Finance & Banking, Islamic University, Kushtia

Finance & Banking, Islamic University, Kushtia

Share

This is the official page for the students of Dept of finance and Banking of Islamic University, Kushtia.

02/06/2023

হাইকোর্টের নির্দেশে ৬ বছর পর চাকরি ফিরে পেলেন ইবির সেই শিক্ষক

হাইকোর্টের নির্দেশে দীর্ঘ ৬ বছর পরে চাকুরি ফিরে পেলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের চাকুরিচ্যুত সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান। গত সোমবার অনুষ্ঠেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫৯তম সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে তাকে চাকরিতে স্বপদে বহাল রাখার সিন্ধান্ত গৃহীত হয়।

৩১ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে হাইকোর্টের আদেশ ও রায় অনুযায়ী তাকে স্বপদে বহাল রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনের (Special Original Jurisdiction) দায়েরকৃত Writ petition No. 405 of 2018 এর আলোকে মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশন কর্তৃক আদেশ ও রায় অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে স্বপদে ১৬ এপ্রিল ২০১৭ হতে (সহকারী অধ্যাপক) পুনর্বহাল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান বলেন, মহামান্য হাইকোর্ট তার পক্ষে রায় দিয়েছে। এবং মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশেই তাকে স্বপদে পুনর্বহাল করা হয়েছে।

ক্যাম্পাসসূত্রে জানা যায়, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ এক নারী শিক্ষার্থী কর্তৃক আনিত কথিত যৌন হয়রানির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৬তম সিন্ডিকেটে আসাদুজ্জামানকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, চাকরিচ্যুত হওয়ার পর হাইকোর্টে আপিল করেন ওই শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় গত ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দেন। গত ২৯ মে অনুষ্ঠেয় ২৫৯ তম সিন্ডিকেট সভায় তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এবিষয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর নিকট শুকরিয়া। আমি সম্মানের সহিত পদটি ফিরে পেয়েছি। তখন আমার প্রতি অবিচার করা হয়েছিল, উচ্চ আদালতে সুবিচার পেয়েছি এবং আমি যোগদান করেছি।

31/05/2023

অনার্সে ফেল মাস্টার্সে পাস, দুই সনদই বাতিল

স্নাতকে পাস নম্বর না পেলে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। কিন্তু কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে ঘটেছে ব্যতিক্রম এক ঘটনা। এক শিক্ষার্থী স্নাতকে অকৃতকার্য হয়েও স্নাতকোত্তরে পাস করেছেন।

ঘটনার চার বছর পর মূল সনদ তুলতে গেলে স্নাতকে অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন শামীরুল ইসলাম নামের ওই শিক্ষার্থী। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ একাডেমিক কাউন্সিলে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। শেষে ওই শিক্ষার্থীর স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের দুই সনদই বাতিলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীকে বিশেষ পদ্ধতিতে স্নাতকের মানোন্নয়ন পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয় একাডেমিক কাউন্সিল। সোমবার (২৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। ফলে ওই শিক্ষার্থীকে পুনরায় স্নাতক পরীক্ষা দিতে হবে।

রেজিস্ট্রার দপ্তর ও একাডেমিক কাউন্সিলের একাধিক সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, শামীরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৭ সালে ওই শিক্ষার্থীর স্নাতক শেষবর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় ৪১৫ নম্বর কোর্সে অকৃতকার্য হন তিনি। পরে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকোত্তরে ভর্তি হন শামীরুল ইসলাম। ২০১৮ সালে তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে স্নাকতোত্তরে কৃতকার্য হন। এর চার বছর পর স্নাতক শেষবর্ষে অকৃতকার্য বিষয়ে পরীক্ষার জন্য তিনি আবেদন করলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে ও আলোচনার সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমানকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। একাডেমিক কাউন্সিলে তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হলে এ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। এসময় সভার কয়েকজন সদস্য এ ঘটনায় বিভাগ ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের গাফিলতির বিষয় তুলে ধরেন।

শামীরুল ইসলাম বলেন, ‘মূল কাগজপত্র উত্তোলন করতে গিয়ে এ বছরের ১৭ জানুয়ারি জানতে পারি স্নাতকে আমার একটি বিষয়ে ফেল আছে। কিন্তু সেইসময়ে বিষয়টি আমাকে জানানো হয়নি। এমনকি বিভাগ থেকেও না। এর আগে আমি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের সাময়িক সনদপত্র উত্তোলন করি। সেখানে আমাকে কৃতকার্যই দেখানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাকে ডেকেছিল। আমি সব ডকুমেন্ট সেখানে উপস্থাপন করেছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘একাডেমিক কাউন্সিলে ওই শিক্ষার্থীর সনদ বাতিল করা হয়েছে। তাকে বিশেষ মানোন্নয়ন পরীক্ষা দিতে বলা হয়েছে।’

এ বিষয়ে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সভাপতি ড. বখতিয়ার হাসান বলেন, ‘আমি এখনো সিদ্ধান্তের চিঠি পাইনি। এজন্য মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। যতটুকু জেনেছি তদন্তে হয়তো বিভাগের অবহেলা পাওয়া যায়নি। এটা ওই শিক্ষার্থীর নেগলিজেন্স ছিল। তবে মাস্টার্সে ভর্তির সময় ভালোভাবে চেক করলে হয়তো এমন ঘটনা ঘটতো না। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত দেবে বিভাগ সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলাম। একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় তার দুই সনদ বাতিল করা হয়েছে। মানবিক দিক বিবেচনায় তাকে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।’

21/04/2023
30/08/2018

বাবার পায়ে পায়ে

এস এম নাহিদুল ইসলাম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

বাবা মো. আতিয়ার রহমান ছিলেন খুলনা জেলার গুটুদিয়া হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক। সেই স্কুলেই শিক্ষাজীবন শুরু নাহিদের। বাবার পেশা ও শিক্ষকতাজীবন দারুণভাবে প্রভাবিত করেছিল তাঁর শিশুমানসকে। তাই ছোটবেলায়ই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, বড় হয়ে শিক্ষক হবেন। সেই স্বপ্নের পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতেই আজ তিনি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে গেছেন। কর্মরত আছেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক হিসেবে।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে শ্রেষ্ঠত্বের বিচারে নিজেকে সেরা প্রমাণ করে জিতে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক উভয় পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শুরু হয়েছিল কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে। এখানে প্রথম দিকে নতুন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে তাঁকে বেশ বেগ পেতে হলেও পড়াশোনার সঙ্গে আপস করেননি। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ক্লাস করে, এরপর দুপুরের খাবার খেয়ে কখনো বা বিকেল ৪টা আবার কখনো রাত ৮টা পর্যন্ত সময় কাটিয়েছেন লাইব্রেরিতে। এই অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে প্রথম সেমিস্টারে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি। সফলতার এই সূত্র ধরে বিবিএতে নিজ অনুষদের সর্বোচ্চ সিজিপিএ ৩.৯৮ এবং এমবিএতে সর্বোচ্চ সিজিপিএ ৩.৯২ অর্জন করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ ছিল নাহিদের। তাঁর বিশ্বাস, ভালো মানুষ হওয়ার জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে মিশতে পারা এবং সব কিছুর ভালো দিক গ্রহণ করার গুণটিও থাকা চাই।

10/08/2018

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী দুই ছাত্রছাত্রীর আত্মহত্যা!


রোকনুজ্জামান ও মুনতা হেনা দুজনই কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর পরীক্ষা দিয়েছিলেন। মেধাবী দুই শিক্ষার্থী ফলাফলের অপেক্ষায় ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ও রাতে তিন ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক স্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ, পরিবার ও বন্ধুর সূত্রগুলো বলছে, প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে পারিবারিক দ্বন্দ্বে তাঁরা আত্মহত্যা করেছেন। দুজনের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দুই শিক্ষার্থীর সহপাঠীদের ভাষ্যমতে, তাঁরা দুজন একে অপরকে ভালোবাসতেন। বিষয়টি মুনতা হেনার পরিবার মেনে নেয়নি। এ জন্য তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মুনতার মৃত্যুর খবর পেয়ে রোকনুজ্জামান ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

মুনতা হেনার বাবা মুহাম্মদ আশরাফুল আলম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান। তাঁর সঙ্গে প্রথম আলো মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি জানান, সন্ধ্যা ছয়টায় তাঁর মেয়ে নিজ শয়নকক্ষে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মাহবুবর রহমান প্রথম আলোকে জানান, ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মুনতা হেনা ও রোকনুজ্জামান। দুজনই বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। স্নাতক পর্যায়ে রোকন প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। মুনতা হেনার ফল ছিল সিজিপিএ (কিউমিলিটিভ গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ) ৩.৫০।
তিনি বলেন, ‘তাঁরা কেন যে এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, অবাক লাগছে। দুজনের লাশই ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে দেওয়া হয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়, পরিবার ও পুলিশ সূত্র জানায়, দুই শিক্ষার্থীর প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি পারিবারিকভাবে মেনে নেওয়া হচ্ছিল না। এ নিয়ে ঝামেলা চলছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের ঝিনুক টাওয়ারের পঞ্চম তলায় নিজ শয়নকক্ষে ফ্যানের সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন মুনতা হেনা। এ খবর শোনার পর কুষ্টিয়া শহরের পেয়ারাতলার এক মেসে থাকা রোকনুজ্জামান শহরের মতি মিয়া রেলগেট এলাকায় যান। সেখানে রাত সোয়া নয়টায় পোড়াদহ থেকে গোয়ালন্দগামী শাটল ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

পোড়াদহ জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আবজাল হোসেন বলেন, লাশ উদ্ধারের পর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রোকনের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা এলাকায়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, মুনতা হেনার বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়। ঝিনাইদহ শহরে ভাড়াবাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন তিনি।

নাম প্রকাশ না করে রোকনুজ্জামানের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা হতভম্ব হয়ে গেছি—রোকন এমন একটা কাজ করেছে! এটা মানতেই পারছি না। রোকন খুবই মেধাবী ছাত্র ছিল। মুনতা হেনার সঙ্গে রোকনের কয়েক বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।’

আজ শুক্রবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর জানিয়ে বলেছে, ‘জীবনে চলার পথে ঘাত-প্রতিঘাত এবং যেকোনো সমস্যা আসতেই পারে। কিন্তু আত্মহত্যা কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না। এ ধরনের অকাল মৃত্যু কারও কাম্য নয়।’

09/08/2018

প্রেমের জন্য জীবন দিল ইবির দুই শিক্ষার্থী।


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের রোকনুজ্জামান কুষ্টিয়ার মতি মিয়া রেল গেট এলাকায় রেল লাইনে ঝাপ দিয়ে এবং একই বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের হেনা (ছাত্রী) বিষ পানে আত্মহত্যা করেন। রোকনুজ্জামান বিভাগের ফাস্ট ক্লাস ফাস্ট ছিলো। জানা যায় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, মেয়েকে পরিবার থেকে বিয়ে দিতে চাইলে সে পরিবারকে তাদের সম্পর্কের কথা জানায়। পরিবার রাজি না হওয়াতে প্রথমে মেয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে ও পরে ছেলে ট্রেন থেকে ঝাপ দেয়। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২০১২-১৩ সেশনের আরেক শিক্ষার্থী বলেন ,আমার সাথে তার( রোকনুজ্জামান) ভালো সম্পর্ক ছিলো কিন্তু আমকে কখনো তাদের সম্পর্কের কথা বলেনি। রোকনুজ্জামানের বাসা চুয়াডাঙ্গা এবং হেনার বাসা সাতক্ষীরা বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, নিহতো হেনা ইবির আল-হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিস বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম স্যারের মেয়ে বলে জানা যয়।

Want your business to be the top-listed Government Service in Kushtia?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Kushtia
7003

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 16:00
Saturday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 16:00