01/07/2020
Hardinge Bridge - হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
এশিয়ার বৃহত্তম রেলসেতু। বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র।
01/07/2020
17/09/2016
ঈদ আনন্দে মুখরিত সবার প্রিয় 'হার্ডিঞ্জ ব্রিজ' এবং 'লালন শাহ সেতু'।
চিত্রগ্রহণঃ ১৬.০৯.২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ।
অফিসিয়াল নামঃ হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
বাহক ব্রড-গেজ রেললাইন
ক্রস পদ্মা নদী
স্থানঃ পাবনা জেলা , বাংলাদেশ
মোট দৈর্ঘ্যঃ ১,৭৯৮.৩২ মিটার (৫,৯০০ ফু)
উন্মেষিতঃ ৪ মার্চ, ১৯১৫
� #�স্থানাঙ্ক�
৫৪°০৩′৫৭″ উত্তর ৮৯°০১′৩৫″ পূর্ব / ৫৪.০৬৫৮৩°
উত্তর ৮৯.০২৬৩৯° পূর্ব
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ( ইংরেজি : Hardinge
Bridge) বাংলাদেশের পাবনা জেলার
ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী রেলওয়ে
স্টেশন সংলগ্ন একটি রেলসেতু। এটি
বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ
রেলসেতু হিসেবে পরিচিত। পাবনা
জেলার পাকশি রেলস্টেশনের
দক্ষিণে পদ্মা নদীর উপর এই সেতুটি
অবস্থিত। এই সেতুর নির্মাণকাল
১৯০৯-১৯১৫। তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড
হার্ডিঞ্জের নাম অনুসারে এই সেতুর
নামকরণ করা হয়। হার্ডিঞ্জ ব্রিজের
দৈর্ঘ্য ১,৭৯৮.৩২ মিটার বা ৫৯০০ফুট। এর
উপর দু'টি ব্রড-গেজ রেললাইন রয়েছে।
� #�অবস্থান�
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ঈশ্বরদী উপজেলাধীন
পাকশী ইউনিয়নে অবস্থিত। হার্ডিঞ্জ
ব্রীজ ঈশ্বরদী উপজেলার একটি
ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। ঈশ্বরদী
উপজেলা সদর হতে প্রায় ৮ কিঃ মিঃ
দক্ষিণে পাকশী ইউনিয়নে পদ্মা নদীর
উপর ব্রীজটি অবস্থিত।
ইতিহাস
হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নির্মাণ কাজ
(১৯১০)
১৮৮৯ সালে তৎকালীন অবিভক্ত ভারত
সরকার আসাম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড ও
উত্তরবঙ্গের সাথে কলকাতার
যোগাযোগ সহজতর করার লক্ষ্যে পদ্মা
নদীর উপর ব্রীজ নির্মাণের প্রস্তাব
করেন। পরবর্তীতে ১৯০৮ সালে ব্রীজ
নির্মাণের মঞ্জুরী লাভের পর বৃটিশ
প্রকৌশলী স্যার রবার্ট গেইল্স সেতু
নির্মাণের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
১৯০৯ সালে ব্রীজ নির্মাণের সার্ভে
শুরু হয়। ১৯১০-১১ সালে পদ্মার দুই তীরে
ব্রীজ রক্ষার বাঁধ নির্মাণ হয়। ১৯১২
সালে ব্রীজটির গাইড ব্যাংক
নির্মাণের কাজ শুরু হয়। পাশাপাশি
ব্রীজটির গার্ডার নির্মাণের কাজ শুরু
হয়। অতঃপর ব্রীজটির গার্ডার
নির্মাণের জন্য কূপ খনন করা হয়। ২৪
হাজার শ্রমিক দীর্ঘ ৫ বছর অক্লান্ত
পরিশ্রম করে ১৯১৫ সালে ব্রীজটির
নির্মাণ কাজ শেষ করেন। তৎকালীন
অবিভক্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন লর্ড
হার্ডিঞ্জ। তাঁর নামানুসারে
ব্রীজটির নামকরণ করা হয় হার্ডিঞ্জ
ব্রীজ। সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ৩ কোটি
৫১ লক্ষ ৩২ হাজার ১ শত ৬৪ টাকা।
ব্রীজটির দৈর্ঘ্য ৫ হাজার ৮ শত ফুট।
ব্রীজটিতে ১৫টি স্প্যান আছে।
১৯৭১সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়
ব্রীজটিতে বোমা মারা হলে ১২ নম্বর
স্প্যানটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যা পরে
মেরামত করা হয়েছে। [১] ব্রীজটি
ঈশ্বরদী ভেড়ামারা সীমানায়
পদ্মানদীর উপর অবস্থিত। ব্রীজটি দিয়ে
শুধু ট্রেন চলাচল করে। বাংলাদেশ
রেলওয়ে ব্রীজটির রক্ষণাবেক্ষণ ও
নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে। ২০১৫
সালে এই ব্রিজটি ইহা নির্মাণের শত
বছর পূরণ করে। [২] জানা যায় ইহা
তৈরিতে ২৪ হাজার শ্রমিকের ৫ বছর
সময় লেগেছিল।
তথ্যসূত্রঃ সংগৃহীত ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Paksey, Pabna
Kushtia
7040
