লালমনিরহাট, রংপুর, বাংলাদেশ

লালমনিরহাট, রংপুর, বাংলাদেশ

Share

লালমনিরহাট, উত্তর জনপদের রংপুর বিভাগের একটি জেলা যা ভারত বাংলাদেশের সীমান্তে অবস্থিত। লালমনিরহাট,রংপুর, বাংলাদেশ।
Lalmonirhat, Rangpur, Bangladesh.

27/04/2026

অদম্য আরিফা খাতুনের জীবনগাথা প্রমাণ করে যে, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কখনো মানুষের স্বপ্নকে আটকে রাখতে পারে না। জন্ম থেকেই দুই হাত অচল, তবু পায়ের আঙ্গুলে কলম ধরে তিনি প্রাথমিক থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত পৌঁছেছেন—এ এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি’র ব্যক্তিগত উদ্যোগে তার বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নেওয়া এবং শিক্ষা সহায়তা প্রদান সমাজের প্রতি সরকারের সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। এমন পদক্ষেপ শুধু একজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে উৎসাহিত করে না, বরং সমগ্র প্রতিবন্ধী সম্প্রদায়কে আশার আলো দেখায়।

আরিফার সংগ্রাম ও মন্ত্রীর সাড়া আমাদের সকলকে মনে করিয়ে দেয়—সমাজের দায়িত্ব প্রত্যেক নাগরিকের পাশে দাঁড়ানো। এই সহায়তা নিশ্চয়ই তার ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করবে।
সোর্স-
https://www.facebook.com/share/18oANKtwj9/

26/04/2026

লালমনিরহাটের সম্ভাবনা ও সংকটের সমীকণের আজকের
২৬ এপ্রিল, ২০২৬।

উত্তরের সীমান্ত জনপদ লালমনিরহাট আজ একই সাথে শোক, দাবি এবং সম্ভাবনার এক মিশ্র অধ্যায় পার করছে। আজকের সংবাদপত্রের পাতাগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একদিকে যেমন সড়ক নিরাপত্তার চরম অব্যবস্থাপনা আমাদের ব্যথিত করছে, অন্যদিকে স্থবির হয়ে পড়া অর্থনৈতিক অবকাঠামো পুনরুজ্জীবিত করার জোরালো দাবি আগামীর আশাকে জাগিয়ে রাখছে।
#সড়ক নিরাপত্তা: দায় কার?
আদিতমারীর তেতুলতলা মোড়ে ট্রাকচাপায় বিড়ি শ্রমিক ওয়াসিম ইসলামের অকাল মৃত্যু কেবল একটি দুর্ঘটনা নয়, বরং আমাদের মহাসড়ক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতারই প্রতিফলন। যখন জনতা তিন ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবি করে, তখন বুঝতে হবে সাধারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। পুলিশ ঘাতক চালককে আটক করেছে এবং কারখানা কর্তৃপক্ষ ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়েছে—এটি সাময়িক সমাধান হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর তদারকি ও সচেতনতা জরুরি। শ্রমজীবী মানুষের জীবনের মূল্য কোনোভাবেই অবহেলার বস্তু হতে পারে না।

#মোগলহাট স্থলবন্দর: অর্থনৈতিক কূটনীতির নতুন মোড়
দীর্ঘ চার দশক ধরে বন্ধ থাকা মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর দাবিটি অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং যৌক্তিক। ধরলা নদীর তীরের এই বন্দরটি শুধু লালমনিরহাট নয়, বরং পুরো উত্তরাঞ্চলের জন্য একটি অর্থনৈতিক গেম-চেঞ্জার হতে পারে। আঞ্চলিক ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এই বন্দরটিকে আধুনিকায়ন করা এখন সময়ের দাবি। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে যখন এই দাবিকে সমর্থন জানানো হয়, তখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা বাড়ে। পর্যটন কেন্দ্র বা স্থলবন্দর—যে রূপেই হোক না কেন, এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটির পুনর্জন্ম লালমনিরহাটের চেহারা বদলে দিতে পারে।

সামাজিক সুরক্ষা ও ইতিবাচক অর্জন

সদর উপজেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসচ্ছলদের মাঝে সহায়তা বিতরণ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর সক্রিয়তার বহিঃপ্রকাশ। বিশেষ করে প্রতিবন্ধী এবং নারীদের শিক্ষায় যে গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে, তা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের পথে সহায়ক।
পাশাপাশি, স্বাস্থ্য বিভাগে লালমনিরহাটের সাফল্য প্রশংসার দাবি রাখে। সারাদেশে যখন হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, তখন লালমনিরহাটের ঝুঁকিমুক্ত থাকা প্রমাণ করে যে স্থানীয় পর্যায়ে টিকাদান ও সচেতনতা কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার মেলায় লালমনিরহাটের ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বন্ধন ও প্রান্তিক অর্থনীতির গতিশীলতাকেই ফুটিয়ে তোলে।

লালমনিরহাটের আজকের চিত্রটি উন্নয়নের এক অসম লড়াইয়ের গল্প বলে। আমাদের একদিকে যেমন ওয়াসিমদের মতো শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, অন্যদিকে মোগলহাটের মতো রুদ্ধ হয়ে থাকা অর্থনৈতিক দুয়ারগুলো খুলে দিতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন এবং নীতিনির্ধারকদের সমন্বিত প্রচেষ্টাই পারে এই সীমান্ত জেলাকে একটি আধুনিক ও নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে।
লালমনিরহাট কি কেবল সমস্যার আবর্তে ঘুরপাক খাবে, নাকি মোগলহাটের হাত ধরে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

26/04/2026

লালমনিরহাটের ঘোড়দৌড়: গ্রামীণ ঐতিহ্যের প্রাণবন্ত ধারা

প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ ঘিরে লালমনিরহাটের বড়বাড়ি ইউনিয়নের শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে যখন ঘোড়দৌড়ের ঘণ্টা বাজে, তখন শুধু একটি খেলা হয় না—গ্রামবাংলার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ধারা নতুন করে প্রাণ পায়। এবারের (২০২৬) বৈশাখী আনন্দ উৎসবে তপ্ত রোদ উপেক্ষা করে হাজারো দর্শকের ঢল নেমেছিল। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা টগবগে ঘোড়া ও দক্ষ সওয়ারিরা, বিশেষ করে নওগাঁর তরুণী হালিমার অসাধারণ দক্ষতা, পুরো মাঠকে উত্তেজনায় ভরিয়ে তুলেছিল। এই দৃশ্য দেখে মনে হয়, আধুনিকতার ঢেউয়ে ভেসে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্য এখনও জীবন্ত রয়েছে।

ঘোড়দৌড় কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি আমাদের সামাজিক মিলনের একটি মাধ্যম। একসময় ফসল কাটার পর শুকনো মাঠে এমন খেলা হতো—যেখানে জমিদার-কৃষক, ধনী-গরিব সবাই একসঙ্গে আনন্দ করত। আজও লালমনিরহাটের এই আয়োজন সেই ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে। এখানে শুধু গতির লড়াই হয় না, সঙ্গে চলে উটকুন দিয়ে দড়ি পাকানো, কিতকিত, গোচা খেলা, লোকসংগীত—সব মিলিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রামীণ মেলা। এটি নতুন প্রজন্মকে শেখায় যে, ডিজিটাল বিনোদনের বাইরেও জীবনের আনন্দ লুকিয়ে আছে মাটির কাছাকাছি, সম্প্রদায়ের বন্ধনে।

তবে এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখা সহজ নয়। শহুরে আকর্ষণ, যান্ত্রিক জীবন ও পরিবেশগত চাপে গ্রামীণ খেলাগুলো ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। লালমনিরহাটের মতো আয়োজনগুলো যদি স্থানীয় প্রশাসন, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও যুবসমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে আরও বড় পরিসরে আয়োজিত হয়, তাহলে এটি শুধু বিনোদন নয়, গ্রামীণ অর্থনীতিরও একটি অংশ হয়ে উঠতে পারে। পর্যটক আকর্ষণ, স্থানীয় হস্তশিল্পের প্রচার ও যুবকদের কর্মসংস্থান—সবই সম্ভব।

সরকার ও স্থানীয় সংস্থাগুলোর উচিত এমন ঐতিহ্যবাহী উৎসবগুলোকে জাতীয় সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা, নিরাপত্তা-চিকিৎসা-পরিবেশ সুরক্ষার ব্যবস্থা জোরদার করা এবং স্কুল-কলেজ পর্যায়ে এর ইতিহাস শেখানো। কারণ, একটি জাতির পরিচয় তার ঐতিহ্যের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে। লালমনিরহাটের ঘোড়দৌড় সেই পরিচয়কে প্রতি বছর উজ্জ্বল করে তোলে।

এই উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের মধ্যে সেতুবন্ধন সম্ভব। যতদিন লালমনিরহাটের মাঠে ঘোড়ার খুরের শব্দ বাজবে, ততদিন গ্রামবাংলার প্রাণশক্তি অমর থাকবে। আসুন, এই ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করি—শুধু দেখে নয়, অংশগ্রহণ করে ও সংরক্ষণ করে।

ছবি - প্রথম আলো

19/04/2026
16/04/2026

লালমনিরহাটের সন্তান কুরআন প্রতিযোগিতায় আসিফের জয়—প্রান্তিকতা ভেঙে উঠে আসার প্রতীক

রাজধানীর ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে অনুষ্ঠিত জাতীয় ইসলামী সাংস্কৃতিক উৎসবে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতায় লালমনিরহাটের সন্তান মোহাম্মদ আসিফ ইসলামের দেশসেরা হওয়া নিছক ব্যক্তিগত সাফল্য নয়। এটি বাংলাদেশের প্রান্তিক জনপদের অদম্য সম্ভাবনার উজ্জ্বল প্রতিফলন।

আমাদের সমাজে এখনও ধারণা প্রচলিত যে, শহুরে সুযোগ-সুবিধা ও ভালো প্রতিষ্ঠান ছাড়া বড় অর্জন সম্ভব নয়। আসিফের এই জয় সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে। সীমিত সম্পদ, দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও মেধা বিকশিত হতে পারে—তারই জীবন্ত উদাহরণ তিনি।

এ সাফল্যের পেছনে রয়েছে আসিফের অক্লান্ত নিষ্ঠা এবং শিক্ষকদের অবিচল সংগ্রাম। হাজী রেফাজ উদ্দিন শহীদ মোল্লা হাফেজী মাদরাসা ও এতিমখানা শুধু শিক্ষা দেয় না, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন দেখার সাহস জোগায়।

জাতীয় পর্যায়ের এমন প্রতিযোগিতা প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মেধাবীদের এক মঞ্চে নিয়ে আসে। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—এসব প্রতিভাকে আমরা পরবর্তীতে কতটা লালন করি? একদিনের সাফল্য যেন দীর্ঘমেয়াদি সহায়তায় রূপ নেয়।

আসিফের জয় আমাদের শেখায়, শিক্ষার আসল শক্তি অবকাঠামো নয়, বরং আন্তরিকতা ও সঠিক দিকনির্দেশনা। প্রান্তিক অঞ্চলের মাদরাসাগুলোতে আরও বিনিয়োগ, প্রশিক্ষিত শিক্ষক ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

আসিফের এই অর্জন কেবল একটি ট্রফি নয়, এটি একটি সামাজিক বার্তা। এটি মনে করিয়ে দেয় যে, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে লুকিয়ে আছে অসংখ্য সম্ভাবনা। সঠিক পরিচর্যা পেলে তারা জাতীয় গৌরব বয়ে আনতে পারে। এখন দায়িত্ব আমাদের সকলের—এই সম্ভাবনাকে টেকসই সাফল্যে রূপান্তর করা।
ছবি- নয়া দিগন্ত

30/03/2026

জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচারকারীদের তথ্য দিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা করলে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। (সূত্র: আলোকিত বাংলাদেশ)

30/03/2026

লালমনিরহাটের ৫ উপজেলায় ২৭ মার্চ, শুক্রবার মধ্যরাতে মাত্র ১০ মিনিটের তীব্র শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও কৃষকের ভুট্টা-তামাকসহ উঠতি ফসল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

10/03/2026

লালমনিরহাট: অবহেলিত উত্তরের দুয়ারে লুকিয়ে থাকা অপার সম্ভাবনা

লালমনিরহাট—একটি নাম শুনলেই চোখে ভাসে তিস্তার বিস্তীর্ণ চর, সবুজ ধানক্ষেত, রেললাইনের ঐতিহ্য আর সীমান্তের নীরব সাক্ষ্য। কিন্তু এই জেলাটি আজও বাংলাদেশের উন্নয়নের মানচিত্রে অনেকটা ছায়ায় রয়ে গেছে। উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে অবহেলিত জেলাগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত লালমনিরহাটে দারিদ্র্যের হার তুলনামূলক বেশি, প্রবাসী আয় কম, শিল্পায়ন প্রায় অনুপস্থিত। তবু এখানে রয়েছে এমন কিছু সম্ভাবনা, যা সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ দিয়ে জাগিয়ে তুললে জেলাটির অর্থনৈতিক ও সামাজিক চিত্র পুরোপুরি বদলে যেতে পারে—এমনকি মানুষের জীবনযাত্রা ইউরোপীয় মানের স্বাচ্ছন্দ্যের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

প্রথমত, কৃষি ও কৃষিভিত্তিক শিল্প। তিস্তা ও ধরলার উর্বর ভূমিতে ধান, পাট, গম, সবজি, ফলমূলের ফলন অপরিসীম। আধুনিক সেচ ব্যবস্থা, হাইব্রিড বীজ, কোল্ড স্টোরেজ, ফুড প্রসেসিং ইউনিট ও অর্গানিক ফার্মিং-এর মাধ্যমে এখানকার কৃষকরা শুধু স্বাবলম্বী নয়, রপ্তানিমুখী হতে পারে। একটি শক্তিশালী কৃষি-ভ্যালু চেইন গড়ে উঠলে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং আয় বহুগুণ বাড়বে।

দ্বিতীয়ত,সীমান্ত বাণিজ্য ও লজিস্টিকস। বুড়িমারি স্থলবন্দর, মোগলহাটের সম্ভাব্য নৌ-রেল-স্থল বন্দর এবং ভারতের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ—এগুলোকে পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগালে লালমনিরহাট হয়ে উঠতে পারে উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যিক হাব। চীন-ভারত-নেপাল-ভুটানের ট্রানজিট বাণিজ্যের অংশ হলে এখানে ওয়্যারহাউজ, ট্রাক টার্মিনাল, কাস্টমস সুবিধা গড়ে উঠবে। এতে হাজার হাজার যুবক-যুবতীর চাকরি হবে, স্থানীয় ব্যবসা ফুলে-ফেঁপে উঠবে।

তৃতীয়ত, লালমনিরহাট বিমানবন্দরের সচলতা। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত এই বিমানবন্দর চালু হলে (যা সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে) শুধু যোগাযোগ নয়, পর্যটন, ব্যবসা ও জাতীয় নিরাপত্তাও শক্তিশালী হবে। এটি চালু হলে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে বিপ্লব ঘটবে—একই সঙ্গে আঞ্চলিক হাব হিসেবে লালমনিরহাটের অবস্থান পাল্টে যাবে।

চতুর্থত, পর্যটন ও ইকো-ট্যুরিজম। তিস্তার চর, দাহাগ্রাম-আঙ্গরপোতা এনক্লেভ, ঐতিহাসিক মসজিদ-মাজার, রেলওয়ে হেরিটেজ—এসবকে পর্যটন পণ্যে রূপান্তর করলে হোমস্টে, ইকো-রিসোর্ট, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম গড়ে উঠতে পারে। স্থানীয় যুবকরা গাইড, হসপিটালিটি, হস্তশিল্পে নিজেরাই উদ্যোক্তা হয়ে উঠবে।

পঞ্চমত, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দক্ষতা উন্নয়ন। আধুনিক স্কুল-কলেজ, ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার, টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট (যা ইতিমধ্যে পরিকল্পনায় আছে) গড়ে তুলে যুবসমাজকে দক্ষ করে তুলতে হবে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে উন্নত করলে মানুষের জীবনমান বাড়বে।

এসব ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উৎসাহ, যুবকদের নেতৃত্ব এবং সম্প্রদায়ের একতাই মূল চাবিকাঠি। লালমনিরহাটকে যদি আমরা নিজেরাই গড়ে তুলি—বাইরের মুখাপেক্ষিতা কমিয়ে, নিজস্ব শ্রম-মেধায়—তাহলে একদিন এখানকার মানুষ সত্যিই বলতে পারবে, “আমাদের জীবন এখন ইউরোপের মতো স্বাচ্ছন্দ্যময়, কারণ আমরা নিজেরাই এটা তৈরি করেছি।”

লালমনিরহাট শুধু একটা জেলা নয়—এটা একটা স্বপ্নের নাম। সময় এসেছে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার। হাতে হাত রেখে, পরিশ্রম আর পরিকল্পনায় আমরা এগিয়ে যাই। উত্তরের এই দুয়ার খুলে দিলে পুরো বাংলাদেশের উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে।

05/06/2025

সেনাবাহিনীর ক্যাম্পসমূহের সাথে যোগাযোগের নম্বর
সেনাবাহিনী ক্যাম্পের সহায়তা প্রাপ্তির লক্ষ্যে নিম্নলিখিত নম্বরসমূহে:
বরিশাল বিভাগ
১। বরিশাল
০১৭৬৯০৭২৫৫৬
০১৭৬৯০৭২৪৫৬
২। পটুয়াখালী
০১৭৬৯০৭৩১২০
০১৭৬৯০৭৩১২২
৩। ঝালকাঠি
০১৭৬৯০৭২১০৮
০১৭৬৯০৭২১২২
৪। পিরোজপুর
০১৭৬৯০৭৮২৯৮
০১৭৬৯০৭৮৩০৮
চট্টগ্রাম বিভাগ
১। নোয়াখালী
০১৭৬৯-৩৩১৫১৯
০১৭৬৯-৩৩১৫২০
২। চাঁদপুর
০১৮১৫-৪৪০৫৪৩
০১৫৬৮-৭৩৪৯৭৬
৩। ফেনী
০১৭৬৯-৩৩৫৪৬১
০১৭৬৯-৩৩৫৪৩৪
৪। লক্ষীপুর
০১৭২১-৮২১০৯৬
০১৭০৮৭৬২১১০
৫। কুমিল্লা
০১৩৩৪-৬১৬১৫৯
০১৩৩৪-৬১৬১৬০
৬। ব্রাক্ষণবাড়ীয়া
০১৭৬৯-৩২২৪৯১
০১৭৬৯-৩৩২৬০৯
৭। কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী এবং সাতকানিয়া উপজেলা
০১৭৬৯১০৭২৩১
০১৭৬৯১০৭২৩২
৮। চট্টগ্রাম (লোহাগড়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী এবং সাতকানিয়া উপজেলা ব্যতিত)
০১৭৬৯২৪২০১২
০১৭৬৯২৪২০১৪
ঢাকা বিভাগ
১। মাদারীপুর
০১৭৬৯০৭২১০২
০১৭৬৯০৭২১০৩
২। কিশোরগঞ্জ
০১৭৬৯১৯২৩৮২
০১৭৬৯২০২৩৬৬
৩। টাঙ্গাইল
০১৭৬৯২১২৬৫১
০১৭৬৯২১০৮৭০
৪। গোপালগঞ্জ
০১৭৬৯-৫৫২৪৩৬
০১৭৬৯-৫৫২৪৪৮
৫। রাজবাড়ী
০১৭৬৯-৫৫২৫১৪
০১৭৬৯-৫৫২৫২৮
৬। গাজীপুর
০১৭৮৫৩৪৯৮৪২
০১৭৬৯০৯২১০৬
৭। মুন্সিগঞ্জ
০১৭৬৯০৮২৭৯৮
০১৭৬৯০৮২৭৮৪
৮। মানিকগঞ্জ
০১৭৬৯০৯২৫৪০
০১৭৬৯০৯২৫৪২
৯। নারায়ণগঞ্জ
০১৭৩২০৫১৮৫৮
১০। নরসিংদী
০১৭৬৯০৮২৭৬৬
০১৭৬৯০৮২৭৭৮
১১। শরিয়তপুর
০১৭৬৯০৯৭৬৬০
০১৭৬৯০৯৭৬৫৫
১২। ফরিদপুর
০১৭৬৯০৯২১০২
০১৭৪২৯৬৬১৬২
ঢাকা মহানগর
১। ঢাকার লালবাগ, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আগারগাঁও, মহাখালী, তেজগাঁও, এ্যালিফেন্ট রোড এবং কাঁটাবন
০১৭৬৯০৫১৮৩৮
০১৭৬৯০৫১৮৩৯
২। ঢাকার গুলশান, বারিধারা, বনানী, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা, শাহজাহানপুর, উত্তরখান, দক্ষিণখান এবং বনশ্রী
০১৭৬৯০১৩১০২
০১৭৬৯০৫৩১৫৪
৩। ঢাকার মিরপুর-১ হতে মিরপুর-১৪, খিলক্ষেত, উত্তরা এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর
০১৭৬৯০২৪২১০
০১৭৬৯০২৪২১১
৪। ঢাকার মতিঝিল, সেগুনবাগিচা, কাকরাইল, শান্তিনগর, ইস্কাটন, রাজারবাগ, পল্টন, গুলিস্তান এবং পুরান ঢাকা
০১৭৬৯০৯২৪২৮
০১৭৬৯০৯৫৪১৯
ময়মনসিংহ বিভাগ
১। শেরপুর
০১৭৬৯২০২৫১৬
০১৭৬৯২০২৫২৪
২। নেত্রকোণা
০১৭৬৯২০২৪৭৮
০১৭৬৯২০২৪৪৮
৩। জামালপুর
০১৭৬৯১৯২৫৪৫
০১৭৬৯১৯২৫৫০
৪। ময়মনসিংহ
০১৭৬৯২০৮১৫১
০১৭৬৯২০৮১৬৫
খুলনা বিভাগ
১। বাগেরহাট
০১৭৬৯০৭২৫১৪
০১৭৬৯০৭২৫৩৬
২। কুষ্টিয়া
০১৭৬৯-৫৫২৩৬২
০১৭৬৯-৫৫২৩৬৬
৩। চুয়াডাঙ্গা
০১৭৬৯-৫৫২৩৮০
০১৭৬৯-৫৫২৩৮২
৪। মেহেরপুর
০১৭৬৯-৫৫২৩৯৮
০২৪৭৯৯২১১৫৩
৫। নড়াইল
০১৭৬৯-৫৫২৪৫৬
০১৭৬৯-৫৫২৪৫৭
৬। মাগুরা
০১৭৬৯-৫৫৪৫০৫
০১৭৬৯-৫৫৪৫০৬
৭। ঝিনাইদহ
০১৭৬৯-৫৫২১৫৮
০১৭৬৯-৫৫২১৭২
৮। যশোর
০১৭৬৯-৫৫২৬১০
০১৭৬৯-০০৯২৪৫
৯। খুলনা
০১৭৬৯-৫৫২৬১৬
০১৭৬৯-৫৫২৬১৮
১০। সাতক্ষীরা
০১৭৬৯-৫৫২৫৩৬
০১৭৬৯-৫৫২৫৪৮
রাজশাহী বিভাগ
১। রাজশাহী
০১৭৬৯১১২৩৮৬
০১৭৬৯১১২৩৮৮
২। চাঁপাইনবাবগঞ্জ
০১৭৬৯১১২০৭০
০১৭৬৯১১২৩৭২
৩। পাবনা
০১৭৬৯১২২৪৭৮
০১৭৬৯১১২৪৮০
৪। সিরাজগঞ্জ
০১৭৬৯১২২৪৬২
০১৭৬৯১২২২৬৪
৫। নাটোর
০১৭৬৯১১২৪৪৬
০১৭৬৯১১২৪৪৮
৬। নওগাঁ
০১৭৬৯১২২১১৫
০১৭৬৯১২২১০৮
৭। জয়পুরহাট
০১৭৬৯১১২৬৩৪
৮। বগুড়া
০১৭৬৯১১২৫৯৪
০১৭৬৯১১২১৭০
রংপুর বিভাগ
১। রংপুর
০১৭৬৯৬৬২৫৫৪
০১৭৬৯৬৬২৫১৬
২। দিনাজপুর
০২৫৮৯৯২১৪০০
০২৫৮৯৬৮২৪১৪
৩। নীলফামারী
০১৭৬৯৬৮২৫০২
০১৭৬৯৬৮২৫১২
৪। লালমনিরহাট
০১৭৬৯৬৮২৩৬৬
০১৭৬৯৬৮২৩৬২
৫। কুড়িগ্রাম
০১৭৬৯৬৬২৫৩৪
০১৭৬৯৬৬২৫৩৬
৬। ঠাকুরগাঁও
০১৭৬৯৬৬৬০৬২
০১৭৬৯৬৭২৬১৬
৭। পঞ্চগড়
০১৯৭৩০০০৬৬২
০১৭৬৯৬৬২৬৬১
৮। গাইবান্ধা
০১৬১০৬৫২৫২৫
০১৭৫৪৫৮৫৪৮৬
সিলেট বিভাগ
১। সিলেট
০১৭৬৯১৭৭২৬৮
০১৯৮৭৮৩৩৩০১
২। হবিগঞ্জ
০১৭৬৯১৭২৫৯৬
০১৭৬৯১৭২৬১৬
৩। সুনামগঞ্জ
০১৭৬৯১৭২৪২০
০১৭৬৯১৭২৪৩০
৪। মৌলভীবাজার
০১৭৬৯১৭৫৬৮০
০১৭৬৯১৭২৪০০

28/05/2025

লালমনিরহাটে বিমানঘাঁটি সচল করলে, ত্রিপুরায় বিমানঘাঁটি চালুর হুঁশিয়ারি ভারতের! | India Threats

Want your business to be the top-listed Government Service in Lalmonirhat?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Lalmonirhat
5500