27/04/2017
মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ
উচ্চশিক্ষা। কার না মন চায়? সবাই ইচ্ছাপোষণ করে দেশের মাটিতে বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করতে। আর সেই উচ্চতর ডিগ্রী যদি বিদেশের মাটিতে হয় তাহলে তো কথাই নেই।
12/01/2017
ক্যানসার তৈরি করে যেসব খাবার
মরণব্যাধি ক্যানসার। প্রতিরোধের উত্তম চিকিৎসা। শরীরের অতি দ্রুত অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ক্যানসার তৈরি হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক...
09/12/2016
এখনি জেনে নিন,স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে যে ভয়াবহ সমস্যা হতে পারে !
বিয়ের আগে পরিবার পরিজন, আত্মীয় স্বজন সংক্রান্ত যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে থাকি আমরা, কিন্তু ভুলে যাই সব চেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাপার স্বামী স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত ব্যাপার টি, আসুন জেনে নেয়া যাক এই বিষয়ে জরুরী কিছু তথ্য।
স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদের ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা জানা দরকার। প্রধানত রক্তের গ্রুপকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হল ABO system (A, B, AB & O), আরেকটা হল Rh factor {Rh positive(+ve) & Rh negative(-ve)}. অর্থ্যাৎ Rh factor ঠিক করবে ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে।
তাহলে ব্লাড গ্রুপগুলো হলঃ A+ve, A-ve, B+ve, B-ve, AB+ve, AB-ve O+ve, O-ve জেনে নেয়া যাক, যদি অন্য গ্রুপের ব্লাড কারো শরীরে দেয়া হয় তাহলে কী হবে? যখন কোনো Rh নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে Rh পজেটিভ গ্রুপের ব্লাড দেয়া হয় তখন প্রথমবার সাধারণত কিছু হবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে এন্টিবডি তৈরি হবে যার ফলে যদি কখনো রোগী আবার
পজেটিভ ব্লাড নেয় তাহলে তার ব্লাড cell গুলো ভেঙ্গে যাবে, এর কারণে অনেক সমস্যা হবে। যেমন জ্বর, কিডনি ফেইলিউর, হঠাৎ মৃত্যু ইত্যাদি। এই সমস্যাকে মেডিকেল টার্ম এ বলা হয় ABO incompatibility.স্বামী-স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ কী রকম হওয়া দরকার?
স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ ও পজেটিভ হতে হবে। আর যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ বা নেগেটিভ যে কোনো একটি হলেই হবে। তবে স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তাহলে কোনোভাবেই স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হওয়া চলবে না। এক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে তার স্বামীর ব্লাডগ্রুপ ও নেগেটিভ হতে হবে।
যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় আর স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে কী সমস্যা হবে?
রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কোন সমস্যা হয় না। তবে স্ত্রী যদি নেগেটিভ হয় আর স্বামী যদি পজিটিভ হয় তাহলে ‘লিথাল জিন’ বা ‘মারন জিন’ নামে একটি জিন তৈরি হয় যা পরবর্তীতে জাইগোট তৈরিতে বাঁধা দেয় বা জাইগোট মেরে ফেলে। সে ক্ষেত্রে মৃত বাচ্চার জন্ম হয়। যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় তাহলে সাধারণত বাচ্চার ব্লাডগ্রুপ ও পজেটিভ হবে। যখন কোনো
নেগেটিভ ব্লাডগ্রুপের মা ধারন করবে পজেটিভ Fetus(ভ্রুন) তখন সাধারনত প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু ডেলিভারির সময় পজেটিভ Fetus এর ব্লাড, placental barrier ভেধ করে এবং placental displacement এর সময় মায়ের শরীরে প্রবেশ করবে।
মায়ের শরীরে ডেলিভারির সময় যে ব্লাড প্রবেশ করবে, তা ডেলিভারি হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মায়ের শরীরে Rh এন্টিবডি তৈরি করবে। যখন মা দ্বিতীয় সন্তান বহন করবে, তখন যদি তার fetus এর ব্লাডগ্রুপ পুনরায় পজেটিভ হয়। তাহলে মায়ের শরীরে আগে যেই Rh এন্টিবডি তৈরি হয়েছিলো সেটা placental barrier ভেধ করে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করবে। আর যখন fetus এর শরীরে Rh antibody ঢুকবে তখন fetal এর RBC এর সঙ্গে agglutination হবে, যার ফলে RBC ভেঙ্গে যাবে। একে মেডিকেল টার্ম এ “Rh incompatibility” বলে
14/02/2016
যুক্তরাস্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন তাঁর পুত্রের স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে একটি চিঠি লিখেছিলেন যা পরবর্তীতে ঐতিহাসিক মর্যাদা লাভ করে। চিঠিটি অনেকেরই পড়া। তবুও আজ কস্ট করে না হয় আরেকবার পরলেন, যদি নতুন কিছু অনুধাবন করা যায়-
মাননীয় মহোদয়,
আমার পুত্রকে জ্ঞানার্জনের জন্য আপনার কাছে প্রেরণ করলাম। তাকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন-এটাই আপনার কাছে আমার প্রত্যাশা।
আমার পুত্রকে অবশ্যই শেখাবেন-সব মানুষই ন্যায়পরায়ন নয়, সব মানুষই সত্যনিষ্ঠ নয়।
তাকে এও শিখাবেন-প্রত্যেক বদমায়েশের মাঝেও একজন বীর থাকতে পারে, প্রত্যেক স্বার্থপর রাজনীতিকের মাঝেও একজন নিঃস্বার্থ নেতা থাকেন।
তাকে শেখাবেন-পাঁচটি ডলার কুড়িয়ে পাওয়ার চাইতে একটি উপার্জিত ডলার অধিক মুল্যবান।
এও তাকে শিখাবেন-কিভাবে পরাজয়কে মেনে নিতে হয় এবং কিভাবে বিজয়োল্লাস উপভোগ করতে হয়।
হিংসা থেকে দূরে থাকার শিক্ষাও তাকে দিবেন। যদি পারেন নীরব হাসির গোপন সৌন্দর্য তাকে শেখাবেন।
সে যেন আগেভাগেই একথা বুঝতে শেখে-যারা পীড়নকারী তাদেরকে সহজেই কাবু করা যায়। বইয়ের মাঝে কী রহস্য লুকিয়ে আছে, তাও তাকে শেখাবেন।
আমার পুত্রকে শেখাবেন, বিদ্যালয়ে নকল করে পাশ করার চেয়ে অকৃতকার্য হওয়া অনেক বেশী সম্মানজনক।
নিজের উপর তার যেন সুমহান আস্থা থাকে- এমনকি সবাই যদি সেটাকে ভুলও মনে করে।
তাকে শেখাবেন, ভদ্রলোকের প্রতি ভদ্র আচরণ করতে, কঠোরদের প্রতি কঠোর হতে।
আমার পুত্র যেন এ শক্তি পায়-হুজুগে মাতাল জনতার পদাঙ্ক অনুসরন না করার।
সে যেন সবার কথা শোনে এবং সত্যের পর্দায় ছেঁকে যেন শুধু ভালটাই শুধু গ্রহন করে-এ শিক্ষাও তাকে দেবেন।
সে যেন শেখে দূঃখের মাঝে কীভাবে হাসতে হয়। আবার কান্নার মাঝে লজ্জা নেই-সেকথা তাকে বুঝতে শেখাবেন।
যারা নির্দয়, নির্মম তাদেরকে সে যেন ঘৃনা করতে শেখে আর অতিরিক্ত আরাম-আয়েশ থেকে সাবধান থাকে।
আমার পূত্রের প্রতি সদয় আচরণ করবেন কিন্তু সোহাগ করবেননা,
কেননা আগুনে পুড়েই ইস্পাত খাঁটি হয়।
আমার সন্তানের যেন অধৈর্য হওয়ার সাহস না থাকে,
থাকে যেন তার সাহসী হবার ধৈর্য। তাকে এ শিক্ষাও দেবেন-নিজের প্রতি তার যেন সুমহান আস্থা থাকে আর তখনই তার সুমহান আস্থা থাকবে মানব জাতির প্রতি।
ইতি
আপনার বিশ্বস্ত;
আব্রাহাম লিঙ্কন
www.rajeshshori.com
23/10/2015
ট্রেন চলার সময় ভূমি স্পর্শ না করে ভেসে ভেসে চলবে
এমন ট্রেন আবিষ্কার করে গোটা দুনিয়াকে তাক লাগিয়ে
দিয়েছেন বাংলাদেশি এক গবেষক। এই গবেষকের নাম ড.
আতাউল করিম। তিনি এমন একটি ট্রেনের নকশা এঁকেছেন যেটা
চলার সময় ভূমিই স্পর্শ করবে না! ফলে তার এ অভিনব আবিষ্কার
পৃথিবী জুড়ে রীতিমত সাড়া ফেলে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই
বিভিন্ন দেশে এ ট্রেন বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের চিন্তা ভাবনা
চলছে।
জানা গিয়েছে, ২০০৪ সালে এ ভাসমান ট্রেনের প্রকল্পটি হাতে
নেন তিনি। দেড় বছরের মাথায় ট্রেনটির প্রোটোটাইপ তৈরি
করতে সক্ষম হন। যেখানে ওল্ড ড্যামিয়ান ইউনিভার্সিটির
গবেষকেরা ৭ বছর চেষ্টা করেও সফলতা পায়নি। পরের সময়টায়
নাম করা বিজ্ঞানীরা এ মডেলটি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে
দেখেছে। কিন্তু কোন খুঁত খুঁজে না পাওয়ায় এটা বাণিজ্যিকভাবে
উৎপাদনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে বরাত দিয়ে জানা গেছে, ট্রেনের
প্রচলিত ধারাকে পেছনে ফেলে ড. আতাউল করিম সম্পূর্ণ
নতুন এক পদ্ধতিতে এই ট্রেনের ডিজাইন করেছেন। এ
ট্রেনের গঠনশৈলীও খুবই আকর্ষণীয়। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য, এটা
চলার সময় ভূমিই স্পর্শ করবে না। ট্রেনটি চুম্বক শক্তিকে কাজে
লাগিয়ে সাবলীলভাবে চলবে। এর গতিও অনেক বেশি হবে।
অনেকটা বুলেট ট্রেনের মত! জার্মানি, চীন ও জাপানে ১৫০
মাইলের বেশি গতির ট্রেন আবিষ্কৃত হয়েছে। তবে এগুলির
সঙ্গে আতাউল করিমের ভাসমান ট্রেনের পার্থক্য হচ্ছে, ওই
ট্রেনে প্রতি মাইল ট্র্যাক বসানোর জন্য গড়ে খরচ পড়ে ১১
কোটি ডলার। আর সে জায়গায় আতাউল করিমের আবিষ্কৃত এই
ট্রেনে খরচ হবে মাত্র ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ৩০ লাখ
ডলার।
প্রসঙ্গত ড. আতাউল করিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
পদার্থবিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে আমেরিকার অ্যালাবামা
ইউনিভার্সিটি থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে এমএস, ইলেক্ট্রিক্যাল
ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এমএস এবং ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি
ডিগ্রি পান যথাক্রমে ১৯৭৮, ১৯৭৯ এবং ১৯৮১ সালে। পেশাগত
জীবনে তিনি অত্যন্ত সফল।
post by:ফয়সাল মাহমুদ নয়ন
03/10/2015
মানলে উপকার হবে আপনারইঃ
==============================.
১. সকালে সূর্যোদয়ের আগে ঘুম থেকে উঠা উচিত। মুখ ধুয়েই এক থেকে দুই গ্লাস পানি খাওয়া ভাল। এতে সহজে কোন পেটের রোগ হয় না।
২. পানি খাবার পর কিছুক্ষন খোলা জায়গায় হাটা উচিত। সকালের বিশুদ্ধ বাতাস শরীরের জন্যবিশেষ উপকারী।
৩. খালি পেটে চা বা কফি খাওয়া ঠিক না। খাবার আগে অবশ্যই কিছুখাওয়া প্রয়োজন।
৪. খাবার যতদূর সম্ভব নিয়মিত খাওয়া উচিত। খিদে না পেলে কখনইখাওয়া উচিত নয়, আবার খুব বেশী বা খুব কম খাওয়াও উচিত নয়।
৫. সপ্তাহে বা ১৫ দিনে একদিন উপবাস করলে পাকস্থলির কর্মক্ষমতা ঠিক থাকে। আমাবশ্যা বা পূর্ণিমাতে উপবাস করলে স্বাস্থ্যভাল থাকে।
৬. খাবার সময় বেশি পানি খাওয়া ঠিক না। খাবার শেষ করার অন্তত১ ঘন্টা পরে পানি খাওয়া উচিত তবে দিনে যত বেশি পানি পান করা যায় ততই ভাল। বেশি পানি পান করলে কোন ক্ষতি নেই।
৭. তাড়াতাড়ি বা অন্যমনস্ক হয়ে খাবার খাওয়া ঠিক না।খাবার সময় কথা বলা ঠিক না।
৮. খাবার ভালমত চিবিয়ে খাওয়া উচিত। খাবার যত চিবিয়ে খাওয়াযায় তত তাড়াতাড়ি হজম হয়।
৯. দুপুরে খাবার সময় ১২ টা এবং রাতে খাবার সময় ৯ টার আগে হওয়া উচিত। কেননা বেশি রাতে খেলে খাবার ঠিকমত হজম হয় না,তাই রাতে হালকা খাওয়া উচিত। অধিক রাতে দুধ ছাড়া কিছু খাওয়াঠিক না।
১০. রাতে খাওয়ার অনন্ত আধ ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা পরে ঘুমাতে যওয়া উচিত।
১১. অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর বিশ্রাম না নিয়ে খাওয়া ঠিক নয়, তেমনি খাবার পর অবশ্যই কিছুক্ষন বিশ্রাম নেওয়া দরকার।
১২.রোদ থেকে এসে বা অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডাপানি খাওয়া ঠিক না।
24/09/2015
কম্পিউটার যখন–তখন বন্ধ (Restart) হলে যা করণীয়।
চালু কম্পিউটার কিছুক্ষণ পরপর হঠাৎ বন্ধ হয়ে আবার চালু (রিস্টার্ট) হয়, এমন সমস্যায় মাঝেমধ্যেই পড়তে হয়।মাঝে মাঝে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ কারণে এমন ঘটতে পারে।এমনি হতে পারে কিন্তু বিচলিত হওয়ার কিছেু নেই।প্রায় সব কাজ নিজেই সমাধান করা যায়।
সমাধান নিজেই যেভাবে করতে পারবেন তা হল-
আপনি যা করবেন তা,
১) Windows key R চেপে রান প্রোগ্রাম চালু করুন।
২) sysdm.cpl লিখে এন্টার করুন।
৩) পাশের দেখবেন Advanced system settings-এ ক্লিক করুন।
৪) Advanced ট্যাবে ক্লিক করে Startup and Recovery বোতামের নিচে Settings-এ ক্লিক করুন।
৫) নতুন উইন্ডো খুললে এর মধ্যে থাকা System failure অপশনের নিচে Automatically restart অপশন থেকে টিকচিহ্ন উঠিয়ে দিন।
৬) Write an event to the system log-এ টিক দিয়ে ওকে করুন।
ফলে এখন থেকে কিছু হলেও হঠাৎ করে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে আবার চালু (রিস্টার্ট) হবে না। কম্পিউটারে সমস্যা হলে কিছু লেখাসহ একটা নীল পর্দা দেখা যাবে। মাইক্রোসফট এটাকে স্টপ এরর বললেও উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্লু স্ক্রিন অব ডেথ বা বিএসওডি নামেই ব্যাপক পরিচিত।
Admin:ফয়সাল মাহমুদ নয়ন