19/11/2019
গুজবে কান দিবেন না।
সরকারী গুদামে বর্তমানে ৪লক্ষ মেট্টিক টন লবন মজুদ আছে।
Welcome to Masud Mahamud 's Official
Facebook fan page( A Social Activist , A voice
against inhumanity).masudmahamudbd. WWW/Facebook/com
19/11/2019
গুজবে কান দিবেন না।
সরকারী গুদামে বর্তমানে ৪লক্ষ মেট্টিক টন লবন মজুদ আছে।
18/10/2019
👉জেনে নিন #ছেলে_ও_মেয়ে শিশুর চমৎকার
৭০ টি #ইসলামিক_নামের বাংলা অর্থ-
=============================
১.আফরা = অর্থ = সাদা
২.সাইয়ারা = অর্থ = তারকা
৩.আফিয়া =অর্থ = পুণ্যবতী
৪.মাহমুদা = অর্থ = প্রশংসিতা
৫.রায়হানা = অর্থ = সুগন্ধি ফুল
৬.রাশীদা = অর্থ = বিদুষী
৭.রামিসা = অর্থ = নিরাপদ
৮.রাইসা =অর্থ = রাণী
৯.রাফিয়া = অর্থ = উন্নত
১০.নুসরাত = অর্থ = সাহায্য
১১.নিশাত = অর্থ = আনন্দ
১২.নাঈমাহ = অর্থ = সুখি জীবন যাপনকারীনী
১৩.নাফীসা = অর্থ = মূল্যবান
১৪.মাসূমা = অর্থ = নিষ্পাপ
১৫.মালিহা = অর্থ = রুপসী
১৬.হাসিনা = অর্থ = সুন্দরি
১৭.হাবীবা = অর্থ = প্রিয়া
১৮.ফারিহা = অর্থ = সুখি
১৯.দীবা = অর্থ = সোনালী
২০.বিলকিস = অর্থ = রাণী
২১.আনিকা =অর্থ = রুপসী
২২.তাবিয়া =অর্থ =অনুগত
২৩.তাবাসসুম =অর্থ = মুসকি হাসি
২৪.তাসনিয়া = অর্থ = প্রশংসিত
২৫.তাহসীনা = অর্থ = উত্তম
২৬.তাহিয়্যাহ = অর্থ = শুভেচ্ছা
২৭.তোহফা = অর্থ = উপহার
২৮.তাখমীনা = অর্থ = অনুমান
২৯.তাযকিয়া = অর্থ = পবিত্রতা
৩০.তাসলিমা = অর্থ = সর্ম্পণ
৩১.তাসমিয়া =অর্থ = নামকরণ
৩২.তাসনীম = অর্থ = বেহেশতের ঝর্ণা
৩৩.তাসফিয়া =অর্থ = পবিত্রতা
৩৪.তাসকীনা =অর্থ = সান্ত্বনা
৩৫.তাসমীম =অর্থ = দৃঢ়তা
৩৬.তাশবীহ =অর্থ = উপমা
৩৭.তাকিয়া শুদ্ধ চরিত্র
৩৮.তাকমিলা =অর্থ = পরিপূর্ণ
৩৯.তামান্না = অর্থ = ইচ্ছা
৪০.তামজীদা = অর্থ = মহিমা কীর্তন
৪১.তাহযীব = অর্থ = সভ্যতা
৪২.তাওবা = অর্থ = অনুতাপ
৪৩.তানজীম = অর্থ = সুবিন্যস্ত
৪৪.তাহিরা = অর্থ = পবিত্র
৪৫.তবিয়া = অর্থ = প্রকৃতি
৪৬.তরিকা = অর্থ = রিতি-নীতি
৪৭.তাইয়্যিবা = অর্থ = পবিত্র
৪৮.তহুরা = অর্থ = পবিত্রা
৪৯.তুরফা = অর্থ = বিরল বস্তু
৫০.তাহামিনা = অর্থ = মূল্যবান
৫১.তাহমিনা = অর্থ = বিরত থাকা
৫২.তানমীর ক্রোধ প্রকাশ করা
৫৩.ফরিদা =অর্থ = অনুপম
৫৪.ফাতেহা =অর্থ = আরম্ভ
৫৫.ফাজেলা =অর্থ = বিদুষী
৫৬.ফাতেমা =অর্থ = নিষ্পাপ
৫৭.ফারাহ =অর্থ = আনন্দ
৫৮.ফারহানা =অর্থ = আনন্দিতা
৫৯.ফারহাত =অর্থ = আনন্দ
৬০.ফেরদাউস বেহেশতের নাম
৬১.ফসিহা =অর্থ = চারুবাক
৬২.ফাওযীয়া =অর্থ = বিজয়িনী
৬৩.ফারজানা =অর্থ = জ্ঞানী
৬৪.পারভীন =অর্থ = দীপ্তিময় তারা
৬৫.ফিরোজা =অর্থ = মূল্যবান পাথর
৬৬.ফজিলাতুন =অর্থ = অনুগ্রহ কারিনী
৬৭.ফাহমীদা =অর্থ = বুদ্ধিমতী
৬৮.ফাবিহা বুশরা =অর্থ = অত্যন্ত ভাল শুভ নিদর্শন
৬৯.মোবাশশিরা =অর্থ =সুসংবাদ বাহী
৭০.মাজেদ
বাস্তবতা হলো
দিনশেষে মা ছাড়া আর কেউ খবর নেয় না💖💞
আর পুরোদিন সন্তান মায়ের খবর নেয় না।😧
#নিঃস্বার্থ_ভালোবাসার_উত্তম_উদাহরণ💖💕
- দাদা, পুজো দেখতে যাবেন না?
- না ভাই, সেটাতে আমার ধর্মে মানা আছে।
- কেন?
- আমরা যখন গরু কুরবানি করি, সেই জায়গায় আপনাদের যাওয়া নিষেধ না?
- হ্যাঁ নিষেধ। সে স্থানে ভগবানের অভিশাপ পরে।
- ঠিক তেমনি, অন্য ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জায়গায় যাওয়া আমাদের জন্যও নিষেধ। আমার ধর্মমতে পুজোর স্থানে আল্লাহর গজব নাজিল হতে থাকে।
হজরত উমর (রা) বলেছেন, "তোমরা মুশরিকদের উপসনালয়ে তাদের উৎসবের দিনগুলোতে প্রবেশ করোনা। কারন সেই সময় তাদের উপর আল্লাহর গজব নাজিল হতে থাকে"। (বায়হাক্বী)
যে স্থানে আল্লাহর গজব নাজিল হয় আমার ধর্মমতে, সেখানে যাই কি করে?
- ঠিক আছে, পুজো উপলক্ষ্যে প্রসাদ খেতে তো পারবেন ?
- আপনার বাসায় অন্য যেকোনো সময় দাওয়াত খেতে যেতে পারব। এ বিষয়ে মানা নেই। কিন্তু পুজো উপলক্ষ্যে কিছু খেতে পারব না।
- ব্যাপারটা একটু অন্য রকম হয়ে গেল না?
- ধরুন, কুরবানি ঈদের দাওয়াত দিয়ে আমি আপনাকে গরুর মাংস খেতে বললাম। আপনি কি খাবেন?
- না, অবশ্যই খাব না।
- ঠিক তেমনি কিছু কিছু জিনিস আমাদের জন্যও ধর্মমতে খাওয়া নিষিদ্ধ (হারাম)। যেমন- মদ, শুকুরের গোশত, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে জবেহ করা গোশত, অন্য ধর্মের ধর্মীয় উৎসবের খাবার ইত্যাদি। সব ধর্মেরই নিষিদ্ধ কিছু বিষয় থাকে যা মানতে হয়।
- কিন্তু ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।
- ওটা হয়তো অন্যদের জন্য হতে পারে, কিন্তু আমাদের জন্য না। অন্য ধর্মের অনুষ্ঠানে গেলে যেখানে আমার নিজেরই ধর্ম থাকছে না, সেখানে যার যার ধর্ম কথাটা নিয়ে কি করব?
- বুঝিনি, একটু বুঝিয়ে বলুন।
- মানে হল, ইসলাম ধর্মের মূলনীতি অনুযায়ী অন্য কারো ধর্মের উৎসবে স্বেচ্ছায় আনন্দের সাথে যোগদান করার অর্থই হল আল্লাহর সাথে শিরকের কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেলা। আর আল্লাহ সব গুনাহই মাফ করে দিবেন, একমাত্র শিরকের গুনাহ ছাড়া।
আল্লাহ বলেন “নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তার সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করবেন না। এ ছাড়া অন্য সকল গুনাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করে দিবেন।” (সুরা নিসা: ৪৮)
- তাহলে আপনি কি অন্যদের অপছন্দ করেন?
- সেটা করব কেন? যার ধর্ম তার কাছে। আর ইসলাম এটাও শিক্ষা দেয়, অন্যদেরকে তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে কোন প্রকার বাধা না দিতে। আমি প্রয়োজনে আপনাদের নিরাপত্তা দিব, পাহারা দিব, কেউ বিপদগ্রস্থ হলে তাকে সাহায্য করার জন্য ঝাঁপিয়ে পরব, অসুস্থ হলে চিকিৎসা দিব। এতে আমার আপত্তি নেই।
কিন্তু সব ধর্মেরই কিছু বিধি নিষেধ থাকে। আপনার ধর্মেও আছে, আমার ধর্মেও আছে, সেগুলো তো মানা উচিত।
- তাহলে কি আপনি আমার বাসায় কখনো দাওয়াত খাবেন না?
- খাব না কেন? অন্য একদিন আপনার বাসায় দাওয়াত দিয়েন। আমি গিয়ে খেয়ে আসব। সেটাতে কোন বিধি নিষেধ নেই।
আমাদের নবীজিও (সা) অন্য ধর্মের লোকদের বাসায় গিয়ে খেয়ে এসেছেন। এক ইহুদী উনাকে দাওয়াত দিয়েছিল, উনি গিয়ে খেয়েছিলেন। আর অবশ্যই আমার বাসায় আপনারো নেমন্ত্রন থাকল।
- কিন্তু ব্যাপারটা একটু সাম্প্রদায়িক হয়ে গেল না?
- অসাম্প্রদায়িকতা মানে এটা নয় যে আপনি আমার মসজিদে গিয়ে আমাদের নামাজ পরা দেখবেন, আর আমি আপনার পুজো মণ্ডপে গিয়ে পুজো করা দেখব। এটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, এটা অধার্মিকতা। এতে আপনার ধর্মও থাকবে না, আমার ধর্মও থাকবে না।
আমি আপনাকে সম্মান করি, আপনি আমাকে করেন, অথচ দুজন দু'ধর্মের। আমি আপনার কাছে নিরাপদ, আপনি আমার কাছে নিরাপদ। আপনার বিপদে আমি এগিয়ে আসব, আমার বিপদে আপনি এগিয়ে আসবেন। দেশের যেকোনো আপদ বিপদে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলে কাজ করব।
একজন মানুষ হিসেবে, একজন বাংলাদেশী হিসেবে একে অন্যের প্রতি এই যে সম্মান, এটাই হল প্রকৃত অসাম্প্রদায়িকতা। :)
YouTube দেখে রান্না শিখবে,
এই আশা নিয়ে বেঁচে আছে হাজার হাজার মেয়ে..!😒
بِسْــــــــــــــــــمِﷲِالرَّحْمَنِ الرَّحِيم
اَلسَّلاَمْ عَلَيْــــــــــــــــــــكُمْ وَ رَحْمَةُ اللہِ وَبَرَكَاتُهُ
Bujhte Parle Reply diyen 😇
---রাগ আর তুফান দুটোই এক
শান্ত হওয়ার পর বুঝা যায় 😞
কতটা ক্ষতি কর..😲
নারী তুমি কেন চলো
পুরুষের মতো।
তোমাকে তো চলতে হবে
মা- ফাতিমার মতো।