একটা বাচ্চা তার মা' কে ডাকছে। কিন্তু তার নাকি মা নেই 😥
কারণ কালেক্ট করা ভিডিও অনুযায়ী তার পারেন্টস সারোগেসি পদ্ধতিতে জন্ম দিয়েছেন, তারা নাকি গে কাপল। (আস্তাগফিরুল্লাহ)
আল্লাহ পাক সকলকে হেফাজতে রাখুন। 🤲
MedForce BD
আপনার বাসায় জরুরী স্বাস্থ্য সেবা দিতে MedForce BD আছে আপনার পাশে।
14/04/2026
শহর কিংবা গ্রাম, প্রতিটি মুদির দোকানে এই অখাদ্যগুলিই ঝুলে থাকে। আমাদের শিশুরা চরম ক্ষতির মাঝে জীবন যাপন করছে। এগুলিতে নাই কোনো পুষ্টিগুন, বরং উল্টো চরম ক্ষতিকর।
স্কুল থেকে ফেরার সময় অধিকাংশ মায়েরা এগুলি হতে কিছু না কিছু কিনে দেন। আমার বাসার ছুটা বুয়ার ছোট মেয়ের হাতেও প্রতিদিন কিছু না কিছু থাকেই।
আমরা মা বাবারা যদি এগুলি কঠোরভাবে বয়কট না করি, আমাদের সন্তানরা ক্ষতি হতে রক্ষা পাবে না।
✍️ Shiblee Mehdi
বাচ্চা কথা না শুনলে মারার বদলে কোন ৫টা কাজ করবেন?📌📌
অনেকেই আগের পোস্টে লিখেছেন—
“মারবো না ঠিক আছে, কিন্তু তাহলে সামলাবো কিভাবে?”
আজকে সেই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি—
ছোট বাচ্চাকে মারার বদলে এই ৫টা কাজ ট্রাই করুন 👇
▪️আগে বুঝুন—ও ইচ্ছা করে দুষ্টুমি করছে না
২-৩ বছরের নিচের বাচ্চারা কথা না শোনার জন্য দুষ্টুমি করে না।
ওরা নতুন জিনিস শিখছে, চারপাশটা বুঝতে চেষ্টা করছে।
তাই প্রথমে নিজেকে বলুন—
“ও আমাকে বিরক্ত করতে না, শিখতে এটা করছে।”
▪️রাগ উঠলে ১০ সেকেন্ড থামুন
বাচ্চা যখন খুব বিরক্ত করে, তখন রাগ হওয়াটা স্বাভাবিক।
কিন্তু রাগের মাথায় হাত উঠানোটা অভ্যাস হয়ে যায়।
তাই রাগ উঠলে—
১০ সেকেন্ড থামুন, গভীর শ্বাস নিন।
এই ছোট বিরতিটাই অনেক বড় ভুল থেকে বাঁচায়।
▪️ “না” বলার বদলে অন্যদিকে মন ঘুরিয়ে দিন
ছোট বাচ্চাদের বারবার “না” বললে কাজ হয় না।
বরং মন অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলে সহজে শান্ত হয়।
যেমন—
মোবাইল ধরতে চাইলে
👉 একটা খেলনা হাতে দিন।
এটাকে বলে redirection—এটা ছোট বাচ্চাদের জন্য সবচেয়ে effective।
▪️খেতে না চাইলে জোর করবেন না
খাওয়ানোর সময় মারলে বা জোর করলে—
বাচ্চার খাওয়ার প্রতি ভয় তৈরি হয়।
বরং—
✔ ছোট পরিমাণ দিন
✔ নিজে হাতে খেতে দিন
✔ না খেলে কিছুক্ষণ পর আবার অফার করুন
ধৈর্য রাখলেই ধীরে ধীরে শিখবে।
▪️ বাচ্চাকে বেশি সময় দিন
অনেক সময় বাচ্চা attention চায় বলেই দুষ্টুমি করে।
যদি প্রতিদিন একটু সময় দিয়ে খেলেন—
তাহলে দুষ্টুমি অনেক কমে যায়।
ভালোবাসা আর সময়—
এটাই ছোট বাচ্চার সবচেয়ে বড় ওষুধ।
আপনি বাচ্চাকে সামলাতে কোন পদ্ধতি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন?
কমেন্টে লিখুন—
আপনার অভিজ্ঞতা অন্য মায়েদের কাজে লাগতে পারে 💛
সংগৃহীত
25/01/2026
আমি শিশু মনোবিজ্ঞানীর একটা ভিডিও পেয়েছিলাম, যেখানে prolonged potty training resistance নিয়ে কথা বলা হয়েছে।
তিনি একটা কথা বলেছিলেন, যেটা আমাকে থামিয়ে ভাবতে বাধ্য করেছে।
“যখন টডলাররা বছরের পর বছর potty training-এ resist করে, বাবা-মা ধরে নেন এটা behavioral issue।
কিন্তু প্রায় কখনোই এটা behavioral না। এটা sensory।”
তিনি ব্যাখ্যা করছিলেন—যেসব বাচ্চা বহু বছর চেষ্টা করার পরও train হতে পারে না, তারা শিখতে অস্বীকার করছে না।
ওরা আসলে শরীরের signal-টাই feel করতে পারে না।
যখন বাচ্চারা বছরের পর বছর diaper পরে থাকে, তখন তাদের brain ধীরে ধীরে p*eing-এর sensation ignore করা শিখে ফেলে।
ওটা background noise হয়ে যায়।
মানে—brain আর ওই sensation-এ attention দেয় না।
তাই আপনি যখন ৪ বছরের একটা বাচ্চাকে বলেন,
“তোমার bathroom আসলে আমাকে বলো”—
কিন্তু তারা আসলে বুঝেই না।
কারণ চার বছর ধরে তারা এমন একটা জিনিস পরে আছে, যেটা সাথে সাথে সব absorb করে নেয়।
ওরা কখনো ভেজা অনুভব করেনি।
কখনো uncomfortable ফিল করেনি।
তাই তাদের brain ওই sensation-টা একদম ignore করা শিখে গেছে।
এই কারণেই pull-ups-এ switch করলেও কোনো কাজ হয় না।
Pull-ups ঠিক diaper-এর মতোই দ্রুত absorb করে।
Brain-এর কাছে sensation একই রকম।
ফলে signal-টা আগের মতোই blocked থাকে।
এ কারণেই বড় টডলাররা এত প্রবল ভাবে resist করে।
তাদের এমন কিছু notice করতে বলা হচ্ছে,
যেটা ignore করতে তাদের brain-কে বছরের পর বছর train করা হয়েছে।
একটু ভেবে দেখুন—
আমরা শিখি cause and effect দিয়ে।
গরম পাতিল ছোঁয়া → “উফফ” → পরবর্তীতে আর না ছোঁয়া
এখানেও একই ব্যাপার।
ওদের brain-এর কোনো idea-ই নেই যে তারা p*e করেছে।
কারণ তারা সেটা feel-ই করতে পারে না।
এই জন্যই দেখা যায়—
একটা বাচ্চা বলছে, “আমার bathroom করা লাগবে না”
আর পাঁচ মিনিট পর accident হয়ে যাচ্ছে।
বাচ্চাটা মিথ্যা বলছিল না।
সে সত্যিই feel করেনি।
তাহলে প্রশ্ন আসে—
এত বাচ্চা কীভাবে ১.৫ বছর বয়সেই potty train হয়ে যায়?
কারণ তারা মাত্র এক বছর diaper-এ ছিল।
Training তখনই শুরু হয়ে গিয়েছিল—routine করে toilet-এ বসানো।
তাদের brain তখনো signal ignore করা শেখেনি।
কিন্তু বড় বাচ্চাটা?
চার বছর diaper।
চার বছর growing brain-এর শেখা—এই signal ignore করো।
তাহলে অবাক হওয়ার কী আছে যে কিছুই কাজ করছে না?
এখানে আপনি শুধু নতুন কিছু শেখাতে বলছেন না।
আপনি ওদের বলছেন—
চার বছরের body-signal ignore করা unlearn করতে।
কারণ আপনি training-টা এড়িয়ে গেছেন।
তাই early শুরু করুন।
আর নিশ্চিত করুন—দুজন parent-ই on board আছেন।
“খুব কঠিন” বলে দায়িত্ব এড়িয়ে যাবেন না করতে দেওয়া potty training না।
এটা আপাতদৃষ্টিতে অনেক ভালো ও আরামদায়ক মনে হলেও আসলে কি জানেন --- স্রেফ ignorance।
আর কিছু ক্ষেত্রে— pure negligance।
©️ Good mom
06/01/2026
নতুন ট্রেন্ড চালু হয়েছে। লয়ালিটি পরিক্ষার জন্য হাতে গরম চা ঢেলে দিচ্ছে! বন্ধু বন্ধুর হাতে ঢালছে। প্রেমিকা প্রেমিকের হাতে ঢালছে। স্ত্রী স্বামীর হাতে ঢালছে!
এসব সম্পূর্ণ নাজায়েজ এবং হারাম। শারিরিক ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ করা শরীয়তের দৃষ্টিতে অবৈধ।
©
31/12/2025
27/12/2025
এই ছোট্ট ব্যাটারিটাই কয়েক ঘণ্টায় শিশুর খাদ্যনালী গর্ত করে দিতে পারে।
বাটন ব্যাটারি গিলে ফেললে এটা শুধু গলায় আটকে থাকে না।
এটা শরীরের ভেতরে গিয়ে ইলেকট্রিক কারেন্ট তৈরি করে, আর সেই কারেন্ট থেকেই তৈরি হয় ভয়ংকর ক্ষারজাত পোড়া।
২–৪ ঘণ্টার মধ্যেই খাদ্যনালী গলে যেতে পারে—লক্ষণ তেমন না থাকলেও।
শিশু হয়তো শুধু বলবে
বুকে ব্যথা
লালা ঝরা
বমি
খাবার না খাওয়া
এই হালকা লক্ষণ দেখেই অনেক সময় বিষয়টা মিস হয়ে যায়।
এক্স–রেতে বাটন ব্যাটারি অনেক সময় কয়েনের মতো দেখায়।
একটু দেরি, একটুখানি ভুল সিদ্ধান্ত—আর ক্ষতি হয়ে যায় স্থায়ী।
এর পরিণতি হতে পারে
খাদ্যনালী ফুটো
চিরস্থায়ী সংকোচন
ভয়াবহ রক্তপাত
এমনকি মৃত্যু।
যদি সন্দেহও হয় যে শিশু ব্যাটারি গিলেছে
এটা ইমার্জেন্সি।
অপেক্ষা নয়।
নিজে নিজে বের হবে—এই আশাও নয়।
রিমোট, খেলনা, ক্যালকুলেটর, হিয়ারিং এইড—সব জায়গায় বাটন ব্যাটারি থাকে।
অতিরিক্ত ব্যাটারি তালাবদ্ধ জায়গায় রাখুন।
এটা শিশুদের সবচেয়ে প্রতিরোধযোগ্য কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর দুর্ঘটনার একটি।
এই পোস্ট যদি আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলে
ভালো।
কারণ এটা হয়তো কোনো এক শিশুর জীবন বাঁচাবে।
প্রতিটি বাবা-মা খেলনা হাতে দেওয়ার আগে দয়া করে এই লেখাটা পড়ুন ও শেয়ার করুন।
Dr-Abdur Rahman
24/12/2025
'সবকিছুর উত্তর জানা থাকার চেয়ে কিছু প্রশ্ন করা উত্তম।'
-জেমস থাববার
আপনার স্বামী কী ভাবছেন, তা অনুমান করার চেষ্টা করবেন না। তাকে নিজেকে প্রকাশ করার অবকাশ দিন। মনে রাখবেন, তার বক্তব্য শোনার আগে আপনি কখনো তার মনের খবর সঠিকভাবে পড়তে বা জানতে পারবেন না। আপনার হয়তো তবুও মনে হয় স্বামী কী বলবেন বা কী করবেন, তা আপনি আগে থেকেই জানেন। তাহলে আপনার কোনো একটা কথার জবাবে তার কাছ থেকে যা শোনার আশা রাখেন, সেটা লিখে ফেলুন।
উদাহরণস্বরূপ: আপনি সিনেমা দেখতে যেতে চান। আপনার স্বামীকে এটা বলার পর তিনি কী বলতে পারেন বলে আপনার মনে হয়-সেটা লিখে রাখুন। এরপর তাকে সিনেমা দেখতে যাওয়ার ব্যাপারটা বলে আপনার লিখে রাখা কথাগুলোর সঙ্গে তার উত্তর মিলান।
একদিন আমার বান্ধবী তেরেসা বলেছিল যে, সে জানে তার স্বামী তার ওপর রেগে আছে। কারণ সে ঘরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে তার স্বামী চোখ কুঁচকে তাকিয়েছিল।
আমি জানতে চাইলাম- 'কেন রেগে আছে, বলেছিল সে?'
তেরেসা জানাল-'ওর বলার দরকার নেই। আমি জানি। সে মনে করে, আমি থেরাপির পেছনে খুব বেশি খরচ করছি।' .
আমি চাপ দিলাম-'কীভাবে জানলে?'
তার পালটা মন্তব্য- 'আমি ওকে ভালো করেই চিনি।'
তেরেসা যেভাবে সে তার স্বামীর মন পড়তে পারে, এই মনোভাবের সাথে আমি এরচিত। সামার কাছেও রাগই মনে হতো যে, আমার দ্বামীর মনের ভাবনা আমি আমি'। তার গজগজানি, যুপধাপ করে জিনিসপত্র রাখা, অনীহা এবং অন্যান্য অচক্রগের ভিত্তিতে এই ধারণা করতাম আমি। জন আমার দিকে মুখ বেঁকিয়ে তাকালেই আমি ঘরে নিতাম যে, আমার কোনো কথা বা কাজের কারণে সে রেগে আছে।
সে কয়েক সপ্তাহ যাবৎ নষ্ট বান্ধ না পালটালে ধরে নিতাম সে অবিবেচক ও ভুলোমনা। আমার অপছন্দের টিভি শো দেখলে ভাবতাম তার পছন্দ বাজে। এমনকি এ ও ভাবতাম যে, সে এসব কাজ করছে (বা করছে না) আমাকে বিরক্ত করার জন্য।
কিন্তু আত্মসমর্পিত স্ত্রী হিসেবে আমি বুঝতে শিখেছি যে, আমার অনেক অনুমান এবং ধারণা আমার ভয়ের কারণেই তৈরি হয়েছিল। এই ভয় যে, আমি জনের প্রত্যাশাগুলো পূরণ করছি না বা আমার দায়বদ্ধতাগুলো কোনোভাবেই পালন করে উঠতে পারছি না। এ কারণে সে আমার ওপর নীরবে 'প্রতিশোধ' নিচ্ছে।
আমার মনস্তাত্ত্বিক দক্ষতা যতটা ভালো ভেবেছিলাম, ততটা আসলে না। স্বামীর মনের অনুভূতি জেনে ফেলার ধারণা বাদ দিয়ে যখন তার কথা সময় নিয়ে শুনি, তখন আমি প্রায়ই দারুণভাবে অবাক হয়ে যাই।
সারেন্ডার্ড ওয়াইফ বই থেকে
বাচ্চাদের ডায়রিয়া:::::
আপনি গ্রামে থাকেন, ডাক্তার সহজলভ্য নয়, কাকে দেখাবেন বুঝতে পারছেন না, অথবা আপনার ইকোনমিক সমস্যা রয়েছে, এই সকল ক্ষেত্রে আপনার বাচ্চার যদি ডায়রিয়া হয়ে থাকে তবে আমি নিচের যে কথাগুলো বলছি এগুলো ফলো করুন। ইনশাআল্লাহ আপনার বাচ্চার সব ধরনের ঝুঁকি কমে যাবে এবং ডায়রিয়া সেরে যাবে। এগুলো মুখস্ত করে ফেলুন। আমার এ লেখাটা পুরো মুখস্ত করে ফেলুন। শিশুর ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে আপনি নিজেই হয়ে উঠুন আপনার বাচ্চার প্রাথমিক ডাক্তার।
বেশিরভাগ রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া বমি দিয়ে স্টার্ট হতে পারে। আর এক্ষেত্রে বমি এবং ডায়রিয়া দুটো ক্ষেত্রেই প্রধান এবং প্রাথমিক চিকিৎসা হচ্ছে খাবার স্যালাইন এবং জিংক।
ডায়রিয়া অথবা বমির ফলে আপনার বাচ্চার শরীর থেকে যে ক্ষতি হচ্ছে সেটা যদি আপনি খাবার স্যালাইন এবং জিংক দিয়ে পূরণ করতে পারেন তবে আপনার বাচ্চার ডায়রিয়া অধিক সময় পর্যন্ত থাকলেও ভয়ের কোন কিছু থাকবে না।
কিন্তু আপনার বাচ্চার শরীর শরীর থেকে যে পরিমাণে পানি বের হয়ে যাচ্ছে সেটা যদি আপনি পূরণ না করতে পারেন তবে স্বল্প সময়েও শিশু মৃ'ত্যুর ঝুঁকি বাড়বে।
১.আমি খাওয়ানোর নিয়মসহ বলে দিচ্ছি। বাচ্চার বয়স যদি ছয় মাসের কম হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে জিংক আধা চামচ করে দিন দুইবার। বাচ্চার বয়স যদি এক বছরের বেশি হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে এক চামচ করে দিন দুইবার দেবেন। 14 দিন পর্যন্ত দেবেন।
২.ওর স্যালাইন এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সেটা আধা লিটার পানিতে মেশাবেন। বাচ্চার বয়স যদি ছয় মাস থেকে এক বছর হয়ে থাকে তবে প্রত্যেকবার পায়খানা করার পরে 10 থেকে 20 চামচ। বাচ্চার বয়স যদি এক থেকে দুই বছরের ভেতরে হয়ে থাকে প্রত্যেকবার পায়খানা করার পরে ২০ থেকে ৪০ চামচ। এবং বাচ্চার বয়স যদি দুই বছর থেকে ১০ বছর বা তার অধিক হয়ে থাকে তবে প্রতিভার পায়খানা করার পরে আধার লিটারের অর্ধেক অথবা যেটাকে আমরা সাধারণ বাংলায় এক পোয়া বলে থাকি ওটা করে দেবেন। একবার ওরস্যালাইন বানানো হলে সেটা ১২ ঘন্টার বেশি ব্যবহার করবেন না।
✍️ Dr. Sazzad
11/12/2025
বাগদাদে এক বুযুর্গ ব্যক্তির আবির্ভাব হলো, যার দোয়া আল্লাহ কবুল করতেন (মুস্তাজাবুদ দাওয়াহ)। এই খবর অত্যাচারী শাসক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কানে পৌঁছাল।
হাজ্জাজ সেই দরবেশকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন, "হুজুর! আমার জন্য একটি কল্যাণকর দোয়া করুন।"
দরবেশ হাত তুললেন এবং বললেন, "হে আল্লাহ! তুমি এর জান কবজ করে নাও (একে মৃত্যু দাও)।
হাজ্জাজ চমকে উঠে বললেন, "আল্লাহর ওয়াস্তে! এটা কেমন দোয়া? আমি তো ভালো দোয়া চাইলাম, আর আপনি মৃত্যুর দোয়া করলেন?"
দরবেশ শান্তভাবে উত্তর দিলেন, "এটাই তো আপনার জন্য এবং সমস্ত মুসলমানের জন্য সবচেয়ে বড় 'কল্যাণকর দোয়া'। কারণ আপনি মারা গেলে আপনিও আর পাপ করে নিজের বোঝা বাড়াবেন না (আপনার আখেরাতের জন্য ভালো), আর মুসলমানরাও আপনার অত্যাচার থেকে মুক্তি পাবে (তাদের জন্যও ভালো)।"
ঘটনাটি উল্লেখ করে শেখ সা'দী রহ. জালিম শাসকদের উদ্দেশ্যে বলেন,
হে ক্ষমতাধর ব্যক্তি! তুমি তোমার অধিনস্থ দুর্বলদের ওপর আর কত দিন অত্যাচার করবে? তোমার এই জুলুমের রাজত্ব আর কত দিন গরম থাকবে?
এমন রাজত্ব দিয়ে কী লাভ, যা মানুষকে কেবল কষ্টই দেয়? মানুষের ওপর জুলুম করে বেঁচে থাকার চেয়ে তোমার মরে যাওয়াই অনেক ভালো।
© Salman Farsi
📖 গুলিস্তাঁ
✒️ আল্লামা শেখ সা'দী রহ.
05/12/2025
আমার ফাইন্ডিংস এ প্রধানত ভিটামিন-ডি, আয়রন এবং ভিটামিন-B12 এর ঘাটতির কারণে শীত বেশি লাগে! কেননা...
১. ভিটামিন ডি লেভেল বেশি (৮০-১০০ এর মধ্যে) থাকলে শরীরের তাপমাত্রা ভালো থাকে, শরীরের এনার্জি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকে, ফলে শীত কম লাগে।
বিপরীতভাবে, শরীরে ভিটামিন D এর ঘাটতি থাকলে মেটাবলিজম কমে যায়! এতে শরীরে তাপ উৎপাদন কম হয়, ফলে ক্লান্তি এবং শীত বেশি লাগে। 😬
২. শরীরে আয়রন (Iron) এর ঘাটতি থাকলে অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতার কারণে হাত-পা ঠান্ডা অনুভূত হয়। মূলত রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে শরীর তাপ ধরে রাখতে পারে না, ফলে শরীর দুর্বল হয় এবং শীত বেশি লাগে।
৩. শরীরে ভিটামিন B12 এর ঘাটতি থাকলে রক্তে লোহিত কণিকা (RBC) কমে যায়। এতে শরীরে অক্সিজেন পরিবহন কম হয়, ফলে দুর্বল লাগে, হাত-পা ঝিনঝিন করে, মাথা ঘোরে এবং ঠান্ডা বেশি লাগে।
এছাড়াও আয়োডিন এবং ম্যাগনেসিয়াম এর ঘাটতির কারণে শরীরে শীত বেশি লাগতে পারে! কেননা...🤔
✓শরীরে আয়োডিন এর ঘাটতি (থাইরয়েড সমস্যা) থাকলে শরীরের তাপ উৎপাদন কমে যায়, ফলে সবসময় ঠান্ডা অনুভূত হয়।
✓ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি থাকলে মেটাবলিজম কম ও নার্ভ দুর্বল হয়ে শীত বেশি লাগতে পারে।
ফাইনালি, সিগন্যালদের থুক্কু সিংগাল পুরুষদের Vitamin-She এর অভাবেও শীত বেশি লাগতে পারে! 😬😷🤔
✍️ Dr. Nazrul Islam
বাংলাদেশে নিউমোনিয়া এত হবে না কেন ই বা বলেন?
এদেশে এখন প্রচলিত বাচ্চা রৌদে রাখলে কালো,হয়ে যায়।
অথচ রৌদ ভিটামিন ডি এর সবচেয়ে ভালো উৎস।
ভিটামিন ডি কম থাকলে রৌদ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে।
👉ভিটামিন ডি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় (Research-backed)
ভিটামিন D শিশুর ইমিউন সিস্টেম অ্যাক্টিভ রাখে।
➡ Pediatrics Journal–এর গবেষণায় দেখা গেছে
ভিটামিন D কম থাকলে
বারবার ঠান্ডা
নিউমোনিয়া
শ্বাসকষ্ট
হওয়ার ঝুঁকি ২–৩ গুণ বেশি।
তাই বাবুর ভিটামিন ডি নিশ্চিত করুন
#আরহামআমাইরাদিনলিপি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Mohammadpur
Khulna
1207
Opening Hours
| Monday | 16:00 - 20:00 |
| Tuesday | 16:00 - 20:00 |
| Wednesday | 16:00 - 20:00 |
| Thursday | 16:00 - 20:00 |
| Friday | 09:00 - 20:00 |
| Saturday | 16:00 - 20:00 |
| Sunday | 16:00 - 20:00 |
