08/05/2018
President Ziaur Rahman with renowned boxer Muhammad Ali in 1978..
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ওসমান ফারুক ভক্ত ফোরাম, Political organisation, Kishoreganj.
08/05/2018
President Ziaur Rahman with renowned boxer Muhammad Ali in 1978..
তুমি যখন রাস্তা দিয়ে যাও, তখন আল্লাহর নামে যিকির কর।
কারণ হাশরের দিন ঐ রাস্তাই তোমার পক্ষে সাক্ষী দিবে।
..হযরত মুহাম্মাদ (সঃ)
শিক্ষাঙ্গনঃ
আর্থিকভাবে দুর্বল বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে চলে সরকারী দাদাগিরি ও নিয়ম মানানোর কড়া নজরদারী।
১. পাশের হার কমলে বেতন বন্ধ,তাই রুজি রুটির জন্য নকল সরবরাহ করে শিক্ষকরা এ অন্যায়টা করে।
২. অবজেকটিভ এ নাম্বার তোলা সহজ,বলে দেওয়াও।
৩,শিক্ষকগন পড়াতে চান কিন্তু ছাত্ররা হাজির থাকেনা। মিথ্যা রিজাল্ট শো করে প্রতিষ্ঠান।
৪. প্রাইভেট টিউশন ব্যবসা, অবিভাবকদের ফি দিতে বাধ্য করা।
৫. অধিকাংশ অবিভাবকই অশিক্ষিত/ বা মূর্খ। সহজেই বোকা বানানো যায়।
৬. টিচারগণ ক্লাশে বুঝাতে পারেননা,বাসায় টাকার কোচিং এ ভাল পড়ান। অথচ এই ছাত্র পড়ানোরই বেতন পান তারা।
৭. কন্টাকের পাশ।
দেশের অসুস্থ রাজনীতির কথা আর কি বলবো।
05/05/2016
যদি মনে করেন আপনি নির্বাচনে আসবেন বা করবেন... ড. ওসমান ফারুক স্যার এর মান মেরে কেন। এমন কি হতে পারে না যা আপনি করছেন তা আপনার ভাবনার তীর উল্টা আপনার দিকে যাচ্ছে।...বীর তুমি এগিয়ে যাও। .........স্যালুট ড. ওসমান ফারুক ।
রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অনেক টাকা উঠানো হয়েছে। এ টাকা দিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ভাগ্যর উন্নয়ন হয়নি। উন্নয়ন হয়েছে আওয়ামী লীগদের”
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মে দিবসের জনসভায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া
মহান মে দিবস পালন উপলক্ষে সোহরাওয়াদী উদ্যানে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল । এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
30/03/2016
কয়েদখানা থেকে কিছুক্ষণ আগে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপি'র নব নির্বাচিত মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর।
হ্যাকিং নাকি বিশ্বসেরা রাবিশ ডাকাতি?
বাংলাদেশ ব্যাংকের রাবিশ পাহারাদারদের খুঁজে বের করুন। পাচার হয়ে যাওয়া আমাদের ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার ফিরিয়ে আনুন।
কৃষকদের সমস্যাগুলো সমাধানে সরকার কোন কাজ করছে না। এমপি-মন্ত্রীরা জনগণের কথা ভাবেন না’-
08/11/2015
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক বলেছেন, দেশের চলমান সংকট বিএনপি কিংবা কোন দলের নয়। এটা জাতীয় সংকট। এ সংকটের মূল কারণ হলো- গত ৫ই জানুয়ারির অগ্রহণযোগ্য নির্বাচন। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারকে সব রাজনৈতিক দল নিয়ে একটি জাতীয় সংলাপ আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মানবজমিনের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে সাবেক এই শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। সেখান থেকেই মূল সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তাই দেশের বাইরেও সরকারের কোন মূল্যায়ন নেই। গার্মেন্ট সেক্টরের অবস্থা খুবই খারাপ। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। এখন যেই ছিদ্রের কারণে বাঁধ ভেঙেছে, সেই ছিদ্র আগে বন্ধ করতে হবে। বিদেশী হত্যাকাণ্ডে বিএনপি নেতাদের জড়িয়ে সরকারি দলের নেতাদের অভিযোগের বিষয়ে ওসমান ফারুক বলেন, কোন বিদেশীই বিশ্বাস করছে না যে বিএনপি নেতাকর্মীরা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে। এসব ঘটনার একটি প্রমাণও সরকার দিতে পারেনি। এ ছাড়া একজন ব্লগার হত্যার ঘটনায়ও রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি। অথচ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে প্রকৃত অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বলছে- অস্থির অবস্থা সৃষ্টি করে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে চায়। আমি তো মনে করি, অস্থির অবস্থা কেউ সৃষ্টি করে এ অবৈধ সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে চাচ্ছে। তিনি বলেন, প্রকাশক দীপনকে খুনিরা এমনভাবে আঘাত করেছে তার ঘাড়ের হাড় আলাদা হয়ে গেছে। যারা এমন বর্বর ঘটনা ঘটাচ্ছে তারা সব রাজনৈতিক দলের জন্যই হুমকি। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনতে হবে। বিশ্বব্যাংকের সাবেক এ কর্মকর্তা বলেন, এ দেশের ৯৯ ভাগ মানুষ জঙ্গি নয় এবং জঙ্গিবাদের সমর্থকও নয়। বিদেশীদের সতর্কবার্তাগুলো সরকারকে গুরুত্বসহকারে আমলে নেয়া উচিত। কারণ আন্তর্জাতিক কোন জঙ্গি গোষ্ঠী যদি এ দেশে আস্তানা গাড়ে, তাহলে এর জন্য সবাইকে ভুগতে হবে। তাই দেশী-বিদেশী গোয়েন্দা তথ্যকে আমলে নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হোক। এ নিয়ে সরকারের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। বিরোধী জোটের আন্দোলন সফল না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে সাবেক এই শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিএনপি কোন জঙ্গি সংগঠন নয়। এমনকি বিএনপি নেতাকর্মীরা গাড়িতে আগুন লাগাতেও পারে না। এসব করার জন্য প্রশিক্ষিত লোক লাগে। এ ছাড়া বর্তমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে ধরনের মারমুখী আচরণ করছে, সেখানে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন করা কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগও রাস্তায় নামতে পারবে না। এ ধরনের রাজনৈতিক কালচার পরিবর্তন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, যে কোন কারণেই হোক ঢাকায় আন্দোলন হয়নি। কিন্তু ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে যে আন্দোলন হয়েছে সেটা বাংলাদেশের ইতিহাসে হয়নি। এ সরকার টিকতে পারবে না মন্তব্য করে ড. ওসমান ফারুক বলেন, এখন সরকারের মধ্যে একটা ভয় তৈরি হয়েছে, পতন হলে তাদের পরিণতি খুবই ভয়াবহ হবে। যে ভয়টা ২০০৬ সালে বিএনপির ছিল না। এ ভয় থেকে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা ছাড়তে চাইছে না। তবে দমন-পীড়ন করে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর ভর করে এ সরকার টিকতে পারবে না। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এই কথাটি আমাদের শিক্ষা দিয়েছে। বর্তমান অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এরশাদের পতনের ঘটনা তুলে ধরে ওসমান ফারুক বলেন, গণতন্ত্রকামী মানুষের প্রবল আন্দোলনের চাপে দীর্ঘ ৯ বছর পর ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন এরশাদ। তাই বর্তমান ক্ষমতাসীনদের এই পরিণতির কথা মনে রাখা উচিত। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করে সাবেক এই শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পিএসসি, জেএসসি, জেডিসিসহ ছেলেমেয়েদের প্রতি ধাপে ধাপে পরীক্ষা নিচ্ছে সরকার। পরীক্ষা দিতে দিতেই ছেলেমেয়েরা কাহিল হয়ে পড়ছে। আরেকদিকে একটি চক্র প্রশ্নপত্র ফাঁস করা নিয়ে ব্যবসায় নেমেছে। আমি শুনেছি- প্রশ্নপত্রের প্রথম প্যাকেটটা যারা বের করে তারা প্রচুর টাকা নেন। পরে ধাপে ধাপে সেটা কোটি টাকায় পৌঁছে। এ সরকার পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সরকারের সমালোচনা করে ড. ওসমান ফারুক বলেন, গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে আমি আমেরিকায় গিয়েছিলাম। সেখানে বসে বিএনপি চেয়ারপারসনকে দলীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করার অমানবিক আচরণ টেলিভিশনে দেখেছি। এসব ঘটনায় বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিবৃতি দিয়েছে। কিন্তু বিদেশীদের বিবৃতি তখনই কার্যকর হয় যখন দেশে কোন নৈতিক মূল্যবোধের সরকার থাকে। বর্তমান সরকারের নৈতিক মূল্যবোধের চরম স্খলন হয়েছে। সে জন্যই একজন পুত্রহারা পিতাকে নিয়ে এমন পরিহাস করতে দ্বিধা করছেন না আওয়ামী লীগ নেতারা। বিএনপি নেতা সমশের মবিন চৌধুরীর অবসরের বিষয়ে তিনি বলেন, শারীরিক সমস্যার কারণ দেখিয়ে তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন। তবে আমরা যারা রাজনীতিতে করি তারা কেউ বেতনভুক্ত কর্মচারী নই। আমরা স্বেচ্ছায় আসি আবার স্বেচ্ছায় চলে যাই। তবে সমশের মবিন সম্ভবত বর্তমান পরিস্থিতির মূল্যায়নের ভিত্তিতে রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন। এটি একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। দল ও দেশবাসী এ সিদ্ধান্ত কীভাবে নেবে- সেটি সময়ই বলে দেবে। বিএনপি ১৯ দফার আদর্শে উদ্বুদ্ধ একটি পরীক্ষিত দল। কিছু নেতা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, দল থেকে চলে গেলে বিএনপির কোন ক্ষতি হবে না।
আন্দোলন ও কুটনীতিতে প্রবাসী নেতাদের ফেসবুক নির্ভরতা কমাতে হবে : দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া