবারের ১৫ দিনের খাদ্য সামগ্রী দেয়া হচ্ছে।
ছাত্র অধিকার পরিষদ, খুলনা।
23/04/2020
তারিখঃ ২৩/০৪/২০ ইং
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় ১০ দফা প্রস্তাবনা;
(১) ডাক্তারসহ চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিতের পাশাপাশি তাদের থাকার জন্য হোটেল ও গেস্ট হাউজের ব্যবস্থা করা
(২) জেলা পর্যায়ে করোনা পরীক্ষার ল্যাব স্থাপন করা ।প্রয়োজনে দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবগুলো ব্যবহার উপযোগী করে ফার্মেসী, বায়োটেকনোলজি মাইক্রোবায়োলজি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ফলিত রসায়নের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এ কাজে সম্পৃক্ত করা।
(৩)লকডাউন নিশ্চিতকরণে সেনাবাহিনীকে যথাযথ ক্ষমতা প্রদানসহ আইন শৃঙ্খলায় নিয়োজিতদের বাধাহীনভাবে কাজ করার জন্য যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করাসহ সর্বোচ্চ সুরক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
(৪) ২ কোটি হতদরিদ্রসহ নিম্নআয়ের মানুষ বিশেষ করে প্রান্তিক কৃষক, দিনমজুর,রিক্সা-ভ্যান, বাস-ট্রাক,টেম্পু চালকদের তালিকা করে মাসিক ভিত্তিতে অন্তত ৩ মাসের খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা করা।
একই সাথে অসহায় নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্যও খাদ্যসহায়তার ব্যবস্থা করা।
(৫) বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মজীবীদের সরকারি সমন্বয়ে অন্তত ৩ মাসের বেতন নিশ্চিত করা।
(৬) উপজেলা ও জেলা কৃষি কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য সরবরাহ ও বাজারজাত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা। প্রয়োজনে সরকারিভাবে কৃষকদের কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করে খাদ্য সহায়তা ভুক্ত পরিবারকে প্রদান করা।
(৭) দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রনে রাখতে চালকল ও বাজারের প্রতি বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি অসাধু ব্যবসায়ী, কালোবাজারী ও ত্রাণচোরদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়া।
(৮) গুজব ঠেকাতে এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতকরণে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম কে নির্বিঘ্নে কাজ করার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা।
একই সাথে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে ধারা গুলো নিয়ে সম্পাদক পরিষদ আপত্তি তুলেছিল তা বাতিল ঘোষণা করা।
(৯) শিক্ষক, সাংবাদিক, মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিন ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে 'ত্রাণ সহায়তা 'কমিটি গঠন করা।
(১০) ত্রাণের দাবিতে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে তাদের জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা করা এবং ত্রাণচুরির সংবাদ প্রকাশ ও প্রতিবাদকারীদের কোন ধরনের হয়রানি না করা।
নুরুলহক নুর
ভিপি, ডাকসু।
13/04/2020
আসুন আমরা শপথ নেই
স্বাধীনতা রক্ষায়,
দেশ আমার আমি ই লড়বো।💪
06/04/2020
অালহামদুলিল্লাহ 😊
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, খুলনা শাখার প্রথম পর্যায়ের ত্রাণ বিতরণের প্যাকেজিং সম্পন্ন হয়েছে।
৫১০ জন সমান অসহায় মানুষের ৩ দিনের খাদ্যের যোগান দিতে সক্ষম হয়েছি অামরা এবং এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে যতদিন অাপনাদের ভালোবাসা অামাদের সাথে অাছে। ইনশা আল্লাহ রোজার অাগেই অামরা খুলনার ৯ টি উপজেলাতেই ত্রাণ দিব।
এই মহৎ কাজে কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে অামাদের সাতে যোগাযোগ করতে পারেন। কেউ ৫০ কেজি চালের বস্তা সমপরিমাণ টাকা ও দিতে পারেন। অাপনার দানের সুক্ষ্ম হিসাব দিয়ে দেয়া হবে ইনশা আল্লাহ। দান কখনোই ছোট নয়,শরিক হতে পারাটাই জরুরি।
যোগাযোগঃ ০১৯৬৬৯৪৪৩৬৫,
বিকাশঃ ০১৪০৩৩০২২৩৫ পারসোনাল
ছাত্র অধিকার পরিষদ, খুলনা।
30/03/2020
অাপনারা চাইলে এই খাদ্য পণ্য গুলোও দিতে পারেন...