AmarBubu
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from AmarBubu, Social service, Noakkhali, Maijdee Court, Maijdee Court.
ব্রা তে কাপ সাইজ লেখা না থাকলে কীভাবে কিনবেন?
20/03/2026
মাসিক খুব কম বা ১–২ দিনে শেষ হলে তা হরমোন সমস্যা বা পাতলা এন্ডোমেট্রিয়ামের ইঙ্গিত হতে পারে।
নতুন সেনোরা কনফিডেন্স হেভি ফ্লো আপনাকে দেয় ০% লিকেজ ও ১০০% ড্রাই ফিল নিশ্চয়তা। রেগুলার কিংবা হেভি ফ্লো হোক, পিরিয়ডের এমন দিনগুলোতে সবসময় রেডি আছে সেনোরা কনফিডেন্স।
শুধুমাত্র নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদী’তে হোম ডেলিভারী সুবিধায় অর্ডার করতে মেসেজ করুন।
প্রশ্নঃ সবসময় ব্যবহার করা যাবে এমন বেস্ট ব্রা কোনটি?
উঃ সবসময় ব্যবহার করতে চাইলে ইনভিজিবল ব্রা ই সঠিক অপশন। যেহেতু নরমালি ডিজাইনড কোনো আন্ডারওয়্যার নেই, তাই প্রেশার ফিল করার কোনো ভয় নেই। রেগুলার মুভমেন্ট, বাসার কাজ, অফিস এমনকি ঘুমের সময়ও কম্পোর্টেবল। মডারেট সাপোর্ট বা এনাফ সাপোর্ট দেয়। টিন থেকে শুরু করে অ্যাডাল্ট উমেন সবার জন্য উপযোগী। ডেইলি ওয়্যারের জন্য বেস্ট অপশন্স । খেয়াল রাখতে হবে, ফ্যাব্রিক যাতে খুবই নরম ও স্ট্রেচি হয়। স্কিনের সাথে স্মুথলি সেট হয়। খুব দ্রুত আর্দ্রতা শোষন করে যাতে ঘাম জমে অস্বস্তি হয় না। ইনভিজিবিল হওয়ার কারণে টপ, কুর্তি, টিশার্ট বা যেকোনো আউটফিটের নিচে লাইন দেখা যায় না।
প্রশ্নঃ আমি ঈদে ড্রেস যেটা নিয়েছি ওটা হোয়াইট কালার। এখন ভিতরে কোন কালারের ইনার লাগবে?
উঃ আমরা অনেকেই মনে করি হোয়াইট ড্রেসের নিচে হোয়াইট ব্রা ই সবচেয়ে সেফ। কিন্ত বাস্তবে সাদা ব্রা সাদা কাপড়ের নিচে আরো বেশি বোঝা যায়। কারণ ২ শেডের কালার এক হয় না। আর আলো পড়লে আউটলাইন আরো স্পষ্ট হয়ে যায়। যেহেতু আমাদের বেশিরভাগেরই স্কিন টোন ব্রাউন। তাহলে কোন কালার সেইফ?
স্কিন বা নোড কালার অর্থাৎ আপনার স্কিন টোনের কাছাকাছি শেড সবচেয়ে ভালো অপশন। স্কিন টোনের সাথে এটা মিশে যায়। তাই বাইরে থেকে কম বোঝা যায়। আবার যদি একদম ম্যাচিং নোড না পান তাহলে হালকা বেইস বা হালকা ব্রাউন চুজ করতে পারেন। ইনভিজিবল বা টি-শার্ট ব্রা চুজ করতে পারেন। কারণ কালারের পাশাপাশি ফিনিশিংও ইম্পোর্টেন্ট।
স্মুথ বা ভালো স্টিচ এর কাপ হলে লাইনগুলো কম বোঝা যায়।
আর সাদার নিচে ইগনোর করবেন একদম সাদা, লাল, কালো বা ডার্ক রং, হেভি লেস টেক্সচার্ড ব্রা। কারণ এগুলোতে আউটলাইন দেখা যেতে পারে।
তাই সাদা কাপড়ের নিচে সাদা না বরং আপনার স্কিন টোনের কাছাকাছি কোনো একটা কালার চুজ-ই বেস্ট অপশন।
08/03/2026
ব্রেস্ট ক্যান্সারের উপসর্গসমূহ:
08/03/2026
ঠিক মাপের ব্রা পরা কেবল আরামদায়কই নয়, এটি আপনার আত্মবিশ্বাস এবং শারীরিক গঠনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ধাপে ধাপে ব্রা-এর সঠিক মাপ বের করার পদ্ধতি দেওয়া হলো:
১. ব্যান্ড সাইজ (Band Size) নির্ণয়:
একটি মেজারিং টেপ দিয়ে আপনার বুকের ঠিক নিচে (যেখানে ব্রা-এর ব্যান্ড থাকে) চারপাশ দিয়ে মাপ নিন। টেপটি যেন সোজা থাকে এবং শরীরের সাথে টাইট হয়ে লেগে থাকে।
যদি মাপ জোড় সংখ্যা (যেমন: ৩২, ৩৪, ৩৬) হয়, তবে সেটিই আপনার ব্যান্ড সাইজ।
যদি মাপ বিজোড় সংখ্যা (যেমন: ৩১, ৩৩, ৩৫) হয়, তবে পরবর্তী জোড় সংখ্যাটি ধরুন।
২. বাস্ট সাইজ (Bust Size) নির্ণয়:
এবার বুকের সবচেয়ে উঁচু অংশ (Ni**le area) বরাবর টেপ দিয়ে মাপ নিন। খুব বেশি টাইট করবেন না, হালকাভাবে ধরুন।
৩. কাপ সাইজ (Cup Size) বের করা:
আপনার বাস্ট সাইজ থেকে ব্যান্ড সাইজ বিয়োগ করুন। এই পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে আপনার কাপ সাইজ নির্ধারিত হবে:
১ ইঞ্চি পার্থক্য = A কাপ
২ ইঞ্চি পার্থক্য = B কাপ
৩ ইঞ্চি পার্থক্য = C কাপ
৪ ইঞ্চি পার্থক্য = D কাপ
(এভাবে পর্যায়ক্রমে বাড়লে কাপ সাইজও বাড়ে)।
উদাহরণ:
আপনার ব্যান্ড সাইজ যদি ৩৪ ইঞ্চি হয় এবং বাস্ট সাইজ যদি ৩৬ ইঞ্চি হয়, তবে পার্থক্য ২ ইঞ্চি। অর্থাৎ আপনার ব্রা সাইজ হবে 34B।
সঠিক মাপের ব্রা আপনার শরীরকে সঠিক সাপোর্ট দেয় এবং পিঠ বা কাঁধের ব্যথা রোধ করতে সাহায্য করে।
শীঘ্রই আমরা আসছি, নোয়াখালীতে।
06/03/2026
#পেরিনিয়াল ম্যাসাজ (Perineal Massage)
ভয় নয়, প্রস্তুতি হোক সচেতন ও নিরাপদ স্বাভাবিক প্রসবের পথে
গর্ভাবস্থার শেষ দিকে এসে অনেক মায়ের মনেই একই চিন্তা ঘুরপাক খায়—
“প্রসবের সময় খুব ছিঁড়ে যাবে না তো?”
“ব্যথা কি অসহ্য হয়ে যাবে?”
এই ভয় একদম অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু ভালো খবর হলো, এই ঝুঁকি ও ভয় কমানোর একটি সহজ, বৈজ্ঞানিক এবং প্রাকৃতিক উপায় আছে। সেটিই হলো পেরিনিয়াল ম্যাসাজ।
---
পেরিনিয়াল ম্যাসাজ আসলে কী?
পেরিনিয়াম হলো যোনি ও পায়ুপথের মাঝখানের নরম, মাংসল অংশ।
স্বাভাবিক প্রসবের সময় শিশুর মাথা বের হওয়ার সময় এই অংশেই সবচেয়ে বেশি চাপ ও টান পড়ে।
নির্দিষ্ট নিয়মে, নির্দিষ্ট সময় ধরে এই জায়গায় ম্যাসাজ করাকে বলা হয় পেরিনিয়াল ম্যাসাজ।
এতে পেরিনিয়ামের টিস্যু ধীরে ধীরে নরম, নমনীয় ও প্রসারণযোগ্য হয়ে ওঠে।
ফলে প্রসবের সময় শরীর আগেই মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায়।
---
কখন থেকে শুরু করবেন?
সাধারণত
গর্ভাবস্থার ৩৪–৩৫ সপ্তাহ থেকে শুরু করাই সবচেয়ে ভালো
সপ্তাহে ৩–৪ দিন করলেই যথেষ্ট
প্রতিদিন ৫–১০ মিনিট সময় দিলেই উপকার পাওয়া যায়
নিয়মিত করলে প্রসবের সময় শরীর হঠাৎ চাপে পড়ে না।
---
কীভাবে করবেন পেরিনিয়াল ম্যাসাজ?
ধাপে ধাপে করলে বিষয়টি সহজ ও নিরাপদ থাকে—
1. হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন, নখ ছোট রাখুন
2. আধশোয়া বা আরামদায়ক ভঙ্গিতে বসুন
3. পরিষ্কার নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন
4. যোনির ভেতরে আঙুল প্রায় ১–১.৫ ইঞ্চি ঢুকান
5. নিচের দিকে ও দুই পাশে হালকা চাপ দিন
6. ধীরে ধীরে “U” আকৃতিতে ম্যাসাজ করুন
7. হালকা টান লাগতে পারে, কিন্তু ব্যথা হওয়া উচিত নয়
শুরুতে আয়নার সাহায্য নিলে জায়গাটি বুঝতে সহজ হয়।
চাপ কখনোই জোরে দেবেন না।
---
এতে কী কী উপকার পাওয়া যায়?
পেরিনিয়াল ম্যাসাজ নিয়মিত করলে—
প্রসবপথ ছিঁড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে
এপিসিওটমি (প্রসবের সময় কাটা) লাগার সম্ভাবনা কম হয়
প্রসবের সময় চাপ সহ্য করা সহজ হয়
প্রসব-পরবর্তী ব্যথা ও অস্বস্তি তুলনামূলক কম থাকে
মায়ের আত্মবিশ্বাস বাড়ে, ভয় অনেকটাই কমে যায়
সবচেয়ে বড় কথা, মা নিজেকে মানসিকভাবেও প্রস্তুত অনুভব করেন।
---
কখন এই ম্যাসাজ করবেন না?
নিচের যেকোনো অবস্থায় পেরিনিয়াল ম্যাসাজ এড়িয়ে চলুন—
অকাল প্রসবের ঝুঁকি থাকলে
পানি ভেঙে গেলে
যোনিপথে ইনফেকশন বা ফাঙ্গাল সমস্যা থাকলে
Placenta Previa থাকলে
অথবা ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
02/03/2026
যোনির ফাঙ্গাল ইনফেকশন: জানা জরুরি কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
যোনির ফাঙ্গাল ইনফেকশন নারীদের মধ্যে একটি খুবই সাধারণ স্বাস্থ্যসমস্যা। জীবনের কোনো না কোনো সময়ে বেশিরভাগ নারীই এই সমস্যার মুখোমুখি হন। এটি লজ্জার কিছু নয়, আবার অবহেলা করার বিষয়ও না। সময়মতো সচেতন হলে ও সঠিক চিকিৎসা নিলে এই সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।
কেন ফাঙ্গাল ইনফেকশন হয়?
আমাদের যোনিতে স্বাভাবিকভাবেই কিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে। পাশাপাশি অল্প পরিমাণে Candida নামের এক ধরনের ছত্রাকও থাকে। সাধারণ অবস্থায় এগুলো কোনো সমস্যা করে না।
কিন্তু যোনির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হলে এই ছত্রাক অতিরিক্ত বেড়ে গিয়ে ইনফেকশন তৈরি করতে পারে।
যোনির ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সম্ভাব্য কারণগুলো হলো—
• অপ্রয়োজনীয় বা দীর্ঘদিন অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার
• গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তন
• ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকা
• শরীর দুর্বল থাকা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া
• অতিরিক্ত মানসিক চাপ
• স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ ব্যবহার
• খুব টাইট বা সিনথেটিক কাপড় পরা
• ভেজা বা ঘামযুক্ত অবস্থায় দীর্ঘ সময় থাকা
• জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির কারণে হরমোনের পরিবর্তন
সাধারণ লক্ষণগুলো কী?
• যোনি ও আশপাশে তীব্র চুলকানি
• সাদা, ঘন স্রাব (দই বা ছানার মতো)
• সাধারণত দুর্গন্ধ থাকে না
• যোনির মুখ লাল হয়ে যাওয়া বা ফোলা
• প্রস্রাবের সময় জ্বালা
• কিছু ক্ষেত্রে সহবাসে অস্বস্তি
• অনেক সময় মাসিকের আগের দিকে সমস্যা বেশি অনুভূত হয়
যেসব লক্ষণ সাধারণত ফাঙ্গাল ইনফেকশনের নয়
এই লক্ষণগুলো থাকলে সতর্ক হবেন—
• তীব্র দুর্গন্ধ বা মাছের মতো গন্ধ
• সবুজ বা হলুদ রঙের স্রাব
• জ্বর
এসব ক্ষেত্রে সমস্যা অন্য কোনো সংক্রমণও হতে পারে, তাই ডাক্তারের পরামর্শ জরুরি।
কীভাবে রোগ নির্ণয় করা হয়?
বেশিরভাগ সময় লক্ষণ দেখেই ধারণা করা যায়। তবে—
• যদি বারবার একই সমস্যা হয়
• ওষুধে কাজ না করে
• লক্ষণ অস্বাভাবিক মনে হয়
তাহলে চিকিৎসক যোনি থেকে পরীক্ষা (সোয়াব টেস্ট) করতে বলতে পারেন।
চিকিৎসা কী?
হালকা সমস্যা হলে—
• যোনিতে ব্যবহারের অ্যান্টিফাঙ্গাল ক্রিম বা সাপোজিটরি
(যেমন: ক্লোট্রিমাজোল, মাইকোনাজোল)
• সাধারণত ১–৭ দিনের মধ্যে উপকার পাওয়া যায়
কিছু ক্ষেত্রে—
• মুখে খাওয়ার ওষুধ (যেমন: ফ্লুকোনাজোল) দেওয়া হতে পারে
• তবে গর্ভাবস্থায় সাধারণত এই ওষুধ দেওয়া হয় না
• নিজের ইচ্ছায় কখনো ওষুধ খাবেন না
বারবার হলে—
• দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়
• ডায়াবেটিস থাকলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ
গর্ভাবস্থায় করণীয়
• যোনিতে ব্যবহারের ক্রিম সাধারণত নিরাপদ
• মুখে খাওয়ার ওষুধ এড়িয়ে চলা হয়
• অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে
কী করবেন, কী করবেন না
✔ জায়গাটি পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন
✔ ঢিলেঢালা সুতির অন্তর্বাস পরুন
✔ ভেজা কাপড় দ্রুত বদলান
✔ অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক এড়িয়ে চলুন
✘ সুগন্ধযুক্ত সাবান, স্প্রে বা ডুচিং ব্যবহার করবেন না
✘ সমস্যাকে লুকিয়ে রাখবেন না
কখন দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাবেন?
• প্রথমবার এমন সমস্যা হলে
• চুলকানি বা জ্বালা অসহ্য হলে
• বারবার সমস্যা ফিরে এলে
• আপনি গর্ভবতী হলে
• স্রাবে দুর্গন্ধ, রঙ পরিবর্তন বা জ্বর থাকলে
👉 নিজের শরীরের সংকেতকে গুরুত্ব দিন।
👉 সময়মতো চিকিৎসা নিলে এই সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণে আসে।
এই তথ্যটি শেয়ার করুন।
অনেক নারী শুধু না জানার কারণে অকারণে কষ্ট সহ্য করেন।
25/02/2026
গর্ভাবস্থায় কোন খাবারগুলো অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন:-
১️. কাঁচা বা আধা-সেদ্ধ খাবার
যেমন: ডিম, মাংস, মাছ, অপাস্তুরিত দুধ, ঝিনুক
▪ কাঁচা ডিমে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া থাকে
▪ কাঁচা মাছ-মাংস ও দুধে লিস্টিরিয়া সংক্রমণ থাকে
▪ গর্ভপাত ও গুরুতর সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে
▪ উদাহরণ: সুশি, সাশিমি, সফট চিজ
২️. কাঁচা পেঁপে ও অতিরিক্ত আনারস
▪ কাঁচা পেঁপেতে ‘ল্যাটেক্স’ থাকে
▪ আনারসে ‘ব্রোমেলাইন’ থাকে
▪ জরায়ুর সংকোচন বৃদ্ধি করে
▪ অকাল প্রসবের ঝুঁকি তৈরি করে
৩️. উচ্চ পারদযুক্ত সামুদ্রিক মাছ
▪ বড় সামুদ্রিক মাছে উচ্চমাত্রায় পারদ (Mercury) থাকে
▪ শিশুর মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত করে
৪️. অতিরিক্ত চিনি, ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত মাংস
▪ অতিরিক্ত লবণ ও প্রিজারভেটিভ থাকে
▪ অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি ঘটায়
▪ গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়
▪ উচ্চ রক্তচাপের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে
৫️. অতিরিক্ত ক্যাফেইন ও কোমল পানীয়
▪ বেশি চা/কফি শিশুর জন্ম ওজন কমিয়ে দেয়
▪ কোমল পানীয় গ্যাস ও অ্যাসিডিটি বাড়ায়
৬️. অপরিষ্কার মাশরুম ও অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার
▪ অপরিষ্কার মাশরুমে টক্সিন থাকে
▪ অতিরিক্ত মশলা বুক জ্বালাপোড়া বাড়ায়
▪ বাইরের সসে ক্ষতিকর কেমিক্যাল থাকে
৭️. অ্যালকোহল ❌
▪ শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে স্থায়ী ক্ষতি করে
▪ Fetal Alcohol Syndrome সৃষ্টি করে
▪ এর কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Noakkhali, Maijdee Court
Maijdee Court
3800
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 21:00 |
| Tuesday | 09:00 - 21:00 |
| Wednesday | 09:00 - 09:15 |
| Thursday | 09:00 - 21:00 |
| Friday | 09:00 - 21:00 |
| Saturday | 09:00 - 21:00 |
| Sunday | 09:00 - 21:00 |
