আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! Manik Ratan, মিয়াজা রহমান
Around the world
Lets see the world
12/04/2018
মাননীয় সৃজনশীল নেত্রী,
আমরা খুবই আনন্দিত এই কারনে যে, একজন বিচক্ষণ,ধীরবুদ্ধিতা অবলম্বনকারী,সুদূরপ্রসারী চিন্তাবিদ এবং রাজনীতিবিদ হিসাবে কোটা আন্দোলনকে যৌক্তিক মেনে নিয়ে আপনি কোটা প্রথা বাতিল করেছেন। বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ হিসাবে আপনার রাগ,অভিমান কিংবা নীলনকশা অঙ্কন করে দেয়া বক্তব্যে এমনটা মনে হলো যেনো মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি। "Mother of Humanity" খেতাবটা শুধু আপনাকে নয়,পুরো জাতিকে একটা মর্যাদা এবং সম্মান দিয়েছে। কিন্তু কোথাই গিয়েছিলো আপনার এই মাতৃত্বটুকু যেদিন শাহবাগে নারীরা লাঞ্চনার শিকার হয়েছিলো,যেদিন টিএসসি তে বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে নারী লাঞ্ছনা হয়েছিল,আজ যখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণ হচ্ছে ? আজ ছাত্রদের ক্লাস,পড়াশুনার কথা চিন্তা করছেন কিন্তু যেদিন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর ভ্যাট আরোপ হয়েছিলো সেদিন কোথায় গিয়েছিলো আপনার এই চিন্তা ? ছাত্ররা ফুল নিয়ে গিয়েছিলো, তাদের দমন করতে রাবার বুলেট, জল্কামান,টিয়ারশেল এসবের দরকার ছিল? আমি শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, আব্দুল হামিদ খান ভাষানী,শহীদ সোহরাওয়ারদী, রাবি প্রক্টর ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা, প্রীতিলতা শেন এদের কাওরেই দেখিনাই কিন্তু। আজ কথায় কথায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা বলেন? বঙ্গবন্ধু থাকলে আজ আমার ভাইদের চোখ রাবার বুলেট এর দ্বারা ক্ষতবিক্ষত হত না, হাত ধরে নিয়ে এসে ক্লাসে বসিয়ে দিয়ে সমাধান করতেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে আপনার ভাবনাটা কবে থেকে শুরু হয়েছে জানিনা কারন সেদিন ই তো দেখলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অপমানিত, শোষিত ও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছিলো। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যানজট এর কথা বললেন না? আপনি যখন আন্দোলনে নামেন,হরতাল করেন কোথায় থাকে আপনার এই চেতনা? আমি আন্দোলনকারী হিসেবে যতটুকু জানি, এই আন্দোলনে রোগিদের এম্বুলেন্স ছেরে দেওয়া হয়েছিলো। আমি নিজেও কয়েকটা এম্বুলেন্স ছেড়ে দিয়েছি। ছাত্রলীগ কতটুকু করেছে কিংবা অন্য রাজনৈতিক দলগুলো কতটুকু সাথে ছিল তা আমাদের জানা আছে। সেদিন ২০ সদস্যের প্রতিনিধিদল এর আলোচনার পরও রাতের বেলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রহল এবং ছাত্রীহল গুলাতে ২৫ মার্চ এর মত কুকুর লেলিয়ে দিয়ে কিনা করা হয়েছে। ছাত্রির পায়ের রগ পর্যন্ত কেটে দিয়েছিল মাঝরাতে । কারা এসব করল?
সর্বশেষে বলতে চাই আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ছাত্রদের না ফেলে দ্রুত সমাধান করে দিন এই কোটা আন্দোলনের। মন্ত্রীদের একটু বলদামি করতে নিষেধ করে দিন। ছাত্ররা যেন আর এই ঝামেলাই না পরে সেটার ব্যাবস্থা করুন। দেশ এগিয়ে যাবে যোগ্য নেতাদের হাত ধরে।
জয় বাংলা।
বি. দ্রঃ চুলকানি থাকলে মেসেজ করবেন, মলম দিয়ে দেব।
ঈদ মোবারক"
একমাস সিয়াম
সাধনার পর এল খুশির
ঈদ। পবিত্র ঈদুল
ফিতরে সকলের প্রতি
অনেক অনেক
শুভেচ্ছা
রইল।:-):-):-)
m
Electrical engineering (sometimes referred to as electrical and electronic engineering) is a professional engineering discipline that deals with the study and application of electricity, electronics and electromagnetism.
The field first became an identifiable occupation in the late nineteenth century with the commercialization of the electric telegraph and electrical power supply.
The field now covers a range of sub-disciplines including those that deal with power, optoelectronics, digital electronics, analog electronics, artificial intelligence, control systems, electronics, signal processing and telecommunications.
ভার্সিটি লাইফে হতাশায়
ভোগে না এমন ছাত্র খুঁজে
পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ হয়।
এই হতাশার মূল কারণ একেক
জনের কাছে একেক রকম।
সার্বিক দিক বিবেচনায় এই
হতাশার মূল কারণটা
অপ্রাপ্তির।
আর এই অপ্রাপ্তির
শাখা প্রশাখা অসংখ্য।
ভার্সিটি লাইফ এমন একটা
লাইফ যেখানে কোন ছাত্রের
চাওয়া পাওয়ার মাঝে বিস্তর
পার্থক্য থাকে।এ লাইফের
চাওয়াগুলো অনেক উচ্চমানের
হয়ে থাকে যেগুলার কিয়দংশ
পূর্ণ হয়।
হতাশার বেগ আরও বাড়তে
থাকে যখন নিজের
পরিকল্পনাগুলোর বাস্তবায়ণের
চিন্তা করতে করতে পাশের
বন্ধুদের মাঝে কেউ কেউ
সেগুলার কিছু অংশ বাস্তবায়ন
করে ফেলে।
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের ছোট
ছোট চাওয়াগুলোর অপ্রাপ্তি যে
কতটা কষ্টের সেটা বলার
অপেক্ষা রাখে না, হতাশার
বেগ ত্বরান্বিত করার জন্য এই
অপ্রাপ্তিগুলি যথেষ্ঠ ভূমিকা
রাখে।
ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবনা
ছাত্রদের হতাশার কারণগুলোর
মধ্যে অন্যতম।সবাই তার
ভবিষ্যৎকে উজ্জ্বল দেখতে চাই
কিন্তু তার জন্য যেটা করণীয়
সেটা শুরু করতে করতে
বিশ্ববিদ্যালয় জীবন সমাপ্তির
দিকে চলে যায়।আর হতাশা
তখন চরম পর্যায়ে উঠে ।
এইচএসসি পাশের পরই শুরু হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধ। যারা ভর্তিযুদ্ধে উত্তীর্ণ হয়ে ভালো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ার সুযোগ পায় তাদের সামনে প্রশ্ন এসে দাঁড়ায়- কোন বিষয় নিয়ে পড়ব? যারা বিজ্ঞানের ছাত্র তাদের প্রথম পছন্দের তালিকায় যেসব বিষয় থাকে সেগুলো হলো চিকিৎসা বিজ্ঞান ও প্রকৌশল শাখা। আবার প্রকৌশল শাখায় যারা যেতে চায় তাদের সামনে থাকে অনেক ধরনের প্রকৌশল শাখা। কাজেই ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রীদের মনে প্রশ্ন এসে যায় সে প্রকৌশলের কোন শাখায় পড়াশুনা করবে?
প্রকৌশল বিদ্যা নিয়ে যারা পড়াশুনা করেন তাদের বলা হয় প্রকৌশলী। একজন প্রকৌশলীর কাজ হচ্ছে বিজ্ঞানীর উদ্ভাবিত মৌলিক তত্ত্বকে কাজে লাগিয়ে মানুষের দৈনন্দিন চাহিদা ও প্রয়োজন মেটানো এবং একই সাথে মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশ ঘটানো। একজন প্রকৌশলী মূলত ‘কেন’, ‘কিভাবে’, ‘কিসের দ্বারা’ এবং ‘কত কম খরচে’- এই প্রশ্নগুলোর জবাব খোঁজার চেষ্টা করেন এবং গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করার চেষ্টা করেন। একজন প্রকৌশলী যেহেতু সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন তাই তাকে অবশ্যই দূরদৃষ্টি, তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, কল্পনাশক্তিসম্পন্ন সৃজনশীল ও দক্ষ হতে হয়।
উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত প্রকৌশল বিদ্যা মূলত দুইভাগে বিভক্ত ছিল- এর একটি ছিল সিভিল বা পুরকৌশল বিদ্যা এবং আর একটি ছিল মিলিটারী বা সামরিক কৌশল বিদ্যা। এরপর এল খনি ও ধাতব কৌশল বিদ্যা এবং ১৮৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হলো আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব মাইনিং অ্যান্ড ম্যাটালারজিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারস। ১৮৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হলো আমেরিকান সোসাইটি অব মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারস। অর্থাৎ চালু হলো যন্ত্র কৌশল বিদ্যা। ১৮৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলো আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারস (বর্তমানে এটি ইনস্টিটিউট অব ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারস বা ইইই নামে পরিচিত)। অর্থাৎ চালু হলো তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল বিদ্যা। ১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হলো আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারস। অর্থাৎ চালু হল রসায়ন কৌশল বিদ্যা। এরপর এসেছে প্রকৌশল বিদ্যার আরও অনেক শাখা-প্রশাখা।
বাংলাদেশে প্রকৌশল শিক্ষার গোড়াপত্তন হয় ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৭৬ সালে, ঢাকা সার্ভে স্কুল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এই স্কুলকে পরে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল করা হয় ১৯০৫ সালে। এই স্কুল থেকে ৪ বছর মেয়াদী ওভারশিয়ার কোর্স প্রদান করা হত। ১৯৪৭ সালে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলকে কলেজে রূপান্তর করা হয়। এখান থেকে সিভিল, ইলেক্ট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল- এই ৩টি বিষয়ের ওপর ৪ বছর মেয়াদী বি.এস.সি. ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী প্রদান করা হতো। এরপর ১৯৫৫ সালে ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখান থেকে সিভিল, ইলেক্ট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল- এই ৩টি বিষয়ের উপর ৩ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স প্রদান করা হত। ১৯৬২ সালে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে রূপান্তর করা হয় পূর্ব পাকিস্তান প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমাদের মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পরে এই নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যা বর্তমানে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বা বুয়েট নামে বেশি পরিচিত। এরপর থেকে প্রকৌশল শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে আর পিছনে তাকিয়ে হয়নি। এরপরের ইতিহাস শুধুই সামনে এগিয়ে যাবার।
টমাস আলভা এডিসনের বিদ্যুত বাতি আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে মূলত ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর যাত্রা শুরু হয়। বিংশ শতকের সভ্যতার অগ্রগতির মূল চালিকা শক্তি ছিল এই বিদ্যুতের ব্যবহার। ১৯৬৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে প্রতি বছরে পরিবার প্রতি বিদ্যুতের গড় ব্যবহার ছিল ৫ হাজার কিলোওয়াট-ঘন্টা যা প্রতিদিনের ৬৫ শ্রমঘন্টার সমতুল্য ছিল। বর্তমানে জাতিসংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন সূচক অনুসারে যদি প্রতি বছরে মাথাপিছু বিদ্যুতের গড় ব্যবহার ৪ হাজার কিলোওয়াট-ঘন্টা হয় তবে সেই দেশকে উন্নত দেশ হিসেবে ধরা হয়। কাজেই একটি দেশের মানবসম্পদ সূচকের উন্নয়ন তথা সমগ্র দেশের উন্নয়নের জন্য চাই বিদ্যুতের গড় ব্যবহার বাড়ানো। আর এই জন্য চাই বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানো। সেই হিসেবে বলা যায়, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য তড়িৎ প্রকৌশলীর ভূমিকা অপরিসীম।
তড়িৎ প্রকৌশলীর মূল কাজ হলো বিদ্যুৎ শক্তির উৎপাদন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ, সঞ্চালন, বিতরণ, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে সমগ্র জনগোষ্ঠির আরামদায়ক ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ জীবনযাপনের ব্যবস্থা করা। এছাড়া বিদ্যুৎ শক্তির মাধ্যমে যেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয় সেসবের নির্মাণ, পরীক্ষণ, মান নিয়ন্ত্রণ, বিক্রয়, ব্যবস্থাপনা, বাজারজাতকরণ, পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যবস্থা করাও তড়িৎ প্রকৌশলীর কাজের মধ্যে পড়ে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ এবং এর ব্যবহারিক বিষয় নিয়ে গবেষণা, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, নকশা প্রণয়ন ও এর বিন্যাস সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও কাজ করে থাকেন তড়িৎ প্রকৌশলীরা। তবে সব ধরনের কাজই একজন প্রকৌশলী করেন না। সেজন্য তড়িৎ প্রকৌশলীর কাজের শ্রমবিভাজন করা আছে। আর সেই জন্যই একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিভিন্ন ধরনের তড়িৎ প্রকৌশলীদের কাজ করতে দেখা যায়। বিভিন্ন অনলাইন জব সাইট ঘাটলে দেখা যাবে বিভিন্ন ধরনের তড়িৎ প্রকৌশলীর চাহিদা।
তড়িৎ প্রকৌশল বিষয় নিয়ে যারা পড়াশুনা করেন তাদের বলা হয় তড়িৎ প্রকৌশলী বা ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। তাদের শুধু কারিগরী বা প্রকৌশল শাখার বিষয়গুলো নিয়ে পড়াশুনা করলেই চলে না, তাদেরকে পদার্থ, রসায়ন ও গণিত, ভাষা ও সাহিত্য, সমাজ বিজ্ঞান, ব্যবসা পরিচালনা, অর্থনীতি, হিসাব বিজ্ঞান, মার্কেটিং ও ম্যানেজম্যান্ট, নীতিবিদ্যা, দর্শনশাস্ত্র ইত্যাদি বিষয়ের একাধিক বিষয় নিয়েও পড়তে হয়। এছাড়াও তাদেরকে টেকনিক্যাল রিপোর্ট লেখা বা উপস্থাপনা করা, অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করা অথবা তা সংগঠিত বা সংঘটিত করা, মানুষের সাথে লিখিত ও মৌখিক ভাষায় যোগাযোগে পারদর্শী হতে হয়।
তড়িৎ প্রকৌশল বিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রী অর্জনের পর একজন প্রকৌশলী সাধারণত যেসব সেক্টরগুলোতে গিয়ে চাকুরি পেতে পারেন তা হলো- বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ কেন্দ্র, পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ট্রান্সফর্মার, জেনারেটর, মোটর ইত্যাদি তৈরীর কারখানা, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র, বিদ্যুৎ গ্রীড কেন্দ্র, সামরিক বাহিনী, ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানি, মোবাইল ফোন ভেন্ডর কোম্পানি, মোবাইল ফোন সেট-বিক্রয়ের কোম্পানি, স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল, আর্থ স্টেশন, অপটিক্যাল ফাইবার কোম্পানি, বায়োমেডিক্যাল ইলেক্ট্রনিক্স কোম্পানি, বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক, সার কারখানা, রোবট নির্মাণ প্রতিষ্ঠান, মোটর গাড়ি তৈরী ও সংযোজনের কারখানা, টেক্সটাইল ও স্পিনিং মিল, এয়ারক্র্যাফট ফ্লাইট ও গ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার, তেল ও গ্যাস কোম্পানি, গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান, কম্পিউটারসহ অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক সামগ্রীর খুচরা যন্ত্রাংশ তৈরী ও সংযোজনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা এর কারখানা, ওষুধ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান, এম্বিডেড সিস্টেম ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, পেশাদারী পরামর্শ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, আবাসন নির্মাণ প্রতিষ্ঠান, খাদ্য ও পানীয় তৈরী ও প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠানএবং এইরকম আরো অনেক ধরনের প্রতিষ্ঠানসমূহ।
তড়িৎ প্রকৌশল বিদ্যায় চার বছর মেয়াদী স্নাতক (বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং) ডিগ্রী প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হলে একজন ছাত্রের অবশ্যই বিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশুনা থাকতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে যারা এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেছে তারা এই বিভাগে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে তাদের অবশ্যই বিজ্ঞানের তিনটি মৌলিক বিষয়- পদার্থ, রসায়ন ও গণিত নিয়ে এইচএসসি পাস করতে হবে এবং এসএসসি ও এইচএসসি প্রতিটিতে ২.৫ সিজিপিএ থাকতে হবে। কারিগরী শিক্ষা বোর্ডের অধিনস্থ ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরাও তড়িৎ প্রকৌশল বিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রী প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে ভর্তির অন্যান্য নিয়ম বিভিন্ন। যার যে বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ সেখানে গিয়ে ভর্তির ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্যাবলী নিতে হবে।
বাংলাদেশে তড়িৎ প্রকৌশল বিদ্যায় ৪ বছর মেয়াদী স্নাতক (বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং) ডিগ্রী প্রদান করে এরকম অনেক সাধারণ ও বিশেষায়িত সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে তড়িৎ প্রকৌশল বিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রী প্রদান করে এরকম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাষানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মিলিটারী ইন্সটিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি প্রভৃতি। এছাড়া গাজীপুরের বোর্ড বাজারে রয়েছে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ইষ্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, এশিয়া-প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি প্রভৃতি।
বাংলাদেশে তড়িৎ প্রকৌশল বিদ্যায় ৪ বছর মেয়াদী স্নাতক (বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং) ডিগ্রী প্রদানকারী বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হলে কিছু কিছু বিষয়ে অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিত।
প্রথমত শিক্ষকদের মান ও তাদের পড়ানোর দক্ষতা। অনেক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখা যায় ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংডিগ্রীধারী শিক্ষক নিয়োগ না দিয়ে পদার্থ বা ফলিত পদার্থের শিক্ষক দিয়ে পড়ানো হয়। এক্ষেত্রে কিন্তু ওইসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্সের (আইইবি) অ্যাক্রেডিটেশন নাও পেতে পারে। একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত থাকা উচিত ২০:১। কিন্তু অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এই অনুপাত দেখা যায় ৫০:১। এছাড়া শিক্ষকদের গবেষণাপত্র আছে কি-না তা দেখতে হবে।
দ্বিতীয়ত পর্যাপ্ত ল্যাবরেটরীর সুযোগ-সুবিধাদি। অনেক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সব বিষয়ের ল্যাবরেটরী থাকে না। এছাড়া ল্যাবরেটরী থাকলেও সেটার যন্ত্রপাতি পর্যাপ্ত আছে কি-না দেখতে হবে।
তৃতীয়ত উন্নত কোর্স কারিকুলাম। এটি মানসম্পন্ন শিক্ষাদানের অন্যতম পূর্বশর্ত। কোথাও আবার উন্নত কোর্স কারিকুলাম থাকলেও সেটা ঠিকমতো অনুসরণ করা হয় না।
চতুর্থত লাইব্রেরীর সুযোগ-সুবিধাদি পর্যাপ্ত কি-না এবং সেখানে মানসম্পন্ন লেখকদের টেক্সট ও রেফারেন্স বই, গবেষণাপত্র, পত্রিকা ইত্যাদি পাওয়া যায় কি-না তা দেখা উচিত।
পঞ্চমত সঠিক একাডেমিক ক্যালেন্ডার। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট কোনো একাডেমিক ক্যালেন্ডার থাকে না, যখন তখন ক্লাশ শুরু ও শেষ করা হয়। ক্লাশ ঠিকমতো হচ্ছে কি হচ্ছে না তা দেখা হয় না। ক্লাশের ব্যাপারে ছাত্র-ছাত্রীদের কোনো মতামত গ্রহণ করা হয় না।
এছাড়াও দেখা উচিত পরীক্ষা নকলমুক্ত কি-না, ক্লাব কার্যক্রম আছে কি-না, স্টাডি ট্যুর, সেমিনার, ওয়ার্কশপ, ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের ব্যবস্থা আছে কি-না, ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন রকমের দক্ষতা বৃদ্ধির ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয় কি-না প্রভৃতি।
-----
অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মুহিবুল হক ভুঁইয়া
বিভাগীয় প্রধান, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং প্রক্টর, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ
03/08/2015
Electrical engineering is a field of engineering that generally deals with the study and application of electricity, electronics, and electromagnetism. This field first became an identifiable occupation in the latter half of the 19th century after commercialization of the electric telegraph, the telephone, and electric power distribution and use. Subsequently, broadcasting and recording media made electronics part of daily life. The invention of the transistor, and later the integrated circuit, brought down the cost of electronics to the point where they can be used in almost any household object.
Electrical engineering has now subdivided into a wide range of subfields including electronics, digital computers, power engineering, telecommunications, control systems, radio-frequency engineering, signal processing, instrumentation, and microelectronics. The subject of electronic engineering is often treated as its own subfield but it intersects with all the other subfields, including the power electronics of power engineering.
Electrical engineers typically hold a degree in electrical engineering or electronic engineering. Practicing engineers may have professional certification and be members of a professional body. Such bodies include the Institute of Electrical and Electronic Engineers (IEEE) and the Institution of Engineering and Technology (IET).
Electrical engineers work in a very wide range of industries and the skills required are likewise variable. These range from basic circuit theory to the management skills required of a project manager. The tools and equipment that an individual engineer may need are similarly variable, ranging from a simple voltmeter to a top end analyzer to sophisticated design and manufacturing software.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Mymensingh
2200
