সরকারী গার্লস কলেজ, কুষ্টিয়া - Government Girls College, Kushtia

সরকারী গার্লস কলেজ, কুষ্টিয়া - Government Girls College, Kushtia

Share

সরকারী গার্লস কলেজ, কুষ্টিয়া - Government Girls College, Kushtia

Welcome to the official students' page of Government Girls College, Kushtia—a renowned postgraduate educational institution dedicated to empowering women through quality education since 1966. Located in Kushtia town, this college stands as a beacon of academic excellence, offering Higher Secondary, Degree, Honours, and Masters courses across Science, Humanities, and Business streams. With a rich h

01/10/2025

যে মাছ আমার আত্মীয় স্বজন প্রতিবেশিরা কিনে খেতে পারবে না, আমি টাকা থাকলেও সেটা কিনে খাবো না।

আসেন এই শপথ নেই। এটাই মনুষ্যত্ব।

15/07/2025

🗓️ ১৫ জুলাই ১৯৭১ । মুক্তিযুদ্ধের রোজনামচা
============================

১. কলকাতার ৮‑নং থিয়েটার রোডের অফিস ভবনে আয়োজিত আওয়ামি লীগ জাতীয় এবং আঞ্চলিক কমিটির বৈঠকে অংশ নেয়া সকল সেক্টর কমান্ডার, জাতির দায়িত্বে নিয়োজিত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের ওপর শপথ গ্রহণ করে এবং “স্বাধীনতা পর্যন্ত সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে”–এ মর্যাদা অনুযায়ী অঙ্গীকার ব্যক্ত করে ।
২. কমিটি মুকতি বাহিনীর ‘নৌ ও বিমান ইউনিট’ গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয়, যা মুক্তিযুদ্ধের কৌশলগত সক্ষমতা বাড়ায় ।
৩. সিলেটের শায়েবাদপুরে মুকতিযোদ্ধারা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ১৩ সদস্যকে হত্যা করে ।
৪. বল্লার এলাকায় মুকতিযোদ্ধাদের এক অভিযান—সূত্র মতে ৬০ পাকিস্তানি সৈন্যকে ধরেন এবং তাদের মধ্য থেকে ৫১ জনকে হত্যা করেন ।
৫. পাকিস্তানের সাবেক বিদেশমন্ত্রী হামিদুল হক চৌধুরী ও পিডিপি নেতা মোহাম্মদ আলী জাতিসংঘের সাধারণ সম্পাদক উ থান্তের কাছে এবং বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট রবার্ট ম্যাকনামারের কাছে বৈঠকে অংশ নিয়ে ইস্ট পাকিস্তানের অবস্থা সর্ম্পকে অবহিত করেন ।
৬. পাকিস্তান প্রেসিডেন্ট ইয়াহ্য খান ড. এ. এম. মালিককে তার বিশেষ সহকারি নিয়োগ দেন ।

#১৯৭১ #মুক্তিযুদ্ধ১৯৭১ #১৫জুলাই১৯৭১ #মুক্তিযোদ্ধা #বাংলারইতিহাস #সেক্টরকমান্ডার #গর্বেরবাংলা #বীরেরগাঁথা #স্বাধীনতারসংগ্রাম #বিজয়েরপথে #জাতিরপিতারদিশা

15/07/2025

নাম তার নূরজাহান আক্তার। জন্ম চট্টগ্রামের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে। বাবা ছিলেন দিনমজুর, মা গৃহিণী। পরিবারে অভাব ছিল নিত্যসঙ্গী। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই নূরজাহানের চোখে ছিল ভিন্ন এক স্বপ্ন—নিজেকে শিক্ষিত করা, নিজ পায়ে দাঁড়ানো এবং সমাজে কিছু করে দেখানো।

গ্রামের মেয়েরা সাধারণত প্রাথমিকের গণ্ডি পেরোনোর আগেই সংসারে জড়িয়ে পড়ে। নূরজাহানও সেই চাপের বাইরে ছিল না। নবম শ্রেণিতে পড়াকালেই আত্মীয়স্বজনরা বিয়ের প্রস্তাব আনতে শুরু করেছিল। বাবা-মা দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু নূরজাহান ছিল অটল। কেঁদে কেঁদে বলেছিল,

"আমাকে যদি পড়তে না দেওয়া হয়, তাহলে আমি নিজেকে আর জীবিত মনে করব না।"

মায়ের চোখে জল এসে গিয়েছিল। বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলে মেয়ের পাশে দাঁড়ান। পরিবার, প্রতিবেশী, সমাজের চোখরাঙানি—সব কিছুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয় তখন।

বিদ্যালয় ছিল গ্রাম থেকে তিন কিলোমিটার দূরে। প্রতিদিন ভোরে উঠে হাঁটতে হাঁটতে যেত। ছেলেরা পথ আটকে দিত, অপমান করত, ভয় দেখাত। তবুও থেমে যেত না। একবার সাহস করে প্রতিবাদ করলে এক শিক্ষক পাশে দাঁড়ান। ধীরে ধীরে আশেপাশের মানুষের চোখেও নূরজাহানের জেদ ও নিষ্ঠা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

এইচএসসি পরীক্ষায় বোর্ডে মেধা তালিকায় জায়গা করে নেয় নূরজাহান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় ইংরেজি বিভাগে। টিউশন করে নিজের খরচ চালায়। লেখাপড়ার ফাঁকে সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত হয়। গ্রামের মেয়েদের জন্য অনলাইনে একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলে—"আলোর পথে", যেখানে মেয়েরা বাল্যবিবাহ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ে সহায়তা পায়।

আজ নূরজাহান একজন সাংবাদিক ও নারী অধিকার কর্মী। আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করছে। সে বিশ্বাস করে,

"প্রতিবন্ধকতা আসবে—তবে জিততে হলে তোমাকে থামলে চলবে না।"

নূরজাহানের গল্প শুধু একজন তরুণীর জয়গাথা নয়, এটি বাংলাদেশের প্রতিটি সাহসী মেয়ের গল্প, যারা সমাজের শেকল ছিঁড়ে নিজেদের ভাগ্য নিজে গড়ে নিতে চায়।

#জীবনযুদ্ধ #নারীশক্তি #বাংলারতরুণী #স্বপ্নেরউড়ান #প্রেরণারগল্প #বাল্যবিবাহবিরোধী #নারীঅধিকার #আলোকিতভবিষ্যৎ #শিক্ষাইশক্তি

14/01/2025

রাজনৈতিক উদাসীনতা খুব খারাপ ধরণের স্বার্থপরতা।
রাজনৈতিক উদাসীন জনগোষ্ঠী সবসময় খারাপ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়, খারাপ শাসক কে ক্ষমতায় বসায়।

একজন ড্রাইভার নিয়োগ দিতে গেলে বহু প্রশ্ন করেন। তার লাইসেন্স চেক করেন। গাড়ি চালাতে পারে কি না, ছোটখাটো মেকানিকের কাজ জানে কিনা, ইত্যাদি বিষয় জানার পরে তাকে নিয়োগ দেন।

আর শাসক নিয়োগ দেন প্রায় কিছুই না জেনে, কোন যোগ্যতা যাচাই না করে, শুধুমাত্র এর-তার কথার উপরে নির্ভর করে। সেই শাসক থেকে কি ভালো শাসন আশা করা যায়?

#দেশ #মানুষ #জনগণ #রাষ্ট্র #রাজনীতি #দেশপ্রেম #মানবতা #জনসেবা #গণতন্ত্র #রাজনৈতিকবিশ্লেষণ #রাষ্ট্রবিজ্ঞান #জাতীয়তা #সমাজ #সমাজনীতি #বাংলাদেশ #বাঙালি #জাতীয়চেতনা #মানবাধিকার #রাজনৈতিকঅধিকার #জাতীয়ঐক্য #গণপ্রজাতন্ত্রী #সমাজকল্যাণ #রাষ্ট্রনীতি #দেশীয়সংস্কৃতি #রাজনৈতিকসচেতনতা #জনগণেরঅধিকার #বাংলারজীবন #রাজনৈতিকচেতনা #রাষ্ট্রগঠন #মানুষেরঅধিকার

20/12/2024

বড় সাহেব যখন আমার ব্লাউজের বোতাম খুলছিলেন, তখন আমি তার চোখের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।

কেমন যেন লোভাতুর চকচকে দৃষ্টিতে সে আমার শরীর দেখছে। হয়তো আমার চোখে তাচ্ছিল্যের কোন ভাব ছিল, সম্ভবত ঠোঁটের কোনাটাও হাল্কা বেঁকে গিয়েছিল। কারণ সে হঠাত আমার দিকে তাকিয়ে চমকে উঠলো।

আমি তাড়াতাড়ি ভয়ে কুঁকড়ে ওঠার ভান করে বুকের ওপর হাত গুটিয়ে আনলাম। সে কি বুঝলো কি জানি। এবার লোভাতুর চোখের সাথে যুক্ত হলো অশ্লীল হাসি। আমি ভয়ের ভান করে জিজ্ঞাসা করলাম,আমার সাথে কি করবেন বড় সাহেব? সে জিভ দিয়ে নিজের ঠোঁট চেটে বললো, ও তুম আভি দেখোগে।

যদিও আমি তাকিয়েই ছিলাম,কিন্তু আসলে আমি কিছুই দেখিনি। তাকে কোন বাধাও দেইনি। শুধু কিছুক্ষণ পর পর ব্যথায় শরীরটা কুঁকড়ে যাচ্ছিল,কিন্তু তাও চোখে পানি আসতে দেইনি। শুধু শরীরটাই দূষিত হচ্ছিল,কিন্তু মন ঠিকই জানতো,এই ঘরের ঠিক পেছনে এই মুহুর্তে সোহাগ লুকিয়ে আছে। এভাবে কতক্ষন কাটলো জানিনা। কতবার যে আমাকে দুষিত করলো তাও বলতে পারবো না। বড় সাহেব আমার চুলের মুঠি ধরে মেঝেতে আছড়ে ফেলার পর আমার ঘোর ভাঙে। সে শোয়ার কাপড় পড়ে ঘুমাতে গেল। রাতের খাবারের পর সে এক বোতল মদ খেয়েছে,এখন বেঘোরে ঘুমাবে।আমাকে দিয়ে তার আপাতত প্রয়োজন শেষ,তাই আমি কি করবো এটা নিয়ে সে চিন্তিত না। তাছাড়া সে জানে,ঘরের বাইরে একজন আর মাঠে দুইজন সেন্ট্রি আছে,তাই আমার পক্ষে পালানোও সম্ভব না। রক্তাক্ত আমি, ঘরের এক কোনায় বস্ত্রহীন অবস্থায় চুপচাপ বসে রইলাম। আধা ঘন্টা পর বড় সাহেব ওরফে মেজর ওয়াসিমের নাক ডাকার আওয়াজ পেলাম।

আমি বেলি, এখন যে ঘরটায় আমি আছি,সেটা আমার স্কুলের প্রিন্সিপালের অফিস ছিল। বর্তমানে পাকিস্তান সেনা ক্যাম্পের কমান্ডারের ঘর। অন্যান্য ক্লাসরুম গুলো সৈনিকদের ব্যারাক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আমি আর সোহাগ এই স্কুলে একই সাথে পড়তাম। এই স্কুলের প্রতিটা কোনা আমাদের মুখস্থ। এরপর কলেজ,আর এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও একসাথে পড়ি। সোহাগ আমার বাগদত্তা। গত এপ্রিলে আমাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ার কারনে বিয়ে পিছানো হয়। আমরাও ঢাকা ছেড়ে গ্রামে চলে আসি।কিন্তু গ্রামের অবস্থাও খারাপের দিকে যেতে থাকলে আমাদের পরিবার বর্ডার পার হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।

একরাতে সোহাগ আমার কাছ থেকে বিদায় নিতে আসে,মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেবে বলে। আমার তখন কষ্টে বুক ভেঙে আসছিল। আমিও জোর করি ওর সাথে যাওয়ার। সোহাগ যেন চমকে ওঠে,মাথা নেড়ে বারবার জানায়, এ সম্ভব না! পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কোন মেয়েদের ছেড়ে দিচ্ছেনা। তা সে যে ধর্মেরই হোক। আমি ওকে বললাম যে,আমি ওকে ছাড়া থাকতে পারবো না। ও আমাকে আশা দিচ্ছিল, স্বাধীন দেশে আমাদের বিয়ে হবে। আমাদের সুন্দর একটা সংসার হবে। আমি হঠাত প্রশ্ন করে বসলাম,যদি তুমি না ফিরে আসো,তাহলে এই স্বাধীন দেশে আমি কি নিয়ে বেঁচে থাকবো? সোহাগ চুপ হয়ে যায়, আমি জানতাম ওর কাছে এই প্রশ্নের উত্তর নেই।

আমি আরো আধাঘণ্টা ঝিম মেরে পড়ে রইলাম।এরপর আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়ালাম। ব্যথায় শরীর ভেঙে যাচ্ছে। দাঁড়াতেও পারছিনা ঠিকমত। আস্তে আস্তে হেটে রুমের কোনায় রাখা, ঝোলা গুড়ের কলসির ভিতর হাত ঢুকিয়ে চাকুটা বের করে আনলাম। বুদ্ধিটা অবশ্য বারী ভাইয়ের। বারী ভাই হচ্ছেন আমাদের এলাকার মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার। আমাদের গ্রামেরই ছেলে।আর সোহাগ তার সেকেন্ড ইন কমান্ড। সেই রাতে সোহাগের সাথে পালিয়ে যখন মুক্তিক্যাম্পে এলাম,বারী ভাই উচ্ছসিত হয়ে আমাকে মুক্তিবাহিনীতে রিক্রুট করে নিলেন। তিনি আমাকে বললেন,বিশ্বাস কর বেলি,তোকে দেখে যে আমার কি পরিমান শ্রদ্ধা হচ্ছে! তোর এত সাহস!!! আমি আসলেই তোকে নিয়ে খুব গর্ববোধ করছি রে,তুই আমার গ্রামের মেয়ে! সবাই আমাদের ভুলে গেলেও তোকে সারা দেশ চিনবে!

বারী ভাইয়ের কথায়,মনোবল অনেক বেড়ে গেল। আর সাথে সোহাগ তো আছেই! এভাবে বেশ কিছুদিন কাটলো ট্রেনিং নিয়ে। তারপর যেদিন স্কুলে বানানো ক্যাম্পে অভিযান চালানোর কথা হচ্ছিল,সেদিন সবাই বেশ চিন্তিত ছিল। ক্যাম্পে ঢোকাটা বেশ কষ্টসাধ্য ছিল,কারণ এই ক্যাম্পে সেনাসদস্যদের সংখ্যা অনেক বেশি। সবার আলোচনা শুনে আমি প্রস্তাব দিলাম যে আমি তাদের ভেতরে যাওয়ার রাস্তা করে দেব। সোহাগ বুঝলো আমি কি বলতে চাইছি। সে চমকে উঠে আমার আমার হাত চেপে ধরলো। জিজ্ঞাসা করলো,তুই কি বলছিস বুঝতে পারছিস বেলি? আমি খুব ঠাণ্ডা গলায় জিজ্ঞাসা করলাম,আমাকে যেতে দিবি না? আমাদের জন্য? আমাদের দেশের জন্য? ওর চোখে শুধু দুফোঁটা পানি দেখেছিলাম। তবে সেটা গড়িয়ে পড়ার আগেই ও মুছে ফেললো। হাসিমুখে বললো,আমাদের ভবিষ্যতেও জন্যও তো!

বারীভাই এতক্ষন মাথা নিচু করে বসে ছিলেন। এরপর আস্তে আস্তে আমাদের প্ল্যান বুঝিয়ে দিলেন। চাকুটা বের করে আমি শাড়ি দিয়ে ভালোভাবে গুড়গুলো পরিষ্কার করে নিলাম। এরপর বড় সাহেবের খাটের পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। আশ্চর্য, আমার কোন ভয় লাগছে না। শুধু পাশের বাড়ির ছয়বছরের মায়ারানীর খুবলে খাওয়া রক্তাক্ত দেহটার কথা মনে পড়ছে। বড় সাহেবের নাকি কচি মেয়ে পছন্দ,তাই ছয় বছরের বাচ্চাকেও ছাড়েনি। এইতো স্কুলের সামনে পুকুর পাড়ে ওর লাশটা পড়েছিল কেউ নিতে আসেনি। দুই দিনের দিন হয়তো শেয়াল এসে নিয়ে যায়। আমিও এই পুকুর পার দিয়ে গুড় বিক্রির নাম করে হেটে যাচ্ছিলাম। পাহারারত সৈনিক যখন আমাকে ডেকে জেরা করছিল,তখনই বড় সাহেব আমাকে ডেকে পাঠান। আমিও তাই চাইছিলাম,সেজন্যই তার দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য উঁচু গলায় কথা বলছিলাম। ক্যাম্প কমান্ডার ভাবছিল, আমি বাকিদের মত অমত করবো, হাতে পায়ে ধরে প্রান ভিক্ষা চাইবো। কিন্তু আমি উল্টা রাস্তার মেয়েদের মত বিচিত্র অংগভংগি করে তার মনোরঞ্জনের চেষ্টা করতে লাগলাম। কথায় কথায় গুড়ের হাড়ি থেকে একটু গুড়ও তার মুখে দিয়ে দিলাম। তার লোভী চোখ আমার এলোভাবে পড়া পাতলা সুতি শাড়ি ভেদ করে আমার শরীর উপভোগ করতে লাগলো। আমাকে তার রুমের ভেতরে নিতে বেশিক্ষন লাগলো না।

নাহ, চোখ বন্ধ করিনি। বরং খোলা চোখেই বড়সাহেবের গলায় অবলীলায় চাকু চালিয়ে দিলাম। সে বিষ্ফোরিত চোখে চেয়ে দেখলো আমার ঠোঁটের কোনে একটুকরো হাসি। চিৎকার করা তো দূরে থাক,তার গলা থেকে ঘরঘর জাতীয় আওয়াজ ছাড়া আর কোন আওয়াজ বের হলো না। কিছুক্ষন জবাই করা মুরগীর মত খাটে দাপাদাপি করলো,তারপর সব চুপ। একেবারেই চুপ।আমি অবশ্য দাপাদাপির আওয়াজে চিন্তিত হলাম না।কারণ দরজার বাইরের সেন্ট্রি হয়ত ভাবছে,সাহেব লীলা খেলায় ব্যস্ত,তাই এত শব্দ। আমার শরীর রক্তে মাখামাখি। কোন রকম শাড়িটা গায়ে ফেলে,রক্ত মুছে আস্তে করে দরজা খুললাম। সেন্ট্রিটা বোধহয় ঘুমিয়ে ছিল। ধরমর করে উঠে বসতে আমি তাকে বললাম যে, সাহেব তাকে ভেতরে ডাকে। তাকে ভেতরে নেয়ার পর বাকি কাজটা আর কঠিন কিছু ছিল না।

এলোমেলো শাড়ি পড়ে এবার সৈনিক ব্যারাকের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। একটা রুমে কিছু সৈন্য তাস খেলছে।আমি তাদের সামনে এমনভাবে দাঁড়ালাম, যেন ভুল করে চলে এসেছি। তারা এম্নিতেই মনোরঞ্জনে ব্যস্ত ছিল।আমি তাদের সামনে যাওয়াতে তারা যেন আরেকটা খোরাক পেয়ে গেল। একদল হায়েনা যেমন অন্য পশুর ঝুটা খাবারের জন্য ওত পেতে থাকে,ওরাও তেমন যেন ওত পেতে ছিল। চোখের পলকে আমি আবার বিবস্ত্র হলাম।যে যেভাবে পারছে আমাকে ছুড়ে, ছিড়ে, খুবলে খাচ্ছে।আমি চোখের সামনে অন্ধকার দেখতে পাচ্ছিলাম।মুহুর্তেই জ্ঞান হারাবো।
এরমধ্যেই শুনলাম সেই কাঙ্ক্ষিত শব্দ,"সকাল"----আমাদের কোডওয়ার্ড। প্ল্যান অনুযায়ী এই শব্দ শোনার পর আমার প্রথম কাজ হবে মেঝেতে শুয়ে পড়া। তারপর গড়িয়ে গড়িয়ে দরজা দিয়ে বের হয়ে যাওয়া। আমি সাথে সাথেই মেঝেতে শুয়ে পড়লাম।কিন্তু একচুল নড়তে পারলাম না। ক্লান্তিতে শরীর যেন আর চলছে না। মুক্তিবাহিনীর অস্ত্র যেন ঘরের ভেতরে আগুনের ফুল্কি তুলছে। বুলেটের আওয়াজে সারা স্কুলঘর কেঁপে কেঁপে উঠছে। ঘুমন্ত সৈনিকদের ব্যারাকে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে,ঠিক যেমন ওরা সাধারণ নিরীহ মানুষগুলোর ঘরে দিয়েছে। তবে যারা বেড়িয়ে আসার চেষ্টা করছিল,তাদের জন্য বাড়তি হিসেবে গ্রেনেড ছোড়া হয়।

হঠাত দেখি দরজার বাইরে যেন সূর্য্য উঠছে আর সোহাগ আমাকে হাত বাড়িয়ে ডাকছে। আমি রক্তাক্ত শাড়িটা কুড়িয়ে, ধীরে ধীরে দরজার দিকে গড়িয়ে গড়িয়ে আগাতে লাগলাম। বাইরে এসে বুঝলাম আলোটা সূর্যের ছিলনা,ব্যারাকের আগুনের ছিল। আমি কাঁপতে কাঁপতে উঠে দাঁড়ালাম । আমার পরবর্তী গন্তব্য পুকুরের দক্ষিণ পাশের তালগাছের নিচের ঝোপ থেকে ১০০ গজ পূর্বে। যেতে আমাকে হবেই। আমাকে যেতেই হবে! টলমলে পায়ে হোঁচট খেতে খেতে হাটতে শুরু করলাম। ক্লান্তিতে,কষ্টে চোখ বারবার বুঁজে আসছে। টলতে টলতে পড়েই যাচ্ছিলাম,কোথাথেকে যেন একজোড়া হাত আমাকে ধরে ফেলে। চোখ বুঁজেও বুঝলাম,এ সোহাগ ছাড়া আর কেউ না।একরাশ কান্না যেন গলায় দলা পাকিয়ে গেল। আমি ওর দিকে তাকিয়ে বললাম, দেখেছিস,বলেছিলাম না পারবো?
সোহাগ আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো,আমরা পেরেছি রে! আমরা একসাথে পেরেছি!!!

আমি সোহাগের কাধে মাথা এলিয়ে দেই। ইশ, ভালোবাসার স্পর্শে কি আনন্দ!!!

-সূর্যোদয়ের_হাতছানি
-জেনিফার আরেফীন তিলোত্তমা

#মুক্তিযুদ্ধ #মুক্তিযোদ্ধা #বীরাঙ্গনা #রাজাকার #পাকিস্তান #গণহত্যা #বাংলাদেশেরইতিহাস #১৯৭১ #স্বাধীনতাযুদ্ধ #বীরবাঙালি #স্বাধীনতাসংগ্রাম #জাতীয়গৌরব #ইতিহাস #বীরত্ব #মুক্তিযুদ্ধেরগল্প #দেশপ্রেম #বাংলাদেশ #মুক্তিযুদ্ধ৭১ #গণহত্যারইতিহাস #মুক্তিযুদ্ধেরচেতনা

16/12/2022

সমুদ্রের মাঝখানে এক জাহাজ প্রচন্ড ঝড়ের মধ্যে পরে লন্ডভন্ড হয়ে গেল। সেই জাহাজের বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী ভাসতে ভাসতে এক নির্জন দ্বীপে এসে পৌছালো। জ্ঞান ফেরার পর প্রথমেই সে আল্লাহর কাছে প্রানখুলে ধন্যবাদ জানালো তার জীবন বাঁচানোর জন্যে। প্রতিদিন সে দ্বীপের তীরে এসে বসে থাকতো যদি কোনো জাহাজ সেদিকে আসে এই আশায়।কিন্তু প্রতিদিনই তাকে হতাশ হয়ে ফিরে আসতে হতো।এরই মধ্যে সে সমুদ্রতীরে তার জন্যে একটা ছোট ঘর তৈরী করে ফেললো। সমুদ্রের মাছ ধরে এবং বন থেকে ফলমূল শিকার সে বেঁচে থাকলো।

এরই মধ্যে সে একদিন খাবারের খোঁজে বনের মধ্যে গেল। বন থেকে সে যখন ফিরে এলো তখন দেখলো যে তার রান্না করার চুলা থেকে আগুন লেগে পুরো ঘরটিই ছাই হয়ে গিয়েছে এবং তার কালো ধোঁয়ায় আকাশ ভরে গিয়েছে।লোকটি চিৎকার করে উঠলো,

‘হায় আল্লাহ,তুমি আমার ভাগ্যে এটাও রেখেছিলে!’

পরদিন সকালে এক জাহাজের আওয়াজে তার ঘুম ভাঙলো।জাহাজটি সেই দ্বীপের দিকে তাকে উদ্ধার করার জন্যই আসছিলো। সে অবাক হয়ে বললো,
‘তোমরা কিভাবে জানলে যে আমি এখানে আটকা পরে আছি!’

জাহাজের ক্যাপ্টেন জানালো,‘তোমার জ্বালানো ধোঁয়ার সংকেত দেখে।'

Photos 05/09/2022

পুরনো সৃতি

Photos 30/08/2022

ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও ভোকেশনাল শিক্ষার ভিডিও ক্লাস পেতে যোগ দিন :
https://www.facebook.com/GOLNElectrical

#

Photos 29/08/2022

Photos 27/08/2022

Want your business to be the top-listed Government Service in Kushtia?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


College Road
Kushtia
7000