চায়নামোড়, ৩২ নং ওয়ার্ড, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন

চায়নামোড়, ৩২ নং ওয়ার্ড, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন

Share

32 No ward, Mymensingh City Corporation, Bangladesh

24/11/2025

হযরত শাহ মুহাম্মদ সুলতান বুড়া পীর (রহ.)-এর বিস্তারিত জীবনী
(মাজারের প্রাচীন ফার্সি শিলালিপি, খেদমতগরদের মৌখিক বয়ান, স্থানীয় গ্রন্থ ও গবেষকদের সংকলিত তথ্যের ভিত্তিতে)
১. পুরো নাম ও বংশপরিচয়
নাম: হযরত শাহ মুহাম্মদ সুলতান বিন শাহ মুহাম্মদ আল-বাগদাদী (রহ.)
উপাধি: বুড়া পীর, বুড়া শাহ সুলতান, বুড়া বাবা, বুড়া মিয়া
নিসবত: আল-বাগদাদী / আল-হুসাইনী (সৈয়দ বংশ)
তরিকা: চিশতিয়া (কিছু মতে চিশতিয়া-কাদেরিয়া মিশ্রিত)
পীর-মুর্শিদ: হযরত শাহ নেয়ামতুল্লাহ ওয়ালী (রহ.) (ইরান-ইরাক অঞ্চলের বিখ্যাত বুজুর্গ)
২. জন্ম ও শৈশব
জন্মস্থান: বাগদাদ বা তার আশপাশের এলাকা (বর্তমান ইরাক)
জন্মকাল: আনুমানিক ৭৫০–৭৬০ হিজরি (১৩৫০–১৩৬০ খ্রিস্টাব্দ)
শৈশব থেকেই আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও জিকিরের অভ্যাস ছিল।
ছোটবেলায় পিতা-মাতাকে হারান, এরপর পীর-মুর্শিদের খেদমতে মানুষ হন।
৩. আধ্যাত্মিক সাধনা ও বাংলাদেশে আগমন
৭০-৮০ বছর বয়সে মুর্শিদের নির্দেশে “হিন্দুস্তানের পূর্বদিকে ইসলামের নূর ছড়াতে” বের হন।
ইরাক → ইরান → দিল্লি → সোনারগাঁ → শ্রীহট্ট (সিলেট) হয়ে শেষ পর্যন্ত ময়মনসিংহে আগমন।
আগমনের সাল: ৮৩৫ হিজরি (১৪৩১–১৪৩২ খ্রিস্টাব্দ)
তখন তাঁর বয়স প্রায় ৮৫–৯০ বছর। দীর্ঘ সাদা দাড়ি, বার্ধক্যের ছাপ, শরীরে শুধু একটি কাপড় – এই রূপ দেখে স্থানীয় লোকেরা তাঁকে “বুড়া পীর” বলে ডাকতে শুরু করে।
৪. ময়মনসিংহে প্রথম দিনগুলো
ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে একটি বড় খেজুর গাছের নিচে বসে জিকির শুরু করেন।
স্থানীয় লোকেরা প্রথমে ভয় পায়, পরে তাঁর কথা ও আচরণে মুগ্ধ হয়।
তিনি কখনো কথা বলতেন না, শুধু ইশারায় বোঝাতেন। হাতের ইশারায় পানি বের করা, রোগী সুস্থ করা – এমন অনেক কারামতের কথা প্রচলিত।
৫. ইসলাম প্রচার ও কারামত
সে যুগে ময়মনসিংহ অঞ্চলে হিন্দু-বৌদ্ধ ধর্মই প্রধান ছিল।
তাঁর দোয়া ও কারামতের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষ ইসলাম কবুল করে।
বিখ্যাত কারামত:
– ব্রহ্মপুত্রের পানি হাতের ইশারায় থামিয়ে দেওয়া
– শুকনো গাছ থেকে ফল বের করা
– একবার খিচুড়ি রান্না করে লক্ষাধিক মানুষকে খাওয়ানো (যা আজও লঙ্গরখানার রেওয়াজ হয়ে আছে)
৬. ওফাত ও মাজার স্থাপন
ওফাতের সাল: ৮৫৫–৮৬০ হিজরি (১৪৫১–১৪৫৬ খ্রিস্টাব্দ)
বয়স: আনুমানিক ১০০–১১০ বছর
ওফাতের আগে তিনি ইশারায় বলেন, “আমাকে এই খেজুর গাছের নিচেই দাফন করো”।
সেই থেকে সেই স্থানেই মাজার গড়ে ওত। আজও সেই প্রাচীন খেজুর গাছের অংশবিশেষ মাজার চত্বরে রক্ষিত আছে।
৭. ঐতিহাসিক সাক্ষ্য
মাজারের প্রাচীন ফার্সি শিলালিপি (এখনো আছে)
ব্রিটিশ আমলের গেজেটিয়ারে (Mymensingh District Gazetteer, 1917) বুড়া পীরের মাজারের উল্লেখ আছে
১৮৯৭-এর ভূমিকম্পে মাজার অক্ষত থাকার সরকারি রিপোর্ট
৮. আজকের পরিচয়
আজ ময়মনসিংহ শহরের মানুষ বুড়া পীরকে শুধু একজন বুজুর্গ নয়, “ময়মনসিংহ শহরের আধ্যাত্মিক রক্ষক” বলে মনে করেন। যেকোনো বিপদে-আপদে প্রথমে তাঁর দরবারে ফরিয়াদ করা হয়।
আল্লাহ তাঁর দরজায় আমাদের সবাইকে কবুল করুন এবং তাঁর সন্তুষ্টি লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

09/11/2025

T 2 ভাই মামদানীর চেয়েও বেশী দামী,,, Mew -Work
Okela...

😆😃 এ পাঠা 😃১০ লক্ষ লোক কার মার কে Shanto bhai ne kew desh chor diya ,, Calcutta বানেগা গ্রেটার বাংলাদেশ,, ইস লিয়ে... "

23/10/2025
Want your business to be the top-listed Government Service in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Mymensingh