ছাত্রশিবির মানিকগঞ্জ জেলা

ছাত্রশিবির মানিকগঞ্জ জেলা

Share

উত্তাল তরঙ্গ ভেঙে জাগিয়েছে স্বপ্ন ভাসা তীর
তাওহিদী বন্দরে আজ লাখো নাবিকের ভিড়

27/05/2026

তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম

ঈদ মোবারক🌙

Photos from ছাত্রশিবির মানিকগঞ্জ জেলা's post 23/05/2026

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, মানিকগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে দিনব্যাপী ‘বাছাইকৃত কর্মী শিক্ষাশিবির–২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান -এর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মো. মাহবুবুর রহমান সঞ্চালনায় আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।

দিনব্যাপী শিক্ষাশিবিরে দারস্ পেশ করেন হাফেজ কামরুল ইসলাম । শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় এইচ আর ডি সম্পাদক শরীফ মাহমুদ । প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা উত্তর অঞ্চল এর সহকারী পরিচালক মাওলানা দেলোয়ার হোসেন ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় স্পোর্টস সম্পাদক মুশফিকুর রহমান এবং ঢাকা মহানগর পশ্চিম এর সভাপতি হাফেজ আবু তাহের।


20/05/2026

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণের সরকারি সিদ্ধান্ত স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাবের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ

জাতীয় সংসদে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল’ পাসের মাধ্যমে স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয় ভেঙে দিয়ে বিচারিক স্বায়ত্তশাসন হরণ করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ ২০ মে এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এই প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, "একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী বিচার বিভাগ ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ-২০২৫’ জারির মাধ্যমে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতার যে ঐতিহাসিক পথ উন্মোচিত হয়েছিল, গতকাল সংসদের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তার অপমৃত্যু ঘটানো হয়েছে। বিচার বিভাগকে পুনরায় আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফিরিয়ে নেওয়ার বিএনপি সরকারের এই পদক্ষেপ বিচার ব্যবস্থার ওপর নির্বাহী বিভাগের নগ্ন হস্তক্ষেপ এবং আদালতকে পুনরায় দলীয় আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে রূপদানের এক অপচেষ্টা।"

নেতৃবৃন্দ বলেন, “বিচারকদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ, বদলি ও নিয়োগের ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের হাতে ন্যস্ত করার এই আত্মঘাতী প্রক্রিয়া দেশে আবারও ফ্যাসিবাদের অন্ধকার অধ্যায়ের চারণভূমি তৈরি করবে। অতীতে আমরা দেখেছি, কীভাবে আদালতকে দলীয় হাতিয়ার বানিয়ে গুম, খুন, ক্রসফায়ার এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের মতো ভয়াবহ রাষ্ট্রীয় জুলুমকে বৈধতা দেওয়া হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রদ করার এই সিদ্ধান্ত সেই পুরোনো স্বৈরতান্ত্রিক অপসংস্কৃতি ও ভীতিকর পরিবেশের পুনরাবৃত্তির শঙ্কাকে তীব্র করে তুলেছে।”

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “স্বাধীন বিচার বিভাগকে অবরুদ্ধ করার এই গণবিরোধী উদ্যোগ দেশের প্রায় ৬৯ শতাংশ ভোটারের বিপুল সমর্থনে অর্জিত ঐতিহাসিক গণভোটের রায় এবং রাষ্ট্র সংস্কারের মূল রূপরেখা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’কে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করার শামিল। আইনি মারপ্যাঁচের অজুহাতে জনগণের এই স্পষ্ট ম্যান্ডেটকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা মূলত জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের সাথে এক ধরনের প্রতারণা।”

নেতৃবৃন্দ স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “বুকের রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদ বিদায় করা এদেশের সচেতন ছাত্রসমাজ নতুন কোনো লেবাসে স্বৈরতন্ত্রের পুনরুত্থান বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নস্যাতের কোনো অপচেষ্টা বরদাশত করবে না। আমরা সরকারকে এই হঠকারী সিদ্ধান্ত অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করে স্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় পুনর্বহাল করার জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায়, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষায় জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনায় বলীয়ান ছাত্র-জনতা রাজপথে আবারও তীব্র গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে, ইনশাআল্লাহ।”

15/05/2026

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
তারিখ: ১৫ মে ২০২৬
সূত্র: থ/২০২৬৬৩
ভারতে মুসলমানদের ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণ ও পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাইয়ের ওপর অগণতান্ত্রিক বিধিনিষেধ জারির প্রতিবাদ
ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর পদ্ধতিগত রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, নির্বাচন-উত্তর পরিকল্পিত সহিংসতা এবং সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যজুড়ে সরকার কর্তৃক গরু জবাইবিরোধী অযৌক্তিক শাস্তিমূলক গরু জবাই নিবারণ আইন জারির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ ১৫ মে (বৃহস্পতিবার) এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার দাবিদার ভারতে দীর্ঘদিন ধরে মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার, খাদ্যাভ্যাস ও বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকারের ওপর ধারাবাহিকভাবে আঘাত হানা হচ্ছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে গঠিত নতুন সরকার কর্তৃক চালু হওয়া গবাদি পশু জবাই নিবারণ আইন কার্যত একটি ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক এজেন্ডার ধারাবাহিকতা, যার মাধ্যমে মুসলিম সম্প্রদায়কে ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে রাখার একটি বৈষম্যমূলক প্রশাসনিক পদক্ষেপ বিশেষ করে সামনে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। এমন সময়ে অযৌক্তিক বিধিনিষেধ জারি করা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে সরাসরি আঘাত।”
নেতৃবৃন্দ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরপরই মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর রাষ্ট্রীয় ও দলীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ভয়াবহ গুজব-নির্ভর সহিংসতা শুরু হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা APCR-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচন-পরবর্তী কয়েকদিনে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মুসলমানদের লক্ষ্য করে ৩৫০টিরও বেশি সুপরিকল্পিত সহিংসতার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। অসংখ্য মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর এবং বেশ কয়েকটি পবিত্র মসজিদে বর্বরোচিত হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে।”
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, ভারতে উগ্রপন্থী শাসকগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে পদ্ধতিগতভাবে মুসলমানদের ওপর গুজব-নির্ভর নির্যাতন চালিয়ে আসছে। আসামে বিতর্কিত এনআরসি ও সিএএ আইনের মাধ্যমে লাখ লাখ মুসলমানকে নাগরিকত্বহীন করার অপচেষ্টা, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল করে গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া, ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস, বিতর্কিত ‘ওয়াকফ বিল’-এর মাধ্যমে মুসলমানদের ধর্মীয় সম্পদ কেড়ে নেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্র এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রাচীন মসজিদ ও উপাসনালয় ভাঙচুর ও দখলের মতো জঘন্য কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে। ভারতের মাটিতে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর চলমান এই পদ্ধতিগত নির্যাতন এবং তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর চলমান সহিংসতা বন্ধের দাবি জানান এবং গরু জবাইয়ের ওপর জারি করা বৈষম্যমূলক কালো আইন প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। তারা বলেন, “ভারতীয় মুসলিমরা আজ একা নয়; বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের মুসলিম উম্মাহ তাদের পাশে রয়েছে এবং গভীরভাবে তাদের এই পরিস্থিতির প্রতি সংহতি প্রকাশ করছে। একই সাথে তারা জাতিসংঘ, ওআইসি (OIC), আরব লীগসহ সকল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও বিশ্ববিবেককে ভারতের মাটিতে মুসলমানদের ওপর চলমান এই জাতিগত ও ধর্মীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে কার্যকর এবং জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।”
বার্তাপ্রেরক
এস এম ফরহাদ
কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির

Photos from ছাত্রশিবির মানিকগঞ্জ জেলা's post 12/05/2026

১১ মে ঐতিহাসিক কুরআন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, সাটুরিয়া উপজেলার উদ্যোগে একটি আলোচনা সভা ও অর্থসহ কুরআন বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, মানিকগঞ্জ জেলা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবু সাইদ বিএসসি, আমির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, সাটুরিয়া উপজেলা শাখা এবং মাওলানা আবদুল মতিন, অফিস ও অর্থ সম্পাদক, মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রশিবির।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন হাফেজ উমর ফারুক, সভাপতি, সাটুরিয়া উপজেলা ছাত্রশিবির।
সঞ্চালনায় ছিলেন মোঃ রবিউল ইসলাম, সেক্রেটারি, সাটুরিয়া উপজেলা ছাত্রশিবির।

Photos from ছাত্রশিবির মানিকগঞ্জ জেলা's post 12/05/2026

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা কর্তৃক আয়োজিত ১১ মে কুরআন দিবস শীর্ষক আলোচনা সভা২০২৬।
প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারি মাহাবুবুর রহমান
প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো: ফজলুল হক আমির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মানিকগঞ্জ সদর
বলেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাড. সালাউদ্দিন সেক্রেটারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেছেন মতিউর রহমান হাসান সভাপতি বাংলাদেশের ইসলামী ছাত্রশিবির মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা

Photos from ছাত্রশিবির মানিকগঞ্জ জেলা's post 12/05/2026

কুরআন দিবসের অঙ্গীকার।


05/05/2026

৫ মে ২০১৩, শাপলা চত্বরে সেই ভয়াল রাতের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে নির্মান করা হয়েছে শর্ট ডকুমেন্টরি। কী ঘটেছিল সেদিন? বিস্তারিত জানতে দেখতে পারেন।



02/05/2026

যাকাতকে হেয় করে বিএনপি নেত্রী নিলোফার চৌধুরী মনির বক্তব্যের প্রতিবাদ

যাকাতের মতো ইসলামের একটি মৌলিক ও ফরজ ইবাদতকে হেয় প্রতিপন্ন করে চাঁদাবাজিকে তুলনামূলক উত্তম হিসেবে উপস্থাপন করে দেওয়া বিএনপি নেত্রী নিলোফার চৌধুরী মনির ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ ২ মে (শনিবার) এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবাগাতুল্লাহ এই প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি নিলোফার চৌধুরী মনি যাকাতের মতো একটি পবিত্র ফরজ ইবাদতকে অত্যন্ত তুচ্ছতাচ্ছিল্যের সঙ্গে উপস্থাপন করে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি সমাজ থেকে চাঁদাবাজি নির্মূলের কথা না বলে, উল্টো একে যাকাতের চেয়ে উত্তম হিসেবে উল্লেখ করেছেন; যা কেবল অগ্রহণযোগ্যই নয়, বরং কোটি কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাতের শামিল। যাকাত ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি, এবং এটি অভাবীদের প্রাপ্য অধিকার ও সামাজিক বৈষম্য দূর করার একটি ঐশ্বরিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। অন্যদিকে, চাঁদাবাজি একটি জঘন্য অপরাধ, যা জুলুম ও অন্যায়ের নামান্তর। ইসলামের পবিত্র বিধানকে এমন একটি অপরাধের সঙ্গে তুলনা করা চরম মূর্খতা ও ধৃষ্টতা ছাড়া আর কিছুই নয়।”

নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, “৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা ছিল, দেশ সকল প্রকার জুলুম ও চাঁদাবাজি থেকে মুক্ত হবে। কিন্তু আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত চাঁদাবাজির বিভিন্ন ক্ষেত্র এখন কেবল বিএনপির মাধ্যমে হাতবদল হয়েছে। যখন রাজনৈতিক দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি-লুটপাটের পক্ষে বৈধতা উৎপাদন করা হয় এবং একে ধর্মীয় বিধানের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়, তখন তা দেশপ্রেমিক জনতাকে গভীরভাবে শঙ্কিত করে। এই বক্তব্য স্পষ্ট করে দেয় যে, জনআকাঙ্ক্ষা পূরণের পরিবর্তে একটি গোষ্ঠী চাঁদাবাজিকে রাজনৈতিক সংস্কৃতি হিসেবে জায়েজ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।”

পরিশেষে নেতৃবৃন্দ বলেন, “বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া একটি দণ্ডনীয় ফৌজদারি অপরাধ। আমরা নিলোফার চৌধুরী মনিকে তাঁর এই চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন ও ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। একইসাথে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলকে এই ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্যের বিষয়ে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। জনগণের ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ রক্ষায় আমরা প্রশাসনের নিকট এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”

26/04/2026

হে ঈমানদারগণ! ইনসাফের পতাকাবাহী ও আল্লাহর সাক্ষী হয়ে যাও, তোমাদের ইনসাফ ও সাক্ষ্য তোমাদের নিজেদের অথবা তোমাদের বাপ-মা ও আত্মীয় স্বজনদের বিরুদ্ধে গেলেও।

(সূরা নিসা - ১৩৫)


Want your business to be the top-listed Government Service in Manikganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

http://isupportshibir.com/

Address


Manikganj