18/03/2026
ঈদ আসুক সবার ঘরে, হাসি ফুটুক সবার মুখে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) নারায়ণগঞ্জ দলীয় কার্যালয়ে গণসংহতি আন্দোলনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র চাই
গণসংহতি আন্দোলন বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল। দলটি ২৯ আগস্ট ২০০২ সাল ‘জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার আহ্বান’ দিয়ে যাত্রা শুরু করে।
===== ইতিহাস =====
২০০২ সালের ২৯ আগস্ট বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি সংগঠন যেমন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বাংলাদেশ বহুমুখী শ্রমজীবী ও হকার সমিতি, নারী সংহতি, বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি, প্রতিবেশ আন্দোলন ও বাংলাদেশ কৃষক-মজুর সংহতিকে নিয়ে একটি জাতীয় প্লাটফর্ম হ
18/03/2026
ঈদ আসুক সবার ঘরে, হাসি ফুটুক সবার মুখে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) নারায়ণগঞ্জ দলীয় কার্যালয়ে গণসংহতি আন্দোলনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
12/03/2026
হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ, অসংখ্য মানুষের রক্ত, সংগ্রাম আর ত্যাগের পথ পেরিয়ে আজ আমরা দাঁড়িয়ে আছি ইতিহাসের এক নতুন মোড়ে—এক নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার দ্বারপ্রান্তে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের এই ঐতিহাসিক দিনে গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি সেই সকল মহান শহীদদের, যাদের আত্মদানেই আজকের এই পথচলা সম্ভব হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিটি সংগ্রামের অধ্যায় আমাদের অনুপ্রেরণা।
মুক্তিযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা, গণতন্ত্রের জন্য জীবন দেওয়া সাহসী নেতৃবৃন্দ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদ ও আহত যোদ্ধারা আমাদের শিখিয়েছেন—অন্যায়ের সামনে মাথা নত করা নয়, লড়াই করাই আমাদের পথ।
আমরা ভুলে যাই না এই দেশের খেটে খাওয়া কৃষক, শ্রমিক, নিপীড়িত ও প্রান্তিক মানুষের কথা।
তাদের ঘাম, তাদের সংগ্রামই বাংলাদেশের শক্তি। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত সকল রাজনৈতিক দল ও সংগ্রামী নেতাকর্মীদের ত্যাগও আজকের এই পথচলার ভিত্তি।
আজকের এই দিনে আমাদের স্পষ্ট অঙ্গীকার—
এই বাংলাদেশ হবে বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক এবং সত্যিকারের সার্বভৌম রাষ্ট্র।
বিভাজনের রাজনীতি নয়, প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য।
প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, প্রয়োজন ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা।
আসুন, আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞা করি—
একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।
শহীদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না।
বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে—গণতন্ত্রের পথে, মানুষের অধিকারের পথে।
🇧🇩✊
#গণতন্ত্র #বাংলাদেশ #জাতীয়ঐক্য #নতুনবাংলাদেশ #মানুষেরবাংলাদেশ
04/03/2026
সিদ্ধিরগঞ্জে গণসংহতি আন্দোলনের থানা কার্যালয় উদ্বোধন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
গতকাল ০৩ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বার্মা স্ট্যান্ড এলাকায় গণসংহতি আন্দোলন (GSA) সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার উদ্যোগে নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনমানুষের রাজনৈতিক অধিকার আদায়, স্থানীয় সমস্যা সমাধান এবং সংগঠনকে তৃণমূলভিত্তিক শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব মোঃ সোহাগ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সমন্বয়কারী মোঃ বিপ্লব খাঁন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সাইদুর রহমান।
কার্যালয় উদ্বোধন শেষে মহানগর সমন্বয়কারী মোঃ বিপ্লব খাঁন তার বক্তব্যে বলেন,
“মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী-এর আপসহীন ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আদর্শকে ধারণ করে শ্রমিক, কৃষক ও মেহনতী মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ে গণসংহতি আন্দোলন রাজপথে নিরন্তর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। সিদ্ধিরগঞ্জ শ্রমজীবী মানুষের জনপদ। এখানে গ্যাস সংকট, বিশুদ্ধ পানির অভাব, বিদ্যুৎ ও জলাবদ্ধতার মতো সমস্যা দীর্ঘদিনের। নতুন কার্যালয়ের মাধ্যমে আমরা মানুষের পাশে থেকে সংগঠিত আন্দোলন গড়ে তুলবো এবং জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবো।”
জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস বলেন,
“গণসংহতি আন্দোলন কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং ব্যবস্থার পরিবর্তনের রাজনীতি করে। দীর্ঘ স্বৈরাচারী শাসনের সময়ও আমরা রাজপথে থেকে মানুষের অধিকার রক্ষায় ভূমিকা রেখেছি। আজকের এই কার্যালয় উদ্বোধন সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের প্রকৃত রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশে সহায়ক হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে জিয়াউর রহমান বলেন,
“সিদ্ধিরগঞ্জের জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আমরা আপসহীন। গ্যাস সংকট, ওয়াসার পানির তীব্র অভাব, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতকরণ এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে রাজপথে সর্বোচ্চ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। একইসঙ্গে চাঁদাবাজি, মাদক ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হবে।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন সোনারগাঁও উপজেলার আহ্বায়ক মোমেন হোসেন প্রান্ত, সদস্য সচিব মোবাশ্বির হোসাইন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কমিটির নেতৃবৃন্দ, যুব ও ছাত্র ফেডারেশনের জেলা কমিটির প্রতিনিধিরা এবং স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
02/03/2026
আজ ২ মার্চ (সোমবার) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম এর সাথে সাক্ষাত করেন গণসংহতি আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।
সংসদ সদস্যের সাথে সাক্ষাতে নেতৃবৃন্দ বলেন নারায়ণগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রকল্পটির কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিষয়টি উত্থাপনের অনুরোধ জানিয়েছেন। এসময় তরিকুল সুজন সংসদ সদস্য জনাব আবুল কালামকে একটি লিখিত বক্তব্য তুলে দেন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগর সমন্বয়কারী মোঃ বিপ্লব খান, জেলা কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী আলমগীর হোসেন আলম।
20/02/2026
২১শে ফেব্রুয়ারির ভাষাশহীদদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।
বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সার্বভৌম বাংলাদেশ নির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হোন!
20/02/2026
আজ সোনারগাঁও উপজেলা কার্যালয়ে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা সভা ও ইফতার অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী জননেতা অঞ্জন দাস, নারায়ণগঞ্জ জেলার দফতর সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম দ্বিপু, সোনারগাঁও উপজেলা শাখার আহবায়ক মোমেন হাসান প্রান্ত, জুলাই অভ্যুত্থানের সংগঠক তাকবীর হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাইদুল ইসলাম সাকিবসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ।
২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
বৈদ্যের বাজার, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ
17/02/2026
গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)-এর প্রধান সমন্বয়কারী নবনির্বাচিত অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জননেতা জোনায়েদ সাকি কে গণসংহতি আন্দোলন জিএসএ নারায়ণগঞ্জ জেলার পক্ষ থেকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। গণমানুষের পক্ষে পরিবর্তনের আমাদের এই লড়াই চলবে।
নারায়ণগঞ্জ ক্লাব কেন্দ্র পরিদর্শন করছেন দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন আলম, কার্যকরী সদস্য শুভ দেব সহ নেতৃবৃন্দ
কেন তরিকুল ইসলাম সুজন নারায়ণগঞ্জ–৫ আসনের যোগ্য প্রার্থী?
প্রশ্নটা আজ অনেকের মুখে মুখে।
কেন তাঁকে বলা হচ্ছে পরীক্ষিত?
কেন বলা হচ্ছে—মানুষের অধিকার আদায়ের রাজপথের একমাত্র সাহসী কণ্ঠ?
কেন তরুণদের হৃদয়ে তিনি আশার নাম?
কেন তাঁর ইস্তেহার মানুষের মনে আলোড়ন তুলেছে?
উত্তরটা খুব সহজ।
তারিকুল ইসলাম সুজন কোনো হঠাৎ করে আবির্ভূত হওয়া নাম নন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জের মানুষের সুখ–দুঃখে পাশে থাকা একজন রাজপথের কর্মী। গ্যাস–পানি–বিদ্যুৎ সংকট, বাসভাড়া বৃদ্ধি, হাসপাতালের দালালচক্র, সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার—প্রতিটি ইস্যুতে তিনি মাঠে থেকেছেন। তিনি ক্ষমতার রাজনীতি করেননি, করেছেন মানুষের রাজনীতি।
তাঁকে পরীক্ষিত বলা হয়—কারণ তিনি লড়াইয়ে প্রমাণিত।
তাঁকে রাজপথের প্রার্থী বলা হয়—কারণ তিনি অন্যায়ের সামনে মাথা নত করেননি।
তাঁকে তরুণদের আশার প্রতীক বলা হয়—কারণ তিনি স্বপ্ন দেখান পরিবর্তনের, দুর্নীতিমুক্ত এক নতুন নারায়ণগঞ্জের।
আর তাঁর ইস্তেহার আলোড়ন তুলেছে—কারণ সেটি কাগুজে প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব সমস্যার বাস্তব সমাধানের রূপরেখা।
আজ আমাদের সামনে সুযোগ এসেছে।
আমরা কি আবার হতাশ হবো?
নাকি একজন সৎ, সাহসী ও নিবেদিত মানুষকে আমাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেবো?
আজ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন।
নারায়ণগঞ্জের সচেতন নাগরিকবৃন্দ, তরুণ সমাজ, মা-বোনেরা—আপনাদের একটি ভোটই পারে পরিবর্তনের সূচনা করতে।
আমরা যে পরিবর্তন চাই,
আমরা যে একজন ভালো মানুষকে এমপি হিসেবে দেখতে চাই—
এই সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা চলবে না।
সময় এসেছে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার।
সময় এসেছে ভবিষ্যৎ গড়ার।
#পরিবর্তনের_পক্ষে
#নারায়ণগঞ্জ৫
#তরিকুল_ইসলাম_সুজন
নারায়ণগঞ্জবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান নারায়ণগঞ্জ-৫ এ তারিকুল ইসলাম সুজন এবং নারায়ণগঞ্জ-৩ এ অঞ্জন দাসকে মাথাল প্রতীকে ভোট দিন।