আমরা অনেকেই ইন্টারনেটে অনেক সময় নষ্ট করি, কিন্তু সঠিক তথ্যের অভাবে দামী সব সুযোগ হাতছাড়া করে ফেলি। আপনি যদি স্টুডেন্ট হন বা ক্যারিয়ারের শুরুতে থাকেন, তবে আপনার সিভিতে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট থাকা মানে রিক্রুটারদের নজর কাড়া।
জাতিসংঘ (UN) এবং বড় বড় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো তাদের প্রিমিয়াম অনেক কোর্স এখন আমাদের জন্য একদম ফ্রিতে উন্মুক্ত করে রেখেছে। চলুন দেখে নিই সেই ১১টি জাদুকরী লার্নিং প্ল্যাটফর্ম:
১. OpenWHO (World Health Organization): পাবলিক হেলথ, সংক্রামক রোগ বা এমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট নিয়ে যারা আগ্রহী, তাদের জন্য এটি সেরা। সরাসরি WHO থেকে সার্টিফিকেট পাওয়ার সুযোগ! লিঙ্ক:
https://openwho.org/
২. UNDP (Learning for Nature): পরিবেশ রক্ষা, নেচার-বেজড সল্যুশন এবং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করতে চাইলে এই প্ল্যাটফর্মটি আপনার জন্য গোল্ডমাইন। লিঙ্ক:
https://www.learningfornature.org/
৩. UN Climate Change (UN CC:Learn): বর্তমান বিশ্বে ক্লাইমেট চেঞ্জ সেক্টরে প্রচুর জব অপরচুনিটি তৈরি হচ্ছে। গ্রিন ইকোনমি আর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে শিখতে এখানে জয়েন করুন। লিঙ্ক: https://unccelearn.org/
৪. UNSSC (UN System Staff College): এটি মূলত UN কর্মীদের জন্য হলেও, এদের অনেকগুলো লিডারশিপ এবং ইনোভেশন কোর্স সবার জন্য ফ্রি। প্রফেশনাল স্কিল বাড়াতে এটি অতুলনীয়। লিঙ্ক: https://www.unssc.org/courses
৫. World Bank (Open Learning Campus): অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন এবং গ্লোবাল ইস্যু নিয়ে ইন-ডেপথ শিখতে চাইলে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের এই একাডেমি ট্রাই করুন। লিঙ্ক: https://olccustext.worldbank.org/redirection/wbg-academy
৬. World Food Programme (WFP): নিউট্রিশন বা পুষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে যারা ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য WFP এর এই লার্নিং পোর্টালটি সেরা রিসোর্স। লিঙ্ক: https://cdn.wfp.org/nutrition/nutx/
৭. DisasterReady.org: মানবিক সহায়তা (Humanitarian Aid) বা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কাজ করতে চাইলে এখানে ৬০০ এর বেশি ফ্রি কোর্স আছে। লিঙ্ক: https://www.disasterready.org/
৮. UNICEF (Agora): শিশু অধিকার, শিক্ষা এবং হিউম্যানিটারিয়ান লজিস্টিকস নিয়ে শিখতে ইউনিসেফের এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করুন। লিঙ্ক: https://agora.unicef.org/
৯. MSF (Tembo): ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স-এর নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম। বিশেষ করে মেডিকেল ব্যাকগ্রাউন্ডের মানুষদের জন্য এটি দারুণ কাজের। লিঙ্ক: http://tembo.msf.org
১০. Save the Children Learning Hub: শিশু সুরক্ষা (Child Protection) এবং শিক্ষার সুযোগ নিয়ে যারা ইন্টারন্যাশনাল NGO-তে কাজ করতে চান, তারা এখান থেকে শিখতে পারেন। লিঙ্ক:
https://kayaconnect.org/course/info.php?id=4764
১১. UNITAR (UN Institute for Training and Research): ডিপ্লোম্যাসি, পিস-কিপিং এবং গ্লোবাল গভর্নেন্স নিয়ে শর্ট কোর্স করার জন্য এটি সেরা জায়গা। লিঙ্ক: https://www.unitar.org/free-courses
সাধারণ জ্ঞান - General Knowledge
পেজে এবং পোস্টে লাইক,কমেন্ট এবং ফলো করে আমাদের সাথে থাকার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো।
29/04/2026
শোনা যায়, চে গুয়েভারাকে যখন তার আস্তানা থেকে বিশ্বাসঘাতক এক রাখালের সহযোগীতায় ধরা হয়, তখন এক সৈনিক বিস্ময়ে সেই রাখালকে প্রশ্ন করেছিল
“কীভাবে তুমি এমন একজন মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারলে,যিনি সারা জীবন তোমার অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন?
রাখাল নির্লিপ্তভাবে উত্তর দিয়েছিল—
“তার যুদ্ধ আমার ভেড়াগুলোকে ভয় পাইয়ে দিত।
এর বহু বছর আগে মিশরে মহান সেনানায়ক মোহাম্মদ করীম নেপোলিয়নের ফরাসি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।
শেষ পর্যন্ত তিনি বন্দি হলেন এবং আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিল।
কিন্তু নেপোলিয়ন তাঁকে ডেকে বলল—
“আমি এমন একজন বীরকে হত্যা করতে চাই না, যিনি সাহসের সঙ্গে নিজের মাতৃভূমি রক্ষা করেছেন। ইতিহাস যেন আমাকে বীর-ঘাতক হিসেবে না চেনে। তাই আমি তোমাকে ক্ষমা করব, যদি তুমি আমার সেনাদের ক্ষতির জন্য দশ হাজার স্বর্ণমুদ্রা ক্ষতিপূরণ দিতে পারো।”
করীম হেসে উত্তর দিলেন—
“আমার কাছে এত অর্থ নেই। তবে ব্যবসায়ীরা আমাকে এক লক্ষেরও বেশি স্বর্ণমুদ্রা ধার দিয়েছে।”
নেপোলিয়ন তাঁকে কিছু সময় দিল। এবং করীমকে শৃঙ্খলিত অবস্থায় সৈন্যদের পাহারায় বাজারে আনা হলো, আশায় যে যাদের জন্য তিনি জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, তারা এগিয়ে আসবে।
কিন্তু কোনো ব্যবসায়ী সাহায্যের হাত বাড়াল না। বরং তারা অভিযোগ করল যে আলেকজান্দ্রিয়ার ধ্বংস ও তাদের দুর্দশার জন্য করীমই দায়ী।
মনোবল ভেঙে যাওয়া করীম নেপোলিয়নের কাছে ফিরে গেলেন। তখন নেপোলিয়ন বলল—
“আমি তোমাকে হত্যা করব না এজন্য যে তুমি আমাদের বিরুদ্ধে লড়েছ, বরং এজন্য যে তুমি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছ এক কাপুরুষ জাতির জন্য, যারা স্বাধীনতার চেয়ে ব্যবসাকে বেশি ভালোবাসে।”
মোহাম্মদ রশীদ রিদা এ ঘটনার সারমর্ম এভাবেই ব্যক্ত করেছিলেন—
“যে মানুষ অজ্ঞ জনগণের জন্য দাঁড়ায়, সে যেন অন্ধদের পথ দেখাতে নিজের শরীরকে আগুনে জ্বালিয়ে দেয়।
আমরাও সেইরকম হতভাগ্য অকৃতজ্ঞ জাতি।
16/04/2026
৪০ বছর ধরে আমাদের আকাশের টাকা নিচ্ছিল ভারত ও মিয়ানমার! অবশেষে সেই লুটপাটের দিন শেষ করল বাংলাদেশ। 🇧🇩✈️💰
শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এটাই সত্যি! গত ৪০ বছর ধরে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে একটি মান্ধাতা আমলের রাডার চলছিল। বঙ্গোপসাগরের বিশাল আকাশসীমা এর নজরেই আসত না। আর এই 'ব্লাইন্ড স্পট'-এর সুযোগে আমাদের আকাশ ব্যবহার করা বিদেশি ফ্লাইটের সিগন্যাল রেজিস্টার করে 'নেভিগেশন চার্জ' পকেটে ভরছিল প্রতিবেশী দেশগুলো!
কীভাবে ঘুরল এই খেলা?
✅ মেগাপ্রজেক্ট: বেবিচক (CAAB) নিজস্ব তহবিলের ৭৩০ কোটি টাকা দিয়ে বসিয়েছে ফ্রান্সের অত্যাধুনিক 'থ্যালস' (Thales) রাডার। ঢাকা ও চট্টগ্রাম এখন সম্পূর্ণ নতুন CNS-ATM সিস্টেমের অধীনে।
✅ ১ লাখ ১৮ হাজার কিমি: বঙ্গোপসাগরের ১,১৮,৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা এখন আমাদের রাডারের কড়া নজরে।
✅ অটোমেটিক বিলিং: আকাশে ঢুকলেই এখন অটোমেটিক বিল জেনারেট হচ্ছে! প্রতি ফ্লাইটে ন্যূনতম চার্জ ৫০০ ডলার।
✅ আয়: বছরে ১,৫০০ কোটি টাকা থেকে এই আয় এখন লাফ দিয়ে ৩,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছাবে!
অনুমতি ছাড়া কোনো ড্রোন বা বিমান ঢুকলেই এখন লালবাতি জ্বলবে। নিজেদের আকাশ, নিজেদের রাডার, আর নিজেদের টাকা!
গত ৪০ বছর ধরে পুরনো রাডার রেখে যারা দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা প্রতিবেশীদের পকেটে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে, তাদের কি জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত?
Summary:
For 40 years, neighboring countries exploited Bangladesh's weak radar system to pocket our overflying charges. Now, with a self-funded 730 Crore BDT investment in the French 'Thales' CNS-ATM radar, Bangladesh has secured its 118,813 sq km maritime airspace. Generating automatic $500 bills per flight, this move ends the revenue theft and aims to double our annual income to 3,000 Crore BDT while ensuring absolute sovereignty.
#নিউজ
জানুয়ারি মাসের জাতীয় দিবসগুলো কি মুখস্থ আছে? এখনই জেনে নাও! 🇧🇩 | বাংলাদেশের জাতীয় দিবস
জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবস! শহীদ আসাদ দিবস থেকে গণঅভ্যুত্থান দিবস পর্যন্ত — BCS, PSC ও সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষায় এই প্রশ্নগুলো বারবার আসে। এখনই শিখে নাও! 👇
#বাংলাদেশ #জাতীয়দিবস #জানুয়ারি #শহীদআসাদ
11/04/2026
World's eye among them......👀
সকাল মানে শুধু 'সকাল' না! ৯০% মানুষ এটা জানে না 😱
08/04/2026
উনার নাম ক্রিস্টিনা কচ। এই মূহুর্তে চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণরত আছেন। মাহরাম ছাড়াই মহাকাশ পাড়ি দিয়েছেন। বগলকাটা জামা পরে আরো দুইজন বেডা মানুষের সঙ্গে (রেইড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার) দশ দিন মহাশূন্যে কাটাবেন। আশার কথা যে, যত যা-ই করুক জান্নাতে তো যেতে পারবে না! 😅
ক্রিস্টিনা কচ আফগানিস্তান ইরান সৌদি আরব জন্ম নিলে তার নভোচারী হওয়ার চান্স ছিল ০। বাংলাদেশে জন্ম নিলে ভাইয়ের চাইতে সম্পত্তি কম পেতো। রাস্তাঘাটে ন্যায্য প্রতিবাদ করলে শুনতে হতো, মহিলা মানুষ হয়ে আপনারও এত কথা বলা ঠিক হয় নাই!
একটু আগে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখছিলাম শফি হুজুর রেইড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভারকে বলছে, মিয়া বেডি মানুষ দেইখ্যা তোমার দিলে লালা ঝরে না তুমি কেমন পুরুষ মানুষ! 😅
বাঙলা বর্ণ ৫০টি, আরবী হরফ ২৮টি। বাঙলার এ আড়াই কুড়ি বর্ণ দিয়ে ঘেরাঘেরি করেও আরবীর মাত্র চৌদ্দটি হরফের আওয়াজ আদায় করা যায়। বাকি চৌদ্দটির ঠিক ধ্বনিটি বাঙলা বর্ণমালায় ধরা যায় না। আরবী ج, ذ, ز, ض, ظ এ পাঁচটি হরফের স্থলে বাঙলায় ব্যবহার্য বর্ণ আছে দুটি—‘জ’ ও ‘য’। দুই বর্ণ থেকে পাঁচ হরফের ধ্বনি আদায় করা তো সম্ভব নয়। ঘাটতি থাকবেই। তাই বিভ্রান্তি এড়িয়ে যথাসাধ্য মূলানুগ উচ্চারণের স্বার্থে পাঁচ হরফের মুকাবিলায় দুই বর্ণকে সম্ভব সর্বোচ্চ সতর্কতা ও মোক্ষমতার সঙ্গে ব্যবহার করা উচিত। যাঁরা তা না করে আরবী-বাঙলা প্রতিবর্ণায়ন ও আরবীজাত বাঙলা শব্দের বানান থেকে বরং একটি ‘য’ বাদ দিতে চান, তাঁরা আসলে দুই হাত খোয়ানো পঙ্গু যোদ্ধার ভালো থাকা দুটি পায়ের মধ্য থেকে একটি পা কেটে ফেলার পক্ষে, যেন সে ঠিকমতো হাঁটতে না পারে। শুধু তা-ই নয়, তাঁদের এই আত্মঘাতী প্রস্তাব বাঙলাভাষা ও আরবীভাষার ধ্বনিতত্ত্ব সম্পর্কে তাঁদের শোচনীয় অজ্ঞতাকেই প্রকটিত করে।
আমরা আরবী ওই পাঁচ হরফের বিপরীতে বাঙলা ‘জ’ ও ‘য’ দুটো বর্ণই ব্যবহার করব। ব্যবহার করব উভয় ভাষার এ সদৃশ হরফগুলোর মাখরাজ ও সিফাত তথা ধ্বনি-বৈশিষ্ট্য এবং সাধারণ্যে এর ব্যবহারযোগ্যতা নিবিড়ভাবে নজরে রেখে। সেজন্য প্রথমে আমরা ‘জ’ ও ‘য’-এর ধ্বনি-পার্থক্য বিশ্লেষণ করব এবং তারপর উপরিউক্ত আরবী পাঁচটি হরফের কোন্টির স্থলে বাঙলা কোন্ বর্ণটির ব্যবহার সবচেয়ে মূলানুগ ও যুৎসই হবে তা নির্ধারণ করব।
05/04/2026
নিখোঁজ ক্রুকে আমেরিকা ঠিকই খুঁজে বের করে উদ্ধার করে নিয়ে গেল, কিন্তু ইরানিরা প্রাণপণ চেষ্টা করেও তাকে ধরতে পারল না। এর কারণ কী?
ওই ক্রুকে খুঁজে বের করা ইরানিদের জন্য ছিল খড়ের গাঁদায় সুঁই খোঁজা, কিন্তু মার্কিনরা তার একেবারে নিখুঁত অবস্থান জানত।
মার্কিন পাইলট ও ক্রুদের জ্যাকেটে এমন কিছু উন্নত সারভাইভাল রেডিও ও জিপিএস বীকন থাকে, যা কেবল মার্কিন স্যাটেলাইট বা বিশেষ বিমানেই ধরা পড়ে। ক্রুর অবস্থান পরিবর্তন হলেও এটি নিখুঁতভাবে তা জানাতে থাকে। ইরানিরা হয়তো বড় এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছিল, কিন্তু মার্কিনরা জানত ঠিক কোন্ ঝোপের আড়ালে বা পাহাড়ের খাঁজে তাদের লোকটা আছে।
এটি এক ধরনের অত্যন্ত উন্নত এবং সামরিক গ্রেডের জিপিএস ট্র্যাকার। সাধারণ জিপিএসের চেয়ে এর কাজের ধরন অনেক বেশি জটিল ও নিরাপদ। একে সামরিক ভাষায় বলা হয় Combat Survivor Evader Locator (CSEL), সংক্ষেপে বীকন (Beacon)।
আমাদের ফোনের জিপিএস চলে ইন্টারনেটের ওপর ভিত্তি করে, কিন্তু এই সামরিক বীকন সরাসরি মহাকাশে থাকা বিশেষ মিলিটারি স্যাটেলাইটের সাথে যুক্ত থাকে। এটি কাজ করার জন্য কোনো টাওয়ার বা নেটওয়ার্কের প্রয়োজন হয় না। এটি পৃথিবীর যেকোনো দুর্গম মরুভূমি বা পাহাড়ের খাঁজ থেকে সিগন্যাল পাঠাতে পারে।
কেন ইরানিরা ধরতে পারল না?
সাধারণ ট্র্যাকার অনবরত সিগন্যাল পাঠায় যা শত্রুপক্ষ সহজেই 'রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি স্ক্যানার' দিয়ে ধরে ফেলতে পারে। কিন্তু এই বীকনটি 'বার্স্ট ট্রান্সমিশন' পদ্ধতিতে কাজ করে। অর্থাৎ এটি সারাদিন চুপ থাকে, কেবল কয়েক মিলিসেকেন্ডের জন্য একটি অতিক্ষুদ্র ডেটা প্যাকেট উপগ্রহে পাঠায়। ইরানিরা যখন তাদের সিগন্যাল ডিটেক্টর দিয়ে আকাশ স্ক্যান করছিল, ততক্ষণে সিগন্যাল পাঠানো শেষ! একে বলা হয় LPI (Low Probability of Intercept) প্রযুক্তি।
অধিকন্তু, এই বীকন থেকে যে-তথ্য যায়, তা অত্যন্ত শক্তিশালী এএস-২৫৬ লেভেলের কোড দিয়ে লক করা থাকে। যদি ইরানিরা কোনোভাবে সিগন্যালটা ধরেও ফেলে, তবে তারা সেখান থেকে শুধু 'নয়েজ' বা জিজ-জিজ শব্দ শুনবে। সেই কোড ভাঙার মতো সুপার কম্পিউটার বা প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে ইরানি সেনাদের কাছে থাকে না। ফলে আমেরিকানরা সুনির্দিষ্টভাবে জানত তাদের লোক কোথায়, কিন্তু ইরানিরা অনির্দিষ্টভাবে শুধু এলাকাটি আন্দাজ করতে পেরেছিল।
এ ছাড়াও, ইরানি সেনাবাহিনী যখন ওই ক্রুকে ধরার জন্য কনভয় নিয়ে এগোচ্ছিল, তখন আকাশ থেকে মার্কিন এ-১০ এবং ড্রোন অনবরত ইরানিদের ওপর হামলা চালিয়েছে। ফলে ইরানিরা চাইলেও ক্রুর কাছে পৌঁছুতে পারছিল না। এই ‘এয়ার সাপোর্ট’ আমেরিকার জন্য বড় শক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
এভাবে, আধুনিক যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত প্রযুক্তির যুদ্ধ।
04/04/2026
শিশুটি আর নেই...
হাম হওয়ায় ডাক্তার গ্রাম থেকে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। ঢাকা মেডিক্যালে আসার পর, শিশুটিকে হামের জন্য বিশেষায়িত ঘোষণা করা হাসপাতালে রেফার করে।
কিন্তু ICU প্রবেশ করাতে না করাতেই শিশুটি দুনিয়া থেকে চলে যায়। মাত্র ৮ মাসের শিশু। মায়ের বয়সও বেশ কম। একমাত্র আদরের মেয়ে সন্তান।
কাঁথা পেঁচিয়ে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়ে যে বাবা-মায়েরা সর্বদা সতর্ক থাকে, সেই সন্তানকে কাপড় দিয়ে পুরো শরীর ঢেকে দেওয়ার মাধ্যমে বুঝানো হয়েছে প্রিয় সন্তান আর নেই।
পৃথিবীর কোন বাবা-মাকেই এমন কঠিন দৃশ্যের মুখোমুখি আল্লাহ্ তায়ালা না করুন।
ছবিটি আমার এক বোনের থেকে নেওয়া। তার চোখের সামনে ঘটেছে এই দৃশ্য। সে এই ঘটনায় ট্রমাটাইজ।
আজ ৫ই এপ্রিল প্রাথমিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় টীকা দেওয়া হবে। ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী (সর্বোচ্চ ৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন পর্যন্ত) সকল শিশুকে ১ ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে পুরো দেশে দেওয়া হবে।
যাদের সন্তান অলরেডি হামের দুটো টীকা নিয়েছে তারাও নিন। বুস্টার হিসেবে কাজ করবে। সেক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে ৩০দিনের গ্যাপ অবশ্যই থাকতে হবে। শিশুর জ্বর বা অসুস্থতা থাকলে টীকা পরিহার করুন।
বেস্ট হয় টীকাকেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ অনুযায়ী টীকা নেওয়া। উনাকে এই ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। উনার কাছে সকল প্রশ্নের উত্তর পাবেন।
সন্তান আপনার সিদ্ধান্তও আপনার। কিন্তু আপনার সন্তান টীকা না নিয়ে যদি হামের জীবাণু বহন করে বেড়ায়। সেটি আপনার আশেপাশের শিশুদের জন্যও প্রাণঘাতী। তাই অমানবিক হয়ে নিজের সন্তানকে বঞ্চিত না করার পাশাপাশি, পুরো দেশের শিশুদের কথাও ভাবুন।
এই মহামারী ঠেকাতে শিশুদেরকে টীকা দিয়ে সরকারকে সহায়তা করুন।
-সংগৃহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Munshiganj
1500
