23/10/2024
Gooood morning! What could a better news that this?
District
23/10/2024
Gooood morning! What could a better news that this?
19/10/2024
13/10/2024
Yup… Rivers should be treated as Rivers… 🤣🤣🤣
04/10/2024
Are you still drinking it? I don't. And apparently, my boycott is working, as I am not alone. Millions of people are with me in this campaign, which caused Starbucks to lose approximately $11 billion just in 2024. And now you can see what is going to happen to Coca-Cola.
30/09/2024
Boycott works!!! Are you buying from them? I am not.
30/09/2024
ড. মুহাম্মদ ইউনুস!!!
বাংলার ইতিহাসে গত ১০০ বছরে জন্ম নেয়া একমাত্র গ্লোবাল সেলিব্রেটি হলেন প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস.. শতকরা ৮০% বেশি মানুষই জানেন না কে ড.মোহাম্মদ ইউনুস...
পৃথিবীতে সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার নোবেল, সেটা নিশ্চয়ই জানেন? সম্মানসূচক হিসেবে নোবেলের পরে কোন পুরস্কারের অবস্থান তা কি জানেন? সম্মানসূচকে..
১.নোবেল
২.অ্যামেরিকার প্রসিডেন্সিয়াল এওয়ার্ড
৩.মার্কিন কংগ্রেশনাল এওয়ার্ড
পৃথিবীর ইতিহাসে উপরের ৩ টা পুরস্কারই জিতেছেন এমন মানুষ আছে বা ছিলেন ১২ জন!বুঝতেই পারছেন পরের লাইনটা কি হবে,
হ্যা, সেই ১২ জনের একজন প্রফেসর ড.মুহাম্মদ ইউনূস..
মেসিকে নিশ্চয়ই চিনেন! যদি বলি এই লিওনেল মেসি লাইনে দাড়িয়ে ছিলেন প্রফেসর ডা ইউনুসের জন্য, বিশ্বাস হয়, না হলেও সত্য!
'অলিম্পিক গেমস' পৃথিবীর সম্মানজনক প্রতিযোগিতার একটি। আর অলিম্পিকে সবচেয়ে সম্মানিত মেহমান হলেন মশাল বাহক, জাপানে অনুষ্ঠিত ২০২০ অলিম্পিকে মশাল বাহক ছিলেন প্রফেসর ড. মহাম্মদ ইউনুস..
বর্তমানে বিশ্বের লিডিং ইন্টালেকচুয়ালের যেকোনো তালিকায় টপ ১০ এর ভিতরে থাকেন ডা.ইউনুস। মুসলিম বিশ্বে নোবেল বিজয়ী ইউনুসের বিকল্প খুজে পাওয়া টা খুবি কঠিন, কিন্তু তিনি আমাদের বাংলাদেশের! এদেশে আর এমন ইউনুস জন্মাবে কিনা আজও সন্দেহ!
মাইক্রোসফটের বিল গেটস নিজে গাড়ি ড্রাইভ করে প্রফেসর ইউনুসকে পুরো সিলিকন ভ্যালি শহর দেখিয়েছিলেন।
কোর্ট-কাছাড়ির ৮ তলার এজলাশে তাঁকে যখনই হাজিরা দিতে হত সেসময় কোর্ট বিল্ডিং এর লিফট বন্ধ করে দেয়া হত। ৮২ বছরের অশিতিপর এই আসামীকে প্রতিবারই হেঁটে হেঁটে ৮ তলায় যেতে হত। এবং এই ঘটনা নাকি ৪০ বারের মত ঘটেছে।
সারা পৃথিবীর ১০৭টা ইউনিভার্সিটিতে মুহাম্মদ ইউনূস সেন্টার আছে। ইউনিভার্সিটিগুলো নিজেদের উদ্যোগে এটা করেছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে তাঁর মাইক্রো-ফাইনান্স। যেটা তাঁকে এবং তাঁর গ্রামীন ব্যাংকে নোবেল শান্তি পুরষ্কার এনে দিয়েছিল।
ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্রীভাবে 'সুদখোর' ডাকা হয় বারবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে- মুহাম্মদ ইউনূসকে যারা পছন্দ করেন তাদের বেশীরভাগও জানেন না, মুহাম্মদ ইউনূসের সুদের ব্যবসা নাই। গ্রামীণ ব্যাংক তার প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামীন ব্যাংকে তাঁর এক টাকার মালিকানাও নাই, শেয়ারও নাই। কখনোই ছিল না।
জিনিসটা আপনার-আমার কাছে আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে। কিন্তু এটাই সত্যি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মাইক্রো-ফাইনান্সের ধারণার মূল ভিত্তিই হচ্ছে এটা।
এই ব্যবসার কেউ মালিক হতে পারবে না। সম্পূর্ণ নন-প্রফিট তথা অলাভজনক।
এটাকে বলে সামাজিক ব্যবসা। নির্দিষ্ট কোনো মালিক নাই। জনগণই এর মালিক।
বাইর থেকে অনুদানের টাকা এনে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ড মুহাম্মদ ইউনূস। নিজে এটি প্রতিষ্ঠা করলেও প্রতিষ্ঠানে তার এক পয়সার মালিকানাও রাখেননি। বরং এর ২৫% মালিকানা সরকারের, বাকি মালিকানা গরীব মানুষের। নিজের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে ড মুহাম্মদ ইউনূস মাত্র ৩০০ ডলার বেতনে চাকরী করতেন।
তিনি যে নিজের কোনো শেয়ার রাখেননি তা না, কোম্পানীকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে কেউ এর একক মালিক হতে না পারে। কোম্পানী অধ্যাদেশ ২৮ ধারা অনুযায়ী তিনি এটি রেজিস্ট্রেশন করেন।
শুধু যে গ্রামীন ব্যাংকে তিনি মালিকানা রাখেননি তা কিন্তু না। জর্জ সরোস, টেলিনরদের এনে তিনি গ্রামীন টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর কথায় টেলিনর বাংলাদেশে আসে। তাঁর কথায় তাঁর বিলিয়নিয়ার বন্ধুরা গরীবদের উন্নতির জন্য ফান্ড দেয়। তিনি গ্রামীন টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। সেটাও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। অনেকেই জানেন না গ্রামীন টেলিকমকে নন ফর প্রফিট কোম্পানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন ড মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানেও তিনি নিজের জন্য ১% মালিকানাও রাখেননি। তিনি চাইলে ইজিলি ১০-১৫ পার্সেন্ট মালিকানা নিজের জন্য রেখে দিতে পারতেন। অথচ লাভের এক টাকাও যাতে নিজের কাছে না আসে, সেটা নিশ্চিত করেন তিনি।
তাঁর প্রতিষ্ঠিত সরকার নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ ব্যাংকে এখনো সুদের হার বাংলাদেশে সর্বনিম্ন। অথচ স্বাভাবিকভাবে আপনার মনে হবে গ্রামীন ব্যাংকের মত সুদ বোধহয় কেউ নেয় না। আর নিশ্চয় এই টাকায় প্রফিট করেন ড ইউনূস!
আসলে আমাদের দেশের মানুষ এসব কল্পনাও করতে পারেন না, একজন মানুষ ব্যবসা করবে অথচ সেখান থেকে নিজে কোনো লাভ করবে না। এমন কথা আমরা ভাবতেই পারিনা। আমরা ভাবতে পারি কেবল টাকা কামানোর কথা।
যেমন ভাবে ড মুহাম্মদ ইউনূস বলেন- টাকা কামানোতে আছে সুখশান্তি, অন্যের উপকারে আছে প্রশান্তি। ওনার ভাষায় 'নিজের জন্য টাকা কামানো হয়তো হ্যাপিনেস, অন্যের উপকার হচ্ছে সুপার হ্যাপিনেস।'
মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, সবাই এককভাবে সম্পত্তির মালিক হতে থাকলে গরীব আরো গরীব হয়ে যাবে, ধনী আরো ধনী হবে। ফলে বিশ্বব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। এই বিশ্বাস থেকেই ওনি সব ননপ্রফিট বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরী করে গেছেন, নিজের কোনো মালিকানা রাখেননি।
এরকমটা কি আপনি ভাবতে পারেন? আপনি বাংলাদেশের যেকোনো কোম্পানী দেখেন, তাদের সব নিজেদের মালিকানা।
কোম্পানীর কথা বাদ দেন, এনজিও ব্র্যাক দেখেন! মালিকানা ফজলে হাসান আবেদের পরিবারের। বড় বড় পদে পরিবারের সদস্যরা আছে।
কিন্তু মুহাম্মদ ইউনূস সেটা করেননি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীতে নিজের বা পরিবারের কাউকে রাখেননি।
অথচ ড মুহাম্মদ ইউনূস চাইলে এসব ব্যবসায় নিজের মালিকানা রেখে ইজিলি বিলিয়নিয়ার হয়ে যেতে পারতেন। খুব ইজিলি।
তাঁর প্রায় সব বন্ধুবান্ধব বিলিয়নিয়ার, মাল্টি বিলিয়নিয়ার। তিনি সেদিকে যাননি।
অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে ড মুহাম্মদ ইউনূসের আয়ের উৎস কী?
আমি নিশ্চিত, এটাও অনেকে জানেন না।
ড মুহাম্মদ ইউনূস হচ্ছেন পৃথিবীর ওয়ান অব দ্যা হায়েস্ট পেইড স্পীকার। স্পীচ দেয়ার জন্য ওনাকে টাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ওনার বক্তব্য শোনার জন্য খরচ করতে হয় ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ ডলার মত। কখনো আরো বেশী।
বিশ্বের নামীদামী প্রতিষ্ঠান গুলো ওনাকে নিয়ে যান ওনার বক্তব্য শুনতে।
ওনাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার জন্যও ডাকা হয়।
২০২৪ সালের ফ্রান্সে অনুষ্ঠিতব্য প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির ৩ জনের একজন হচ্ছে মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে আরেকজন প্রেসিডেন্ট ম্যাঁখ্রো।
২০২৬ ইতালী অলিম্পিকের জন্য ইতালীয়ানরা ওনাকে পাওয়ার জন্য তদবির করছে। যাতে ওনি পরামর্শ দেন।
এদিকে আমরা মনে করি গ্রামীন ব্যাংক আর গ্রামীন টেলিকমের মত ওনার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানী থেকে টাকা পান তিনি। যেন গ্রামীন ব্যাংকের সুদগুলো সরকার খায় না, ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস খায়। এরা কখনো প্রকাশ্যে স্বীকারই করে না যে, এগুলোতে তার ০.০১% শেয়ারও নাই।
ওনি একটা বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশে, কিন্তু অনুমতি পাননি। একটা আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হতো। ওনি বললে পৃথিবীর সেরা সেরা প্রফেসররা সেখানে এসে ক্লাস নিয়ে যেতো। ওনি ডাকলে এমনকি বিল গেটস কিংবা আমেরিকান প্রেসিডেন্টও তাঁর ইউনিভার্সিটিতে স্পীচ দিতে চলে আসতো।
কিন্তু সেটা হতে দেয়া হয়নি। তাঁকে ইউনিভার্সিটি করতে দেয়া হয়নি।
ড মুহাম্মদ ইউনূসকে যত জানবেন, আপনার মনে হবে- দেশ এবং জাতি হিসেবে আমরা ড মুহাম্মদ ইউনূসকে ডিজার্ভই করিনা।
তাইতো ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর কথাটিই সত্যি হচ্ছে, "যে দেশে গুনের কদর নেই সে দেশে গুনি জন্মাতে পারে না"...
আমরা কি কখনো পেরেছি গুনি ব্যক্তির গুনের কদর করতে ❓❓❓
আসুন যোগ্য ব্যক্তিকে সম্মান করতে শিখি... 🇧🇩🇧🇩🇧🇩
Collected
28/09/2024
Little drops of water make a mighty ocean. Your voice makes a difference.
12/09/2024
Adani should try to take this money from his old client. She is already in India. Well now the big question is which country will prosecute her 🤣🤣🤣
09/09/2024
'জাফর' লিখে সার্চ দেয়ার পর তিনজন বিখ্যাত জাফরের তালিকা আসছে উইকিপিডিয়াতে।
🔥১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ডাঃ জাফর উল্লাহ্ চৌধুরীর বয়স ৩০ বছর।
🔥একই সময়ে আশির দশকের জনপ্রিয় নায়ক প্রয়াত জাফর ইকবালের বয়স ২০ বছর।
🤔এবং বর্তমানে জনপ্রিয় লেখক ডঃ জাফর ইকবালের বয়স ১৯ বছর।
🔥প্রথম দুইজন জাফরের নামের পাশে লিখা আছে মুক্তিযোদ্ধা।
কিন্তু লেখক জাফর ইকবালের নামের পাশে মুক্তিযোদ্ধা শব্দটি লিখা নাই।
🔥১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ যখন শুরু হয়েছে, তখনকার সময়ের স্মৃতি উল্লেখ করে ডঃ জাফর ইকবাল উনার লিখায় উল্লেখ করেনঃ
- আমি যাত্রাবাড়ীতে একটা পরিবারের সাথে ছিলাম, সেই পরিবারে অনেকগুলো শিশু বাচ্চা। যখন যুদ্ধ পুরো মাত্রায় চলছে তখন একেবারে কানের কাছে গোলাগুলির শব্দ, শেলিংয়ের শব্দ। বাইরে কারফিউ কোথাও যাবার উপায় নেই। তখন বাসার সামনে একটি ট্রেঞ্চ কাটা হলো। যখন শেলিংয়ের শব্দ অসহ্য মনে হয় তখন বাচ্চাগুলোকে নিয়ে কম্বল মুড়ি দিয়ে ট্রেঞ্চে বসে থাকি।
(ডিসেম্বরের স্মৃতি ll মুহম্মদ জাফর ইকবাল)
🔥১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ডাঃ জাফর উল্লাহ্ কি করেছেন জানেন?
- ১৯৬৪ সালে ডিএমসি থেকে এমবিবিএস ও ১৯৬৭ সালে বিলেতের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস থেকে জেনারেল ও ভাস্কুলার সার্জারিতে এফআরসিএস প্রাইমারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। কিন্তু চূড়ান্ত পর্ব শেষ না করে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে দেশে ফিরে আসেন।
পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতার প্রতিবাদে লন্ডনের হাইড পার্কে যে কয়েকজন বাঙালি পাসপোর্ট ছিঁড়ে আগুন ধরে রাষ্ট্রবিহীন নাগরিকে পরিণত হয়েছিলেন তাদের একজন ডা. চৌধুরী।
তারপর বৃটিশ স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে ‘রাষ্ট্রবিহীন নাগরিকের’ প্রত্যয়নপত্র নিয়ে সংগ্রহ করেন ভারতীয় ভিসা।
🔥এই বিষয়ে জাহানারা ইমাম তার ‘একাত্তরের দিনগুলি’র ১৬১-১৬২ পৃষ্ঠায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে নিয়ে লিখেছেন-
‘চেনা হয়ে উঠেছে ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ডা. এমএ মোবিন। এরা দুজনে ইংল্যান্ডে এফআরসিএস পড়ছিল। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে বিলেতে চার বছর হাড়ভাঙা খাটুনির পর যখন এফআরসিএস পরীক্ষা মাত্র এক সপ্তাহ পরে, তখনই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু। ছেলে দুটি পরীক্ষা বাদ দিয়ে বাংলাদেশ আন্দোলনে অংশ নিলো, পাকিস্তানি নাগরিকত্ব বর্জন করলো, ভারতীয় ট্রাভেল পারমিট যোগাড় করে দিল্লিগামী প্লেনে চড়ে বসলো। উদ্দেশ্য ওখান থেকে কলকাতা হয়ে রণাঙ্গনে যাওয়া। প্লেনটা ছিল সিরিয়ান এয়ারলাইন্স-এর। দামাস্কাসে পাঁচ ঘণ্টা প্লেন লেট, সবযাত্রী নেমেছে। ওরা দুইজন আর প্লেন থেকে নামে না। ভাগ্যিস নামেনি। এয়ারপোর্টে এক পাকিস্তানি কর্নেল উপস্থিত ছিল ওই দুইজন ‘পলাতক পাকিস্তানি নাগরিককে’ গ্রেপ্তার করার জন্য।
🔥প্লেনের মধ্য থেকে কাউকে গ্রেপ্তার করা যায় না, কারণ প্লেন হলো ইন্টারন্যাশনাল জোন। দামাস্কাসে সিরিয়ান এয়ারপোর্ট কর্মকর্তা ওদের দুইজনকে জানিয়েছিল- ওদের জন্যই প্লেন পাঁচ ঘণ্টা লেট। এমনিভাবে ওরা বিপদের ভেতর দিয়ে শেষ পর্যন্ত মে মাসের শেষে সেক্টর টু রণাঙ্গনে গিয়ে হাজির হয়েছে।’
(তথ্যঃ কাফি কামাল- কে এই জাফরুল্লাহ চৌধুরী)
আমাদের দূর্ভাগ্য কি জানেন?
আমাদের প্রজন্ম কারা দেশের হিরো আর কারা গল্পবাজ তা আজো চিনতে পারলো না!
আমরা মুক্তিযুদ্ধ না করেও মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলা ডঃ জাফর ইকবালদের নিয়ে নাচানাচি করতে শিখেছি।
কিন্তু যে মানুষ গুলোর অসীম সাহসী গল্পের কাহিনী লিখে জাফর ইকবালরা আজকে গল্পকার হয়ে উঠেছে তাদের ঠিক মত চিনতে পারলাম না,তাদের মূল্যায়ন করতে পারলাম না।
(সংগৃহীত এবং পরিমার্জিত)
09/09/2024
Seems like our neighbour is completely dunked in … 🤣🤣🤣
09/09/2024
আমেরিকান এক সাংবাদিক মুহাম্মদ ইউনূসের সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় প্রশ্ন করেছিলেন, বিশ্বব্যাংক নিয়ে আপনার সর্বক্ষণ অভিযোগ। সমালোচনার বদলে বলুন, আপনি নিজে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হলে কী কী পদক্ষেপ নিতেন?
জবাবে ইউনূস সাহেব বলেছিলেন, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হলে কী করবো, তা আমি কখনও ভেবে দেখিনি। তবে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হতে পারলে বোধহয় আমার প্রথম কাজ হবে এর প্রধান কার্যালায় ঢাকায় স্থানান্তরিত করা।
সাংবাদিক পাল্টা প্রশ্ন করলেন, এরকম একটা অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নেবার কারণটা জানতে কী পারি?
মুহাম্মদ ইউনূস উত্তর দিলেন, আসলে প্রধান কার্যালয় ঢাকা শহরে স্থানান্তরিত করলে বিশ্বব্যাংকের পাঁচ হাজার কর্মচারী সেখানে বদলী হবার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবেন। সন্তানদের ঠিকমতো মানুষ করে তোলার জন্য আনন্দদায়ক এমনকি
সামাজিক জীবন যাপনের জন্য ঢাকা শহরকে তারা কখনো উপযুক্ত মনে করেন না। অতএব, অনেকেই স্বেচ্ছা অবসর নেবেন কিংবা চাকরি বদল করবেন। সেক্ষেত্রে আমার দু’টি সুবিধা। এক, যারা দারিদ্র দূরীকরণের জন্য একান্তভাবে উৎসর্গীকৃত নন তাঁদের বাদ দেয়া যাবে। দুই, সেই খালি পদগুলিতে সমস্যা সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল ও অঙ্গীকারবদ্ধ এইরকম কর্মী নিযুক্ত করা যাবে।
..
বিশ্বে ২৫টি দেশে তাঁর লেখা বই অনুবাদিত হয়েছে। বেশ কয়েকটি বই নিউইয়র্ক টাইমসে বেস্টসেলার লিস্টে জায়গা করে নিয়েছে। কানাডার সপ্তম গ্রেডে জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে তাঁর জীবনী অন্তর্ভুক্ত করেছে৷ কানাডার শিশু-কিশোরদের তাঁর জীবনী পড়ানো হয়। ১২ সালে গ্লাসগো ক্যালেডনিয়ান ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর বানানো হয় তাকে। যেখানে কিনা ইউনিভার্সিটির সংবিধান ছিল ব্রিটিশ নাগরিক ছাড়া ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর বানানো যাবে না। সেখানে সংবিধান পরিবর্তন করে তাকে ভাইস চ্যান্সেলরই বানানো হয়েছে।
..
১৯৭৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিকসহ প্রায় ১৫০টি পুরস্কার/সম্মাননা পেয়েছেন। তাও আবার যেনতেন পুরস্কার নয়। পৃথিবীর সবচেয়ে সম্মানজনক তিনটি পুরস্কার হলো, নোবেল, অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্টশিয়াল অ্যাওয়ার্ড এবং কংগ্রেশনাল অ্যাওয়ার্ড। ইতিহাসে এই তিনটা পুস্কারই পেয়েছেন মাত্র ১২ জন। এরমধ্যে প্রফেসর ইউনূস একজন। বর্তমান বিশ্বের ৩৩টি দেশে ১০৪টি বিশ্ববিদ্যালয়/কলেজে তাঁর নামে ইউনূস সোশ্যাল বিযনেস সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে গবেষণা হচ্ছে তাঁর কাজ, চিন্তাদর্শন এবং তাঁর সোশ্যাল বিযিনেজ তত্ত্ব নিয়ে। সামাজিক ব্যবসার ওপর একাডেমিক কোর্সও চালু হয়েছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। সর্বশেষ অলিম্পিকে মূল থিম ছিল তাঁর সোশ্যাল বিযিনেজ থিউরির উপর ভিত্তি।
..
ছোটবেলা থেকেই বইয়ের পোকা ছিলেন ড. ইউনূস। তাঁর বড় ভাইও ভীষণ বইপ্রেমি ছিলেন। তাঁরা একরুমে থেকে একসাথে পড়াশোনা করতেন। যে রুমে তাঁরা পড়াশোনা করতেন তার নিচতলায় তাঁর বাবার স্বর্ণের ব্যবসার অফিস ছিল। তাঁরা পড়াশোনা করে কিনা, বাবা তা চেক করতে মাঝেমধ্যে উপরে উঠে আসলে, জুতোর শব্দ শুনে দুই ভাই তড়িঘড়ি করে অন্যসব কাজ বা নন-অ্যাকাডেমিক বই পড়া বাদ দিয়ে পাঠ্যপুস্তক নিয়ে বসে যেতেন। বাবা যখন রুমে ঢুকে দেখতেন তাঁরা পড়ছে, তখন খুশি হয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করে চলে যেত। সেসময় নিয়মিত পত্রিকা ও গল্পের বই পড়তে বাবার হাত থেকে বাঁচার জন্য বাসার ঠিকানা ব্যবহার না করে পাশের বই দোকানের ঠিকানা দিতেন পত্রিকার হকারদের। এই নিয়ে তাঁর আত্মজীবনীতে এই সময়টার মজার স্মৃতি তিনি এভাবে তুলে ধরেন:
‘বড়দা ও আমি আমি হাতের কাছে বই বা পত্রিকা যা পেতাম পড়ে ফেলতাম। আমি রহস্য রোমাঞ্চ ও গোয়েন্দা কাহিনীর ভক্ত ছিলাম। বারো বছর বয়সে আমি নিজেই গোটা এক রহস্যকাহিনী লিখে ফেলেছিলাম। অবিরত পড়ার খোরাক যোগাড় করা আর আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠছিল না। প্রয়োজন মেটাতে নিজেদেরই উপায় উদ্ভাবন করতে হয়েছিলো-বই কেনা, ধার করা, এমনকি চুরি পর্যন্ত। আমাদের প্রিয় শিশুপাঠ্য পত্রিকা শুকতারা কলকাতা থেকে প্রকাশিত হত। তাতে নিয়মিত একটি প্রতিযোগিতা থাকত, জিতলে বিনামূল্যে পত্রিকার গ্রাহক হওয়া যেত। পত্রিকায় বিজয়ী প্রতিযোগীদের নাম ছাপা হত। তাদের মধ্যে একজনের নাম বেছে আমি সম্পাদককে চিঠি লিখেছিলাম:
মাননীয় সম্পাদক,
আমি অমুক, একজন বিজয়ী প্রতিযোগী। আমাদের ঠিকানা বদল হয়েছে। এখন থেকে আমার বিনামূল্যে প্রাপ্য সংখ্যা ডাকযোগে বক্সিরহাটে পাঠালে বাধিত হব।
বাড়ির নম্বর হল…
আমাদের সঠিক ঠিকানা না দিয়ে পাশের দোকানের ঠিকানা জানালাম যাতে করে পত্রিকা আব্বার হাতে না পড়ে। প্রতি মাসে আমরা সেই বিনামূল্যের সংখ্যার অপেক্ষায় বসে থাকতাম। এবং এই পরিকল্পনা নিখুঁতভাবে স্বপ্নের মতো কাজ করেছিল।’
..
গত কয়েক বছর ধরে বিশ্বব্যাপি জনপ্রিয় হচ্ছে তাঁর নতুন ধারণা ‘থ্রি জিরো ওয়ার্ল্ড’। যেখানে তিনি ধারণা দিয়েছেন আগামী বিশ্ব সকলের নিরাপদ বসবাসের উপযোগী করে তুলতে দারিদ্র হতে হবে শূন্যের কোটায়, বেকারত্ব থাকতে হবে শূন্যের কোটায়, আর গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণও হতে হবে শূন্য। আর এই তিন শূন্য কিভাবে নিশ্চিত করা যায় তার ধারণা তিনি শেয়ার করেছেন তাঁর অ্যা ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস বইতে। ইতোমধ্যে তাঁর নতুন এই চিন্তাদর্শন কাজে লাগাতে শুরু করেছে বিশ্বের অনেক দেশ। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অর্গানাইজেশন তাঁর চিন্তার আদলে সাজাচ্ছেন তাদের সামাজিক বিযিনেজ কার্যক্রম। তাঁর এই চিন্তাদর্শন যত দ্রুতগতিতে বিস্তার করছে বিশ্বব্যাপি মানুষের মধ্যে তাতে ধারণা করা যাচ্ছে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে তিনি আবারও নতুন করে অর্থনীতিতে নোবেল পাওয়ার জন্য আলোচনায় থাকবেন।
..
গত কয়েক দশকে প্রফেসর ইউনূস পৃথিবীর যে দেশেই গিয়েছেন সেখানেই সমাদৃত হয়েছেন, সমৃদ্ধ করেছেন বাংলাদেশের নাম। পৃথিবীর যে প্রান্তে গেছেন সেখানেই মানুষ তাকে সর্বোচ্চ সম্মান জানিয়েছেন। এ মুহূর্তে জীবিত লিডিং ইন্টেলেকচুয়ালদের তালিকা করলে টপে থাকবে তাঁর নাম। সেরা পাঁচ ইন্টেলেকচুয়ালের মধ্যে একজন হবেন তিনি। ইউনূস এদেশের ছেলে, এ পরিচয় আমাদের জন্য পরম গর্ব এবং আনন্দের। বাংলাদেশি পোস্টারবয় হিসেবে বিশ্বে এদেশের একমাত্র গ্লোবাল আইকন কেউ হয়ে থাকলে তিনি হলে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। একশো বছরেও এমন একজন ইউনূস তৈরি করা সম্ভব নয়।
Collected.