14/11/2025
শুভ জন্মদিন-
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সফল চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান ও বর্ষীয়ান আওয়ামীলীগ নেতা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর অন্যতম সদস্য-
জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু (এমপি)।
11/11/2025
কুষ্টিয়ার আওয়ামী রাজনীতির ভবিষ্যৎ, কুষ্টিয়া পৌর বাসীর মাটি ও মানুষের নেতা, কুষ্টিয়া পৌরসভার সাবেক জননন্দিত মেয়র আনোয়ার আলীর পুত্র পারভেজ আনোয়ার তণু-কে অবৈধ সরকারের দখলদার বাহিনী কর্তৃক আ/টকের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
জেগে ওঠো বাংলার জনতা...
জয় বাংলা✊🏻
17/06/2025
কুষ্টিয়া-০১ (দৌলতপুর) আসনের সাবেক সাংসদ ও দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আ.ক.ম সরওয়ার জাহান বাদশাকে অবৈধভাবে আটকের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এভাবে অন্যায় আর জুলুমের মাধ্যমে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের দমিয়ে রাখা যাবে না!
16/03/2025
কিছু কথা -
""""""""""""""""
মোমিনুর রহমান মোমিজ।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক-
কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগ।
'৭১ পরবর্তী '৭৫-এর ১৫ আগষ্ট পর্যন্ত ভঙ্গুর বাংলাদেশের কথা আমরা সকলেই জানি। ৭৫ পরবর্তী সময়ে ক্যন্টনমেন্ট থেকে ক্ষমতা দখল করা হা-না ভোটের মাধ্যমে শুভঙ্করের ফাঁকির মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা দল বিএনপি। আজ ২০২৫ এ এসেও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ইউনুস গংরা একই স্বপ্নে বিভোর। এই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ '৬৬ ভাষা আন্দোলন, '৬৯ গণ অভ্যত্থান, '৭১ এর মত মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে বিশ্বের বুকে লাল-সবুজের পতাকা খচিত বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন যে নেতার নেতৃত্বে সেই মহান নেতাকে '৭৫ এর ১৫ আগষ্ট স্ব-পরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র তাদের ক্রোধ-খায়েশ মিটাবার চেষ্টা করেছে মাত্র। মাত্র কথাটি এই কারনেই বললাম- স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠনে বঙ্গবন্ধুর ৭-ই মার্চের ভাষণ থেকে শুরু করে '৭১ পরবর্তী '৭৫ এর ১৫ - আগষ্ট শাহাদাত বরণের আগ পর্যন্ত তাঁর সমস্ত ভাষণ পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে দেশের প্রতি মমত্ববোধ আর সাধারন মানুষের প্রকৃত আকাঙ্খার রুপদান। আমরা এরশাদের সৈরশাসন, বিএনপি শাসনামলের হাওয়া ভবন তৈরি করে দূর্ণীতির মহোৎসব। পরবর্তী ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত আওয়ামী সরকারের শাষনামলের ধারাবাহিকতা না পেলেও ২০০৮-২০২৪ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু কণ্যার নেতৃত্বে অসাধ্য সাধন করে উন্নয়নের রোল মডেল ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মান, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, টি আর, কাবিখা, মাতৃকালীন ভাতা, বিধবা ভাতা, টিসিবি এবং ওএমএস এর মাধ্যমে অসহায় গরীবদের জন্য স্বল্প মূল্যে খাদ্য সহায়তা, বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়ন, রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, চিকিৎসা-সেবা, রেল যোগাযোগ, ঢাকা সিটিতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, রুপপুর পারমানিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কর্ণফুলি টানেল, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ অসংখ্য উন্নয়ন সাধিত করে বঙ্গবন্ধু কণ্যা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সারথি হিসেবে বাংলার কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।
নেতৃত্ব তো একজন-ই দেয়, বাস্তবায়নকারী সহায়ক থাকে অনেকে। বঙ্গবন্ধু কণ্যার এই উন্নয়ন মহাযুদ্ধে যারা নিজেদের নিষ্টার সাথে আত্মনিয়োগ করেছেন তাদের প্রতি সম্মান জানাই। আর যারা অন্য আদর্শের হয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের লেবাস পরে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে লোভ লালসার বশীভূত হয়ে নিজেরা ও আওয়ামী লীগ সরকার ও আওয়ামী লীগের মত একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলকে কলঙ্কিত করেছেন তাদেরকে আমরা ঘৃনাভরে প্রত্যাখ্যান করি ও তাদের শাস্তি দাবি করি, যথাযত আইনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে।
সেই কাজটি বঙ্গবন্ধু কণ্যা শুরুও করেছিলেন।
এই দলে অনেক নির্লোভ কর্মী বাহিনী রয়েছে। আজকে গভীর ভাবে লক্ষনীয় বঙ্গবন্ধু কণ্যার ১৭ বছরের শাসনামলে কুষ্টিয়াতে অনেকে দলের বদৌলতে পদপদবী ব্যবহার করে সরকারী ও সাংবিধানিক দায়িত্বে থেকে নিজেরা অনেক সুবিধা ভোগী হয়েছেন। হানিফ ভাইয়ের প্রচেষ্টায় জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা বাংলাদেশের ন্যায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়ছে কুষ্টিয়ায়। আমরা সমালোচনা করতে গিয়ে আমাদের অর্জনকে ম্লান না করি। সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলার সৎ-সাহস যেন আমরা না হারাই। রাজনীতিবীদদের কাছ থেকে ব্যাবসায়ী, আমলা, সমাজপতি, পুঁজিপতি সহ সকলেই সুবিধা নিয়ে থাকে। দোষ কেউ-ই নেয় না, আমরা যেন ষড়যন্ত্র কারীদের রুখতে পারি ঐক্যবদ্ধ ভাবে।
'২৪ এর ০৫ ই আগষ্টের পর থেকে আজ দীর্ঘ ৭ মাস পেরিয়ে গেলেও আপনাদের এতটুকু আত্মপোলব্ধির উদয় হয় নি। সুবিধা ভোগীদের বলছি, আপনারা নিজেদের আড়াল আর মিথ্যাচারের মধ্য দিয়ে এই দলকে আরো গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত করবেন না। অনেকেই বলাবলি করে আপনারা আবার সেই ছক আটছেন, বঙ্গবন্ধু কণ্যা আবার তার সততা আর সাহসিকতায় বাংলার মাটিতে ফিরে এদেশের ১৮ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফুটাবে আর আপনারা আবার সেই মহোৎসবে মেতে উঠবেন। আপনাদের বিবেকের দরজা আর বন্ধ না রেখে সুবিধা বঞ্চিত নেতাকর্মীদের কথা ভেবে তাদের কাছে টেনে নিজেদের কিছুটা হলেও কলঙ্ক মুক্ত করুন। তা-না হলে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হতে সময় লাগবে না। প্রয়াত শ্রদ্ধাভাজন নেতা সৈয়দ আশরাফ ভাইয়ের এই উক্তি আজও হদয়ে নাড়া দেয়- রাজনীতিবিদ দের শেষ আশ্রয়স্থল জনগণ আমরা সেই জনগণকেই বারবার উপেক্ষা করি, আমরা যেন সকল সময় জনগণের সাথে থাকি, সেই লক্ষ্যেই যেন হয় আমাদের রাজনীতি।
আমাদের এই পরিণতির ষড়যন্ত্র-এই ইউনুস গংদের। ধর্ম ব্যাবসায়ীরা আজ দেশ ধ্বংসের হলি খেলায় লিপ্ত। ইসলামের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আওয়ামীলীগের সমস্ত অর্জনকে ধ্বংস করতে চায় ওরা। বাংলাদেশের ইতিহাসের সাক্ষী ধানমন্ডির ৩২, সচিবালয়ের মত স্পর্শকাতর স্থান আরো কি বুঝতে বাকি আছে আমাদের। কিন্তু সেই সুযোগ কি আমরা করে দিই নাই ?
আমাদের শুধরাতে হবে- ভুল থেকেই মানুষ শিক্ষা নেই। নেতৃত্বের গুনগত মান নিরুপণ করা জরুরি। দায়িত্বশীল নেতৃবিন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করব- যেন অচিরেই কুষ্টিয়া কোর্টে নির্যাতিত মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত অসহায় কর্মীেদর আইন সহায়তা প্রদানের লক্ষে একটি আইন সেল গঠন করা হয় দলের শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে। ২০০৮-২০২৪ এই দীর্ঘ সময়ে যে সকল সুখপাখী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোর্ট কাচারীতে জনপ্রতিনিধি হিসাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের দায়িত্ববান হওয়া জরুরি বলে মনে করি। খর-রোদে আমাদের সৌন্দর্য বিনষ্ট হওয়ার চিন্তা না করে একে অন্যের পাশে দাঁড়াই। ব্লাক-ডায়মন্ড খুঁজে তাদের সাথে থেকে কাঁধে কাঁধ মিলয়ে এই অস্তিত্ব সংকট থেকে দল ও জাতিকে রক্ষা করা সময়ের দাবী। আমরা যেন অন্য দল থেকে এনে আর আমদানী নির্ভর দলে পরিনত না হই। এই উপলব্ধি বোধকে আমরা যেন উপেক্ষা না করি। আমরা নিজেদের নিজেরাই শুধরে নিই, নাহলে '৭১ কে মুছে দিতে ওদের আর বেশী সময় লাগবে না। বঙ্গবন্ধু কণ্যার এ দল ও এদেশের মানুষের প্রতি অনেক মমত্ববোধ জননেত্রী শেখ হাসিনা এদেশের মাটি ও মানুষ কে শিশুর মত আলগে রাখেন- দেশটাকে এমন করেই ভালবাসেন তিনি । অনেক তো করলেন গাড়ি বাড়ি, যশ-খ্যাতি কিছুই তো কাজে আসছে না, আর অহংকার নয় আসুন আমরা নমনীয় ও সহনশীল হই, মহান আল্লাহর পরে আমরা দেশ গড়তে বঙ্গবন্ধু কণ্যার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল থেকে এদেশের যুবসমাজকে সংগঠিত করি। যোগ্য নেতৃত্বের পাশে নিজেকে কর্মী হিসাবে প্রমান করে নেতৃত্বের জায়গায় নিজকে আসীন করি। একজন দূর্ণীতিবাজ নেতার থেকে একজন আদর্শিক কর্মী হওয়া অনেক গর্বের। আসুন আমরা এটাই প্রমান করি নিজেদের শুধরে নেয়ার এটাই সুযোগ। আসুন আমরা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও বঙ্গবন্ধু কণ্যা তথা আওয়ামী লীগ সরকারের এই অর্জনকে আমরা অন্যের হাতে তুলে না দিয়ে রক্ষা করার প্রচেষ্টায় আরো একবার জীবন বাজী রাখি। কারন আমিও একজন আওয়ামী লীগের কর্মী, এ দায়িত্ব সবার আগে আমার।
জয় বাংলা - জয় বঙ্গবন্ধু।