Patgram

Patgram

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Patgram, Landmark & historical place, Dahagram Road, Patgram, Lalmonirhat.

20/02/2026

ছবিটা ৪০ বছর আগে পাটগ্রাম ক্লাবে অনুষ্ঠিত একটি নাটকের ছবি। এদের মধ্যে দু'জন বেঁচে নেই। অন্য দুজন পাটগ্রামের বাইরে থাকেন। এদের নাম বলতে পারবেন???

Photos from Patgram's post 18/10/2024

পাটগ্রামের ইতিহাস অন্বেষণ - ২২
======================
বেশকিছুদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ইতিহাস নিয়ে কাজ করার মোটেও সুযোগ পাইনি। ঠিক সুযোগ নয়, মনযোগ বসাতে পারিনি। বাউরার পুরনো মসজিদটির কথা আমি আগেই শুনেছি। ব্যাটে বলে মিলছিল না বলে দেখতে যেতে পারিনি। গতকাল হঠাৎ করেই সুযোগ এসে গেলো। সদলবলে বাউরায় জিয়াপত (দাওয়াত) খেতে যেতে হলো। দাওয়াত শেষে মসজিদের সামনে দাঁড়ালাম। সামনে নতুন বিল্ডিং হওয়ায় পুরনো ভবনটি আড়ালে চলে গেছে। তারপরেও বেশ কিছু ছবি ক্লিক করা হলো। এদিকে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে। শুনেছি একটা শিলালিপি বা নাম ফলক আছে। সেটার ছবি নেয়া হলোনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি বিভাগের একটি স্মারক গ্রন্থে এই মসজিদ নিয়ে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। সেখান থেকে একটা অস্পষ্ট ছবি পাওয়া গেলো। সেই বইয়ের লেখা নিয়ে গুগল ট্রান্সলেটরকে কাজে লাগালাম। মসজিদটি প্রতিষ্ঠার তারিখের ছবি অবশ্য আমি আগেই পেয়েছি। ১১৯৪ বঙ্গাব্দ বা বাংলা সাল। শিলালিপিতে প্রতিষ্ঠার তারিখ লেখা আছে ১২০০ হিজরী (ইংরেজী ১৭৮৬ সাল)। মসজিদটি তৈরী করেছে জনৈক শেখ জুনাই আজ থেকে ২৩৮ বছর আগে। আমার জানামতে পাটগ্রাম অঞ্চলে এটাই সবচেয়ে পুরনো মসজিদ। এ অঞ্চলটি হিন্দু প্রধান অঞ্চল ছিল। বাউরা ব্যবসা বানিজ্যের জন্য বিখ্যাত ছিল। পাটগ্রাম চাকলা বা পরগনার প্রধান নদী বন্দর ছিল এই বাউরাতেই। সঙ্গত কারণেই ভারতবর্ষে ডাক বিভাগ চালু হলে পাটগ্রামের আগেই বাউরাতে পোস্ট অফিস চালু হয়েছিল। শেখরাও সম্ভবত এই ব্যবসা বানিজ্যের কারণে বাউরাতে ঘাঁটি গেড়েছিল।

শিলালিপিতে ফারসি ভাষায় লেখা রয়েছে -

بسم الله الرحمن الرحيم
لااله الاالله محمد الرسول الله
جون اقامت مسجد مقدس بروز جمعه تاريخ دوم ماه مبارك سنه ١٢٠٠ هجرى
خادم مسجد شيخ جنيح يسر شيخ باثون شيخ به وقف

ইংরেজিতে অর্থ করলে -----
In the name of God, the Most Gracious, the Most Merciful.
There is no god but Allah, Muhammad is the Messenger of Allah.
June of the establishment of the Holy Mosque on Friday, the second day of the holy month of the year 1200 AH
The servant of the mosque of Sheikh Junih is pleased with the Sheikh of Bathon, a sheikh with a waqf.

বাউরাতে বসবাসরত শেখদের সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তাদের বংশধরদের কেউ বসবাস করে বলে মনে হয়। তবে আমাদের অনুসন্ধান চালিয়ে যেতে হবে। ছাইয়ের ভেতর যদি কিছু পাওয়া যায়।

19/08/2024

আয়নাঘরের হোতা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বাড়িতে ৮ টি ট্রাঙ্ক ভর্তি টাকা ডলার পাওয়া গেছে। পরিমান নাকি ৭৭ মিলিয়ন বা ৯২৫ কোটি টাকা।

19/08/2024

পৃথিবীর ইতিহাসে একটা গোটা পার্লামেন্ট পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা কখনো ঘটেনি।
বাংলাদেশ এদিক দিয়ে অনন্য।

12/08/2024

অভিনন্দন পাটগ্রামের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন আহবায়ক কমিটি
==========================================
দীর্ঘদিন কিছু ভুয়া সনদধারী ও তাদের সহযোগী পাটগ্রামের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ দখল করে ভুয়া তৈরির কাজে লিপ্ত ছিল। আর এ কাজে তাদের মাস্টার মাইন্ড ছিল তুরস্কে অর্থ পাচারকারী ট্রেনিং যোদ্ধা মোতাহার হোসেন। ভুয়া সনদ বিক্রি করে এই চক্র শত শত কোটি টাকা বানিয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পায়নি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা। এই চক্র মোটা অংকের কমিশনের বিনিময়ে ভুয়াদের ব্যাংক লোন, সরকারি ঘর এবং অন্যন্য সরকারি সহযোগিতা পেতে সাহায্য করে আসছিল।
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ পেটমোটা মোতার কারণে সরকারের কানে গিয়ে পৌঁছাতো না। বাধ্য হয়ে তারা ঘরে বসে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানাতো। অথচ শেখ হাসিনার সরকার নাকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করতো! মুক্তিযোদ্ধার তালিকার যদি কেউ ক্ষতি করে থাকে সেটা এই শেখ হাসিনার সরকার করেছে। এখন এই তালিকা শুদ্ধ করা একটা পাহাড় ঠেলার সমপরিমান কাজ। আর কিছুদিন গেলে হয়তো কাজটা করা আর সম্ভব হবেনা। কারণ অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধারা মারা গেছে এবং যারা এখনো বেঁচে আছে তারা প্রায় সকলেই অসুস্থ। তাই যা করার এখুনি করতে হবে।
পাটগ্রামে একটা বিষয় লক্ষ্য করলে আপনারা প্রকৃত আর ভুয়া বাছাই করতে পারবেন। এখানে কোন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা মারা গেলে জানাযায় প্রায় সকল প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা হাজির হতো। কিন্তু ভুয়ার জানাযায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা যায় না। আমি নিজেও যাইনা। তবে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা অসুস্থ হলে বা মৃত্যু হলে আমার শত কষ্ট বা অসুবিধা সত্বেও আমি উপস্থিত থাকার চেষ্টা করি।
আশা করি এবার নতুন বাংলাদেশে সব ঠিক করা যাবে। যদিও যার পর নাই বাধার সম্মুখিন হবে। বন্ধুর পথ, পাড়ি দিতে হবে অনেক দূর। তারপরেও শুভকামনা।

আহবায়ক - অধ্যক্ষ শহিদুল্ল্যাহ প্রধান - BLF (দেরাদুনে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত, ১ম ব্যাচ)
যুগ্ম আহবায়ক - আব্দুর রাজ্জাক রধান - BLF এবং FF এর প্লাটুন কমান্ডার (দেরাদুন ও পানিঘাটায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত)
সদস্য - ইব্রাহিম খলিল - FF (মুর্তি ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত)
- এ কে এম ফজলুল হক সরকার - BLF (দেরাদুনে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত,
২য় ব্যাচ)
- আখতারুল আলম প্রধান - (প্যারা মেডিকেল কোর)
- মজিবর রহমান - BLF এবং FF এর প্লাটুন কমান্ডার (দেরাদুন ও
পানিঘাটায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত)
- আব্দুর রশিদ ( অবঃ পুলিশ) - FF (মুর্তি ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত)

10/08/2024

কণ্ঠরোধের আইন "সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩" বাতিল করতে হবে
===========================================
২০০৬ সালে বিশ্বব্যাপী পরিবর্তীত পরিস্থিতির সাথে খাপ খাওয়াতে সর্বপ্রথম তথ্যপ্রযুক্তি আইন নামে একটি আইন করে তৎকালীন সরকার। এরপরে ২০০৯, ২০১১, ২০১৩, ২০১৮ এবং ২০২৩ সালে পর্যায়ক্রমে সংশোধিত হয়ে আইনটি ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের শাসন শোষণের অন্যতম হাতিয়ারে পরিণত হয়। এই আইন করে জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হরণ করে সরকার। কিছু বললেই বা লিখলেই শুরু হয় দমন পীড়ন। আইনে না কুলোলে তৈরি হয় "আয়না ঘর" এর।
স্বৈরাচারী আচরণ করে মুখে গণতন্ত্রের কথা বলতেন। উন্নয়নের কথা বলে আর্থিক লুটপাটকে প্রশ্রয় দিতেন। গত ১৬ বছরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে মৌলবাদের জুজু জনগণকে দেখিয়ে দেশের অর্থনীতির বারোটা বাজিয়ে দিয়েছেন। ৬০ টাকার ডলার এখন ১২০ টাকা। লুটপাট করে ব্যাংকিং খাতকে ধ্বংস করেছেন। মধ্যবিত্তরা বাজারে গেলে এখন হাঁসফাঁস করে। বেকারত্ব আর দুর্ণীতি মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। নির্বাচনকে একটি হাস্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। ফলে এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন অনিবার্য ছিল। কিন্তু তার কিছু কালাকানুন এখনও বহাল রয়েছে। রাষ্ট্র সংস্কার করতে হলে এসব আইন বাতিল করতে হবে। ১৯৭২ সালে প্রণীত মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা পরিবর্তন করে কমপক্ষে ১ লক্ষ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরী করেছেন। যাদেরকে প্রতিমাসে ২০০ কোটি টাকা ভাতা দিতে হয়। জনগণের টাকা ভুয়াদের পেছনে খরচ হবে কেনো? তাই মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণের এই আইন বাতিল করতে হবে।
গত ২০২০ সালের ১৭ এপ্রিল পাটগ্রাম আওয়ামী লীগ অফিসের নামকরণ আমি প্রশ্ন উত্থাপন করে আমি ফেসবুকে একটি পোস্ট লিখেছিলাম। এতে ব্যক্তিটির মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়েছিলাম। যার স্বপক্ষে আমার কাছে অনেক প্রমাণ ছিল বা এখনও আছে। উপরন্তু আমি সে সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলাম। দীর্ঘ ২৫ বছর সে দায়িত্বে থাকলেও কাজের কাজ কিছুই করতে হতোনা।
যাই হোক, পাটগ্রাম হাতিবান্ধার বড় হুজুর তখন ডিজিটাল আইনে আমার বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করেন (হুজুরের সুপারিশের অংশটুকু নীচে সংযুক্ত)। তখনও আমি তার দলের একজন একনিষ্ঠ কর্মী। তারপরেও তিনি দীর্ঘ দুই বছর অক্লান্ত চেষ্টার পর ২০২২ সালে আমার বিরুদ্ধে সাইবার আদালতে মামলা রুজু করতে সক্ষম হন। আমি আদালতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির পিতার মুক্তিযোদ্ধা না হওয়ার সকল প্রমাণ পেশ করি। এছাড়া বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় আমার প্রকাশিত লেখার কপি দেখিয়ে প্রমাণ করি যে আমি এতদ অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত কাজ করছি। এবং ভুয়াদের চিহ্নিত করে রাষ্ট্রকে সহযোগিতা করা আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। বিজ্ঞ আদালত তারপরেও সরকারি সনদকে প্রাধান্য দিয়ে আমাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে রায় প্রদান করেন। অবশ্য বিজ্ঞ বিচারক সাথে সাথে হাইকোর্টে আপিলের শর্তে আমার জামিন মঞ্জর করেন।
তাহলে বোঝেন ভুয়াদেরকে যদি ভুয়া না বলতে পারি তাহলে তালিকা শুদ্ধ করবেন কি করে? এই হলো সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩। আমি আদালতে ১৯৭৩ সালের ২২ শে সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের একটি বক্তব্যের উদ্ধতি দিয়েছিলাম। তিনি সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে বলেছিলেন, "বহু রাজাকার সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে মুক্তিযোদ্ধা সাইজা বইসা আছে। এদেরকে চিহ্নিত করতে হবে।" আমি আমার জবানবন্দিতে বলেছিলাম যে আমি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত দায়িত্বই পালন করছি। কিন্তু হায় বিচারের বানী নিভৃতে কেঁদে মরে।
সেদিন আদালতের রায় হতে না হতেই পাটগ্রামে সংবাদ সম্মেলন করে আমাকে চৌদ্দ শিকের ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে বলে প্রচার করা হলো। চিহ্নিত ভুয়ারা এবং তাদের সহযোগীরা সেই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে শোভা বর্ধন করেছিলেন দেখেছি। তারা ভেবেছেন এবার হয়তো আমি ক্ষান্ত দেবো। ভুয়াদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম বন্ধ করে দেবো। ৭ দিন কেনো ৭ বছর জেল হলেও আমি মুক্তিযুদ্ধকে কলঙ্কিত করতে দেবোনা। ভুয়াদের পেছনে জনগণের কষ্টের অর্থ অপচয় হতে দেবোনা। আমি তো ভেবেছিলাম আরও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। যুদ্ধের সময়টা আরও লম্বা হবে। কিন্তু ছাত্র জনতার অভ্যুত্থান কাজটা অনেকখানি সহজ করে দিয়েছে। নতুন অন্তবর্তীকালীন সরকার (আমি আবশ্য আপদকালীন সরকার বলাটাই শ্রেয় মনে করি) এই কালাকানুনগুলো বাতিল করার দ্রুত উদ্যোগ নেবেন বলে আমি মনে করি। রাষ্ট্র সংস্কারের যে প্রতিশ্রুতি তারা দিয়েছেন তার শুরুটা এই কালাকানুন বাতিলের মধ্য দিয়েই হোক।
জয় বাংলা। জয় মেহনতি মানুষের। জয় ছাত্র জনতার।

09/08/2024

প্রতিটি উপজেলার প্রতিটি থানায় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা জরুরী হয়ে পড়েছে।

06/08/2024

শোনা গেলো আমাদের বড় হুজুর নাকি তুরস্কে? তাহলে কি সব টাকা আগেই তুরস্কে পাঠিয়েছেন?

Photos from Patgram's post 12/07/2024

মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা ও কোটা প্রসঙ্গ
======================
১৯৭২ সালে "মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট" আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নিরূপণ করা হয়েছিল এভাবে - যারা পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে অংশ নিয়েছিল কেবলমাত্র তাঁদেরকেই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য করা হবে। অর্থাৎ এর বাইরে অন্য কারো মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার কোন সুযোগও ছিলনা কিংবা উপায়ও নেই। এতদিন এই সংজ্ঞাই বহাল ছিল এবং আমরা সাধারণ জনগণেরা এঁদেরকেই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ভাবতে অভ্যস্ত। মুক্তিযোদ্ধা বলতে অস্ত্র হাতে লুঙ্গিপরা গেঞ্জি গায়ে এক যুবকের ছবিই আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠতো।
কিন্তু ২০১৮ সালে বর্তমান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার(?) ভাবলেন মুক্তিযোদ্ধার এই সংজ্ঞা যথেষ্ট নয়। ফলে বঙ্গবন্ধুর এই সংজ্ঞা পরিবর্তন করে মুজিবনগর কর্মচারী, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী, খেলোয়াড়দের এর সাথে যুক্ত করে দিলেন। ব্যস অনুপ্রবেশকারী আর লুটপাটকারীদের পোয়াবারো। শুরু হলো মুক্তিযোদ্ধা বানানোর নতুন ব্যবসা। একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, বর্তমানে গোটা দেশজুড়ে আনুমানিক ১ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধা সনদধারী আছেন যাদের মুক্তিযুদ্ধে কোন ভূমিকাই ছিল না। অথচ এই ১ লক্ষকে প্রতি মাসে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ২০০ কোটি টাকা ভাতা দেয়া হচ্ছে। অন্যান্য সুবিধাগুলো যোগ করলে টাকার পরিমাণ আরও বেশী হবে।
টাকাটা জনগণের, সরকারের নয়। প্রতি মাসে ২০০ কোটি টাকা অপচয়ের ভার আমরা জনগণেরা নেবো কেনো? সশস্ত্র যুদ্ধ করা আর মাসে মাসে বেতন নিয়ে নরম বিছানায় ঘুমিয়ে মুজিবনগরের কর্মচারীর দায়িত্ব পালন করা এক নয়। যারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছে তাঁদের জন্য না হয় মেনে নেয়া গেলো। কিন্তু অন্যদের বেলায় কেনো?
এই ১ লক্ষের চাপ কিন্তু চাকুরির কোটাতে গিয়েও পড়ছে। তাই সরকারের উচিত অবিলম্বে ২০১৮ সালের এই সংজ্ঞা বাতিল করা এবং টাস্ক ফোর্স গঠন করে নির্ভুল তালিকা তৈরি করা। নচেৎ সবকিছুর দায়ভার এই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের (?) সরকারের ওপর বর্তাবে। জয়বাংলা।

25/06/2024

পাটগ্রাম বাজারে হোন্ডা শোরুমের পাশে একটি দোকান ঘর ভাড়া দেয়া হবে। মোবাইল, স্বর্ণ কিংবা গ্রোসারি ব্যবসা কাম্য। ফোন - ০১৭১৬৫৮৯২৫২

10/06/2024

মুক্তিযোদ্ধা কোটা এবং ভুয়া প্রসঙ্গ
-------------------------------------------------
অতি সম্প্রতি সরকারি এক আদেশে চাকুরি বাকুরির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পূণরায় চালু করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জানাতে সরকারের এ সিদ্ধান্ত প্রশংসার দাবী রাখে। যদিও কোটা পদ্ধতি নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে অনেক মতামত রয়েছে। সেসব নিয়ে আলোচনা করবো না। আমি বিষয়টির ভিন্ন প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলবো। সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অনেক কিছুই করছে। মাসিক ভাতা, বীর নিবাস, চিকিৎসা সুবিধা ইত্যাদি অনেক কিছু। এক্ষেত্রে সরকারের আন্তরিকতার কোন অভাব নেই। তবে সরকারের এই আন্তরিক প্রচেষ্টার ফসল কি ঠিক জায়গায় পৌঁছাচ্ছে? প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা কি আদৌ এসব সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে? এ প্রশ্নের উত্তরে তাত্বিক কোন আলোচনা নয় বরং কিছু বাস্তব উদাহরণ দেয়া যাক। আমি পাটগ্রাম উপজেলায় বাস করি। তাই উদাহরণগুলো এখান থেকেই সংগ্রহ করা।
এ এলাকার একজন মুক্তিযোদ্ধা সনদধারী ৭১' এ অনেকের সাথেই মূর্তি ক্যাম্পে ট্রেনিং এ যোগ দিয়েছিলেন। ৩/৪ দিনের মাথায় ট্রেনিং ক্যাম্প থেকে পালিয়ে বাড়িতে চলে যান। তারপরে দীর্ঘদিন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে উচ্চবাচ্চ না করলেও ২০০৫ সালে প্রকাশিত গেজেটে তার নাম দেখা যায়। ব্যস তিনি মুক্তিযোদ্ধা বনে যান। এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তার সন্তান পুলিশের চাকরিও পেয়ে যায়। বর্তমানে তিনি তার মাসিক ভাতা এবং পুলিশ সন্তানের চাকরিসহ বহাল তবিয়তে দিন যাপন করছেন। জয় বাংলা। জয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার।
আমি ব্যক্তিগতভাবে মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিপক্ষে নই তবে এর অপব্যবহারের বিপক্ষে। সরকারের উচিত এর অপব্যবহার রোধ করা এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার নিশ্চিত করা।
বর্তমানে গোটা দেশে প্রায় আড়াই লক্ষ মুক্তিযোদ্ধা সনদ পেয়েছেন। অথচ কিছুদিন আগেও এই সংখ্যাটি দেড় লক্ষ ছিল। উদাহরণ হিসেবে পাটগ্রামের হিসাবটা বলি। গোটা দেশের ক্ষেত্রে হিসাবটা আপনারা নিজেরা করে নেবেন। পাটগ্রাম উপজেলায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ২৫০ এর জায়গায় এখন প্রায় ৪০০ জনের ওপরে ভাতা উত্তোলন করছে। এর অর্থ প্রায় ১৫০ জন ব্যক্তি যে কোন উপায়েই হোক মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অনুপ্রবেশ করেছে কিংবা মুক্তিযোদ্ধা সেজে বসে আছে। এবার আসি মাসিক ভাতা প্রসঙ্গে। একজন মুক্তিযোদ্ধা প্রতি মাসে ভাতা পাচ্ছেন ২০ হাজার টাকা। সাথে উৎসব কিংবা অন্যান্য ভাতা সহ বছরে প্রায় ২,৬০,০০০ দুই লক্ষ ষাট হাজার টাকা পান। তার মানে নকল মুক্তিযোদ্ধাদের পেছনে শুধু পাটগ্রামেই সরকারের ৪ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। ঠিক এই জায়গাতেই আমাদের আপত্তি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের আরও বেশী করে ভাতা দেন, নাতি নাতনিদের চাকরি দেন কোন সমস্যা নেই। কিন্তু ভুয়াদের কেনো দেবেন? ভুয়ারা কেনো এই সুবিধা পাবে?
ভুয়াদের বাদ দিলেই মুক্তিযোদ্ধা ভাতা'র চাপ অনেকাংশে কমে যাবে। সেই সাথে চাকরি কোটার ক্ষেত্রেও একই অবস্থা তৈরি হবে। চাপটা নিঃসন্দেহে অনেকাংশে কমে যাবে। তাই কোন অবস্থাতেই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত অন্য কোন পদক্ষেপ নেই ঠিক হবেনা। আগে ভুয়াদের চিহ্নিত করে বাদ দিন। তারপরে সুযোগ সুবিধাগুলো নিশ্চিত করুন। দয়া করে ভুয়াদের পেছনে জনগণের টাকা ধ্বংস করবেন না।

Want your business to be the top-listed Government Service in Lalmonirhat?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dahagram Road, Patgram
Lalmonirhat
5540