01/01/2022
Happy New Year To All The Students , Members And Well Wishers Of Grey Academy . Never Forget The Past . Learn The Mistakes From them and shouldn't Repeat Those Mistakes Again.
বিজ্ঞানময় কুরআন নিয়ে চিন্তা-গবেষণা ও ?
Quranic Science Research Center
মহাগ্রন্থ আল কুরআনে বর্ণিত বিজ্ঞান ভিত্তিক আয়াতসমূহ নিয়ে চিন্তা-গবেষণা, মহান আল্লাহ্ তায়ালার নিকট একমাত্র গ্রহনযোগ্য ঐশী জীবন বিধান হিসেবে বিজ্ঞানময় এ কুরআনকে সকল ধর্ম ও মতের মানুষের নিকট বৈজ্ঞানিকভাবে উপস্থাপন, সর্বোপরি আমাদের ইহলৌকিক ও পারলৌকিক সফলতার জন্য একমাত্র জীবন-দর্শন হিসেবে কুরআনকে মেনে নিয়ে ও তার সকল শিক্ষাকে বাস্তব জীবনে প্রতিফলন ঘটানোর সর্বাত্নক প্রচেষ
01/01/2022
Happy New Year To All The Students , Members And Well Wishers Of Grey Academy . Never Forget The Past . Learn The Mistakes From them and shouldn't Repeat Those Mistakes Again.
ব্রার্টাণ্ড রাসেল জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে একটি মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। কথা বলা শেষে এক বৃদ্ধা দাঁড়িয়ে বললো‚ ‘তুমি এতক্ষণ আমাদের যা বলেছো সবই বাজে কথা। আসলে পৃথিবী একটি কচ্ছপের উপর দাঁড়িয়ে আছে।’
রাসেল প্রশ্ন করলো‚ তাহলে কচ্ছপটা কিসের উপর দাঁড়িয়ে আছে?
বৃদ্ধা বললো‚ বাছা তুমি খুব চালাক। আসলে কচ্ছপটা দাঁড়িয়ে আছে আরেকটা কচ্ছপের উপর। আর এর নিচেও শুধুই কচ্ছপ।
ভাবুন তো‚ আপনাকে এমন কথা কেউ বললে কি করতেন?
যাই হোক‚ আমার রাসেলের কথা এই পর্যন্তই শেষে। রাতে আমরা যারা আকাশ দেখে অভ্যস্ত‚ আকাশে তারাদের ঝিকিমিকি দেখে মনে মাদকতা অনুভব করি তারা কি এটা ভাবি কেমন করে এই তারাগুলো শূণ্যে ভাসমান? আমাদের সূর্য কিংবা আমাদের মায়ার পৃথিবীই কিভাবে শূণ্যে ভেসে আছে?
পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় একটি কথা আছে ‘স্পেস টাইম ফেব্রিক’ বা ‘স্থান-কালের চাদর’। সহজ ভাষায় বললে‚ পুরো মহাকাশ জুড়ে ছড়িয়ে আছে একটি চার মাত্রার চাঁদর। আর যে সকল বস্তুর ভর আছে তারা এই চাঁদরে বক্রতা তৈরি করে। আর ঘর্ষণহীন এই চাঁদরে ভেসে আছে পুরো মহাবিশ্ব(অর্থাৎ সূর্য‚চাঁদ‚পৃথিবী)। আইন্সটাইনের আগে সম্ভবত এই বিষয় নিয়ে কেউ মাথা ঘমায়নি। তিনিই প্রথম নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রের সীমাবদ্ধতা নিয়ে চিন্তা করেন আর স্থান-কাল চাঁদরের ধারণা দেন।
এবার আসুন সম্পূর্ণ ১৮০º এঙ্গেলে বেঁকে যাই। বিজ্ঞানের সূর ছেড়ে ‘আরবির সুরার কাছে আসি। ‘আরবিতে السِّبَاحَةُ মানে সাঁতার কাটা‚ ভেসে-ভেসে পথ পারি দেয়া। অর্থাৎ আপনি সাঁতার কাটছেন এটা বুঝাতে আপনি বলবেন أسبح আর এই সিবাহাতুন এর জন্য পানি আবশ্যক জিনিস।(অর্থাৎ কিছু একটা লাগবে যাতে আপনি ভাসমান থাকবেন।)
এইবার এই আয়াতের দিকে তাকান‚
وَهُوَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلَّيْلَ وَٱلنَّهَارَ وَٱلشَّمْسَ وَٱلْقَمَرَۖ كُلٌّ فِى فَلَكٍ يَسْبَحُونَ
‘আর তিনিই রাত ও দিন এবং সূর্য ও চাঁদ সৃষ্টি করেছেন; সবাই নিজ নিজ কক্ষপথে বিচরণ করে।’
[ সূরা আম্বিয়া ২১:৩৩ ]
আয়াতের শেষ ওয়ার্ডটি দেখুন يسبحون মানে তারা বিচরণ করে। অনুবাদ যদিও বিচরণ করে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় কিসে বিচরণ করে?
আমরা জানি يسبحون এর মাসদারের অর্থ ভেসে-ভেসে চলা। তাহলে কি এমন কিছু আছে যাতে চন্দ্র-সূর্য ভেসে আছে। উপরন্তু বিচরণ (স্থানও পরিবর্তন) করছে। কুরআনে একমাত্র চন্দ্র-সূর্য কিংবা এজাতীয় কিছু বুঝাতে ইয়াসবাহুন ব্যবহার করা হয়েছে। আর মানুষের বিচরণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে سَارَ শব্দটি।
তাহলে মহাকাশে এমন কিছু থাকা আবশ্যক যাতে ভেসে ভেসে পৃথিবী পথ পারি দিবে। আর এই আবশ্যক জিনিসটাই ‘স্পেস-টাইম ফেব্রিক’।
আমরা যেমন পানিতে সাঁতার কাটি। আর আমাদের ভাসমান রাখে পানি। ঠিক তেমন করে চন্দ্র‚ সূর্য ও গ্রহসমূহ ভেসে আছে স্থান-কালের চাদরে। দেখুন يسبحون শব্দটা কিন্তু এই দিকেই ইঙ্গিত করে। নয়তো বিচরণ বা পথ চলার ক্ষেত্রে سَارَ শব্দের ক্রিয়াগুলো ব্যবহার করা হতো। পুরো কুরআনে দুই জায়গায়ই يسبحون ব্যবহার করা হয়েছে। আর দুই জায়গায়ই চন্দ্র-সূর্য। মানে বুঝলেন?
না বুঝলেন কুরআন পড়ুন আর চিন্তা করুন। আল্লাহ তা’আলা আমাদের এই জিনিসটাই করতে বলেছেন‚
أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ ٱلْقُرْءَانَ أَمْ عَلَىٰ قُلُوبٍ أَقْفَالُهَآ
তবে কি তারা কুরআন নিয়ে গভীর চিন্তা-ভাবনা করে না? নাকি তাদের অন্তরসমূহ তালাবদ্ধ?’
|| বিজ্ঞানের সূর-কুরআনের সুরা ||
02/02/2021
আমাদের দেহে যে DNA আছে, তার মোট দৈর্ঘ্য ২০০০০০০০০০০ কি.মি.। পৃথিবী থেকে সূর্য পর্যন্ত ৫০ বারেরও বেশি আসা যাওয়া করলে যে দূরত্ব অতিক্রান্ত হবে, তার সমান।
আর DNA তে যে ইনফরমেশন আছে তা যদি লিপিবদ্ধ করা হয়, তবে তা হবে ৯০০ খণ্ডের বিশালাকার এনসাইক্লোপিডিয়ার সমান। যেখানে প্রতিটি খণ্ডের পৃষ্ঠা সংখ্যা হবে ৫০০।
আমাদের দেহে মোট কোষের সংখ্যা হলো ৩৭.২ ট্রিলিয়ন। সেন্সরি রিসেপ্টর আছে ১১০ মিলিয়ন। লৌহিত রক্ত কণিকা (RBC) আছে ৩০ ট্রিলিয়ন। শুধুমাত্র মস্তিষ্কেই নিউরন সংখ্যা ১০০ বিলিয়ন।
নীচের ছবিটি ঠিক চামড়ার নিচের অংশ। এভাবেই যদি দুনিয়াতে পাঠানো হতো, সুন্দর চামড়ার আবরণ না থাকতো কেমন হতো তখন? কাউকে দেখে মায়া-ভালবাসা তৈরি হতো না। থাকতো না হাসি কান্নার এই অভিব্যক্তি।
দেহে মোট ব্লাড ভেসেল আছে ৪২ বিলিয়ন, যা ৯৭০০০ কি.মি. লম্বা।
একটু চিন্তা করুন তো! এক হাত লম্বা একটা হেডফোন অতি যত্ন করে রেখে দিলেও জট পাকিয়ে যায়। কিন্তু আপনার দেহের ৯৭০০০ কি.মি. ব্লাড ভেসেল কখনোই জট পাকিয়ে যায় নি।
দীর্ঘ এই ব্লাড ভেসেলগুলো কী অদ্ভুত সুক্ষ্মভাবে তৈরি। নেই কোন কম্প্লিকেশন বা জটিলতা।
সুবহানআল্লাহ।
পৃথিবীর কোন কারখানা অন্ধকারে চলে না। কোন প্রোডাক্ট অন্ধকারে তৈরি হয় না। কিন্তু আমাদের সৃষ্টি যে কারখানায়, সেই মায়ের পেটে-তিন স্তর বিশিষ্ট অন্ধকারে ঘেরা। অথচ সেই সৃষ্টি কত নিখুঁত, কত অদ্ভুত সুন্দর!
আশেপাশের সব পুড়ে যাওয়ার পর মসজিদ বা কুরআন পুড়লো কিনা, আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমাণ সেখানে খোঁজার প্রয়োজন নেই। পশু পাখির গায়ে তাঁর নাম অংকিত রয়েছে কিনা, মেঘের ভাঁজে তাঁর নাম ফুটে উঠেছে কিনা, প্রয়োজন নেই তা দেখার।
তাঁর অস্তিত্বের প্রমাণ আমরা নিজেরাই। তিনি আল্লাহ আমাদের এই শরীরের নির্মাতা।
“আর তোমাদের মধ্যেই রয়েছে নিদর্শন, তোমরা কি দেখো না?”
(সূরা যারিয়াত,আয়াত : ২১)
~QSRC.
18/01/2021
Quranic Science Research Center থেকে প্রকাশিত বইগুলো পাওয়া যাচ্ছে আদ-দ্বীন শপের আউটলেটে।
আদ-দ্বীন শপ
৩ কেডিএ এভিনিউ
সাত রাস্তার মোড়
খুলনা।
✆ 01952 33 71 18
www.addeenshop.com
09/01/2021
কুরআনের এই আয়াতটা আমাকে অনেক বেশি ভাবায়।
এটি মাইক্রোস্কোপে আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট! রেখাগুলি ভালো করে দেখুন, কে এদের আলাদা আলাদা প্যাটার্নে সাজালেন একটু তো ভাবুন!
সামান্য ১ ইঞ্চি জায়গায় যিনি কোটি কোটি মানুষের আঙুলের নকশাকে আলাদা প্যাটার্নে সাজাতে পারেন, সেই স্রষ্টা, মহান আল্লাহ্।
اَیَحۡسَبُ الۡاِنۡسَانُ اَلَّنۡ نَّجۡمَعَ عِظَامَہٗ ؕ﴿۳﴾
মানুষ কি মনে করে যে, আমি তার অস্থিসমূহ একত্র করতে পারবনা?
بَلٰی قٰدِرِیۡنَ عَلٰۤی اَنۡ نُّسَوِّیَ بَنَانَہٗ ﴿۴
বস্তুতঃ আমি তার অঙ্গুলীর অগ্রভাগ পর্যন্ত পুনঃ বিন্যস্ত করতে সক্ষম।
(সূরা কিয়ামাহ : ৩-৪)
05/01/2021
এটি হাবল টেলিস্কোপে তোলা চার কোটি আলোকবর্ষ দূরের আনতেননাই ছায়াপথ। চার কোটি আলোকবর্ষ!
৪ কোটি আলোকবর্ষ মানেটা বুঝুন একবার! তার উপর আবার এই ছায়াপথটাই বা কতোবড়!
উইকিপিডিয়ায় এটা পেয়ে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। কি বলবো! বিষয়টা বুঝতে কমপক্ষে ৫ মিনিট সময় লাগবে আপনার।
ভাবুন। ভাবুন। ভাবুন। মুখ দিয়ে অটোমেটিক আল্লাহু আকবার বের হবেই!