জেএস আইনি পরামর্শ কেন্দ্র JS Advice Centre

জেএস আইনি পরামর্শ কেন্দ্র JS Advice Centre

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জেএস আইনি পরামর্শ কেন্দ্র JS Advice Centre, Paikgacha, Khulna.

আদালতে কী ভাবে পাবেন আইনি সহায়তা..?
আইনের দৃষ্টিতে দেশের সকল নাগরিকই সমান। প্রত্যেকেই ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকারী। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিককে এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

04/05/2026

"পাওনাদারের করণীয় (Step-by-step Legal Action)

✅ (ক) চেক ব্যাংকে উপস্থাপন:
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চেক ব্যাংকে জমা দিন, চেক ডিসঅনার (Bounce) হলে ব্যাংকের Return Memo সংগ্রহ করুন।

✅ (খ) লিগ্যাল নোটিশ প্রদান
Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী:
চেক ডিসঅনার হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নোটিশ দিতে হবে, নোটিশে উল্লেখ থাকবে চেকের বিবরণ, টাকা দাবি, ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধের সময়সীমা।

👉 নোটিশ রেজিস্ট্রি/কুরিয়ার/লিগ্যাল মাধ্যমে পাঠানো উচিত।

নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হলে মামলার প্রস্তুতি।

✅ (গ) মামলা দায়ের (Criminal Case):

ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে ১৩৮ ধারায় মামলা দায়ের করুন।
👉 প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:
মূল চেক, ব্যাংক রিটার্ন মেমো, লিগ্যাল নোটিশ ও রিসিভ প্রমাণ, লেনদেনের প্রমাণ (চুক্তি, সাক্ষী ইত্যাদি)।

✅ (ঘ) দেওয়ানি মামলা (Money Suit)
একই সাথে বা আলাদাভাবে:
টাকা আদায়ের জন্য দেওয়ানি আদালতে মামলা, চেক ও স্ট্যাম্প দলিল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার।

✅ (ঙ) জালিয়াতির মামলা (যদি প্রযোজ্য)
যদি দেখা যায়:
প্রতারণার উদ্দেশ্যে চেক দেওয়া হয়েছে, টাকা নেওয়ার সময়ই ফেরত দেওয়ার ইচ্ছা ছিল না, তাহলে Penal Code, 1860 অনুযায়ী:
420 (প্রতারণা), 406 (অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ) ধারায় মামলা করা যেতে পারে।"

ামর্শ
#চেক_ডিসঅনার
#ব্যাংক_চেক_মামলা

#ধারা১৩৮
#লিগ্যাল_নোটিশ
#পাওনাদারের_অধিকার
#টাকা_আদায়
#মানি_সুট
#দেওয়ানি_মামলা
#ফৌজদারি_মামলা
#চেক_বাউন্স
#আইনি_ব্যবস্থা
#প্রতারণা_মামলা
#ধারা৪২০
#ধারা৪০৬
#বাংলাদেশ_আইন
#লিগ্যাল_হেল্প
#অ্যাডভোকেট_পরামর্শ
ূমি_জরিপ_পরামর্শ_কেন্দ্র
#চেক_ডিসঅনার_সমাধান
#চেক_বাউন্স_মামলা
#আইনি_সহায়তা_বাংলাদেশ
#লিগ্যাল_নোটিশ_সার্ভিস
#টাকা_আদায়ের_উপায়
#পাওনাদারের_আইনগত_পদক্ষেপ
#দ্রুত_মামলার_সমাধান
#মানি_রিকভারি_সার্ভিস
#দেওয়ানি_ও_ফৌজদারি_সহায়তা
#প্রতারণা_মামলা_সহায়তা
#আইনজীবী_পরামর্শ
#কোর্ট_কাচারি_সহহায়তা
#গ্রাহক_আইনগত_সুরক্ষা
#চুক্তি_ও_লেনদেন_নিরাপত্তা
#লিগ্যাল_সাপোর্ট_বাংলাদেশ
#রাজশাহী_লিগ্যাল_সার্ভিস
#বাংলাদেশ_লিগ্যাল_হেল্প
#পাইকগাছা_লিগ্যাল_সহায়তা
#সাতক্ষীরা_আইনগত_সেবা
ূমি_জরিপ_পরামর্শ_কেন্দ্র

04/05/2026

পাওনাদারের জন্য সবচেয়ে শক্ত অবস্থান হলো:
চেক ডিসঅনার মামলা (দ্রুত শাস্তিমূলক চাপ)
দেওয়ানি মামলা (টাকা আদায় নিশ্চিত করা)
প্রয়োজনে প্রতারণার মামলা (অতিরিক্ত চাপ তৈরি)।




















29/04/2026
24/04/2026

⚖️ আপনার বিশ্বস্ত লিগ্যাল সল্যুশন পার্টনার ⚖️

নোটারি পাবলিক, বাংলাদেশ কর্তৃক সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রকার গুরুত্বপূর্ণ দলিল ও চুক্তিপত্র প্রস্তুত করা হয় অত্যন্ত যত্ন ও দক্ষতার সাথে।

📑 আমাদের সেবাসমূহঃ
✔️ হলফনামা (Affidavit)
✔️ আম-মোক্তারনামা (Power of Attorney)
✔️ অঙ্গীকারনামা (Undertaking)
✔️ ইজারা চুক্তিনামা (Lease Agreement)
✔️ ঘোষণাপত্র (Declaration)
✔️ অংশীদারী চুক্তিনামা (Partnership Deed)
✔️ ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র (Business Agreement)
✔️ দানপত্র (Gift Deed)
✔️ না-দাবীনামা / অনাপত্তিপত্র (NOC)

🏠 সম্পত্তি সংক্রান্ত সেবা:
বাড়ি, ঘর, দোকান, অফিস, ফ্ল্যাট, জমি, পুকুর, মটরযান ইত্যাদি।

👉 ক্রয় / বিক্রয় / ভাড়া / বন্ধক সংক্রান্ত সকল চুক্তিনামা প্রস্তুত করা হয়।

⚖️ মামলা সংক্রান্ত সহায়তা:
খুলনা ও সাতক্ষীরা জজ আদালত, পাইকগাছা ও কয়রা আদালতের সকল মামলা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হয়।

🌍 বিশেষ সুবিধাঃ
📄 বাংলা ⇄ ইংরেজি অনুবাদ (দেশি ও বিদেশি সকল কাগজপত্র)।

📲 যোগাযোগ করুন এখনই:
👉 “জেএস আইনি পরামর্শ কেন্দ্র JS Advice Centre ” অনলাইন পেজে।

💼 বিশ্বস্ততা | অভিজ্ঞতা | গোপনীয়তা

আপনার আইনি নিরাপত্তায় আমরা সবসময় পাশে আছি।

Photos from জেএস আইনি পরামর্শ কেন্দ্র JS Advice Centre's post 24/04/2026

Special Powers Act, 1974 এর ধারা ৩৬ (বাতিল ও সংরক্ষণ) মূলত একটি “Repeal & Saving Clause”—যার উদ্দেশ্য পুরাতন আইন বাতিল করার পাশাপাশি পূর্বের কার্যক্রমকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া। নিচে সহজভাবে বিশ্লেষণ দেওয়া হলো:

🔹 ১. “বাতিল” (Repeal) অংশের ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬(১) অনুযায়ী, নিম্নোক্ত আইন/অধ্যাদেশগুলো বাতিল করা হয়েছে—
১৯৫২ সালের নিরাপত্তা আইন
১৯৫৮ সালের জননিরাপত্তা অধ্যাদেশ
১৯৭২ সালের বাংলাদেশ তফসিলভুক্ত অপরাধসমূহ (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশ
👉 অর্থাৎ, এই পুরাতন আইনগুলো আর কার্যকর নয়; এগুলোর জায়গায় Special Powers Act, 1974 কার্যকর হয়েছে।

🔹 ২. “সংরক্ষণ” (Saving) অংশের মূল ধারণা
আইন বাতিল হলেও, পূর্বে যা করা হয়েছে তা যেন হঠাৎ অবৈধ না হয়ে যায়—এটাই “Saving” অংশের উদ্দেশ্য।
(ক) পূর্বের কার্যক্রম বৈধ থাকবে
১৯৫২ ও ১৯৫৮ সালের আইনের অধীনে—
দেওয়া আদেশ
তৈরি করা বিধি
নেওয়া পদক্ষেপ
চলমান কার্যক্রম

👉 এগুলো বাতিল হবে না, বরং নতুন আইনের অধীনে করা হয়েছে বলে গণ্য হবে (যদি নতুন আইনের সাথে সাংঘর্ষিক না হয়)।

📌 সহজ ভাষায়:
পুরাতন আইনে যা করা হয়েছে, তা “নতুন আইনের অধীনে করা হয়েছে” বলে ধরে নেওয়া হবে—যতক্ষণ না তা নতুন আইনের বিরুদ্ধে যায়।
(খ) বিচারাধীন মামলার ধারাবাহিকতা
১৯৭২ সালের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আদেশ অনুযায়ী—
যেসব মামলা বিচারাধীন ছিল
যেসব বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল গঠিত ছিল

👉 সেগুলো একই ট্রাইব্যুনালেই চলবে এবং নিষ্পত্তি হবে।

📌 এমনকি— আইনটি বাতিল হলেও, সেই মামলাগুলো যেন বাতিল না হয়—তাই বলা হয়েছে,
“যেন উক্ত আদেশ বাতিল হয়নি”—এইভাবে বিচার চলবে।

🔹 ৩. এই ধারার আইনগত গুরুত্ব
✔ ১. আইনি শূন্যতা (Legal Vacuum) প্রতিরোধ
যদি পুরাতন আইন বাতিল করে কিছুই সংরক্ষণ না করা হতো, তাহলে—
চলমান মামলা বন্ধ হয়ে যেত
পূর্বের আদেশ অবৈধ হয়ে যেত

👉 ধারা ৩৬ এই সমস্যা ঠেকায়।
✔ ২. প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা
সরকারি সিদ্ধান্ত, আদেশ, তদন্ত—সব কিছু যেন বৈধ থাকে, সেই নিশ্চয়তা দেয়।
✔ ৩. বিচার ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা
চলমান মামলাগুলো নতুন করে শুরু করতে হয় না—পুরোনো ট্রাইব্যুনালেই শেষ করা যায়।

🔹 ৪. বাস্তব উদাহরণ দিয়ে বুঝুন
ধরা যাক—
১৯৭২ সালের আইনে একটি মামলা চলছে
হঠাৎ ১৯৭৪ সালের আইন চালু হলো

👉 তাহলে কি মামলা বাতিল হবে?
❌ না

👉 সেই একই ট্রাইব্যুনালেই বিচার চলবে এবং শেষ হবে।

🔹 ৫. সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি
এই আইন (বিশেষ ক্ষমতা আইন) নিয়ে বাংলাদেশে অনেক বিতর্ক রয়েছে, কারণ—
এটি প্রতিরোধমূলক আটক (Preventive Detention) এর ক্ষমতা দেয়
মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সংঘর্ষ হতে পারে
অতীতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। তবে ধারা ৩৬ নিজে বিতর্কিত না; বরং এটি একটি টেকনিক্যাল ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা।

🔚 উপসংহার
ধারা ৩৬-এর মূল কথা হলো—

👉 “পুরাতন আইন বাতিল, কিন্তু পূর্বের কার্যক্রম বৈধ থাকবে এবং চলমান বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।”

এটি আইনগত ধারাবাহিকতা, স্থিতিশীলতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা।

#বিশেষ_ক্ষমতা_আইন_১৯৭৪

#বাংলাদেশ_আইন
িশ্লেষণ
#ধারা_৩৬



#বাতিল_ও_সংরক্ষণ


#আইনি_ধারাবাহিকতা

#আইনি_সুরক্ষা


#নিরাপত্তা_আইন_১৯৫২
#জননিরাপত্তা_অধ্যাদেশ_১৯৫৮
#বিশেষ_ট্রাইব্যুনাল_১৯৭২

#বিচার_প্রক্রিয়া
#ট্রাইব্যুনাল

#ম্যাজিস্ট্রেট
্রয়োগ

ানুন



#আইনের_ভাষা

24/04/2026

#জেনে_নিন_সম্পূর্ণ_দণ্ডবিধির_সকলধারা_একনজরে
#দন্ডবিধি১৮৬০ Penal Code 1860
দণ্ডবিধি: মূল আইন/ Substantive Law

পাশ: ১৮৬০ সালের ৬ই অক্টোবর

কার্যকর: ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারি

ধারা: ৫১১টি

পরিচ্ছেদঃ ২৩টি

আইন : ১৮৬০ সালের ৪৫নং আইন

👉 অধ্যায়ঃ ২
ধারাঃ ৮- লিঙ্গ ( Gender)

ধারাঃ ৯- বচন (Number)

ধারাঃ ১০- পুরুষ মহিলা( Man, Women)

ধারাঃ ১১- ব্যক্তি( person)

ধারাঃ ১২ -জনগন( public)

ধারাঃ ১৪- রাষ্ট্রিয় কর্মচারী (servant of the state)

ধারাঃ ১৭- সরকার ( Government)

ধারাঃ ১৯- জজ( Judge)

ধারাঃ ২০- বিচারালয় ( Court of Justice)

ধারাঃ ২১- ১২ প্রকারের, সরকারী কর্মচারী (Public servant)

ধারাঃ ২২- অস্থাবর সম্পত্তি (Moveable property)

ধারাঃ ২৩- অবৈধ লাভ(Wrongful gain)/অবৈধ ক্ষতি( Wrongful loss)

ধারাঃ ২৪- অসাধুভাবে(Dishonestly)

ধারাঃ ২৫- প্রতারণামূলকভাবে( Fraudulently)

ধারাঃ ২৬- বিশ্বাস করার কারন (Reason of believe)

ধারাঃ ২৭- কোন ব্যক্তি সম্পত্তি যখন তার স্ত্রী, কেরানী,ভিত্যের অধিকারে থাকে তখন তার সম্পত্তি বলে গন্য হবে

ধারাঃ ২৮- নকলকরন( Counterfeit)

ধারাঃ ২৯ - দলিল ( Document)

ধারাঃ ৩০- মূল্যবান জানানত (Valuable Security)

ধারাঃ ৩১- উইল( A Will)

ধারাঃ ৩৩ - কার্য, বিচ্যুতি( Act,Omission)

ধারাঃ ৩৪- অভিন্ন অভিপ্রায়( Common intention)

ধারাঃ ৩৫ - অপরাধ মূলক জ্ঞান এবং অভিপ্রায় দ্বারা যখন সংঘটিত হল

ধারাঃ ৩৬ - আংশিক কার্য বা কার্য বিচ্যুতি দ্বারা যখন অপরাধ সংঘটিত হয়

ধারাঃ ৩৭ - কতিপয় অপরাধের সংঘটন

ধারাঃ ৩৮ -একই কার্যে ভিন্ন ভিন্ন অপরাধ সংঘটন

ধারাঃ ৩৯- ইচ্ছাকৃতভাবে ( Voluntarily)

ধারাঃ ৪০- অপরাধের সংজ্ঞা (Offence)

ধারাঃ ৪১- বিশেষ আাইন (Special Law)

ধারাঃ ৪২- স্হানীয় আইন( Local Law)

ধারাঃ ৪৪- ক্ষতি( Injury)

ধারাঃ ৪৫- জীবন (Life)

ধারাঃ ৪৬- মৃত্যু(Death)

ধারাঃ ৪৭- প্রানী(Animal)

ধারাঃ ৪৮- জাহাজ( Vessel)

ধারাঃ ৪৯- বছর, মাস(Year,Mounth)

ধারাঃ ৫০- ধারা( Section)

ধারাঃ ৫১- হলফ( Oath)

ধারাঃ ৫২- সরল বিশ্বাস ( Good faith)

ধারাঃ ৫২(ক) আশ্রয়( Harbour)

👉 অধ্যায়ঃ ৩- সাজা প্রসঙ্গে/Of Punishment
ধারাঃ ৫৩- দন্ডের প্রকারভেদ

ধারাঃ ৫৪- মৃত্যদন্ড হ্রাসকরণ

ধারাঃ ৫৫- যাবজ্জীবন দণ্ড হ্রাসকরণ বা পরিবর্তন

ধারাঃ ৫৫(ক)- রাস্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষন

ধারাঃ ৫৭- সাজার মেয়াদের ভগ্নাংশ

ধারাঃ ৬৩- অর্থদন্ডের পরিমাণ উল্লেখ না থাকলে

ধারাঃ ৬৪- অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডের আদেশ

ধারাঃ ৬৫- উভয়দন্ডের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড

ধারাঃ৬৬- কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদানে কারাদণ্ড অনাদায়ে অর্থদন্ড বুঝাবে সশ্রম, বিনাশ্রম

ধারাঃ ৬৭- শুধুমাত্র অর্থদন্ডের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড
 ৫০ টাকা অতিক্রম নাহলে ২ মাস
 ১০০ টাকা অতিক্রম না হলে ৪ মাস
 ১০০ টাকার অধিক হলে ৬ মাস

ধারাঃ ৬৮- অর্থদন্ড আদায়ে কারামুক্তি

ধারাঃ ৬৯- অর্থদন্ড আনুপাতিক অংশ আদায়ে কারামুক্তি

ধারাঃ ৭০- অর্থদন্ড আদায়ের সময়

ধারাঃ ৭৩- নির্জন কারাবাস/ Solitary confinement
৬ মাসের অধিক না হলে নির্জন কারাবাস ১ মাস ;
১ বছরের অধিক না হলে নির্জন কারাবাস ২ মাস ;
১ বছরের অধিক হলে নির্জন কারাবাস ৩ মাস। )
নির্জন কারাবাস সর্বসাকুল্যে ৩ মাসের অধিক হবে না

ধারাঃ ৭৪- নির্জন কারাবাসের সীমা

👉অধায়ঃ ৪- সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ/ General Exception

ধারাঃ ৭৬- কোন কাজ করতে আইনগত বাধ্য ভেবে স্বদবিশ্বাসে করলে তা অপরাধ নয়

ধারাঃ ৭৭- বিচারকের কাজ অপরাধ নয়

ধারাঃ ৭৮- আদালতের আদেশে কৃতকাজ অপরাধ নয়

ধারাঃ ৭৯- আইনত ন্যায়সঙ্গত কোন লোক কতৃক সম্পাদিত কোন কাজ যা ন্যায়সঙ্গত বলে সরল বিশ্বাসে মনে করে করা হয়েছে

ধারাঃ ৮০- আইনানুগ কার্যসম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা

ধারাঃ ৮১- অন্যবিধ ক্ষতিরোধের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত কোন ক্ষতিকরকার্য যা অপরাধমূলক অভিপ্রায় ব্যতীত করা হয়েছে।

ধারাঃ ৮২- নয়বছরের শিশু কতৃক সম্পাদিত কার্য অপরাধ নয়

ধারাঃ ৮৩- নয় বছরের অধিক কিন্তু বারো বছরের কম বয়সি অপরিনত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশুর কার্য অপরাধ নয়

ধারাঃ ৮৪- অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কাজ অপরাধ হিসেবে গন্য হবেনা

ধারাঃ৮৫- অনিচ্ছাকৃত নেশাগ্রস্থ হওয়ার ফলে কৃতকাজ

ধারাঃ ৮৮- উপকার করতে গিয়ে সম্পাদিত কোন কার্য

ধারাঃ ৮৯- শিশুর বা অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির অভিভাবকের সম্মতিক্রমে, উপকার করতে গিয়ে সম্পাদিত কোন কার্য

ধারাঃ ৯২- সম্মতি ব্যতীত উপকার করতে গিয়ে সম্পাদিত কোন কার্য

ধারাঃ ৯৩- সরল বিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ

ধারাঃ ৯৪- ভীতি প্রদর্শনের কারণে কৃতকাজ

ধারাঃ ৯৫-সামান্য ক্ষতিকারককাজ

👉আত্মরক্ষার অধিকার প্রসঙ্গে/Private Defense
ধারাঃ ৯৬- আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদিত কাজ

ধারাঃ ৯৭- দেহ ও সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার

ধারাঃ ৯৮- অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কার্যের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার

ধারাঃ ৯৯- যেসমস্ত কার্যের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়না

ধারাঃ ১০০- যেসকল ক্ষেত্রে নিজ দেহ রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে মৃত্যু ঘটানো যায়

ধারাঃ ১০১- যেক্ষেত্রে অনুরুপ অধিকার মৃত্যু সংগঠন ব্যতীত অন্য ক্ষতি সংগঠনের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে

ধারাঃ ১০২- দেহ রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে প্রারম্ভ বা স্থিতিকাল

ধারাঃ ১০৩- যেসকল ক্ষেত্রে নিজ সম্পত্তি রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে মৃত্যু ঘটানো যায়

ধারাঃ ১০৪- যেক্ষেত্রে অনুরুপ অধিকার মৃত্যু সংগঠন ব্যতীত অন্য ক্ষতি সংগঠনের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে

ধারাঃ ১০৫- সম্পত্তি রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে প্রারম্ভ বা স্থিতিকাল

👉অধ্যায়ঃ ৫- অপরাধের সহায়তা প্রসঙ্গে/Of Abetment
ধারাঃ ১০৭- অপরাধে সহায়তা

ধারাঃ ১০৮-দুস্কর্মে সহায়তাকারি

ধারাঃ ১০৯- অপরাধে সহায়তার সাজা

ধারাঃ ১১১- যে কার্যের জন্য সহায়তা করা হয়েছে সেই কার্য ছাড়া অন্যকার্য সম্পাদিত হলে

ধারাঃ ১১৫- মৃত্যুদন্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনিয় অপরাধে সহায়তার শাস্থি/ অপরাধ সংঘটিত না হলে বা হলে সেক্ষেত্রে শাস্থি।

ধারাঃ ১১৬- কারাদন্ডে দন্ডনিয় অপরাধে সহায়তার শাস্থি/ অপরাধ সংঘটিত না হলে সেক্ষেত্রে শাস্থি।

ধারাঃ ১১৮- মৃত্যু দন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অপরাধের যড়যন্ত্র গোপনকরনকরন

ধারাঃ ১১৯- সরকারী কর্মচারী কতৃক অপরাধের যড়যন্ত্র গোপনকরন যা বিবারন করা তার কর্তব্য ছিলো

👉অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র/Criminal Conspiracy
ধারাঃ ১২০(ক)- অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র

ধারাঃ ১২০(খ)- অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের শাস্থি

👉অধ্যায়ঃ ৬- রাষ্ট্রবিরোধি অপরাধ প্রসঙ্গে/Of Offences against the state
ধারাঃ ১২১- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ গ্রহন করা বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করা

ধারাঃ ১২১(ক)- ১২১ ধারা অনুযায়ী দন্ডনিয় অপরাধ সংঘটনের জন্য ষড়যন্ত্র

ধারাঃ ১২২- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি সংগ্রহ করা

ধারাঃ ১২৩- যুদ্ধ সুগম করারা উদ্দেশ্য ষড়যন্ত্র

ধারাঃ ১২৩(ক) - রাষ্ট্রসৃষ্টির নিন্দাকরণ ও উহার সার্বভৌমত্ব বিলোপ দাবী করা

ধারাঃ ১২৪- সরকারী দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা বা বাধা প্রদানে রাষ্টপতি বাসরকার প্রমূখে আক্রমণ

ধারাঃ ১২৪(ক) রাষ্ট্রদ্রোহিতা

ধারাঃ ১২৫- বাংলাদেশের সহিত মৈত্রি বন্ধনে আবদ্ব ঐশীয় শক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করন

ধারাঃ ১২৬- বাংলাদেশের সাথে শান্তিতে বসবাসকারীর শক্তির রাজ্যের এলাকার সাথে লুন্ঠন অনুষ্ঠান

ধারাঃ ১২৮- সরকারী কর্মচারীদের স্বেচ্ছাকৃতভাবে পালিয়ে যেতে দেওয়া

ধারাঃ ১২৯ -অবহেলাবসত সরকারী কর্মচারীদের পালিয়ে যেতে দেওয়া

ধারাঃ ১৩০- যুদ্ধ অপরাধীদের পালিয়ে যেতে সাহায্যে করা, আশ্রয় দান

👉অধ্যায়ঃ ৮- জনগনের শান্তিভঙ্গের অপরাধ প্রসঙ্গে/Of offences against the public tranquility)
ধারাঃ১৪১- বেআইনি সমাবেশ ( Unlawful Assembly)

ধারাঃ১৪২- বেআইনি সমাবেশের সদস্য হিসেবে অংশগ্রন বা সদস্য হিসেবে গন্য হওয়া।

ধারাঃ১৪৩- শাস্তি, ৬ মাস বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

ধারাঃ১৪৪- অস্ত্র দ্বারা বেআইনি সমাবেশ, শাস্তি ২ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

ধারাঃ১৪৫- বেআইনি ছত্রভঙ্গ, শাস্তি ২ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

ধারাঃ১৪৬-দাঙ্গা ( Rioting)

ধারাঃ১৪৭- দাঙ্গার শান্তি ২ বছরের বা অর্থদন্ড

ধারাঃ১৪৮- মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা দাঙ্গা সংঘটিত হলে শাস্তি, ৩ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

ধারাঃ১৪৯- সাধারণ উদ্দেশ্য, শাস্তি মূল অপরাধের সমান

ধারাঃ১৫১- বেআইনি সমাবেশ নিষিদ্ধ জানিয়াও উপস্থিত হলে , শাস্তি ৬ মাস বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

ধারাঃ১৫২- দাঙ্গা ইত্যাদি দমন কালে সরকারি কর্মচারী কতৃক আক্রমণ, শাস্তি, ৩ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

ধারাঃ১৫৯- মারামারি ( Affray)

ধারাঃ১৬০- মারামারির শাস্তি, ১ মাস বা ১০০ টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।

👉 অধ্যায়ঃ ৯
ধারাঃ ১৬২- সরকারী কর্মচারী বেআইনি ভাবে বকশিস গ্রহণ, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা ধারাঃ উভয়দন্ড

ধারাঃ ১৬৩ - সরকারী কর্মচারী ব্যক্তিগত ভাবে বকশিস গ্রহণ, শাস্তি, ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

ধারাঃ ১৬৪- ১৬২ এবং ১৬৩ ধারায় সহায়তা করলে শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

ধারাঃ ১৬৫- সরকারী কর্মচারী কতৃক সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে মূল্যবান জিনিস গ্রহন শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

ধারাঃ ১৬৮- সরকারী কর্মচারী সরকারি চাকরি কালিন অন্য ব্যবস্য করতে পারবে না, শাস্তি, ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

ধারাঃ১৭১(ক)- প্রার্থীসমূহ( Candidate),নির্বাচনাধিকার( Electoral right)

ধারাঃ ১৭১(খ)- ঘুষ (Bribery

ধারাঃ ১৭১(ঙ)- ঘুষের শাস্তি, ১ বছরের যে কোন মেয়াদের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

👉অধ্যায়ঃ ১০
ধারাঃ ১৭২- সরকারি কর্মচারী কতৃক নিদর্শিত সমন, নোটিশ এড়িয়ে আত্মগোপন করলে ১ মাস / ৫০০ টাকা

ধারাঃ ১৭৩ ধারা- সমন প্রকাশনায় বাধা
১ মাস / ৫০০ টাকা বিচারালয় হলে - ৬ মাস / ১০০০ টাকা

ধারাঃ ১৭৪- সরকারী কর্মচারীদের আদেশ অমান্য করলে ১ মাস / ৫০০ টাকা

ধারাঃ ১৮৮- সরকারী কর্মচারী কতৃক ঘোষণার অমান্য, ১ মাস ২০০ টাকা বিচারিক আদালতে ঘোষণা অমান্য, ৬ মাস, ১০০০

👉অধ্যায়ঃ ১১
ধারাঃ ১৯১- মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান (Giving false evidence)

ধারাঃ ১৯২- মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করা ( Fabracation false evidence)

ধারাঃ ১৯৩- শাস্তি, বিচারক হলে ৭ বছেরর
বিচার বহিভূত হলে, ৩ বছরের

ধারাঃ ১৯৪- মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান

ধারাঃ ১৯৫- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করার উদ্দেশ্য হলে, মূল অপরাধের ব্যবস্থিত শাস্তি।

ধারাঃ ১৯৬- মিথ্যা জানার পরও সাক্ষ্য সত্য বলে ব্যবহার করা, মিথ্যা অপরাধের শাস্তি

ধারাঃ ১৯৭- মিথ্যা সাটিফিকেট ইস্যু এবং স্বক্ষর করা, মিথ্যা অপরাধের শাস্তি

ধারাঃ ১৯৮- মিথ্যা জানার পরও মিথ্যা সাটিফিকেট সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করার শাস্তি মিথ্যা অপরাধের শাস্তি

ধারাঃ ২০০- মিথ্যা জানার পরও কোন ঘোষণা মিথ্যা হিসাবে ব্যবহার করা, মিথ্যা অপরাধের অনুরুপ শাস্তি

ধারাঃ ২০১- সাক্ষীকে গোপন করার জন্য সাক্ষ্য অদৃশ্য করা।

ধারাঃ ২০২- মিথ্যা তথ্য প্রদানে বাধ্য ইচ্ছকৃত ত্রুটি
শাস্তি।

ধারাঃ ২০৩- অনুষ্ঠিত অপরাধ সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য
প্রদান।

ধারাঃ ২০৪- তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য দ্বারা দলিল বিনিষ্ট করা।

ধারাঃ ২০৫- দেওয়ানী ও ফৌজদারি মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান।

ধারাঃ ২০৯- আদালতে মিথ্যা দাবী উত্থাপন।

ধারাঃ ২১১- ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্য মিথ্যা অভিযোগ

ধারাঃ ২১২- অপরাধীকে আশ্রয়দানের সাজা

ধারাঃ ২৩০ ধারাঃ মুদ্রা(Coin), বাংলাদেশের মুদ্রার সংজ্ঞা ( Definied Bangladesh coin)

ধারাঃ ২৩১- মুদ্রাজালকরন( Counterfeiting coin) শাস্তি, ৩ বছরের

ধারাঃ ২৩২- বাংলাদেশের মুদ্রা জালকরন (Conutrefeiting Bangladesh coin)শাস্তি, যাবজ্জীবন, ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ২৩৩- মুদ্রার যন্ত্র তৈরি বা বিক্রিয়

ধারাঃ ২৩৪- বাংলাদেশের মুদ্রার যন্ত্র তৈরি বা বিক্রিয়, শাস্তি, ৭ বছরের

ধারাঃ ২৫৫- সরকারী স্টাম্প জাল করন
শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ বছরের

ধারাঃ ২৫৬- সরকার স্টাম্প জালকরনের যন্ত্রপাতি দখলে রাখা, শাস্তি, ৭ বছরের

ধারাঃ ২৫৭- সরকারী স্টাম্প জালকরনের যন্ত্রপাতি বিক্রিয়, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের

ধারাঃ ২৫৮- জাল সরকারি স্টাম্প বিক্রিয়,শাস্তি ৭ বছরের

ধারাঃ ২৫৯- জাল সরকারি স্টাম্প দখলে রাখা,শাস্তি, ৭ বছরের

ধারাঃ ২৬০- জাল বলে জানার পরও সরকারি স্টাম্প খাঁটি হিসাবে ব্যবহার করা

👉অধ্যায়ঃ ১৩
ধারাঃ ২৬৪- মিথ্যা ওজনের জন্য যন্ত্র প্রতারণামূলক ব্যবহার

ধারাঃ ২৬৫- মিথ্যা ওজন ও বাটখারা প্রতারণামূলক ব্যবহার

ধারাঃ ২৬৬- মিথ্যা ওজনের যন্ত্র দখলে রাখা।

ধারাঃ ২৬৭ ধারাঃ মিথ্যা বাটখারা বা মাপকাঠি তৈরি বা বিক্রয়।

👉অধ্যায়ঃ ১৪
ধারাঃ ২৬৮- গন উপদ্রব ( Public nuisance)

ধারাঃ ২৬৯- অবহেলাজনিত কার্য বা কার্যের ফলে জীবন বিপন্নকারী সংক্রমন বিস্তার লাভ, শাস্তি, ৬ মাস

ধারাঃ ২৯২ ধারাঃ অশ্লীল পুস্তক বিক্রয়

ধারাঃ ২৯৩ ধারাঃ অল্পবয়স্ক ( ২০ বছরের কম) ব্যক্তির নিকট অশ্লীল পুস্তক বিক্রয়

ধারাঃ ২৯৪ ধারাঃ অশ্লীল কার্য বা সঙ্গীত করা

👉অধ্যায়ঃ১৫
ধারাঃ ২৯৫- ধর্মীয় অবমাননায় উপাসনালয়ে ক্ষতি

ধারাঃ ২৯৬- ধর্মীয় সমাবেশ গোলযোগ সৃষ্টি করার

ধারাঃ ২৯৭-গোরস্থানে অনধিকার প্রবেশ, শাস্তি, ১ বছরের

ধারাঃ ২৯৮- ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে কোন কার্য বা শব্দসমূহ

👉অধ্যায়ঃ ১৬
ধারাঃ ২৯৯- অপরাধজনক নরহত্যা ( Culpable Homicide)( ৩ টি ব্যাখ্যা)

ধারাঃ ৩০০- খুন (Muder)(প্রথম অংশে, ৪ টি অনুচ্ছেদ ১।অভিপ্রায় ২। জ্ঞান ৩। জখমের ধরন ৪। আসন্ন বিপদজনক অপরাধ দ্বারা) (দ্বিতীয় অংশে, ৫ টি ব্যতিক্রম)

ধারাঃ ৩০১- কোন ব্যক্তিকে খুন করার উপক্রমে অন্য আরেক জনকে খুন, শাস্তি খুনের সমান শাস্তি

ধারাঃ ৩০২- খুনের শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩০৩- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত ব্যক্তি কতৃক খুন, শাস্তি, মৃত্যুদন্ড

ধারাঃ ৩০৪- অপরাধজনক নরহত্যা শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩০৪(ক)- অবহেলাজনিত অপরাধ শাস্তি, ৫ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩০৪(খ)- বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্ব চালিয়ে মৃত্যু ঘটানোর অপরাধ, শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

ধারাঃ ৩০৫- শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তিকে আত্মহত্যার সহায়তাকরন, শাস্তি, মৃত্যুদন্ডবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩০৬- আত্মহত্যার সহায়তাকরন, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩০৭- হত্যার উদ্যোগ, শাস্তি, ১০ বছরের।
হত্যার উদ্দেশ্য আঘাত, শাস্তি, যাবজ্জীবন। হত্যার উদ্যোগ নিয়ে আঘাত করিলে আঘাতের ফলে মৃত্যু, শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩০৮- আপরাধজনক নরহত্যার উদ্যোগ, শাস্তি, ৩ বছরের অপরাধজনক নরহত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত, শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩০৯- আত্মহত্যার চেষ্টা, শাস্তি, ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩১০- ঠগ (সংজ্ঞা)

ধারাঃ ৩১১- ঠগের শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
(গর্ভপাত সংক্রান্ত অপরাধ)

ধারাঃ ৩১২- গর্ভপাতকরন, শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড। নারী আসন্ন প্রসবা হলে (বিচলন অনুভব করলে),শাস্তি, ৭ বছরের

ধারাঃ ৩১৩- স্ত্রী লোকটির সন্মতি ছাড়া গর্ভপাত করলে, শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩১৪- গর্ভপাতের উদ্দেশ্যে নারীর মৃত্যু সংঘটিত হলে, শাস্তি, ১০ বছরের

ধারাঃ ৩১৫- শিশু ভূমিষ্টতে বাধা দান, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩১৬- জীবন্ত অজাত শিশুর মৃত্যু ঘটানোর শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড।

ধারাঃ ৩১৭- পিতা- মাতা বা অভিভাবক ১২ বছরের কম বয়সী শিশুকে পরিত্যাগ, শাস্তি, ৭ বছের

ধারাঃ ৩১৮-গোপনে শিশুর মৃত্যুদেহ অপসারণ করে জন্ম গোপনকরন, শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
আঘাত ( Hurt)

ধারাঃ ৩১৯- আঘাত(Hurt) সংজ্ঞা

ধারাঃ ৩২০- গুরুতর আঘাত ( Grievous Hurt)৮ শ্রেণির আঘাত
১। পুরুষত্বহীনতা ;
২। যে কোন চোখের দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্টকরন;
৩। যে কোন কানের শ্রবণশক্তি চিরতরে নষ্টকরন ;
৪। অঙ্গ বা গ্রন্থির বিকৃতকরন;
৫। অঙ্গ না গ্রন্থির কর্মশক্তির চিরতরে নষ্টকরন;
৬। মস্তিষ্ক বা মুখমন্ডল বিকৃতকরন;
৭। হাড় বা দন্ত ভঙ্গ বা গ্রন্তিচ্যুতকরন;
৮। কোন বক্তিকে এমন আঘাত যা ২০ দিন মেয়াদের জন্য বা তার সাধারণ পেশায় অনুসরণ করতে কর্মক্ষমতা থেকে অক্ষম করে তোলে।

ধারাঃ ৩২১- ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাতের সংজ্ঞা

ধারাঃ ৩২২ -ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের সংজ্ঞা

ধারাঃ ৩২৩ - ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাতের শাস্তি, ১ বছরের, ১০০০ টাকা

ধারাঃ ৩২৪- ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের শাস্তি, ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের

ধারাঃ ৩২৫ - ইচ্ছাকৃতভাবে অস্ত্র দ্বারা আঘাতের শাস্তি, ৭ বছরের

ধারাঃ ৩২৬ ইচ্ছাকৃতভাবে অস্ত্র দ্বারা গুরুতর আঘাতের শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩২৬(ক) ৩২০(২),(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী (দুই চোখ বা এসিড দ্বারা মুখমন্ডল নষ্ট)অপরাধের শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩৩০- স্বচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করে স্বীকারোক্তি আদায়, শাস্তি, ৩ বছরের

ধারাঃ ৩৩১ - স্বচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করে গুরুতর আঘাতের শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের

ধারাঃ ৩৩২ সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য পালনে সেচ্ছকৃতভাবে বাধা দানে আঘাত, শাস্তি, ৭ বছরের

ধারাঃ ৩৩৩ সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য পালনে সেচ্ছকৃতভাবে বাধা দানে গুরুতর আঘাতের শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৩৮ (ক) ধারাঃ বেপরোয়াভাবে গাড়ি বা অশ্ব চালিয়ে গুরুতর আঘাত করে যার ফলে মানুষের জীবন বা অন্যের ব্যক্তগত জীবন বিপন্ন হয়, শাস্তি, ২ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড।

👉অধ্যায়ঃ ১৭
ধারাঃ ৩৩৯- অবৈধ বাধা (Wrongful Restraint)সংজ্ঞা

ধারাঃ ৩৪০- অবৈধ আটক(Wrongful Confinement) সংজ্ঞা

ধারাঃ ৩৪১-অবৈধ বাধার শাস্তি, ১মাস /৫০০ টাকা

ধারাঃ ৩৪২- অবধৈ আটকের শাস্তি, ১ বছর /১০০০ টাকা

ধারাঃ ৩৪৩- ৩ বা ততোধিক দিন কোন ব্যক্তিকে আটকের শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৪৪- ১০ বা ততোধিক দিন কোন ব্যক্তিকে আটকের শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৪৯- বলপ্রয়োগ ( Force)

ধারাঃ ৩৫০-অপরাধজনক বলপ্রয়োগ(Criminal Force)

ধারাঃ ৩৫১- আক্রমন (Assault)

ধারাঃ ৩৫২- বলপ্রয়োগ ও আক্রমণের শান্তি, ৩ মাস / ৫০০ টাকা

ধারাঃ ৩৫৩- সরকারী কর্মচারী কর্তৃক কতব্য পালন কালে বাধাদান শাস্তি, ৩ বছরের

ধারাঃ ৩৫৪ -নারীর শ্লীলতাহানি করনে আক্রমণ, শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের

ধারাঃ ৩৫৯-অপহরণ( Kidnapping) সংজ্ঞা

ধারাঃ ৩৬০- বাংলাদেশ থেকে অপহরণ ( পুরুষের বয়স ১৪, নারীর বয়স, ১৬)

ধারাঃ ৩৬১-অভিভাবকের নিকট থেকে অপহরণ

ধারাঃ ৩৬২- অপবাহন (Abducation)

ধারাঃ ৩৬৩- অপহরণের শাস্তি, ৭ বছরের

ধারাঃ ৩৬৪- খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণ

ধারাঃ ৩৬৪(ক)- ১০ বছরের নিচে কোন বয়সী ব্যক্তিকে খুন করার উদ্দেশ্য অপহরণ
শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩৬৫ধারাঃ গোপনীয় ও বেআইনীভাবে কোন ব্যক্তিকে অপহরণ, শান্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৬৬ ধারাঃ বিবাহের প্রলোভনে যৌন- সহবাস, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৬৬ (ক)- যৌন - সহবাসের জন্য বালিকা (১৮ বছরের) আমদানি, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৬৬(খ)- বিদেশ থেকে বালিকা(২১ বছরের) আমদানি, শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৭২- বেশ্যাবৃত্তের জন্য বালিকা বিক্রিয়, শান্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩৭৩ - বেশ্যাবৃত্তের জন্য বালিকা ক্রয়, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩৭৫- ধর্ষন (Rape)(৫ টি কারন থাকলে ধর্ষন বলে গন্য হবে)
১।কোন ব্যক্তর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ;
২। কোন ব্যক্তির সন্মাতির বিরুদ্ধে ;
৩। সন্মতি নিয়ে, কিন্তুু কোন ভয় দেখিয়ে ;
৪। স্ত্রীলোকটি কোন পুরুষ ব্যক্তিকে তার স্বামী মনে করে অবৈধ যৌন - সহবাস সংঘটন করিলে
৫। সন্মতিসহ বা সন্মতি ব্যতীত স্ত্রীর বয়স ১৪ বছরের হলে
ব্যতিক্রমেঃ স্ত্রীর বয়স ১৩ বছরের কম হবে না,

ধারাঃ ৩৭৬- ধর্ষনের শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড
স্ত্রীর বয়স ১২ বছরের কম হলে, শান্তি ২ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৭৭- কোন পুরুষ বা নারী বা পশু দ্বারা অস্বাভাবিক অপরাধ( Unnateral affence)
শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
(চুরির অপরাধ)

ধারাঃ ৩৭৮ -চুরির ( Theft)সংজ্ঞা

ধারাঃ ৩৭৯- শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৮০ - গৃহে, তাবুতে বা জলযানে চুরি, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৮১ -কেরানি বা চাকর কতৃক চুরি, শাস্তি, ৭ বছরের

ধারাঃ ৩৮২ - চুরির উদ্দেশ্যে আঘাত, শান্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৮৩ -;বলপূর্বক গ্রহণ( Extortion) ( ছিনতাই)

ধারাঃ ৩৮৪ - বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি, ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের

ধারাঃ ৩৮৫ - বলপূর্বক গ্রহণের উদ্দেশ্যে আঘাত,শাস্তি, ১৪ বছরের যা ৫ বছরের কম হবে না

ধারাঃ ৩৮৬- মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের ভয়ে দেখানোর উদ্দেশ্যে বলপূর্বক গ্রহণ, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড।

ধারাঃ ৩৮৭- বলপূর্বক গ্রহণের ভয় দেখিয়ে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত, শান্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩৯০- দস্যুতা ( Robbery)সংজ্ঞা

ধারাঃ ৩৯২- ১০ বছরের কারাদণ্ড।
রাত্রিবেলায় দস্যুতা সংঘটন, ১৪ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৯৩ - দস্যুতার উদ্যোগ, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের

ধারাঃ ৩৯৪- দস্যুতার উদ্দেশ্যে আঘাত, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩৯১- ডাকাতির(Dacoity) সংজ্ঞা

ধারাঃ ৩৯৫- শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড

ধারাঃ ৩৯৬- খুনসহ ডাকাতি,শান্তি, মুত্যদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ বছেরর যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৯৭- মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের উদ্দেশ্যে দস্যুতা বা ডাকাতি, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৯৮- মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা আঘাতের ভয়ে রেখে দস্যুতা বা ডাকাতি, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৯৯- ডাকাতির প্রস্তুতি, শান্তি ১০ বছরের

ধারাঃ ৪০০- ডাকাতির দলভুক্ত হওয়া, শাস্তি যাবজ্জীবন, ১০ বছরের

ধারাঃ ৪০১- চোরের দলভুক্ত হওয়া, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৪০২- ডাকাত সমবেত দলে যোগদান, শাস্তি,৭ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৪০৩- অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ( Dishonestly misappropriation of property) ( অস্থাবর সম্পত্তি) শাস্তি, ২ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৪০৪- মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি আত্মসাৎ, শাস্তি, যে কোন মেয়াদের ৩ বছরের
মৃত্যু ব্যক্তির চাকর বা ক্লার্ক কতৃক সম্পত্তির আত্মসাৎ, শাস্তি,৭ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৪০৫ -অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust)( স্থাবর - অস্থাবর সম্পত্তি)

ধারাঃ ৪০৬ - শাস্তি, যে কোন মেয়াদের ৩ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৪০৭- বাহক কতৃক সম্পত্তির বিশ্বাসভঙ্গ, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৪০৮ ধারাঃ কেরানী বা চাকর কতৃক বিশ্বাসভঙ্গ
শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৪০৯- সরকারী কর্মচারী কতৃক, ব্যাংকার,বানিজ্যিক প্রতিনিধি এজেন্ট কতৃক সম্পত্তির বিশ্বাসভঙ্গকরন, শান্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড।

ধারাঃ ৪১০- চোরাই মাল( Stolen property)

ধারাঃ ৪১১- চোরাই মালের শাস্তি - ৩ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের

ধারাঃ ৪১২- ডাকাতি সংঘটনকালে চোরাইমাল গ্রহণ, শান্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৪১৩- অভ্যাসগতভাবে চোরাইমাল দখলে রাখা, শান্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৪১৪- চোরাই মাল লুকিয়ে রাখা, শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের

ধারাঃ ৪১৫- প্রতারণা (Cheating)

ধারাঃ ৪১৬- ছদ্মবেশ প্রতারণা

ধারাঃ ৪১৭- প্রতারনার শাস্তি, ১ বছরের যে কোন মেয়াদের

ধারাঃ ৪১৯- অপরের রুপ ধারনপূর্বক প্রতারণা, শান্তি ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৪২০- প্ররোচনা বা সম্পত্তি সমর্পন করার জন্য প্রতারণা, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৪২৫- অনিষ্ট করন( Mischief)

ধারাঃ ৪২৬ -শাস্তি, ৩ মাস

ধারাঃ ৪২৭- ৫০ টাকা বা ততোধিক টাকার ক্ষতি
শাস্তি, ২ বছরের

ধারাঃ ৪২৮- ১০ টাকা জন্তুু হত্যা শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড, শাস্তি, ২ বছরের যে কোন কারাদণ্ড

ধারাঃ ৪৪১- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ( Criminal trespass)

ধারাঃ ৪৪২- অপরাধমূলক গৃহপ্রবেশ( House trespass)

ধারাঃ ৪৪৩ -সঙ্গোপনে অনধিকপ্রবেশ(Lurking house trespass)

ধারাঃ ৪৪৪-রাত্রিবেলায় সঙ্গোপনে অনধিক গৃহ প্রবেশ( Lurking house trespass by night)

ধারাঃ ৪৪৫-অপথে গৃহপ্রবেশ (House -braking)( ৫টি উপায়ে)

ধারাঃ ৪৪৬ - রাত্রিবেলায় অপথে গৃহপ্রবেশ (House braking by night)

ধারাঃ ৪৪৭-অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ শাস্তি, ৩ মাস / ৫০০ টাকা জরিমানা

ধারাঃ ৪৪৮-অপরাধমূলক গৃহপ্রবেশ, শাস্তি, ১ বছরের / ১০০০ টাকা জরিমানা

ধারাঃ ৪৪৯- মৃত্যুদণ্ড সংঘটনের অভিপ্রায়ে অনধিক প্রবেশ, শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৪৫০ - যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দন্ডিত করার অভিপ্রায়ে অনধিকার প্রবেশ, শাস্তি, ১০ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড

👉অধ্যায়ঃ১৮
ধারাঃ ৪৬৩-জালিয়াতি ( Forgery)

ধারাঃ ৪৬৪-মিথ্যা দলিল প্রস্তুত করার হয় ( ৩ টি পন্থায়)

ধারাঃ ৪৬৫ -জালিয়াতির শাস্তি, ২ বছরের

ধারাঃ ৪৬৬ -ধারাঃ আদালতের নথিপত্র, সরকারি রেজিস্ট্রার জালকরন, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের

ধারাঃ ৪৬৭ -মূল্যবান জামানত,উইল জালকরন, শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড

ধারাঃ ৪৬৮- প্রতারণার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি, শান্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের

ধারাঃ ৪৬৯ -সুনাম হানির উদ্দেশ্যে জালিয়াতি, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড

👉অধ্যায়ঃ ২০
ধারাঃ ৪৯৩- প্রতারণার উদ্দেশ্যে স্বামী -স্ত্রী রুপে সহবাস, শাস্তি, ১০ বছরের

ধারাঃ ৪৯৪- স্বামী -স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৪৯৫- পূর্বের বিবাহ গোপন রেখে পুনরায় বিবাহ, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৪৯৬ -আইনসঙ্গত বিবাহ ছাড়া বিবাহ করিলে, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৪৯৭ -ব্যভিচার

👉অধ্যায়ঃ২১
ধারাঃ ৪৯৯- মানহানির( Defamation) সংজ্ঞা

ধারাঃ ৫০০- মানহানির শাস্তি, ২ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়ই

ধারাঃ ৫০১ -মানহানিকর বলে পরিচিত বিষয় বলে মুদ্রিত বা খোদাইকরন,

ধারাঃ ৫০২- মানহানিকর বলে পরিচিত বিষয় মুদ্রিত বা খোদাইকরন বিক্রয়, শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড

👉অধ্যায়ঃ ২২
ধারাঃ ৫০৩- অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন ( Criminal intimidation)

ধারাঃ ৫০৬- অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শনের শাস্তি

ধারাঃ ৫০৭- বেনামি চিঠিপত্রের মাধ্যমে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন

ধারাঃ ৫০৯- কোন নারিনি শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে কথা, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কাজ করা

ধারাঃ ৫১০- নেশাগ্রস্থ লোক কতৃক প্রকাশ্যে অসদাচরণ

ধারাঃ ৫১১- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদন্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের উদ্যেগ এর সাজা।

#শিক্ষানবিশআইনজীবী #বারকাউন্সিলএমসিকিউপরীক্ষা২০২৫ #বারপিলি #শিক্ষানবিশ #বারকাউন্সিল #বারকাউন্সিলস্বপ্নেরসোপান

22/04/2026

মিউটেশন আবেদনের প্রয়োজনীয় ধাপ ও ফি See more.....

আবেদনের ধাপসমূহ:

১. ২০ টাকা কোর্ট ফি পরিশোধ করুন।

২. সংযুক্তি সহ ফরম পূরণ ও নোটিশজারি ফি ৫০ টাকা ফি পরিশোধ করুন।

৩. উপজেলা/সার্কেল অফিসে আবেদন জমা দেন।

৪. পৌর/ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আবেদন জমা দেন।

৫. পৌর/ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রতিবেদন প্রাপ্তি এবং খতিয়ান হোল্ডিং সমন্বয় প্রাপ্তি করুন।

৬. শুনানীর তারিখ নির্ধারণ ও নোটিশজারি নিশ্চিতকরণ করুন।

৭. শুনানী গ্রহণ ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত করুন।

৮. SMS এর মাধ্যমে আবেদনকারীকে সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

৯. অনুমোদন হলে ১১০০ টাকা DCR ফি পরিশোধ করতে হবে।

১০. DCR ফি পরিশোধ করার পর সিস্টেম জেনারেটেড খতিয়ান, DCR, হস্তান্তর বৃত্তান্ত ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

মিউটেশন আবেদনের প্রয়োজনীয় ফি🤔

মিউটেশন করতে সর্বমোট ৳১১৭০ পরিশোধ করতে হয়।বিস্তারিত নিম্নরূপ:

১. আবেদন ফিঃ ৳২০.০০ (অনলাইন আবেদনের শুরুতে পরিশোধ করতে হবে)।

২. নোটিশ ফিঃ ৳৫০.০০ (অনলাইন আবেদন জমা দেওয়ার পূর্বে পরিশোধ করতে হবে)।

৩. রেকর্ড সংশোধন ও খতিয়ান ফিঃ ৳১১০০ (মিউটেশন অনুমোদনের পর পরিশোধ করতে হবে)।

22/04/2026

Special Powers Act, 1974 এর ধারা ৩৫—এটি মূলত একটি বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা সংক্রান্ত ধারা (Rule-making power)।

সহজভাবে এর অর্থ ও ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো—

🔹 ধারার মূল বক্তব্য
সরকার এই আইনের উদ্দেশ্য কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী বিধিমালা (Rules) প্রণয়ন করতে পারবে।

🔹 আইনগত ব্যাখ্যা
এই ধারা সরকারের কাছে একটি ডেলিগেটেড লেজিসলেটিভ পাওয়ার (Delegated Legislation) প্রদান করে।
অর্থাৎ, মূল আইন (Act) একটি কাঠামো দেয়, আর বিস্তারিত নিয়ম-কানুন সরকার আলাদা করে Rules বা বিধিমালা আকারে তৈরি করতে পারে।
এই বিধিমালার মাধ্যমে আইন প্রয়োগের পদ্ধতি, প্রক্রিয়া, ফর্ম, কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ইত্যাদি নির্ধারণ করা হয়।

🔹 কেন এই ধারা গুরুত্বপূর্ণ
আইনটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য সব বিষয় মূল আইনে লেখা সম্ভব হয় না।
তাই সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী সময়োপযোগী বিধিমালা তৈরি করতে পারে।
এতে প্রশাসনিক কাজ সহজ হয় এবং আইনের প্রয়োগে নমনীয়তা থাকে।

🔹 উদাহরণ
ধরা যাক—
আটকাদেশ কার্যকর করার প্রক্রিয়া
রিপোর্টিং বা অনুমোদনের ফরম্যাট
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

এসব বিষয় সরকার ধারা ৩৫-এর ক্ষমতা ব্যবহার করে বিধিমালার মাধ্যমে নির্ধারণ করতে পারে।

Want your business to be the top-listed Government Service in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Paikgacha
Khulna
9280