04/01/2019
ধামালকোট এলাকা মাদক ব্যবসায়ী
আমি ধামালকোট এলাকার বাসিন্দা
দীর্ঘ অনেক দিন ধরে এই এলাকাতে একটি ছেলে ব্যবসা করে যাচ্ছে মাদক । তাকে তার নিদিষ্ট সময় মত পাওয়া যায় । রাকিব এই ছেলেটি বলে তার কাছে গাজা, ইয়াবা সব কিছু আছে যখন দরকার সে নিয়ে আসে |
দীর্ঘ অনেক বছর ধরে ৯ নাম্বার রোডে সে ব্সবাস করে ৷
একজন ছেলে ইয়াবা ব্যবসা করে যাচ্ছে দীর্গ সময় দরে এলাকা বাসী কোন প্রকার কথা নেই ৷ এইখান কার প্রভাবশালী লোক ও নেতা বলে থাকে সে ভালো ছেলে |
অনেকদিন ধরে ব্যবসা করে যাচ্ছে
সমাজের ক্ষতি করছে এলাকা বাসী চুপ |
৯নং রোড এ সকলে এই চিনে এলাকা মাদক ব্যবসায়ী৷
রাকিব ও রানা ভাই ।
রাকিব ও রানার বাবা একজন গাড়ী চালক , মা কাজ করে l
রাকিব রা হচ্ছে দুই ভাই মাদক ব্যবসায়ী।
রাকিব ও রানা হচ্ছে দুই ভাই৷
রাকিব ও রানা বন্ধুদের কাছে দিয়ে থাকে ও বলে থাকে টাকা দিলে মাল দিবে আগে টাকা পরে মাল ।
তাদের ভাষানটেক থানা মামলা আছে৷
রাকিব এই ছেলেটিকে আরো কিছু আগে হবে Rab ও police তাকে বহু বার মাদক মামলায় এরেস্ট করেছিল৷ তারপরও সে এক মাস জেল খেটেছে । রিপোর্টও আছে তার নামে ভাষানটেক থানায়।
আপনাদের কাছে আবেদন করছি যে আপনারা খোজ খবর নিয়ে দেখেন এই ছেলেটি কি করছে এবং তাকে যথাযথ মুলক শাস্তি দেওয়া হোক ।
রাকিব ছেলেটি নাম্বার পরিবতন করে থাকে | নতুন একটি নাম্বার দেওয়া হল যে সেই নাম্বার থেকে ফোন টা করে থাকে এবং লেনদেন করে থাকে| বিকাশ লেন দেন করে থাকে |
নাম্বার টি
0163 887 3068
03/02/2017
মাদক পাচারের প্রধান ‘ক্যারিয়ার' নারী ও শিশু
বাংলাদেশে মাদক হিসেবে একসময়ে ফেনসিডিল শীর্ষস্থান দখল করলেও, এখন ইয়াবা সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে৷ এর প্রধান ব্যবহারকারী তরুণ প্রজন্ম৷ তাই মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ইয়াবার বাজারজাতকরণ সহজ হয়েছে৷
বাংলাদেশে ইয়াবা ট্যাবলেট প্রধানত আসে মিয়ানমার থেকে৷ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) গত চার বছরে ১ কোটি ৭৫ লাখ ৭৪৫ পিস উদ্ধার করেছে কক্সবাজারের বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে৷ এর মধ্যে ২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি ৫২ লাখ ১৯ হাজার ৮৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি৷ উত্তেজক এই ট্যাবলেট রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিক্রি করছে মাদক ব্যবসায়ীরা৷ এ জন্য জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে তাদের নেটওয়ার্ক৷ এমনকি এটি খুচরা পর্যায়ে বিক্রির জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যন্ত ডিলার রয়েছে৷
বাংলাদেশে মাদকের থাবা
বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে গত আট বছরে মাদক হিসেবে ইয়াবার ব্যবহার বেড়েছে শতকরা ৬০০ ভাগ বা ছয়গুণ৷
অধিদপ্তরটির হিসাবে ২০০৮ সালে ৩৬ হাজার ৫৪৩টি, ২০০৯ সালে এক লাখ ২৯ হাজার ৬৪৪টি, ২০১০ সালে আট লাখ ১২ হাজার ৭১৬টি, ২০১১ সালে ১৩ লাখ ৬০ হাজার ১৮৬টি, ২০১২ সালে ১৯ লাখ ৫১ হাজার ৩৯২টি, ২০১৩ সালে ২৮ লাখ ২১ হাজার ৫২৮টি, ২০১৪ সালে ৬৭ লাখ ৬৭ হাজার ৩৩৮টি এবং ২০১৫ সালে ১ কোটি ৯৫ লাখ ৪৪ হাজার ১৭৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে৷
বাংলাদেশে ইয়াবার পরই মাদক হিসেবে বেশি ব্যবহার হয় কাফ সিরাপ ‘ফেনসিডিল'৷ ২০১৫ সালে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ৮৬ হাজার ৪২৯ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে৷ ২০০৯ সালে এর পরিমাণ ছিল ১১ লাখ ১৭ হাজার ৩৫৪ বোতল৷ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাফিজুর রহমান জানান, ‘‘পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যায় যে, মাদক হিসেবে ফেনসিডিলের ব্যবহার কমছে৷ অন্যদিকে বাড়ছে ইয়াবার ব্যবহার এবং সেটা খুবই দ্রুত গতিততে৷ যারা ফেনসিডিলে আসক্ত ছিলেন, তারা ইয়াবার দিকে ঝুঁকে পড়ছেন এবং তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন নতুন ইয়াবাসেবীরাও৷
বাংলাদেশে অন্যান্য মাদক যেমন গাঁজা, হেরোইন, আফিম এবং কিছু উত্তেজক ইনজেকশনের ব্যবহার আছে৷ গত বছর বাংলাদেশে কোকেন ধরা পড়লেও মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তারা বলছেন যে, দেশে এখনও কোকেনের ব্যবহার নেই৷ তবে পাঁচারের রুট হিসবে ব্যবহার হচ্ছে বাংলাদেশ৷ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ২০১৫ সালে ৫ দশমিক ৭৪ কেজি কোকেন উদ্ধার করে৷ এছাড়া গত বছরের মে মাসে বাংলাদেশের শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তারা চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১০৭টি নীল রঙের সূর্যমুখী তেলের ব্যারেল জব্দ করেন৷ ঐ তেলের মধ্যে নাকি ৬০ থেকে ১০০ কেজি কোকেন মেশানো ছিল৷
বাংলাদেশে মাদক আসে যেখান থেকে
বাংলাদেশে ফেনসিডিল আসে সাধারণত ভারত খেকে৷ তবে ফেনসিডিল স্থানীয়ভাবেও তৈরি করেন মাদক ব্যবসায়ীরা৷ মাদ্রকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর প্রতিবছরই স্থানীয়ভাবে তৈরি করা ফেনসিডিল জব্দ করে৷ এ সব ফেনসিডিল প্লাস্টিকের কন্টেনারে ছিল৷ ২০১৫ সালে ৫ হাজার ৮৮ লিটার খোলা কন্টেনারজাত ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়৷
অপরদিকে বাংলাদেশে ইয়াবা আসে প্রধানত মিয়ানমার থেকে৷ মিয়ানমারের মংডুতে বাংলাদেশ সীমানার ১০ কিলোমিটারের ভেতরে ইয়াবার কারাখানা আছে বলে জানা যায়৷ কক্সবাজার হয়ে আসা ইয়াবা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবহণে কাজ করেন নিম্নবিত্তরা আর তা ব্যবহার করেন মধ্যবিত্ত ও উত্তবিত্তরা৷ সম্প্রতি অবশ্য কিছু স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং নারীও ইয়াবা পাচারের সময় ধরা পড়েছে৷
বিজিবি-র টেকনাফ অঞ্চলের কমান্ডার আবুজার আল জাহিদ জানান, ‘‘মিয়ানমার থেকে প্রশাসনিক উদ্যোগেই বাংলাদেশে ইয়াবা পাচার করা হয়৷ আগে মংডু ধেকে ইয়াবা পাচার হতো৷ এখন একটি নতুন বন্দর সিটওয়ে (আকিয়াব) থেকে সমুদ্রপথে এই মাদকটি পাচার করা হচ্ছে৷ বাংলাদেশের অংশে প্রভাবশালী লোকজন, যেমন রাজনৈতিক নেতারাও এর সঙ্গে জড়িত৷ তাছাড়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের সহায়তায় ঢাকাসহ সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে ইয়াবা৷''
গত বছর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সারাদেশে ৭৬৮ জন ইয়াবা পাচারকারীর তালিকা প্রকাশ করে৷ তালিকাভুক্ত অধিকাংশই কক্সবাজারের উখিয়া, নাইক্ষ্যংছড়ি ও টেকনাফের বাসিন্দা৷ কমান্ডার আবুজার আল জাহিদ জানান, ‘‘বাংলাদেশে ক্যারিয়ার হিসেবে প্রধানত নারী ও শিশুদের ব্যবহার করা হয়৷''
কারা মাদক গ্রহণ করে?
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখন মাদকসেবীর সংখ্যা ৮০ লাখের কম নয়৷ আর তারা প্রায় সকলেই বয়সে তরুণ, ১৭ থেকে ৩৮বছরের মধ্যে৷
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম ‘‘বাংলাদেশে এখন ইয়াবাসেবী তরুণের সংখ্যা ৪০ লাখের কম নয়৷''
তিনি আরো জানান, ‘‘এখন চিকিৎসা নিতে আসা মাদকসেবীদের ৮০ ভাগই ইয়াবা আসক্ত৷ এরা বয়সে তরুণ এবং অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছল ঘরের সন্তান৷ তরুণীরাও এই মাদক গ্রহণ করছেন৷ ইয়াবার পর ফেনসিডিল ও গাজায় আসক্তের অবস্থান৷ তবে প্রধানত নিম্নবিত্তরাই এগুলিতে আসক্ত৷''
ডা. তাজুল ইসলামের কথায়, ‘‘ইয়াবা সেবনে শরীরে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হয়৷ সেবনের পর প্রথমে মনে হয় যেন শরীরে অনেক শক্তি এসেছে, সব ক্লান্তি কেটে গেছে৷ আসলে এটি একটি উত্তেজক মাদক৷ দীর্ঘমেয়াদে এটি পুরো স্নায়ুতন্ত্রের ওপর অসম্ভব খারাপ প্রভাব ফেলে৷ স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কাঠামো ও কার্যক্রম নষ্ট করে দেয় ইয়াবা৷ এমনকি এ ধরনের মাদকের প্রভাবে অনেক সময় মানুষ বদ্ধ পাগলের মতো আচরণ করে (সাইকোসিস সিনড্রম), যার ফলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের (স্ট্রোক) ঝুঁকিও তৈরি হয়৷''
মাদক পাচারের রুট বাংলাদেশ
গত বছরের মে মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে ধরা পড়া কোকেনের চালানটির গন্তব্য ছিল বাংলাদেশের প্রতিবেশী একটি দেশ৷ চালানের কাগজ-পত্র থেকে জানা যায়, চালানটি ভারতের যে কোনো বন্দরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল৷ জাতিসংঘ মনে করছে, দক্ষিণ এশিয়াকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে আরও প্রচুর কোকেন পাচার হচ্ছে, যা ধরাই পড়ছে না৷ ল্যাটিন অ্যামেরিকার একটি সংঘবদ্ধ চক্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে নিজেদের চোরাচালানের রুট আড়াল করতেই দক্ষিণ এশিয়াকে পাচারের পথ হিসেবে ব্যবহার করছে৷ এ অঞ্চলের বন্দরগুলোর দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থার সুযোগ নিয়েই এ কাজ করছে তারা৷ তাই বাংলাদেশকেও তাদের মাদক চোরাচালনের রুটে পরিণত করছে৷
26/06/2016
মাদক না নিয়ে সুস্থ আছেন অনেকেই।সাধারণত মাদক দিবসকে কেন্দ্র করে মাদক নিয়ে কিছু সভা-সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু শুধু সচেতনতাই যথেষ্ট নয় মাদক নিয়ন্ত্রনের জন্য। রবিবার, ২৬শে জুন, ২০১৬ ইং, ১৯শে রমযান, আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস।
সুখ হচ্ছে এমন একটি জিনিস যার সন্ধানে আজকে আমরা সবাই বেরিয়েছি। কে আছে এমন যে সুখী হতে চায় না কিংবা একটি সুন্দর জীবন কামনা করে না? কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, সুন্দর জীবন বলতে আসলে কি বোঝায়? কিছু মানুষ আছে এমন, যারা তাদের জীবনকে ঘৃণা করে ! তারা সর্বদাই মনমরা ও হতাশায় আক্রান্ত হয়ে থাকে। অপরদিকে, কিছু মানুষ এমনও আছে যারা তাদের জীবনকে উপভোগ করে, তারা সব সময় হাসি খুশি আর সুখে থাকে। কিন্তু এমন হয় কেন? আর সুখের কারণ কি?
আমরা অনেকেই একথা জানি, পরকালের জীবনে সুন্দর জীবন পাওয়া যাবে জান্নাতে। কিন্তু এই দুনিয়ার জীবনের কি হবে? আসুন জেনে নিই, যিনি আমাদেরকে এই দুনিয়ার জীবন দান করেছেন তিনি, সর্বশক্তিমান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সুন্দর জীবন লাভের ব্যাপারে কি বলছেন –
“যে সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং সে ঈমানদার, পুরুষ হোক কিংবা নারী আমি তাকে পবিত্র জীবন (হায়াতে তাইয়েবা) দান করব এবং প্রতিদানে তাদেরকে তাদের উত্তম কাজের কারণে প্রাপ্য পুরষ্কার দেব যা তারা করত”। [ সূরা নাহল ৯৭]
এই জীবনে আমরা যা কিছুই করি না কেন সবকিছুই হয়তো আপনার পক্ষে একটি দলীল প্রমাণ হবে নয়তো আপনার বিপক্ষে একটি দলীল প্রমাণ হবে। প্রতিটি আলাদা মুহুর্ত, সেকেণ্ড, মিনিট, ঘন্টা, দিন, সপ্তাহ আর মাস যা আমরা অতিক্রান্ত করে চলেছি, যা আমাদের জীবন থেকে চলে যাচ্ছে তা হয়তো আমাদেরকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার আরও নিকটবর্তী করে দিবে অথবা বিপরীতভাবে তাঁর অসন্তুষ্টির কারণ হয়ে আপনাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।
যখন একজন মানুষ সকালে জেগে উঠে, সে কি ভেবে দেখে না? একটু আগে তার দেহ ছিল নিথর, ঘুমন্ত ! তাকে কেউ ডাকলেও সে শুনতে পায়নি, হতে পারে তার সামনে কেউ বসে ছিল, সে দেখতে পায়নি, সারা রাত ঘুমন্ত মনে সে কি চিন্তা করেছে তা সে নিজেও জানে না।
কে সেই সত্তা যে আবার তাকে জাগ্রত করল ! ফিরিয়ে দিল দৃষ্টিশক্তি, কে ফিরিয়ে দিল শ্রবণ শক্তি, কিংবা রুহ? কে সেই সত্তা যিনি আপনাকে সুস্থ সুন্দর স্বাস্থ্য দান করেছেন যখন অনেকেই নানা শারিরীক সমস্যায় কষ্ট ভোগ করছে! আল্লাহ আমাদের এত বেশি নিয়ামত দান করে থাকেন যে আমরা তাকে ভালো না বেসে পারি না, আল্লাহ আমাদেরকে খাদ্য দান করেন, তাজা ফল, টাটকা সুস্বাদু মাংস, পানীয়, খাবার জল, সূর্যের আলো আরও কত কি ! আমরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি।
03/01/2016
নওগাঁ মাদক ধংশের ভিডিও
Naogaon Drug destruction video
14/12/2015
৪০ হাজার ইয়াবাসহ সাংবাদিক আটক
মাইক্রোবাসে করে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে ৪০ হাজার ইয়াবা বড়িসহ বেসরকারি টেলিভিশনের এক সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। ওই মাইক্রোবাস থেকে তাঁর স্ত্রীকেও আটক করা হয়। আজ সোমবার দুপুর বারোটার দিকে চট্টগ্রাম নগরের ফিরিঙ্গিবাজার মেরিনার্স সড়কে তাঁদের আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
আটক ওই সাংবাদিকের নাম মো. সেলিম। তিনি বেসরকারি ওই টেলিভিশন চ্যানেলের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি। তাঁর স্ত্রীর নাম খালেদা বেগম। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো উপ-অঞ্চলের পরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, ‘আমাদের কাছে খবর ছিল, কক্সবাজার থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে ইয়াবা বড়ি পাচার হচ্ছে। তবে তাঁদের পরিচয় জানা ছিল না। ফিরিঙ্গিবাজারে মাইক্রোবাস থামিয়ে তল্লাশির সময় আটক দম্পতির সিটের পাশে রাখা কম্বলের ভেতর থেকে ৪০ হাজার ৫০টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।’
মোহাম্মদ ইব্রাহিম আরও বলেন, ‘আটকের পর মো. সেলিম নিজেকে সাংবাদিক বলে পরিচয় দেন। পরে তাঁর পরিচয়পত্র দেখে ও অন্যান্য সূত্র থেকে পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছি। তাঁর স্ত্রীকেও আটক করা হয়েছে। এখন আমরা বের করার চেষ্টা করছি, কার কাছ থেকে এগুলো আনা হয়েছে এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।’ এ ব্যাপারে নগরের কোতোয়ালি থানায় মামলা হবে বলে জানান পরিদর্শক ইব্রাহিম।
ইয়াবাসহ আটকের পর মো. সেলিমকে কক্সবাজার বেসরকারি টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংগঠন ‘ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন’ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি ওই সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম।
28/11/2015
ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ প্রফেসর স্যার রিচার্ড ডল এর নেতৃত্বে একদল গবেষক ধূমপায়ী এবং অধূমপায়ীদের জীবণকালের পার্থক্যের উপর ভিত্তি করে এই গবেষণা করেন। তারা গবেষণা করে দেখেন স্বাভাবিকভাবে একজন ধূমপায়ী একজন অধূমপায়ী এর চেয়ে ৬.৫ বছর কম বাঁচেন এবং একজন ব্যক্তি যদি তার জীবণকালে ১৭ বছর বয়স থেকে প্রতি বছর গড়ে ৫,৭৭২ টা সিগারেট খান তাহলে তার মৃত্যুর আগে ৭১ বছর বয়স পর্যন্ত সে সর্বমোট ৩১১,৬৮৮ টা সিগারেট খেয়েছেন। সে হিসেবে "একটি সিগারেট একজন পুরুষ ধূমপায়ীর জীবণ থেকে ১১ মিনিট কেড়ে নিচ্ছে"। সূত্রঃ বিবিসি নিউজ
এবার হিসেব করে দেখুন আপনি আপনার আয়ু কতটুকু কমিয়ে ফেলেছেন।
নিজে ধূমপান ছেড়ে দিন, অন্যকে সতর্ক করে দিন, সুস্থ থাকুন।
আপনার ধূমপায়ী বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন।।
30/10/2015
অভিনব কৌশলে গোপনাঙ্গে ইয়াবা
দেখে বোঝার উপায় নেই। শরীরে তল্লাশি করেও খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। ইয়াবা বহনের অভিনব কৌশল আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কল্পনাকেও এখন হার মানাচ্ছে।
সহজে যাতে খুঁজে না পাওয়া যায় সেজন্য নারী মাদক পাচারকারীরা অভিনব কৌশলে ইয়াবা বহন করছেন। ইয়াবা বহনের বিশেষ কৌশল রীতিমতো বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে।
বিশেষ পন্থায় রাজধানীতে প্রতিনিয়ত প্রবেশ করছে মরণ নেশা ইয়াবা।
রাষ্ট্রীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক প্রতিবেদন বলছে, নারী মাদক পাচারকারীরা গোপনাঙ্গের ভেতর ইয়াবা প্রবেশ করে রাজধানীতে নিয়ে আসছেন। এসব নারী মাদক পাচারকারীরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। দীর্ঘক্ষণ গোপন অঙ্গে ইয়াবা রাখার প্রশিক্ষণও আছে তাদের।
জানা গেছে, গোপন অঙ্গে ৮শ’ ইয়াবা রাখার ধারণ ক্ষমতা রয়েছে এসব প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মাদক পাচারকারী নারীদের। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিতে তারা সংবেদনশীল অঙ্গকেই বেছে নিয়েছেন।
আকারে ছোট তাই নারী মাদক পাচারকারীরা গোপনাঙ্গের ভেতরেই নিয়ে আসছেন প্রাণঘাতি এ নেশার ট্যাবলট। এক্ষেত্রে তারা এখন পাচারের বাহন হিসেবে ট্রেনকে ব্যবহার করছেন। রাজধানীতে ইয়াবার বড় চালানই এখন রেলপথে আসছে। তবে মাঝে মাঝে তাদের রুট পরিবর্তন হয়।
গত শুক্রবার রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনে এক নারীর যৌনাঙ্গের ভেতর ৭শ’ পিস ইয়াবা উদ্ধারের পরই নড়েচড়ে বসে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। অভিনব কৌশলেই লুকানো ছিল এসব ইয়াবা।
কমলাপুর স্টেশনের জিআরপি সূত্রে জানা গেছে, মুক্তা বেগম (২৮) নামে ওই পাচারকারী বিশেষ পদ্ধতিতে কনডমের ভিতর লুকিয়ে এনেছেন ইয়াবা। দীর্ঘক্ষণ ট্রেনে থাকায় স্টেশনে নামার পর হাঁটায় একটু ব্যতিক্রম দেখলে সন্দেহ জাগে জিআরপির। প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ। পরে নারী পুলিশ দিয়ে তল্লাশি।
উদ্ধার অভিযানে দায়িত্বরতদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মুক্তা বেগম চট্টগ্রাম মেইলে চট্টগ্রাম থেকে কমলাপুরে আসেন। প্রাথমিকভাবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মুখ খুলতে রাজি হননি তিনি। পরে নারী পুলিশ দিয়ে তার দেহ তল্লাশি করা হয়। দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির এক পর্যায়ে উদ্ধার হয় ইয়াবা। গোপন অঙ্গের ভেতরে কনডম দিয়ে মোড়ানো ছিল ৭শ’ পিস ইয়াবা।
জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মজিদ বাংলানিউজকে বলেন, কমলাপুর স্টেশনে এ পদ্ধতিতে (যৌনাঙ্গের ভেতর কনডম দিয়ে মোড়ানো) ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা এটাই প্রথম। এ ঘটনার পরই জিআরপি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
এর আগে কমলাপুর রেলস্টেশনে এক মাদক পাচারকারীর পায়ুপথ এবং আরেক মাদক পাচারকারীর অন্তর্বাসের ভেতর থেকে ইয়াবা উদ্ধার করে জিআরপি।
জানাগেছে, জিজ্ঞাসাবাদে মুক্তা স্বীকার করেছেন এর আগেও তিনি একাধিকবার এভাবে ইয়াবার চালান নিয়ে ঢাকায় এসেছেন। বর্তমানে এভাবে আরও অনেক মাদক পাচারকারী নারী রাজধানীতে ইয়াবা নিয়ে আসছেন বলে তিনি জিজ্ঞাসাবাদে জানান।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, গোপন অঙ্গে ইয়াবা বহন করলে তা খুঁজে বের করা কঠিন। বর্তমানে স্পর্শকাতর জায়গার ভেতরেই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পাচারকারীরা ইয়াবা বহন করে আনছেন। এক্ষেত্রে কয়জনের কাছ থেকেই বা এভাবে তল্লাশি করে বের করা যাবে! এজন্য সীমান্তেই জোরদার করা দরকার।
গোয়েন্দা প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, বর্তমানে ইয়াবা পাচারকারীরা নারীদের যৌনাঙ্গসহ সংবেদনশীল অঙ্গ, পুরুষরা পায়ুপথে ইয়াবা বহন করছেন। এছাড়া মাছ, চানাচুরের প্যাকেট, আসবাবপত্রের জয়েন্ট, মোটরসাইকেল, গাড়ির বিভিন্ন অংশ, এলপি গ্যাস সিলিন্ডার, সুপারি, ক্যামেরা, মোবাইল সেট, কুরিয়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন পদ্ধতিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রবেশ করছে মরণ নেশা ইয়াবা।
গোয়েন্দা সূত্র বলছে, মূলত মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করে ইয়াবা। এরপর টেকনাফ ও কক্সবাজার থেকে এভাবে রাজধানীসহ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
28/10/2015
জনাব মোঃ রেজাউল করিম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আদমদীঘি, বগুড়ার পরিচালনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর, সান্তাহার সার্কেল এর সহযোগিতায় মাদকদ্রব্যের উপর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিপুল পরিমান গাঁজা উদ্ধার হয়। ধৃত ব্যক্তিদের মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে দন্ড প্রদান করা হয় এবং উদ্ধারকৃত গাঁজা পুরে ফেলা হয়। Post By মোস্তাফিজ আহম্মেদ, (উপজেলা টেকনিশিয়ান), আদমদীঘি, বগুড়া।
27/10/2015
জেলা গোয়েন্দা সংস্থা, সুনামগঞ্জ কর্তৃক মাদক ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়াবুর রহমানকে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গ্রেফতার।