কিশোরগজ্ঞের রাজপথে ছাত্রলীগ,
সাবেক ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামীলীগ।
কিশােরগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগ
শিক্ষা শান্তি প্রগতি জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
09/03/2016
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের উৎস ছিল বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হা� বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের আবেদন আজও অটুট আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাঙালির বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতার এই ভাষণের দিকনির্দেশনাই ছিল সে সময় বজ্রকঠিন জাতীয় ঐক্যের মূলমন্ত্র। অসীম ত্যাগের বি...
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের শাখা রসিদাবাধ ইউনিয়ন ছাত্রলীগ এর ১০/১১/১৫তারিখে কমিটির দেওয়া হবে।
ছাত্র রাজনীতির মধ্যে ছাত্রদের ও মুক্তিযুদ্ধা সন্তানদের অগ্রাধিকার বেশি হবে।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।
28/09/2015
"দেশরত্ন #শেখ_হাসিনার জন্য বাঙ্গালি ধন্য"বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার ৬৯তম জন্মদিন উপলক্ষে ৩নং মাইজখাপনের ইউনিয়ন ছাত্রলীগ আয়োজিত কেক কাটে ও আনন্দ মিছিল শেষে বক্তব্য রাখছেন
কিশোরগন্জ সদর
থানা ছাত্রলীগ সভাপতি #রিফাত_উদ্দিন_বচন ভাই।
14/08/2015
ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গৌরবের অপর নাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।আজ থেকে ৬৬ বছর আগে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন রোজ গার্ডেনে যাত্রা শুরু হয়েছিল আওয়ামী মুসলিম লীগের। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শামসুল হক খানের হাতে গড়া এই সংগঠনটিই পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ নামে আত্মপ্রকাশ করে। দলটির জন্ম হয়েছিল পাকিস্তানী শোষকগোষ্ঠীর অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করার জন্য, এ দেশের শ্রমিক, মজুর, কৃষাণ-কৃষাণী, জেলে-বাওয়ালী, বঞ্চিত শ্রেণীর মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় উপমহাদেশের এই ঐতিহ্যবাহী সংগঠনটি অর্জন করেছে এক অসামান্য সফলতা। একটি মানচিত্রের জন্য নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রাম এই দলটির নেতৃত্বেই হয়েছিল। তাই স্বাধীনতা আন্দোলনের একমাত্র লিডারশীপ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। স্বাধীকার আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন, দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এই দলটি। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুর্বণ জয়ন্তীকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার।৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এইদিনে সকল বন্ধুদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ, ঐতিহাসিক ২৩ জুন ২০১৫, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৬৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আওয়ামীলীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের সকল নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের, অভিন্দন জানাই ও শুভেচ্ছা ।
10/06/2015
আজ ১১ ই জুন দেশরত্ন জননেএী শেখ হাসিনার কারা মুক্তি দিবস। ২০০৮ সালে এই দিনে প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর সংসদ ভবন চত্ত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
৭ জুন বাঙালির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ৬
দফা দিবস। বাঙালি জাতির মুক্তি
সংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য প্রতিবাদ
ও আত্মত্যাগের সংগ্রামী একটি দিন।
লাহোর প্রস্তাবের মাধ্যমে ১৯৪০ সালে
যেমন ভারতীয় উপমহাদেশের জনগণ
ব্রিটিশ শোষকদের এদেশ থেকে
তাড়ানোর জন্য ঐক্যমতে এসেছিল, ঠিক
তেমনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
রহমানের ১৯৬৬’র এদিনে ঘোষিত ৬
দফাকে তখনকার পূর্ববাংলার জনগণ
পাকিস্তানিদের বাংলা থেকে
তাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ
করেছিল। পরবর্তীতে ৬ দফার প্রতিটি
দফা বাংলার ঘরে-ঘরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে
গিয়ে জনগণের সামনে তুলে ধরা হয়।
বাংলার সর্বস্তরের জনগণ এ ৬টি দফা
সম্পর্কে যখন সম্যক ধারণা অর্জন করলো,
তখন এটি বাঙালির মুক্তির সনদে পরিণত
হলো। ১৯৬৬ সাল। ৭ জুন ৬ দফা দেওয়ার
আগে, ১৩ মে আওয়ামী লীগ আয়োজিত
পল্টনের এক জনসভায় ৭ জুনে হরতালের
কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এদিকে পুরো জুন
মাসব্যাপী ৬ দফা প্রচারে ব্যাপক
কর্মসূচি নেওয়া হয়। ৭ জুন তেজগাঁওয়ে
বেঙ্গল ব্যাভারেজের শ্রমিক সিলেটের
মনু মিয়া গুলিতে প্রাণ হারান। এতে
বিক্ষোভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।
তেজগাঁওয়ের ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। আজাদ
এনামের অ্যালুমিনিয়াম কারখানার
শ্রমিক আবুল হোসেন ইপিআর’র গুলিতে
শহীদ হন। একই দিন নারায়ণগঞ্জ রেল
স্টেশনের কাছে পুলিশের গুলিতে মারা
যান ছয়জন শ্রমিক। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ
সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
সন্ধ্যায় কারফিউ জারি করা হয়। হাজার
হাজার আন্দোলনকারী গ্রেফতার হন। বহু
জায়গায় বিক্ষুব্ধ জনতা গ্রেফতার
হওয়াদের ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। ৬ দফা
ভিত্তিক আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে
পড়ে। শহীদের রক্তে আন্দোলনের নতুন
মাত্রা গড়ে ওঠে। ছাত্র-জনতার
আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয় শ্রমজীবী
সাধারণ মানুষের আন্দোলন। ১৯৬৬ থেকে
১৯৭০’র ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত
পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিচালিত ৬
দফা আন্দোলই ছিল সে সময়ে দেশের
সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কর্মতৎপরতার
কেন্দ্রবিন্দু। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের
অন্যতম গৌরবময় অধ্যায় ৬ দফা আন্দোলনে
নেতৃত্ব। ৬ দফার পক্ষে জনমত সংগঠিত
করার জন্য সারাবাংলায় গণসংযোগ শুরু
করেন তিনি। সে সময় তাকে সিলেট,
ময়মনসিংহ ও ঢাকায় বারবার গ্রেফতার
করা হয়। ১৯৬৬’র প্রথম কয়েক মাসে শেখ
মুজিব আটবার গ্রেফতার হন। এ ৬ দফা
আন্দোলনের মধ্য দিয়েই ১৯৬৯’র
গণঅভ্যুত্থান, ৭০’র নির্বাচনে আওয়ামী
লীগ তথা বাঙালির বিপুল বিজয় এবং
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের
মধ্য দিয়ে বিশ্বের স্বাধীন মানচিত্রে
স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়। ৬ দফা
আন্দোলনের মধ্য দিয়েই শেখ মুজিবুর
রহমান বঙ্গবন্ধুতে রূপান্তরিত হন।
শিক্ষা শান্তি প্রগতি ছাত্রলীগের মূলনীতি । কিশোরগন্জ সদর উপজেলার সংগ্রামি ছাত্রনেতা ও ছাত্রদের অহংকারী,ছাত্রজনতার সঠিক পথ নিদের্শতা
#রিফাত_উদ্দীন
#আহম্মেদ_বচন ভাই এর প্রতিটি আন্দোলনের সাথে থাকার জন্য সবাই কে ঐক্যবদ্ব হয়ে কাজ করার আহবান জানাই ।
াংলা
্গবন্ধু।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Kishoreganj
2300
