Bangladesh BNP

Bangladesh BNP

Share

রাস্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার বন্ধ হোক।

06/03/2026

সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর জন্য কবর খুঁড়তে হয়েছিলো ২ টা। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন,একটা না।
২ টা...

ফাঁসির ৪ ঘন্টা আগেও সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী জানতেন না,আজকেই তাকে যেতে হবে।

ফ্যামিলি যখন শেষবারের মতো দেখা করতে যায়,তখন সেই ফ্যামিলির কাছেই তিনি প্রথম জানতে পারেলেন যে আজকেই সেই দিন। তাঁর হাতে সময় আছে আর ৪ ঘন্টা।

উনি কিছুটা কষ্ট পেয়েছিলেন।জেলারকে বলেছিলেন,অন্তত আমাকে তো বলতে পারতি রে,
একটা প্রিপারেশন নেওয়ার ব্যাপার আছে না?

এরপর তিনি ফ্যামিলিকে জানান, উনি ১৯৭৮ সালে এক বক্তব্যে রাঙ্গুনিয়ার মানুষের কাছে ওয়াদা করেছিলেন,যে আমার কবর এখানেই হবে।
তার শেষ ইচ্ছা শুনেই চৌধুরী পরিবার রাঙ্গুনিয়াতে
কবর খননের কাজ শুরু করে।

কী অদ্ভুত জীবন!
মানুষটা তখনও বেঁচে আছে, অথচ কবর
খোড়া শুরু হয়ে গেছে ।

কিন্তু ফাঁসি কার্যকরের পর জেলার সাফ জানিয়ে দেন, লাশ রাঙ্গুনিয়া যাবে না। লাশ অবশ্যই রাউজানে নিতে হবে।

অনেক চেষ্টা করেও যখন মানানো যায়নি, তখন
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কাজিন সালমান এফ রহমানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ করা হয়,উনি যেন জেলারকে বলে দেন, লাশ রাঙ্গুনিয়াতে দাফন করার ব্যাপারে।

শেখ হাসিনা স্পষ্ট জানিয়ে দেন,রাঙ্গুনিয়া না, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর দাফন রাউজানেই করতে হবে।

শেষ পর্যন্ত রাউজানে আরেকটা কবর খোড়া হয়।ওখানেই সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে দাফন করা হয়।

আমি শুধু ভাবি,ঠিক কতটা বিদ্বেষ পুষে রাখলে
এই কাজটা করা যায়?একজন মৃত ব্যক্তির লাশ পর্যন্ত দাফন করতে দেয়া হয় না!

সালাউদ্দিন কাদেরকে বার বার বলা হয়েছিল,
"তুমি যদি রাষ্ট্রপতির কাছে জীবন ভিক্ষা চাও, তাহলে
তোমার ফাঁসি দেওয়া হবে না "।কিন্তু ইতিহাসের এই নেতা বলেছিলেন,"জীবন দেওয়া নেওয়ার মালিক আল্লাহ। আর আমি রাজাকার নই, তাই মিথ্যাকে স্বীকার করে নিয়ে কখনোই জীবন ভিক্ষা চাইবো না"।
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত উনি সত্যের প্রতি অনড় ছিলেন।

সালাউদ্দিন চৌধুরির হয়ে আদালতে যে আইনজীবী লড়াই করেছিলেন,পরবর্তীতে সেই আইনজীবীকেও পর্যন্ত শোকজ করা হয়েছিল।

যারা অন্ধের মতো আওয়ামীদের পূণর্বাসন করার চেষ্টা করছেন,তারা দয়াকরে এমন বিভীষিকাময় অতীত ঘেটে আসুন। আপনাদের অন্ধ চোখ খুলে যাবে।আওয়ামীলীগ পুনর্বাসন একদিন আপনাদের জন্য নিশ্চিতভাবেই বুমেরাং হবে।

27/02/2026

এরকম কথা শুনছেন কখনো!! 🥹

27/02/2026

নতুন সরকার গঠনের ১০ দিনের মাথায় কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। তিনি জানান, শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতের কৃষকেরা এ সুবিধা পাবেন। এ সিদ্ধান্তের ফলে মওকুফ হবে মোট ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। এতে প্রায় ১২ লাখ কৃষক সুফল পাবেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ নেওয়ার পর যত সুদই হোক, সুদ-আসলসহ পুরোটা মওকুফ হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এই হারে কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করা। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা ঋণের দায় থেকে মুক্ত হতে পারবেন, যা তাঁদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

নাসিমুল গনি আরও বলেন, ঋণের কিস্তি বাবদ যে অর্থ কৃষকের ব্যয় হতো, সেই অর্থ তাঁরা উন্নত মানের বীজ বা আধুনিক সেচপ্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। মাথার ওপর ঋণের বোঝা না থাকায় কৃষক পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে সক্ষম হবেন। এ ছাড়া এই মওকুফ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড বা ঋণমান ভালো হবে। ফলে তাঁরা ব্যাংক থেকে আবার স্বল্প সুদে কৃষিঋণ গ্রহণ করতে পারবেন, যা তাঁদের স্থানীয় মহাজনি ঋণের উচ্চ সুদের হাত থেকে রক্ষা করবে।

26/02/2026

বাংলাদেশ 💚🇧🇩💚

26/02/2026

জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসনের যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি বলেছেন, জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী খোঁজখবর নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী আমাদের ডেকেছিলেন এবং জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন, তাদের পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা ও বিভিন্ন ভাতার বিষয়ে জানতে চেয়েছেন।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

তিনি বলেন,‌ কিছু বঞ্চিত পরিবার রয়েছে, যাদেরকে বিগত সময়ে বিএনপি দলীয় পরিচয় দেখে পুনর্বাসন সহায়তা সঠিকভাবে দেওয়া হয়নি। সেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। আমাদের কাছে কোন রাজনৈতিক দলীয় পরিচয় বিবেচ্য হবে না।

ইশরাক হোসেন বলেন, জুলাই ফাউন্ডেশনের অতীত কার্যক্রম সম্পর্কে আপনারা অবগত আছেন। সেখানে সরকারের পক্ষ থেকে একটি বড় অঙ্কের তহবিল দেওয়া হয়েছিল। সেই তহবিল যথাযথভাবে ব্যবহার হয়েছে কি না, সে বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী জানতে চেয়েছেন। আমরা তার দিকনির্দেশনা গ্রহণ করেছি।

24/02/2026

বেসরকারি উদ্যোক্তা নিয়ে দেশের রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান ‍খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠা খুলে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বেসরকারি ‍উদ্যোক্তাদের নিয়ে কাজটি করা হবে, যাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়।’

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি আছে দেশের রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে, রুগ্ন ও বন্ধ পাটশিল্প, চিনি কারখানাগুলো খুলে দিয়ে সেখানে পুরাতন শ্রমিকদের বহাল রেখে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে।

বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন কর্মসংস্থানের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বন্ধ ও রুগ্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে বলেছেন। এ ব্যাপারে শিল্প মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে ইতোমধ্যে একটি কমিটি কাজও শুরু করছে।

24/02/2026

সময়ের পরিক্রমায় কিছু ছবি কেবল কাগজের টুকরো হয়ে থাকে না, হয়ে ওঠে একটি জাতির ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি সাদাকালো ছবি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে—সাবেক প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমান, তাঁর সহধর্মিণী (তিনবারের প্রধানমন্ত্রী) মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁদের জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমানকে (বর্তমান প্রধানমন্ত্রী)।

নেটিজেনরা বলছেন, এটি কেবল একটি পারিবারিক ছবি নয়; বরং একই ফ্রেমে বন্দি হয়েছেন বাংলাদেশের অতীতে দায়িত্ব পালন করা এবং ভবিষ্যতের দিকপাল তিন জন রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে এটি কৌতূহলের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পুরনো ছবিটি মনে করিয়ে দিচ্ছে সেই সময়ের কথা, যখন বাংলাদেশ একটি নতুন স্বপ্ন নিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল।

দেশপ্রেম ও সাদাসিধে জীবনের প্রতিচ্ছবি ছবিটিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে তাঁর চিরচেনা সামরিক পোশাক ও এভিয়েটর সানগ্লাসে দেখা যাচ্ছে, যা তাঁর দৃঢ় নেতৃত্ব ও শৃঙ্খলার প্রতীক। তাঁর পাশে অত্যন্ত সাধারণ ও মার্জিত পোশাকে দাঁড়িয়ে আছেন আপসহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। মাঝখানে কচি মুখে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, স্বপ্নের দেশ গড়ার প্রবল আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কাজ করা ছোট তারেক রহমানকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ছবিটি তৎকালীন সময়ের রাজনৈতিক পরিবারের অনাড়ম্বর জীবনযাত্রার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও যে অতি সাধারণ জীবন যাপন করা যায়, এই স্থিরচিত্রটি তারই প্রমাণ বহন করে। যুগ যুগ ধরে এই ছবি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অমূল্য স্মারক হিসেবে টিকে থাকবে—যেখানে এক ফ্রেমে দেখা যায় দেশসেবার ব্রত নেওয়া তিনটি প্রদীপ্ত মুখকে।

শহীদ জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক হিসেবে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁরই সহধর্মিণী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, যিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে আপসহীন ভূমিকা রেখে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন। অন্যদিকে, তারেক রহমান বর্তমানে রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার ও তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক আইকন হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

ইনকিলাব/ ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

24/02/2026

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিলো। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলো। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি "শহীদ সেনা দিবস" হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।

পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকান্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিলো- নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরী বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকান্ডের পর নানারকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিলো। তবে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকান্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য।

সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।

দেশ এবং জনগণে স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবো- এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।

24/02/2026

আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, দুপুরে নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির একটি সভা হয়েছে এবং এখানে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন যে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উপকমিটি ছিল। মন্ত্রিপরিষদের সেই উপকমিটির সুপারিশের আলোকে আজকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে পাইলটিংয়ের একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রকল্পের পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এই কার্যক্রমের জন্য আমরা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগের ১৪টি উপজেলাকে নির্ধারণ করেছি। এই ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে সর্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। ইনশাআল্লাহ, ১০ মার্চ একযোগে এই ১৪টি উপজেলায় কার্যক্রমটি শুরু হবে। এই প্রক্রিয়াটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পর্যায়ক্রমে তা সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটা সময়ে বাংলাদেশের যারা হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত এই তিন শ্রেণির সুবিধাভোগী আমাদের যে মা আছেন, তারাই এটার সুবিধা পাবেন।

তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। একজন নারী স্বাবলম্বী হলে একটি পরিবার স্বাবলম্বী হয় এবং এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মও স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রকল্পের ওপর কাজ করেছেন। আজ তার সভাপতিত্বে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা প্রতি মাসে ইনশাআল্লাহ দুই হাজার পাঁচশত (২,৫০০) টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।

23/02/2026

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, এ দেশের এয়ারপোর্টে নামলে ‎প্রবাসীরা যেন সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ দেখতে পায় সেই ব্যাপারে আমাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। উনারা যেন বুঝতে পারেন আগের থেকে সবকিছুতে একটা ভালো পরিবর্তন এসেছে সেই দিকে আমাদের সবার খেয়াল রাখতে হবে।

‎তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চেষ্টা করছেন যাতে সামনে থার্ড টার্মিনাল চালু করা যায়। সে ব্যাপারে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন। আসন্ন হজ্বে হজ্বযাত্রীদের যেন কোনো অসুবিধা না হয় সেটার বিষয়েও আমাদের নজরদাড়ি বাড়াতে হবে।

‎সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে মন্ত্রী হবার পর প্রথমবার সরকারি সফরে এসে সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

23/02/2026

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, অনৈতিক চর্চা পরিহার করে সামগ্রিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং নির্মাণকাজে অপচয় রোধে সচেষ্ট থাকতে হবে। বর্তমান সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও অপচয় রোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ৪৪তম বিসিএস (সড়ক ও জনপথ) ক্যাডারে যোগদান করা ৩২ কর্মকর্তার জন্য আয়োজিত সাত দিনব্যাপী ইনডাকশন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের এসব কথা বলেন তিনি। পরে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সড়ক ও সেতু মন্ত্রী নবযোগদান করা কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে নবীন কর্মকর্তারা পুরোদমে কাজে যুক্ত হবেন। রাষ্ট্র তাদের প্রকৌশলী হিসেবে গড়ে তুলেছে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে—এই উপলব্ধি সব সময় ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘নিজেদের রাষ্ট্রের স্বার্থে সর্বদা নিবেদিত রাখা সহজ নয়; নানা প্রতিবন্ধকতা থাকে। তবে তরুণ কর্মকর্তাদের উপলব্ধি থাকা দরকার যে, তারা চাইলে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারেন।’

রাষ্ট্রের অর্থ মানে জনগণের অর্থ, তা যথাযথভাবে ব্যবহার করার নির্দেশনা দিয়ে সড়কমন্ত্রী আরো বলেন, অনৈতিক চর্চা পরিহার করে সামগ্রিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং নির্মাণকাজে অপচয় রোধে সচেষ্ট থাকতে হবে। বর্তমান সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও অপচয় রোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এ ক্ষেত্রে নবীন কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও সততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্র ও সরকারের প্রত্যাশা পূরণে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ এবং উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে হবে। সততা ও নৈতিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনই একজন প্রকৃত কর্মকর্তার পরিচয়।’

প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আগামীর বাংলাদেশ সবাইকে মিলেই গড়তে হবে। নবীন কর্মকর্তারাই আগামীর ভবিষ্যতের কাণ্ডারি।

সড়ক নিরাপত্তার মাধ্যমে বাংলাদেশকে নিরাপদ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘একটি সড়ক বন্ধ থাকলে লাখো মানুষের দুর্ভোগ হয়; তাই সড়ক চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা, নির্মাণ ব্যয় যুক্তিসংগত রাখা এবং নিরাপদ অবকাঠামো নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।’ এ সময় নবীন ও প্রবীণদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান নবীন কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, নতুন যারা যোগ দিয়েছেন তারা তাদের মেধা ও কর্মদক্ষতা দিয়ে দেশকে সেবা করবেন-এটাই সবার প্রত্যাশা।

স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সামনে আরো সুনাম অর্জনের আহ্বান জানান তিনি।

23/02/2026

পুলিশের কাজে অবৈধভাবে কেউ বাধা দিতে পারবে না। পুলিশের আইনানুগ কাজে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা যাবে না। একইসঙ্গে পুলিশের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে যাতে তাদের দ্বারা মানুষ হয়রানির শিকার না হয়৷

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চেইন অভ কমান্ড বজায় রাখতে হবে। নির্বাচনের আগে দেশে লটারি করে এসপি এবং ওসিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে৷ এতে করে যার যেখানে যাওয়ার কথা না সেখানে দেওয়া হয়েছে৷ এসব পদায়ন সার্ভিস রেকর্ড দেখে করা উচিত ছিল৷ তাছাড়া লটারি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। আমরা দক্ষতা ও উপযুক্ততা বিবেচনায় নিয়ে এগুলো নিয়ে কাজ করবো। রাজনৈতিক কারণে বিধির বাহিরে পুলিশ সুপাররা যেন কাউকে প্রটোকল না দেয় সে বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে- জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পরিচালনা করা৷ দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুলিশের ২ হাজার ৭০১টি কনস্টেবলের শুন্য পদে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ০৫ আগস্টের পর বেশকিছু মামলায় অনেক সুবিধাবাদী গ্রুপ ভোগান্তিতে ফেলতে নিরীহ ও সাধারণ অনেক মানুষকে মামলায় জড়িয়েছে৷ পুলিশ বিভাগকে এগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট দিয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুনরায় কমিশন গঠন করে সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখে সেই কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী এর বিচার করা হবে। আমরা যেকোনো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় যে সকল আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে সেগুলো আমরা আবার ভেরিফাই করবো৷ সেগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় হয়েছে কিনা আমরা সেটা খতিয়ে দেখবো৷ লাইসেন্স যারা পেয়েছে তারা এটা পাওয়ার উপযুক্ত কিনা সেটা যাচাই করা হবে৷ যেগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লাইসেন্স পেয়েছে সেগুলো বাতিল করা হবে৷ এসব লাইসেন্স এর অধীনে অস্ত্র থাকলে সেগুলোও বাতিল হবে৷

-সালাহউদ্দিন আহমদ
মাননীয় মন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্ত্রণালয়
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Want your business to be the top-listed Government Service in Madaripur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Madaripur