04/04/2026
মিষ্টির দোকানির কি গাভীর খামার আছে? ৯৯% এর ই নাই। বাজার থেকে তারা সুলভে দুধ সংগ্রহ করে, তা দিয়ে হরেক মিষ্টান্নে সেরম লাভ করে!! খামারির লাভ শুধু কষ্টে শিষ্টে উৎপাদন বাড়ানো!!!
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Vet Dr Rejaul Karim, Public & Government Service, মানিকগঞ্জ জেলা, সাভার, ধামরাই, কেরানীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ।, Manikganj.
To serve the livestock, develop awareness of farmers, create healthy livestock, ensuring safe food to the community throughout betterment and welfare of domestic animals.
04/04/2026
মিষ্টির দোকানির কি গাভীর খামার আছে? ৯৯% এর ই নাই। বাজার থেকে তারা সুলভে দুধ সংগ্রহ করে, তা দিয়ে হরেক মিষ্টান্নে সেরম লাভ করে!! খামারির লাভ শুধু কষ্টে শিষ্টে উৎপাদন বাড়ানো!!!
ক্ষুরা, এলএসডি ও তড়কা রোগের টিকা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। অনেক টিকার মধ্যে এ তিনটি দিলেই ভাল থাকবে আপনার খামার ইনশাল্লাহ ।
03/04/2026
সরিষার খৈল কিভাবে খাওয়াতে হবে?
03/04/2026
সরিষার খৈল গরু মোটা তাজা করতে কেমন ভূমিকা রাখে? জানতে হলে ফলো দিয়ে রাখুন।
03/04/2026
বোভাইন ইপিমেরাল ফিবার রোগ থেকে আপনার গরু গাভী কে রক্ষা করতে মশা মাছি নিয়ন্ত্রণ করুন। বর্তমানে হঠাৎ গরুর খাবার না খাওয়া, গায়ে প্রচুর জ্বর, কাশি, শ্বাস কষ্ট, পা খোড়ানো উপসর্গ দেখা দেয়। ভীতি নয়, সচেতন হোন, অভিজ্ঞ ভেট এর সাথে যোগাযোগ রাখুন ইনশাআল্লাহ কোন সমস্যা হবে না।
বাছুরের (গরুর বাচ্চা) রেবিস (জলাতঙ্ক) একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত আক্রান্ত কুকুর, শিয়াল, বিড়াল ইত্যাদির কামড়ে ছড়ায়। রেবিস হলে প্রায় সব ক্ষেত্রেই মৃত্যু ঘটে, তাই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া খুবই জরুরি।
🦠 রেবিস কীভাবে ছড়ায়?
রেবিস ভাইরাস সাধারণত আক্রান্ত প্রাণীর লালা থেকে ছড়ায়।
বাছুরের ক্ষেত্রে ঝুঁকির উৎস হতে পারে:
পাগলা কুকুরের কামড়
শিয়াল বা বন্য প্রাণীর আক্রমণ
ক্ষতস্থানে আক্রান্ত প্রাণীর লালা লাগা
রোগের কারণ: Rabies lyssavirus
⚠️ লক্ষণসমূহ (Symptoms)
রেবিসের লক্ষণ সাধারণত কামড়ের ২–৮ সপ্তাহ পরে দেখা যায়।
১️⃣ উত্তেজিত (Furious) ধরণ
অস্বাভাবিক চঞ্চলতা
হঠাৎ আক্রমণাত্মক আচরণ
অতিরিক্ত লালা ঝরা
পানি বা খাবার গিলতে অসুবিধা
অস্বাভাবিক ডাক
২️⃣ নিস্তেজ (Paralytic/Dumb) ধরণ
ধীরে ধীরে অবশ হয়ে পড়া
দাঁড়াতে না পারা
মুখ বেঁকে যাওয়া
অতিরিক্ত লালা ঝরা
শেষে মৃত্যু
💉 চিকিৎসা আছে কি?
❌ রেবিসের নিশ্চিত কোনো চিকিৎসা নেই একবার লক্ষণ দেখা দিলে।
তাই প্রতিরোধই একমাত্র উপায়।
✅ করণীয় (যদি কামড়ায়)
কামড়ের স্থান সঙ্গে সঙ্গে সাবান ও প্রচুর পানি দিয়ে ১০–১৫ মিনিট ধুয়ে ফেলুন।
কাছের পশু চিকিৎসকের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করুন।
প্রয়োজনে রেবিস ভ্যাকসিন ও সিরাম দেওয়া হয় (লক্ষণ শুরুর আগেই)।
আক্রান্ত বাছুরকে আলাদা করে রাখুন।
🛡️ প্রতিরোধ
নিয়মিত রেবিস ভ্যাকসিন দিন।
খামারের আশেপাশে কুকুর নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
সন্দেহজনক প্রাণীর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
কামড়ানো প্রাণীকে পর্যবেক্ষণে রাখুন (১০ দিন পর্যন্ত)।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ:
রেবিস মানুষেও ছড়াতে পারে। তাই বাছুর যদি সন্দেহজনক আচরণ করে, খালি হাতে ধরবেন না এবং দ্রুত ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
বাছুরের রেবিস ভ্যাকসিনের সময়সূচী ও ডোজ নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো। (স্থানীয় ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।)
🛡️ ১) প্রতিরোধমূলক (Pre-exposure) ভ্যাকসিন
কখন দেবেন?
বাছুরের বয়স ≥ ৩ মাস হলে প্রথম ডোজ।
ডোজ:
সাধারণত ১ মি.লি. (IM বা SC), প্রস্তুতকারকের নির্দেশ অনুযায়ী।
ব্যবহৃত ভ্যাকসিন: Rabies lyssavirus-এর বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয় (inactivated) ভ্যাকসিন।
বুস্টার:
প্রথম ডোজের ১ বছর পর বুস্টার।
এরপর প্রতি বছর ১ বার (এন্ডেমিক এলাকায়)।
⚠️ ২) কামড়ের পর (Post-exposure) ভ্যাকসিন
🔹 যদি আগে ভ্যাকসিন নেওয়া না থাকে:
Day 0 (কামড়ের দিন) → ১ম ডোজ
Day 3 → ২য় ডোজ
Day 7 → ৩য় ডোজ
Day 14 → ৪র্থ ডোজ
(কিছু ক্ষেত্রে Day 28-এ ৫ম ডোজ দেওয়া হয়—ভেটেরিনারির পরামর্শে)
🔹 যদি আগে ভ্যাকসিন নেওয়া থাকে:
Day 0 → ১ ডোজ
Day 3 → ১ ডোজ
ডোজ:
সাধারণত ১ মি.লি. IM/SC (ভ্যাকসিনের ব্র্যান্ডভেদে ভিন্ন হতে পারে)
🧼 কামড়ের সাথে সাথে করণীয়
ক্ষত সাবান ও পানি দিয়ে ১০–১৫ মিনিট ধুয়ে ফেলুন।
আইডিন/পোভিডোন লাগান।
বাছুরকে আলাদা রাখুন এবং কামড়ানো প্রাণীকে ১০ দিন পর্যবেক্ষণে রাখুন।
❗ গুরুত্বপূর্ণ
একবার লক্ষণ শুরু হলে রেবিসের কার্যকর চিকিৎসা নেই।
ভ্যাকসিন অবশ্যই লাইসেন্সপ্রাপ্ত ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শে দিন।
গর্ভবতী গাভী বা দুর্বল প্রাণীর ক্ষেত্রে আগে পরামর্শ নিন।
09/01/2026
গরু মোটাতাজা করণে শুকনা খড়ের গুরুত্ব:
খড় এবং গরুপালন অবিচ্ছেদ্য একটা ব্যাপার। গরু পালেন কিন্তু খড় নাই এমন খামারী খুবই রেয়ার মানে নাই বললেই চলে। কিন্তু খড়ের ব্যবহার পদ্ধতি নিয়ে গ্রাম বাংলার যে দৃশ্য তা হলো শতকরা ৯0 ভাগ মানুষ এখনো শুধুই শুকনা খড় গরুকে খাওয়ান। জ্ঞান বিজ্ঞানের এ পর্যায়েও গ্রামীন পর্যায়ে তেমন কোন পরিবর্তন আসে নাই। তারা খড়কে ভিজিয়ে কিংবা ইউরিয়া ট্রিটেট খড় খাওয়ানোতে মোটেই অভ্যস্ত নন। সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে এ নিয়ে ব্যাপক ট্রেনিং চলমান থাকলেও দৃশ্যটা যেন ট্রেনিং এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। শুকনা খড় খাওয়ালে গরুর ওজন দৈনিক 300 গ্রাম করে কমতে থাকে। খড়ের মধ্যে ২-৩ ভাগ প্রোটিন থাকে ইউরিয়া চিটাগুড় দিয়ে ট্রিট করলে প্রোটিন ৯-১০ভাগে উন্নীত করা যায়। খামারী ভাইয়েরা, শুধু অলসতা এবং অবচেতন মনে হেলায় সময় হারাবে কিন্তু একটু প্রোএকটিভ হয়ে গ্রামীন প্রান্তিক পর্যায়ে কাজ করেনা। যদিও খামার পর্যায়ে এ বিষয়টি যথেষ্ট যত্ন সহকারে চর্চা করেন এবং তারা লাভবান। শুধু খামার পর্যায়ে হলে হবে না । গ্রামীন সকল জনগোষ্ঠির মধ্য খড় প্রক্রিয়াকরণ এর চর্চা থাকতে হবে। গতানুগুতিক ভাবে গরু পালনের সময় শেষ হয়ে গেছে। তাই আসুন সকলে খড়ের প্রক্রিয়াজত পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রাণিসম্পদ কে এগিয়ে নিয়ে যাই। (চলমান)
ধন্যবাদ
ডা: মো: রেজাউল করিম
ডিভিএম, বিসিএস (লাইভস্টক)
মোবা:01347-024250 (ইমো+হোয়াটস অ্যাপ ম্যাসেজ)
ভুট্টা ক্ষেতের ঘাস খাওয়ানো নিষেধ!!!
08/01/2026
গবাদিপ্রাণি বিশেষত ষাড় গরু মোটাতাজা করার প্রচলিত নিনজা টেকনিক:
০১। খুদের ভাত/ জাও ভাত/ ভুট্টা ভাঙ্গা রান্না করা ভাত ইত্যাদি: খামারী ভাইয়েরা বাস্তববাদী এবং প্র্যাকটিক্যাল রেজাল্ট ওরিয়েন্টেড খুদে বিজ্ঞানী বলা যায়। তারা খুব কমই আছেন যারা ভবিষ্যতের ভাল মন্দ বিচার করে চলেন। শুনা কথায় বা পাশের বাড়িকে সে কপি করে চলে। আমরা যারা ডাক্তার মহাশয় আছি তারাও অনেক সময় তাদের সাথে তালে তাল মিলাই চলি। জাও ভাত খাওয়ানো যাবেনা এরকম ভোল্টেজ দিয়ে নিষেধ করার নজির খুবই কম। আমার দেখা মতে এরকম অনেক রথি মহা রথি বিজ্ঞজন রয়েছেন। এরকম পেশাদরদীদের জন্য একরাশ প্রীতি। এবার আসি বাস্তব কথায়, প্রিয় খামারী ভাইয়েরা, আপনি যে গরু গাভী পালেন তা একটি নিরেট বিজ্ঞান। আপনাকে গরুর শরীরবৃত্ত বুঝতে হবে। বিশেজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। এ সংক্রান্ত পড়াশুনা করতে হবে। গরু একটি জাবর কাটা প্রাণি। এদের প্রধান খাদ্য ফাইবার সমৃদ্ধ কাচা ঘাস। যা খায় তা আবার বসে শুয়ে বা দাড়িয়ে জাবর কাটে যা তার হজম ও এফসিএর অন্যতম ফ্যাক্টর। ঘাস বা খড় ফাইবার বা আশ সমৃদ্ধ হওয়ায় এগুলো জাবর কাটতে কোন সমস্যা নেই। ফলে গরুর ডাইজেশন ভাল হয়। বিপত্তি ঘটে রান্না করা বিভিন্ন রকমারি আইটেমের ফলে। আপনি যে রান্না করা পায়েস খাওয়াচ্ছেন আপনার ষাড়কে ভাল রেজাল্টের আশায় সেটা কিন্তু গরু জাবর না কাটতে পেরে এসিডোসিস বা ক্ষুদা মন্দার দিকে চলে যায়। ফলে ঐ গরুটি স্বাস্থ্যবান না হয়ে স্বাস্থ্যহীণ হতে শুরু করে। শুরু হয় ডাক্তারের সাথে দৌড় যাপ করার পালা। খরচ হতে থাকে কাড়ি কাড়ি টাকা। হতাশা আর হতাশা দানা বাধতে থাকে। ডাক্তারের পর ডাক্তার পরিবর্তন হতে থাকে। কিন্তু জাও ভাত খাওয়ানো যাবেনা এরকম শক্ত কথা কম ডাক্তারে বলে অথবা বললেও কম খামারিই তা শুনে। ফলে গরু মোটাতাজাকরণের সময় এ সমস্যা চলতেই থাকে।
আমার ক্ষুদ্র দৃষ্টিতে এ সমস্যার সমাধান:
০১। ভুটা ভাঙ্গা/ গম ভাঙ্গা, ভুষি, (ডাল ও গম), কুড়া, সয়াবিল খৈল বা সয়া হাস্ক, তিল বা সরিষার খৈল ইত্যাদি পূর্বের থেকে ভিজিয়ে নরম করে মাখ মাখ করে দেন। সে চিবিয়ে চিবিয়ে খাবে। তার হজম মুখ থেকেই শুরু হয়ে যাবে। এটা সে জাবর ও কাটতে পারবে। রান্না করা যাবেনা মোটেই। শীতকালে গরম পানি দেয়া যেতে পারে।
০২। আপনার যদি সময় প্রচুর থাকে এবং রান্না করতে ইচ্ছুকই হন তবে একান্ত ভাবে উক্ত মিক্সারের সাথে শুকনা খড় খুব ছোট 1/2 ইঞ্চি করে কেটে মাখ মাখ করে দিবেন। এটাও মন্দের ভালর মত একটা গরু মোটাতাজা করণের নিঞ্জা টেকনিক বটে!!! (চলমান)।
ধন্যবাদ
ডা: মো: রেজাউল করিম
ডিভিএম, বিসিএস (লাইভস্টক)
মোবা: 01347-024250। (হোয়াটস এ্যাপ )
07/01/2026
বাজার থেকে ষাড় গরু কেনার পর করণীয়:
০১। বর্তমানে শীতে পাতলা পায়খানাওয়ালা অথবা টুটি ফোলা গরু অথবা পেট ডগা গরু কেনা থেকে বিরত থাকুন। সুস্থ্য সবল গরু সময় নিয়ে নির্বাচন করুন। দালাল বা ফরিয়ার চাটুকারিতায় ভুলবেন না। প্রয়োজনে কিছু ঘাস বা খড় খাইয়ে আপনার গরু সুস্থ্য কিনা চেক করুন। আপনার গরুর কোথায় ব্যাথা, ফোলা আছে কিনা দেখে নিন। ষাড় গরুর নাভির এরিয়া চেক করুন যাতে হার্ণিয়ার মত কোন ফোলা আছে কিনা।
০২। আপনার খামারে পূর্বের কোন গরু থাকলে নতুন গরু কেনার পূর্বে আপনাকে খামারে অবস্থানরত গরুকে অন্তত ০১ সপ্তাহ আগে টীকা সরকারি/বেসরকারি দিন বিশেষত ক্ষুরা রোগের টীকা দিন।
০৩। ০৭-১০ দিন আলাদা জায়গায় রাখুন এবং পর্যবেক্ষন করুন কোন রোগ বিশেষত ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত হয় কিনা। আক্রান্ত হলে ভেটের পরামর্শ নিন।
০৪। ১৫-২০ দিনে গরু সুস্থ্য অবস্থায় কৃমি নাশক ট্যাবলেট দিন।
০৫। ২৫-৩০ দিনে ২য় বারের মত আইভারমেকটিন চামড়ার নিচেয় দিন।
০৬। পাতলা পায়খানা বা বদহজম না হলে লিভার টনিক জরুরী নয়।
০৭। ঘাস, খড় ও দানাদার দৈহিক ওজন অনুযায়ী দিন। মনে রাখবেন শুধু বেশি খাবার দিলেই গরু মোটা হয়না । বরং পরিমিত ব্যালান্স খাবারই আপনার ষাড়কে সুঠাম করবে।
০৮। ক্ষুরা এবং লাম্পি রোগের টীকা ১৫ দিন গ্যাপে দিতে কোনভাবেই ভুলবেন না।
০৯। শীতকালীন ঠান্ডাজনিত রোগ থেকে রক্ষার জন্য আপনার খামারে পর্দা, লাল বাল্ব এবং গরুর গায়ে ছালার চট/কাপড় এবং ফ্লোর শুকনা রাখা , রাতে অন্তত নাড়া / খড় বিছিয়ে আরামদায়ক গরম বিছানা উপহার দিন।
১০। আপনার আদর এবং কদর আপনার প্রাণিটির ভবিষ্যতের সুস্বাস্থ্য।
ধন্যবাদ
ডাঃ মোঃ রেজাউল করিম
ডিভিএম, বিসিএস (লাইভস্টক)
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
মোবা:01347024250
(হোয়াটস এ্যাপ ও ইমো টেক্সট )
06/01/2026
গরু মোটাতাজা করণে কেমন গরু নির্বাচন করব?
০১। লাল বা কুচকুচে কালো গরু বাজারে বা কোরবানিতে চাহিদা বেশি।
০২। হাড়ে মোটা, দুই দাঁতের গরু বা দাঁতেনি এমন, চামড়া ঢিলা গরু।
০৩। শিং খাটো এবং মোটা হলে ভালো।
০৪। দাড়ানো অবস্থায় গরুটিকে আয়তক্ষেত্রের মত মনে হবে।
০৫। কপাল চওড়া, মাথা ও ঘাড় খাটো হতে হবে।
০৬। শাহিয়াল, হলেস্টেইন ক্রস, ব্রাহামা, গির ও দেশী জাতের গরু নির্বাচন করা যেতে পারে।
০৭। রুগ্ন কিন্তু সুস্হ গরু কিনতে হবে।
০৮। আকারে অনেক বড় গরু কেনার চেয়ে ছোট মিডিয়াম সাইজের গরুর চাহিদা বেশি।