21/02/2026
প্রত্যেক মন্ত্রীর স/মা/লো/চ/না করার জন্য বি/রো/ধী/দ/ল থেকে একজন ছায়ামন্ত্রী থাকবে।
মির্জা আব্বাসের ছায়ামন্ত্রী হিসেবে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে দেখা যেতে পারে।
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Daulatpur Focus দৌলতপুর ফোকাস, Political Party, Kushtia.
21/02/2026
প্রত্যেক মন্ত্রীর স/মা/লো/চ/না করার জন্য বি/রো/ধী/দ/ল থেকে একজন ছায়ামন্ত্রী থাকবে।
মির্জা আব্বাসের ছায়ামন্ত্রী হিসেবে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে দেখা যেতে পারে।
17/02/2026
How I watch my downfall 🤦♂️
17/02/2026
Kung-fu Hustle আমার দেখা সেরা মুভি🫤🥴 লিজেন্ডরা ঠিকি বুঝবে🫣🫣
13/02/2026
12/02/2026
গভীর পর্যবেক্ষণে আছে ভাঁড় 🤣
06/02/2026
জামাতে ইসলামীর লামী নারী সংস্থার পুরুষ শাখার কর্মীরা প্রস্তুতি নিচ্ছে ১২ তারিখ বোরখা পড়ে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে নারীদের পক্ষে ভুয়া ভোট দেয়ার । যদিও দেখুন ভালো করে সেণ্ডেল ও হাত বাঁধার স্টাইলটা লুকাতে পারেনি ।
#মা #বোনদের প্রতি আহ্বান ১২ তারিখ সারাদিন গুপ্তদের উপর নজর রাখুন। আপনার এলাকার অপরিচিত নারীরা আপনার সাথে লাইনে দাঁড়ালে কেন্দ্রে ঢুকে ভুয়া ভোট দেবার আগেই তাকে চ্যালেঞ্জ করুন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতীক ধানের শীষের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সঙ্গে জানিয়ে দিন যে এই মহিলা আপনার এলাকার কেউ না - নারী হিসেবে আপনার দায়িত্ব সবচেয়ে বেশী ও অত্যন্ত সহজ আপনার এলাকার অন্য নারীকে সনাক্ত করণে । এই লেখাটা বিএনপির নেতাকর্মীদের চাইতেও গুরুত্বের সাথে খেয়াল করবে গুপ্তরা যা তাদের একান্ত আলাপচারিতায় উঠে এসেছে ইতিমধ্যেই। আপনারা সনাক্ত করুন বাকিটা ধানের শীষের কর্মীরা সামলাবে। ইনশাআল্লাহ ✊🌾🇧🇩
সত্যি ভয়াবহ তথ্য
05/02/2026
ডার্বি নসির কেন খায় প্রতি টানে তৃপ্তি পায়।
১️⃣ প্রিমিয়াম ভাবের জন্য
👉 “ডার্বি নসির — যেখানে স্টাইল, শক্তি আর স্বাদের নিখুঁত দৌড়।”
২️⃣ পাওয়ারফুল ও সাহসী টোনে
👉 “ডার্বি নসির: এক টানে অনুভব করুন রেসের রোমাঞ্চ।”
৩️⃣ ক্লাসিক ও এলিগ্যান্ট
👉 “রুচির পরিচয়, পছন্দের নাম — ডার্বি নসির।”
৪️⃣ তরুণদের জন্য ট্রেন্ডি
👉 “লাইফ যদি হয় রেস, পছন্দ হোক ডার্বি নসির।”
৫️⃣ সংক্ষিপ্ত ও ব্র্যান্ডিং ফোকাসড
👉 “ডার্বি নসির — Born to Lead.”
04/02/2026
আর মাত্র ৮ দিন। এরপর বিদায় নেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার—বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সফল একটি সরকার।
হ্যাঁ, আমি অস্বীকার করছি না—এই সরকারের ভুল ছিল, সীমাবদ্ধতা ছিল, ব্যর্থতাও ছিল। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে।
কিন্তু যে দেশে পুলিশের বড় একটি অংশই সরকারকে সহযোগিতা করে না, একজন কনস্টেবল পর্যন্ত অনীহা দেখায়—সেই দেশে আইনব্যবস্থার উন্নয়ন কীভাবে সম্ভব?
আরেকটি অভিযোগ—বিচার নিশ্চিত করা যায়নি। কিন্তু বিচার নিশ্চিত করা কি অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ, নাকি বিচার বিভাগের?
সরকার হস্তক্ষেপ করলে তখনই বলা হতো—“ইউনুস সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না।”
পুলিশের চাপ দিয়ে কিছু দোসরকে জেলে পাঠানো গেলেও, দুই দিনের মাথায় বিচারকরা জামিন দিয়ে দিচ্ছেন। এখানে নৈতিকভাবে সরকারের করার মতো আর কী ছিল?
এবার আসি মানুষের এক্সপেকটেশনে।
অনেকেই ভেবেছিল, হাসিনা পালানোর পর ড. ইউনুস এসে এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে আমেরিকা বা ইউরোপ বানিয়ে দেবেন।
কিন্তু বাস্তবতা হলো—এক বছরে একটি দেশের কতটুকু দৃশ্যমান পরিবর্তন সম্ভব?
তবুও চেষ্টার কমতি ছিল না।
কিন্তু যত বেশি তারা চেষ্টা করেছে, তত বেশি বাধা এসেছে—আমলা, ব্যবসায়ী গোষ্ঠী, নানা স্বার্থান্বেষী মহল আর নিজেরাই জনগণ।
পলিথিন বন্ধ করতে গেলেই আন্দোলন, সেন্ট মার্টিন বাঁচাতে গেলেও ঝামেলা, বন্দরকে দুর্নীতিমুক্ত করতে গেলেও প্রতিবাদ।
এই সরকার সহযোগিতা পেয়েছে কার কাছ থেকে?
সহজ পথ ছিল—হাসিনার মতো চকচকে দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখানো, অর্থনীতিকে আরও ঋণে ডুবানো।
কারণ বাস্তবতা হলো—আমাদের সমাজে অনেকেই বিশাল চকচকে জিনিস দেখলেই খুশি হয়,
কিন্তু একটু পর সেই “উন্নয়ন” যে নিজের জীবনেই চেপে বসবে—সেটা ভুলে যায়।
তবুও, যেখানে বাধা তুলনামূলক কম ছিল, সেখানে এই সরকার অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে।
এক বছরে যা হয়েছে, তা বিশ্বাস করাই কঠিন—
লুট হওয়া ৮টি ব্যাংক রক্ষা করা
স্যাটেলাইট থেকে প্রথমবারের মতো লাভ
বাংলাদেশ বিমানের ইতিহাসের সর্বোচ্চ লাভ
চট্টগ্রাম বন্দরের রেকর্ড মুনাফা
বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি
শত শত সেক্টরে অগ্রগতি
বড় বড় প্রকল্প থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়
রিজার্ভ বৃদ্ধি
এত কাজ এক বছরে তো দূরের কথা—পাঁচ বছরেও কেউ করেনি, ভবিষ্যতেও পারবে কি না সন্দেহ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—এই সরকার আমাদের ডিগনিটি ফিরিয়ে দিয়েছে।
এই সরকারের সময় যেভাবে বাংলাদেশ ভারতের আধিপত্যের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে—এমন দৃশ্য আগে দেখিনি, ভবিষ্যতেও দেখা কঠিন।
আরো সময়, সুযোগ আর সম্মিলিত সহযোগিতা পেলে—আমরা আরও অনেক কিছু দেখতে পারতাম।
কিন্তু সত্যি কথা হলো—একটি গণ-অভ্যুত্থানের পর একটি দেশ যে পরিমাণ ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যায়, তার ১%ও আমরা পাইনি।
এই প্রচেষ্টার জন্য, এই সততার জন্য, ভবিষ্যৎকে একটু ভালো করার এই চেষ্টার জন্য—
আমি কৃতজ্ঞ ড. ইউনুস সাহেব এবং তাঁর উপদেষ্টাদের প্রতি।
দুঃখ শুধু একটাই—
ইতিহাসের সবচেয়ে কার্যকর একটি সরকারের আমলেই আজ আমাকে শুনতে হয়,
“হাসিনার আমলেই দেশ ভালো ছিল।”
04/02/2026
continuing the legacy of ভোটচুরি!
02/02/2026
প্রতিশ্রুতির পাহাড়ে বাস্তবতার ঘাটতি: দৌলতপুরে ‘সবকিছুর দায়’ নেওয়ার ঘোষণা স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবলু মোল্লার
কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা নির্বাচনী প্রচারণায় এমন কিছু প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, যা বাস্তবতার চেয়ে কল্পনার সঙ্গেই বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সচেতন মহল। মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে মাঠে নামা এই প্রার্থী নিজেকে যেন একাই প্রশাসন, ত্রাণ মন্ত্রণালয়, আদালত ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছেন।
প্রচারণায় তিনি দাবি করেছেন, দৌলতপুরে গরু চুরি হলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি গরুর দাম ফেরত না পেলে সেই টাকা তিনি নিজে দেবেন। তবে একটি উপজেলার নিয়মিত চুরি, অপরাধ ও ক্ষয়ক্ষতির দায় একজন সংসদ সদস্য ব্যক্তিগতভাবে বহন করবেন—এমন ঘোষণাকে অনেকেই অবাস্তব ও ভোটার আকর্ষণের কৌশল হিসেবেই দেখছেন।
এমপি নির্বাচিত হলে সংসদ সদস্য হিসেবে পাওয়া ভাতা তিনি নিজে নেবেন না বলেও ঘোষণা দিয়েছেন হাবলু মোল্লা। বরং সেই অর্থ মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিলি করবেন বলে জানান। কিন্তু সংসদ সদস্যের দায়িত্ব আইন প্রণয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ—ভাতা বণ্টন নয়—এ বিষয়টি তার বক্তব্যে অনুপস্থিত বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তিনি আরও বলেন, থানায় সাধারণ মানুষ মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হয়ে জামিন বা মুক্তির জন্য ঘুষ দিতে বাধ্য হলে সেই খরচও তিনি বহন করবেন। প্রশ্ন উঠেছে—আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনিয়ম বন্ধ করার বদলে ঘুষের টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া কি আদৌ সমস্যার সমাধান, নাকি অনিয়মকে কার্যত স্বীকৃতি দেওয়ার নামান্তর?
সরকারি ত্রাণ ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ক্ষেত্রেও তিনি নিজের কাঁধে দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন। কারও ভাগ্যে যদি সরকারের নির্ধারিত ৩০ কেজি চাল না জোটে, তবে তিনি নিজে সেই চাল দেবেন—এমন ঘোষণাও দিয়েছেন। এতে করে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারব্যবস্থার ব্যর্থতা দূর করবেন তিনি, নাকি শুধু তা ঢাকতেই ব্যক্তিগত দানের গল্প শোনাচ্ছেন?
সবচেয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে তার তথাকথিত ‘ব্যক্তিগত আদালত’ গঠনের ঘোষণা। তিনি বলেন, তার সঙ্গে থাকা কেউ অন্যায় করলে তিনি নিজেই বিচার করবেন। আইনবিদদের মতে, এটি সংবিধান, বিচারব্যবস্থা ও আইনের শাসন সম্পর্কে চরম অজ্ঞতার প্রকাশ।
সচেতন ভোটারদের একাংশের মতে, এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কোনো রূপরেখা নেই, নেই আইনগত বা আর্থিক ভিত্তি। ফলে এসব বক্তব্যকে উন্নয়ন পরিকল্পনার চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আলোচনায় থাকার কৌশল হিসেবেই দেখছেন তারা।
দৌলতপুরে এখন প্রশ্ন একটাই—এত দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণার আড়ালে বাস্তবসম্মত রাজনীতি কোথায়?