বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ - ময়মনসিংহ জেলা

বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ - ময়মনসিংহ জেলা

Share

বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখা অফিসিয়াল ফেইসবুক ফ্যান পেইজ।

হাওর জঙ্গল মইষের শিং, এই তিনে ময়মনসিং’ প্রবাদ-প্রবচনে এভাবেই পরিচয় করানো হতো এক সময় ভারতবর্ষের বৃহত্তম জেলা ময়মনসিংহকে। ভারতবর্ষের সেই বৃহত্তম জেলা সময়ের বিবর্তনে ছয় জেলায় রূপান্তরিত হলেও জেলা সদরের গুরুত্ব তুলনামূলক বিচারে কমে যায়নি। বাংলাদেশের মানচিত্রে যে জেলাটি আজ ময়মনসিংহ জেলা হিসাবে চিহ্নিত তা বাংলাদেশের মধ্য-উত্তরাঞ্চলের ২৪০০২'৩১" থেকে ২৫০২৫'৫৬" উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯০৩৯'০০" থেকে ৯১০১৫'৩৫" পূ

11/08/2017

অনেক গভীর একটা ভাবনা এই গভীর রাতে মনে জাগল। তবে ভাবোদয় হবার কারন আছে। হঠাৎই কোন এক পুরাতন ভারতীয় বাংলা সিনেমার একটা কথা আমার মস্তিষ্ক সেদিকে টেনে নিল। "ঢাকা,ময়মনসিংহ, বরিশাল"।১৯১১ সালে ২৯শে জুলাইর ঘটনা থেকে, মোহনবাগান ভারতীয় একটা ফুটবল দল বলেই জানি আমরা।বাংলাসহ ভারতীয় উপমহাদেশে পর্তুগীজ,ফ্রান্সিস, ব্রিটিশরা শাসন করে গেছে। আমি তো দেখিনি তবে শুনেছি তাদের ফিরিঙ্গী বলেই জানত বাংলার সকলেই।ভারত ক্রিকেটে টেষ্ট মর্যাদা পায় ১৯৩২ সালে।তখনো ভারতে ব্রিটিশরাই ক্ষমতায় ছিল।তারমানে ব্রিটিশরা আবিষ্কার করার পরও ভারতীয়রা টেষ্ট মর্যাদা ঠিকই নিয়ে নেয়।যখন কিনা ব্রিটিশরা নির্বিচারে মানুষ মারতে পারত না।তখন এই উপমহাদেশকে হেয় করার জন্য খেলার আয়োজন করতো।ব্রিটিশদের বুদ্ধি সম্পর্কিত কিছু নতুন করে বলার নেই।যখন ব্রিটিশরা খেলায় হারতো তখন তাদের আত্মসম্মানের জন্যই এই উপমহাদেশ তাদের ছাড়তে হয়। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে এতো এতো বাঙ্গালির ফাঁসি হয়।ক্ষুদিরাম, সূর্যসেন,প্রীতিলতা সেন। আর নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু,যিনি চেয়েছিল ৫ মিনিটও থাকতে দিতে রাজি নয় ব্রিটিশদের।আর মহাত্মা গান্ধীজি উনিতো আপোষে বিনা রক্তপাতে আন্দোলনকারী ছিলেন। কতটুকু কাজ হয়েছিল তা শুধু ভারতীয়রাই ভালো বলতে পারবে। তবে দশজন মৃত্যুর চেয়ে দশটি কথা অনেক ভয়ঙ্কর হতে পারে। যা আমরা দেখে থাকবো ৭ই মার্চের ভাষনে। কেউ সেদিন প্রান দেয়নি তবে ১৭ মিনিটের ভাষনে ১৯৭১-১৯৭১ই। এতো সস্তায়? আরে না ৩০ লক্ষ শহীদ ২লক্ষের ইজ্জতভ্রষ্ট। কিন্তু সময়টা অনেক কমেই পেরেছে। আমরা আর মাথা নিচু করে থাকবো না। মাথা উচু করে শুধু খেলার মাঠেই বিনা ভয়ে খেলা যায়। কারন এবার তোদের মারবোই। খেলার মাঠে যাই হোক কোন জবরদস্তিতো চলে না। গোল বারে যত অভিজ্ঞ গোলকিপার রাখা হোক সে গোল মিছ করতেই পারে।ব্রিটিশরা যখন এই ব্যাপারখানা উপলব্ধি করতে পারে ভারতকে মধ্যে রেখে সীমানা ভাগ করে।ভারত ও পাকিস্তানের বিজয় দিবসের মাস আগষ্ট। আর বাঙ্গালি জাতির শোকের মাস। ঐ যে খেলার মাঠে ১৯৯৯ সালে সেই পাকিস্তানকেই পরাজিত করে টেষ্ট মর্যাদা অর্জন করে বাংলাদেশ।এটা কি সত্যি কাকতালীয়? নাকি অন্য কিছু? ভাবতে গেলে এরিস্টটলের মত ব্যাক্তি রাস্তার মানুষকে আরও বেশি বিরক্ত করতো। আমার এতো কথা বলার মানে এই যে ক্ষুদিরামের ফাঁসির কিছুদিন পর মোহনবাগানের সাথে ব্রিটিশরা খেলার আয়োজন করে সেই মোহনবাগান দলে ঢাকা,ময়মনসিংহ ও বরিশালের ৩ জন খেলোয়ার ছিল। সে খেলাতে ২-১ গোলে মোহনবাগান জয়ী হয়। ক্ষুদিরামের ফাঁসির প্রতিশোধ নিয়েছিল রাজেন নামের একজন খেলোয়ার। ব্রিটিশদের আইনে ফাঁসির আদেশ ছিল না।তবে উপমহাদেশ শাসনের সময় এই আইনের প্রচলন করে লর্ড ক্লাইভ।একমাত্র লর্ড ক্লাইভের চতুরতাই ২০০ বছরের জন্য উপমহাদেশ শাসনের সাহস করেছিল। রাজনৈতিক জটিলতা ছিল। কিন্তু তবুও কেউ পিছপা হয়নি।সে ভারতীয় হোক,বাঙ্গালি হোক।বঙ্গ-ভঙ্গ রদের পর এই খেলায় পরাজয়ের কারনে ভারতের রাজধানী সুদূর নয়াদিল্লী নিয়ে যেতে হয়।আর এই বঙ্গ-ভঙ্গ রদের মূল নায়ক শের-ই-বাংলা এ,কে ফজলুল হক।বাংলার মূখ্যমন্ত্রী যিনি ঐ খেলার আয়োজনকারীদের একজন।
বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ ইতিহাস থেকে শুরু করবে,এবং ইতিহাস তৈরী করে যাবে এই আওয়ামী প্রজন্ম লীগ।
সমাপ্ত।

15/05/2016

প্রজন্ম লীগের পেইজের ২০,০০০ লাইক অর্জন।

আজ বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পেইজটি ২০,০০০টি লাইক অর্জন করে।

সুখে দুঃখে আমাদের সাথে থাকার জন্য আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
জয় দেশরত্ন

খন্দকার মেহেদী হাসান (চন্দন)
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক
বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ
https://www.facebook.com/bdapl/

Bangladesh Awami Projonmo League বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ।

Photos 15/03/2016

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

আগামী ১৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুভ জন্মদিন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগের উদ্যোগে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের এক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা মহানগর উত্তর এবং দক্ষিণ কমিটি, ঢাকা মহানগরের সকল থানা ও ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃন্দকে আগামী ১৭ই মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছয় ঘটিকার সময় ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হইল।

সংগঠনের সকল বৈদেশিক শাখা, জেলা ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দকে তাদের নিজ নিজ এলাকায় জাতির জনকের শুভ জন্মদিন উৎযাপনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ
২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, ঢাকা -১০০০।
তারিখঃ ১৫ই মার্চ ২০১৬ইং
www.plbd.org

Photos 11/11/2015
Photos 03/11/2015

আজকের শোক র‍্যলী তে।।।

Photos 02/11/2015

জাতীয় চার নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।।।

Want your business to be the top-listed Government Service in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Mymensingh, Dhaka
Mymensingh