30/04/2026
২৯/০৪/২০২৬ তারিখ বরিশাল বিভাগে বজ্রপাতে মোট ৮জন নিহত হয়েছে। আর এই জন্য বজ্রপাতের সময় অবশ্যই সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।
বজ্রপাতের সময় পাকা দালানে আশ্রয় নিন, জানালা-দরজা বন্ধ রাখুন এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। বাইরে থাকলে গাছ বা উঁচু স্থান এড়িয়ে চলুন, পানিতে নামবেন না এবং খালি পায়ে থাকবেন না। ঘন কালো মেঘ দেখলে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন এবং শেষ বজ্রপাতের পর অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন।
বজ্রপাতের সময় বিস্তারিত করণীয়:
নিরাপদ আশ্রয়: বজ্রপাতের আভাস পেলেই দ্রুত কোনো পাকা দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন। টিনের চাল বা কাঁচা ঘরে থাকা নিরাপদ নয়।
বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম: ঘরের ভেতর টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, রাউটার এবং মোবাইল চার্জার থেকে খুলে ফেলুন । এ সময় কর্ডলেস বা ল্যান্ডলাইন ফোন ব্যবহার করবেন না।
ধাতব বস্তু ও পানি: বজ্রপাতের সময় পানি ব্যবহার করবেন না (গোসল করা, থালা-বাসন ধোয়া)। ধাতব পাইপ, সিঁড়ির রেলিং বা জানালার গ্রিল স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন ।
বাহিরে থাকলে সতর্কতা: যদি বাহিরে থাকেন, তবে উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, বা ধাতব টাওয়ারের নিচে আশ্রয় নেবেন না । খোলা মাঠ, নদী বা হাওরে থাকলে দ্রুত নিচে বসে পড়ুন, কিন্তু মাটিতে শোবেন না ।
শরীরের ভঙ্গি: যদি আশেপাশে কোনো আশ্রয় না থাকে, তবে দুই পা কাছাকাছি রেখে নিচু হয়ে বসুন, হাঁটুতে হাত রেখে মাথা গুজে দিন । পায়ের ওপর ভর দিয়ে থাকার চেষ্টা করুন, পুরো শরীর মাটিতে দেবেন না।
গাড়ি: গাড়িতে থাকলে দ্রুত কাছের কোনো নিরাপদ স্থানে পার্ক করুন এবং জানাল-দরজা বন্ধ রেখে ভেতরে অবস্থান করুন ।
বজ্রপাতের সময় যা বর্জনীয়:
খালি পায়ে থাকা ।
দলবদ্ধ হয়ে থাকা (নিজেদের মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখুন)।
ছাতা ব্যবহার (বিশেষ করে ধাতব হাতলযুক্ত)।
মাটিতে শুয়ে পড়া।
বজ্রপাতের সময় সতর্ক থাকা জীবন রক্ষা করতে পারে।
সংগৃহীত