27/06/2024
Choto vai Tonmoy Saha reception night.
# Registry time.
নিবন্ধন করাতে চাইলে সকলকে সুব্রত রায়ের সাথে যোগাযোগ করুন। ০১৯১২৩৬০৩৪৯
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন এখন বাদ্দতামুলক করা হয়েছে,
তাই যারা নববিবাহিত এবং পুবেই বিবাহ কাজ সম্পন্ন করিয়াছেন তাদের উভয়ই দের জন্যই
এখন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাদ্দতামুলক করা হয়েছে, তাই যারা এখনও নিবন্ধনপত্র সংগ্রহ
করেননি তাদের সবাই কেই নিবন্ধন করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে
"সুব্রত কুমার রায়"।
27/06/2024
Choto vai Tonmoy Saha reception night.
# Registry time.
04/04/2022
12/02/2022
হিন্দু বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন সম্পর্কে প্রশিক্ষন ও আইন সম্পর্কে আলোচনা।
09/10/2021
বিবাহ ও আইন
.......................................
♦ হিন্দুআইন হিন্দুদের ধর্মীয় ও ব্যাক্তিগত আইন।উত্তরাধিকার, বিবাহ,ভরনপোষন,দত্ত্বক,অভিভাবকত্ব, দান বা দেবোত্ত্বর হিন্দু পারিবারিক আইনে নিয়ন্ত্রণ হয়।
এছাড়াও বৌদ্ধ, জৈন,শিখ ও সাঁওতালদের ক্ষেত্রে এ আইন প্রযোজ্য,।বাংলাদেশ, ভারত,নেপাল,মরিশাস, ও শ্রীলংকায় এ আইন প্রচলিত। তবে ব্রিটিশরা ভারত দখলের পর সতীদাহপ্রথা,ধর্মীয় স্বাধীনতা, বর্ণগত,বিধবা বিবাহ,অভিভাবক ও পোষ্য,উত্তরাধিকার,শিশুবিবাহ,বিদ্যার সাহায্যে অর্জিত সম্পত্তি,সম্পত্ত্বিতে হিন্দু নারীর অধিকার,পৃথক বাস ও ভরন পোষন আইনে পরিবর্তন ও সংস্কার এনে আইনি ধর্মে পরিনত করেছে।বাংলাদেশে সনাতন ধর্ম বিদ্যমান, তবে ২০১২ সালে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন পাস করেন।
♦ কোর্ট ম্যারেজ আমাদের দেশে একটি বহুল প্রচলিত শব্দ।এটিকে অনেকে বিবাহ মনে করেন।কিন্তু এমন ধারনাটি ঠিক নয়।এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে যেটাকে কোর্ট ম্যারেজ বলা হয়। আসলে এটা কোন বিয়ে নয়, একটি ঘোষনা মাত্র, তাছাড়া কোর্ট ম্যারেজ বা কোর্ট তালাক আইন মন্ত্রনালয় অবৈধ ঘোষনা করে পরিপত্র জারি করেছে। অভিভাবকদের সাবধান হওয়া উচিৎ , ছেলে মেয়েরা কোর্ট ম্যারেজ করে ফেললে, সেখানে সিমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত বৈধ্য বিয়ের ব্যবস্হা করে সরকার কতৃক নিয়োগপ্রাপ্ত নিকাহ রেজিস্ট্রার কথ্য ভাষায় (কাজী অফিসে) রেজিষ্ট্রেশন করে নেয়া। তা নাহলে যা জন্মাবে সব -------।
♦ বিশেষ বিবাহ আইন -১৮৭২ হচ্ছে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টান এই তিন ধর্মের বিবাহ বাইরে আরেকটি আইন,যার মাধ্যমে বিবাহ করা যায়। এআইনের মুল উদ্দেশ্য হলো দুটি ভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে বিবাহ আইন সম্মত করা। প্রচলিত ধর্মীয় আইনে ভিন্নধর্মীয় দুই ব্যাক্তির বিয়েতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বিশেষ আইনে বিয়ে করতে হলে দুপক্ষই কোন ধর্মের অনুসারী হতে পারবেনা। অর্থাৎ বর কনে দু পক্ষই ঘোষনা দিতে হবে যে - তারা কোন ধর্মের অনুসারী নয়।অর্থাৎ ধর্ম ত্যাগ না করে এ আইনে বিয়ে করা যায়না।যদি ধর্ম ত্যাগ না করে তা হলে বিয়ে অবৈধ। আমাদের দেশে অভিজাত শ্রেণীতে এবিয়ের সংখ্যা বেশি।এই ধরনের বিয়ের ডিভোর্স ও উত্তরাধিকার আইনের ক্ষেত্রে খ্রিষ্টান পারিবারিক আইন প্রযোজ্য।
♦ বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন২০১৭। সাবালকত্বের সংজ্ঞা বিভিন্ন ধর্মে ভিন্ন, তবে ১৮৭৫ সালের সাবালকত্ব আইনে ১৮ বছর হলেই সাবালক
আর ১৯২৯ সালে প্রণীত বাল্যবিবাহ আইনে বিবাহের বয়স ছেলে ২১ মেয়ে ১৮ বছর। এর থেকে কম বয়সে বিয়ে হলেই বাল্যবিবাহ। বাল্যবিবাহ অবৈধ নয়,তবে শাস্তি যোগ্য অপরাধ। এর সাথে জড়িতদের বিভিন্ন মেয়াদের শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে অপ্রাপ্ত বয়স্কের সর্বোত্তম স্বার্থে আদালতের নির্দেশে বাল্যবিবাহ অপরাধ হিসাবে গন্য হবেনা।
বিশ্বের বেশির ভাগ দেশেই বিয়ের বয়স ছেলেদের ১৮ আর মেয়দের ১৪-১৬। বর্মানে সময়ের দাবী ছেলেমেয়েদের বিয়ের বয়স কমালে আর বাল্য বিবাহ নামক অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে সোনার বাংলাদেশ।
বিবাহের মতো পবিত্র বন্ধন সহজ হোক, বাল্যপ্রেম বন্ধ হোক।
প্রতিটি বিবাহ রেজিস্ট্রি ভূক্ত করে আইনগত অধিকার সূ প্রতিষ্ঠিত হোক।
অবৈধ কোর্ট ম্যারেজ বা কোর্ট তালাক কে না বলুন।
সংগৃহীত
বিবাহ ও আইন
.......................................
মুসলিম পারিবারিক আইনের ( শরিয়া)মুল ভিত্ত্বি প্রথমে কোরআন তার পর হাদিস এর পর ইযমা কিয়াস। এছাড়াও ঐতিহাসিক বিবর্তনের স্বাভাবিক নিয়মে ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন,১৯৭৪/৭৫ সালে মুসলিম বিবাহ ও তালক রেজিস্ট্রেশন আইন,এবং বিবাহ বিচ্ছেদ আইন ১৯৩৯।
ইসলামে বিবাহ একটি এবাদত। মুসলিম আইন অনুসারে বিয়ে একটি দেওয়ানী চুক্তি হলেও এর অন্যতম প্রধান কারন বৈধ্য সন্তান জন্ম দান।অর্থাৎ পিতৃ পরিচয় নিশ্চিত করা।এছাড়াও------------------।
♦ হিন্দুআইন হিন্দুদের ধর্মীয় ও ব্যাক্তিগত আইন।উত্তরাধিকার, বিবাহ,ভরনপোষন,দত্ত্বক,অভিভাবকত্ব, দান বা দেবোত্ত্বর হিন্দু পারিবারিক আইনে নিয়ন্ত্রণ হয়।
এছাড়াও বৌদ্ধ, জৈন,শিখ ও সাঁওতালদের ক্ষেত্রে এ আইন প্রযোজ্য,।বাংলাদেশ, ভারত,নেপাল,মরিশাস, ও শ্রীলংকায় এ আইন প্রচলিত। তবে ব্রিটিশরা ভারত দখলের পর সতীদাহপ্রথা,ধর্মীয় স্বাধীনতা, বর্ণগত,বিধবা বিবাহ,অভিভাবক ও পোষ্য,উত্তরাধিকার,শিশুবিবাহ,বিদ্যার সাহায্যে অর্জিত সম্পত্তি,সম্পত্ত্বিতে হিন্দু নারীর অধিকার,পৃথক বাস ও ভরন পোষন আইনে পরিবর্তন ও সংস্কার এনে আইনি ধর্মে পরিনত করেছে।বাংলাদেশে সনাতন ধর্ম বিদ্যমান, তবে ২০১২ সালে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন পাস করেন।
♦ খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা মুলত দুটি সম্প্রদায়ে বিভক্ত। ক্যাথলিক এবং প্রটেস্ট্যান্ট।ক্যাথলিকদের পারিবারিক আইনের প্রধান গ্রন্থ হচ্ছে,"কোড অব ক্যানন ল''যা মুলত বাইবেল থেকে নেয়া।আর প্রটেস্ট্যাণ্টরা হচ্ছে সংস্কার পন্থি। অর্থাৎ ব্রিটিশরা। এরা পারিবারিক আইন হিসাবে "সাকসেশন অ্যাক্ট "অনুসরণ করেন।আর বিয়ে হয় খ্রিষ্টান ম্যারেজ আইনে।এ আইনের কোথাও বিয়ের কোন সংজ্ঞা দেওয়া হয়নি।আর ক্যাথলিদের বিয়ে হয় "ক্যানন আইনে",যাহাতে বলা হয়েছে বিয়ে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও পবিত্র চুক্তি।অবশ্য উভয় সম্প্রদায়ের বিবাহ রেজিস্ট্রি বা নিবন্ধন হয়।
♦ কোর্ট ম্যারেজ আমাদের দেশে একটি বহুল প্রচলিত শব্দ।এটিকে অনেকে বিবাহ মনে করেন।কিন্তু এমন ধারনাটি ঠিক নয়।এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে যেটাকে কোর্ট ম্যারেজ বলা হয়। আসলে এটা কোন বিয়ে নয়, একটি ঘোষনা মাত্র, তাছাড়া কোর্ট ম্যারেজ বা কোর্ট তালাক আইন মন্ত্রনালয় অবৈধ ঘোষনা করে পরিপত্র জারি করেছে। অভিভাবকদের সাবধান হওয়া উচিৎ , ছেলে মেয়েরা কোর্ট ম্যারেজ করে ফেললে, সেখানে সিমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত বৈধ্য বিয়ের ব্যবস্হা করে সরকার কতৃক নিয়োগপ্রাপ্ত নিকাহ রেজিস্ট্রার কথ্য ভাষায় (কাজী অফিসে) রেজিষ্ট্রেশন করে নেয়া। তা নাহলে যা জন্মাবে সব -------।
♦ বিশেষ বিবাহ আইন -১৮৭২ হচ্ছে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টান এই তিন ধর্মের বিবাহ বাইরে আরেকটি আইন,যার মাধ্যমে বিবাহ করা যায়। এআইনের মুল উদ্দেশ্য হলো দুটি ভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে বিবাহ আইন সম্মত করা। প্রচলিত ধর্মীয় আইনে ভিন্নধর্মীয় দুই ব্যাক্তির বিয়েতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বিশেষ আইনে বিয়ে করতে হলে দুপক্ষই কোন ধর্মের অনুসারী হতে পারবেনা। অর্থাৎ বর কনে দু পক্ষই ঘোষনা দিতে হবে যে - তারা কোন ধর্মের অনুসারী নয়।অর্থাৎ ধর্ম ত্যাগ না করে এ আইনে বিয়ে করা যায়না।যদি ধর্ম ত্যাগ না করে তা হলে বিয়ে অবৈধ। আমাদের দেশে অভিজাত শ্রেণীতে এবিয়ের সংখ্যা বেশি।এই ধরনের বিয়ের ডিভোর্স ও উত্তরাধিকার আইনের ক্ষেত্রে খ্রিষ্টান পারিবারিক আইন প্রযোজ্য।
♦ বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন২০১৭। সাবালকত্বের সংজ্ঞা বিভিন্ন ধর্মে ভিন্ন, তবে ১৮৭৫ সালের সাবালকত্ব আইনে ১৮ বছর হলেই সাবালক
আর ১৯২৯ সালে প্রণীত বাল্যবিবাহ আইনে বিবাহের বয়স ছেলে ২১ মেয়ে ১৮ বছর। এর থেকে কম বয়সে বিয়ে হলেই বাল্যবিবাহ। বাল্যবিবাহ অবৈধ নয়,তবে শাস্তি যোগ্য অপরাধ। এর সাথে জড়িতদের বিভিন্ন মেয়াদের শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে অপ্রাপ্ত বয়স্কের সর্বোত্তম স্বার্থে আদালতের নির্দেশে বাল্যবিবাহ অপরাধ হিসাবে গন্য হবেনা।
বিশ্বের বেশির ভাগ দেশেই বিয়ের বয়স ছেলেদের ১৮ আর মেয়দের ১৪-১৬। বর্মানে সময়ের দাবী ছেলেমেয়েদের বিয়ের বয়স কমালে আর বাল্য বিবাহ নামক অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে সোনার বাংলাদেশ।
বিবাহের মতো পবিত্র বন্ধন সহজ হোক, বাল্যপ্রেম বন্ধ হোক।
প্রতিটি বিবাহ রেজিস্ট্রি ভূক্ত করে আইনগত অধিকার সূ প্রতিষ্ঠিত হোক।
অবৈধ কোর্ট ম্যারেজ বা কোর্ট তালাক কে না বলুন।
সংগৃহীত
14/07/2021
বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন কেন করবেন?
১)স্বামী -স্ত্রী একমাত্র পরিচয়পত্র দলিল।
২)বর্তমানে স্ত্রীর স্মার্ট /NID কার্ডে স্বামী পরিচয় বদলে বাবার নাম থাকে,তা সংশোধন করে স্বামী নামকরনের জন্য বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন অবশ্যই লাগবে।
৩)পাসপোর্ট করতে বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন অবশ্যই লাগবে।
৪) বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে লাগবে।
৫)স্বামী -স্ত্রী মধ্যে উত্তরাধিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে লাগবে।
৬)ব্যাংক/ বীমার নমনীর দলিল হিসাবে বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন লাগবে।
৭) যে কোন চাকরি স্থানান্তরের জন্য বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন প্রয়োজন।
৮) বাচ্চাদের স্কুল /কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে মা- বাবা সত্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন লাগবে।
বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন করতে প্রয়োজনঃ-NID কার্ড/ জন্ম সনদ/ এস এস সি সার্টিফিকেট,পাসপোর্ট সাইজ এর ২ কপি করে ছবি, পুরোহিত সনদ,বিয়ের ছবি ও দুই পরিবারের লোকজন স্বাক্ষির জন্য।
হিন্দু বিবাহ সম্পর্কে কোন তথ্য বা নিয়ম জানতে হলে, নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করুন ধ্যনবাদ।
মোবাইল -০১৯১২৩৬০৩৪৯.
""বৈবাহিক জীবন নিঝঞ্জাট ও আনন্দময় করার জন্য "বিবাহ নিবন্ধন'' অাবশ্যক।""
***আসুন আমরা সকলে সচেতন হই, শাস্ত্রীয় মতে বিবাহের পাশাপাশি সরকারী বিধি মোতাবেক নিবন্ধন করি।***
**কারণ হিন্দু বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন এখন বাধ্যতামূলক।**
# #বিবাহের নীতিমালা "ও যা যা সাথে আনতে হবে। # #
১)বরের বয়স ২১ ও কনের বয়স ১৮ অবশ্যই হতে হবে।
২)বর ও কনেকে অবশ্যই হিন্দু শাস্ত্রীয় মতে বিবাহিত হতে হবে।
৩)হিন্দু বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন করতে যা লাগবে- বর ও কনের অবশ্যই( ভোটার আইডি কার্ড /জন্ম নিবন্ধন /এস এস সি সার্টিফিকেট) এর যে কোনো একটির ফটোকপি লাগবে।
৪)বর ও কনের তিন কপি করে পাসপোর্ট আকারের ছবি ও বিয়ের এক কপি ছবি সাথে করে আনতে হবে।
৫)রেজিষ্ট্রেশন করতে হলে অবশ্যই বর পক্ষে(একজন অভিভাবক ও দুইজন গন্যমান্য ব্যাক্তি) ও কনের পক্ষে(একজন অভিভাবক ও দুইজন গন্যমান্য ব্যাক্তি)মোট ৩+৩= ৬ জনের সাক্ষী লাগবে।
৬)যে বাহ্মন/ পুরোহিত হিন্দু শাস্ত্রীয় মতে বিবাহ কার্জ সম্পাদন করিবেন তার সাক্ষর অবশ্যই হিন্দু বিবাহ রেজিষ্ট্রেশনে থাকতে হবে।
৭)যারা নতুন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন, তারা অবশ্যই রেজিস্ট্রারকে সেই বিবাহের তারিখে ( বাসভবনে /কমিউনিটি সেন্টারে/ মন্দিরে) উপস্থিত রেখে রেজিষ্ট্রেশন করিয়ে নিবেন। আর যাদের বিবাহ আগে হয়ে গেছে তারা অবশ্যই রেজিস্ট্রারের অফিসে এসে বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন করে যাবেন।
@বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ থাকুন, সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন।
"হিন্দু বিবাহ রেজিষ্ট্রার"
"সুব্রত কুমার রায়"
"নারায়ণগঞ্জ সদর নারায়ণগঞ্জ "
"যোগাযোগের নাম্বার" ঃঃ-০১৯১২৩৬০৩৪৯,০১৩০৩০৪৩৩০২.