Voice Of Workers

Call Directions Contact the organization

Voice Of Workers Voice Of Workers চ্যানেলটিতে মানুষের অধিকার লড়াইয়ের রাজনীতির কথা তুলে ধরতে।
বাম রাজনৈতিক বিকাশে

07/10/2026

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় ৬ষ্ঠ সম্মেলনে অংশ গ্রহণ করতে নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার মিছিল ----------

06/10/2026

সবার জন্য গণতান্ত্রিক শিক্ষার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মেলন উপলক্ষে ছাত্র ফ্রন্ট নেতা সাইফুল ইসলাম বলেন -------------

05/10/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি / তারিখঃ ০৫.১০.২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালসহ অন্যান্য টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের নির্বাচনপূর্ব প্রতিশ্রুতির বরখেলাপ
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সুরক্ষায় অবিলম্বে বিদেশিদের কাছে বন্দর ইজারা দেওয়ার চেষ্টা বন্ধ করুন
- - - শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ - স্কপ
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালসহ আরো দুটি টার্মিনাল বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত মন্ত্রীসভায় নীতিগত অনুমোদনের নিন্দা জানিয়ে সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের জন্য বিবৃতি প্রদান করেছেন শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ, লাভজনক নিউমুরিং টার্মিনালসহ অন্যান্য টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেওয়ার প্রচেষ্টাকে নির্বাচনপূর্ব প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন হিাবে অবিহিত করে অবিলম্বে বিদেশিদের কাছে বন্দও ইজারা দেওয়ার প্রচেষ্টা বন্ধ করার আহবান জানান।
স্কপের যুগ্ম সমন্বয়ক নুরুল আমিন ও এএএম ফয়েজ হোসেন, স্কপ নেতা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, শাহ মোঃ জাফর, আব্দুল কাদের হাওলাদার, আনোয়ার হোসেন, মজিবর রহমান ভুঁইয়া, রাজেকুজ্জামান রতন, চৌধুরী আশিকুল আলম, সাইফুজ্জামান বাদশা, শামিম আরা, মাহবুবুল আলম, নূর মোহাম্মদ আকন্দ, কামরুল আহসান, বাদল খান, নুরুল ইসলাম খান নাসীম, সাকীল আক্তার চৌধুরী, নঈমুল আহসান জুয়েল, আমিনুর রশিদ চৌধুরী, আহসান হাবিব বুলবুল, শহীদুল্লাহ বাদল, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের অর্থনীতির প্রবেশর্দ্বার হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম বন্দরের সব কনটেইনার টার্মিনাল একে একে তুলে দেওয়া হচ্ছে বিদেশি অপারেটরদের হাতে। চারটি টার্মিনাল বিদেশিদের কাছে ইতিমধ্যে দেওয়া বা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ার পর এখন চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি), জেনারেল কার্গো বার্থ এবং বে পোর্ট-মাল্টিপারপাস টার্মিনাল—এই তিনটিতেও বিদেশি অপারেটর নিয়োগ দেওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। পতেঙ্গা, লালদিয়ার চর ও পানগাঁও আইসিডি—এই তিন টার্মিনালে বিদেশি অপারেটর নিয়োগ আগেই দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। সর্বশেষ গত ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার উচ্চপর্যায়ের সভায় আলোচিত নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) ও ওভারফ্লো ইয়ার্ড পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক অপারেটরের সঙ্গে ১৫ বছরের কনসেশন চুক্তির খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নেতৃবৃন্দ, এই অনুমোদনের নিন্দা জানিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে এসব বিদেশি অপারেটর আমাদের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতি প্রণয়ন এবং সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণে পদে পদে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। রাজনৈতিক ও সামরিক উদ্দেশ্যে বন্দরগুলো ব্যবহৃত হতে পারে। বন্দর বিদেশিদের হাতে চলে গেলে আমদানি-রপ্তানি থেকে আসা অর্থের বড় একটা অংশ বিদেশে চলে যাবে, যেটা এত দিন দেশের রিজার্ভে যোগ হতো। ফলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, রিজার্ভের ওপর চাপ বাড়বে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হবে, বেকারত্ব বাড়বে এবং স্থানীয় পরিচালনদক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ট্যারিফ বাড়ানোয় নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাবে। নেতৃবৃন্দ প্রশ্ন রাখেন, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে যত কনটেইনার ওঠানামা করা হয়, তার ৪৪ শতাংশই হয় যে টার্মিনালের মাধ্যমে, বন্দরের সবচেয়ে বেশি আয়ও হয় যে টার্মিনাল থেকে, ১৭ বছর ধরে এ রকম লাভজনকভাবে চলতে থাকা একটি টার্মিনাল কেন বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দিতে হবে? নেতৃবৃন্দ বলেন, বিগত অন্তবর্তী সরকারের এই টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে দেশের শ্রমিক-কর্মচারীরা যখন আন্দোলন করেছিল, সেই আন্দোলনের প্রতি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সমর্থন দিয়ে ছিলেন। সেই তিনিই যখন প্রধানম্ন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে বন্দর ইজারার কথা বলছেন তাহলো জনগণের সাথে প্রতিশ্রুতির লংঘন। বন্দর ইজারা প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে শ্রমিক-কর্মচারী ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী জনগণের সবধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচীর প্রতি স্কপের আকুন্ঠ সক্রিয় সমর্থনের পাশাপাশি কঠোর প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলতে সচেষ্ট থাকবে।
বার্তা প্রেরক,
আহসান হাবিব বুলবুল,
০১৯১১৫৭১১৩০

তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঝিনাইদহ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ -------আগামী ৭ অক্টোবর ২০২৬ বুধবার...
05/10/2026

তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঝিনাইদহ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ -------

আগামী ৭ অক্টোবর ২০২৬ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ৬ষ্ঠ কেন্দ্রীয় সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ঝিনাইদহ জেলা শাখার কর্মীরা রাত জেগে শহরের বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্রীয় সম্মেলনের পোস্টারিং করেছেন।
অথচ সেই পোস্টারের ওপরই একটি চাকরি ও ক্যারিয়ার মেলার পোস্টার লাগানো হয়েছে এবং তাদের পোস্টার সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ : স্পষ্ট করে বলেন—সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এদেশের রাজনীতিতে নতুন কোনো নাম নয়। ঝিনাইদহেও ছাত্র ফ্রন্টের নেতাকর্মীরাও হঠাৎ করে রাজনীতি করতে আসে নাই । দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা রক্ষা, জনজীবনের সংকট নিরসন, দেশের সম্পদ রক্ষা এবং শোষণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে রাজপথে লড়াই করে আসছে।
ছাত্র ফ্রন্টের কর্মীরা নিজেদের শ্রম, সময় ও অর্থ ব্যয় করে রাত জেগে পোস্টার লাগিয়েছেন । সেই পোস্টারের ওপর অন্যের পোস্টার সাঁটিয়ে দেওয়া কিংবা ছাত্র ফ্রন্টের পোস্টার সরিয়ে নিজেদের প্রচারণা চালানোকে কোনোভাবেই নিছক সাধারণ প্রচারণার বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
নেতৃবৃন্দের সরাসরি প্রশ্ন—
কিসের ভিত্তিতে, কার অনুমতিতে এবং কী উদ্দেশ্যে ছাত্র ফ্রন্টের পোস্টারের ওপর এই পোস্টার লাগানো হলো?
ছাত্র ফ্রন্টের পোস্টারই বা কেন সরানো হলো?
নেতৃবৃন্দ এর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ও জবাবদিহি দাবি করেছে।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তারা ফোন রিসিভ করেননি। তাই প্রকাশ্যেই বলেন — প্রশ্ন করেন আপনারা কারা, কেন এই কাজ করেছেন এবং কার নির্দেশে করেছেন—সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ঝিনাইদহ জেলা শাখার কাছে তার জবাব দিতে হবে।
একই সঙ্গে নেতৃবৃন্দের দাবি—
১. অবিলম্বে ছাত্র ফ্রন্টের পোস্টারের ওপর লাগানো পোস্টার সরিয়ে ফেলতে হবে।
২. ছাত্র ফ্রন্টের পোস্টার কেন সরানো হয়েছে, তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে।
৩. কী কারণে এবং কার নির্দেশে এই কর্মকাণ্ড করা হয়েছে, তা ছাত্র ফ্রন্টের জেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করে অবগত করতে হবে।
আর একটি বিষয় পরিষ্কার করে দিতে চায় নেতৃবৃন্দ —বাসদ ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কারও দালালি করে রাজনীতি করে না। কারও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দাঁড়িয়ে রাজনীতি করে না। কৌশলে কাউকে পিছন থেকে আঘাত করার রাজনীতিতেও আমরা বিশ্বাস করে না।
বাসদ ও ছাত্র ফ্রন্ট প্রকাশ্য রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। কোনো অন্যায় হলে প্রকাশ্যেই তার প্রতিবাদ করে এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়েই তার মোকাবিলা করে।
সুতরাং ভবিষ্যতে কৌশলগতভাবে কোন রাজনৈতিক প্রচারণার জায়গায় হস্তক্ষেপ না করার আহবান জানান নেতৃবৃন্দ । কর্মীদের শ্রম, ছাত্র ফ্রন্টের পোস্টার এবং তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির প্রতি ন্যূনতম রাজনৈতিক সৌজন্য ও সম্মান বজায় রাখার দাবি জানান ।

নেতৃবৃন্দ বলেন : সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কারও দখল করা জায়গায় দাঁড়িয়ে রাজনীতি করে না—নিজেদের শ্রম, সংগ্রাম ও আদর্শের শক্তিতে রাজনীতি করে। আর সেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে কেউ অন্যায়ভাবে হস্তক্ষেপ করলে তার প্রতিবাদ করার রাজনৈতিক শক্তি ও সাহস—দুটিই তাদের আছে।

এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।
**অবিলম্বে পোস্টার সরাতে হবে ।
ব্যাখ্যা দিন।
ছাত্র ফ্রন্টের জেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি অবগত করতে হবে ।**

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট
ঝিনাইদহ জেলা শাখা

05/10/2026

কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে গান পরিবেশন
এআর পরাগ গান করেন --------

কেন শ্রমিকরা ছুটি না পেয়ে মৃত্যু বরন করে?
03/10/2026

কেন শ্রমিকরা ছুটি না পেয়ে মৃত্যু বরন করে?

03/10/2026

শ্রম আদালতের সকল মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি কর --

সালদা ইকো রিসোর্টের পর্যটন কর্মী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোকছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত...
02/10/2026

সালদা ইকো রিসোর্টের পর্যটন কর্মী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক
ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করো
হাফিজুরের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করো
গাজীপুরে অবস্থিত সালদা ইকো রিসোর্টের হাউসকিপিং বিভাগে কর্মরত পর্যটন কর্মী হাফিজুর রহমান কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন এলাকায় ছিনতাইকারীদের আক্রমণে গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
হাফিজুর রহমানের এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে এবং হত্যাকারীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাঁর পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম এন্ড হোটেলস ওয়ার্কার্স এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের আহ্বায়ক রাশেদুর রহমান রাশেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান লিপন, শরিফ আহমেদ, মহিউদ্দিন আহমেদ রিমেল, সদস্য সচিব আহসান হাবিব বুলবুল, নির্বাহী সদস্য কায়েস সরকারসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ আজ ২ অক্টোবর ২০২৬ শুক্রবার সংবাদ পত্রে বিবৃতি প্রতান করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ছিনতাই, মব সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধিসহ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। বিভিন্ন ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে, যার দায় সরকার এড়িয়ে যেতে পারে না। পর্যটন শিল্পের বিকাশের অন্যতম শর্ত হলো পর্যটক ও পর্যটন কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। অথচ সরকার সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, হাফিজুর রহমানের মৃত্যু পর্যটন খাতের কর্মীদের চরম আর্থিক দুর্দশার চিত্রও সামনে এনেছে। পর্যটন কর্মীদের আইনগত স্বীকৃতি এবং সরকার নির্ধারিত মজুরি কাঠামো না থাকায় এ খাতের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত শ্রমিকদের নামমাত্র বেতনে কাজ করতে হয়। এই সামান্য বেতনে তাঁদের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ করাই কঠিন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে পর্যটকদের ইচ্ছাধীন বকশিসের ওপর তাঁদের বাড়তি আয় নির্ভর করে।
একটি রিসোর্টের হাউসকিপিং বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেও প্রাপ্য মজুরি দিয়ে হাফিজুর রহমানের একটি ভালো ট্রেনের টিকিটের ব্যয় বহন করার সামর্থ্য হয়নি। স্বল্প খরচে বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেনের ছাদে যাত্রা করতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের আক্রমণের শিকার হয়ে তাঁকে সর্বস্ব হারানোর পাশাপাশি জীবনও দিতে হলো।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে হাফিজুর রহমানের হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, তাঁর পরিবারের সদস্যদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং পর্যটন কর্মীদের জন্য মানসম্মত মজুরি কাঠামো নির্ধারণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

অতীতের ভুল এবং বর্তমানের দায়লেখক: ​রাজেকুজ্জামান রতন,কেন্দ্রীয় সহকারী সাধারণ সম্পাদক, বাসদ দৈনিক আগামীর সময় পত্রিকায় প্র...
30/09/2026

অতীতের ভুল এবং বর্তমানের দায়

লেখক: ​রাজেকুজ্জামান রতন,কেন্দ্রীয় সহকারী সাধারণ সম্পাদক, বাসদ
দৈনিক আগামীর সময় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়-২৯,০৯,২৬

​সমাজ এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে না কখনো। সমাজ কেন পাল্টায় তার কারণ নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও, সমাজ যে পাল্টে যায়, সেটা মানতে বাধ্য সবাই। রাজনীতিকে বলা হয় সমাজের পরিচালিকা শক্তি, আর অর্থনীতি তার ভিত্তি। আধুনিক রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে এই অর্থনীতি আর রাজনীতির বিরোধের মধ্য দিয়েই। মানুষ পাল্টে দিয়েছে রাজতন্ত্র, প্রতিষ্ঠা করেছে পুঁজিবাদ। ইউরোপে এ সংগ্রামে মানুষ চেয়েছিল বুদ্ধির মুক্তি আর যুক্তির সমাজ। সেই সংগ্রামে সামন্ততন্ত্র উচ্ছেদ হলেও মানুষের মুক্তি এখনো আসেনি। কিন্তু মানুষ পেয়েছে কুসংস্কার, অযৌক্তিক ধারণাকে প্রশ্ন করার সাহস এবং শিক্ষা। অর্থাৎ শাসক সে যে-ই হোক না কেন, জনগণের সম্মতি নিয়ে শাসন করবে এবং জনগণ পছন্দ না করলে শাসককে পাল্টে দেবে। এ কথা যত যুক্তিসংগত, ততটাই কঠিন তার প্রয়োগ। কারণ ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত থাকে নানা অনৈতিক সুবিধা, প্রতিপক্ষকে দমন করে রাখার আনন্দ এবং অন্যের সম্পদ নিজের করে নেওয়ার সুযোগ। এ কারণে রাষ্ট্রের মধ্যে যুক্তিকে এবং প্রশ্নকে বিপজ্জনক বলে মনে করেন শাসকরা। কিন্তু একটি সমাজ বা রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রার জন্য অতীতের ভুল, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং তার পরিণতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা জরুরি। কারণ ইতিহাস শুধু গৌরবের স্মৃতি নয়, ভুলেরও হিসাব। অতীতের কোনো রাজনৈতিক অবস্থান পরবর্তী সময়ে বদলে গেলেই তার দায় মুছে যায় না; বরং সেই অবস্থানের কারণ, পরিণতি এবং তা থেকে শিক্ষা নেওয়ার প্রশ্নটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের ইতিহাসেও এমন কিছু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও অবস্থান রয়েছে, যেগুলো বর্তমান রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত না ভেবে শুধু অতীত বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
​১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাওয়া, আত্মসমালোচনা ও সংস্কারের প্রশ্নটির সমাধান হয়নি আজও। দলটির সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল প্রয়াত ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের লেখা নতুন বই প্রকাশের পর সেই পুরনো বিতর্কই নতুন করে সামনে এসেছে। 'ভাই, এসব পুরনো বিষয় বাদ দেন', এ কথা বলায় জামায়াতের নেতারা বলছেন, এসব এখন অপ্রাসঙ্গিক। তাদের ভাষায়, '১৯৭১ সালের ভূমিকার জন্য এখন ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। জামায়াত বিভিন্ন সময়ে দুঃখপ্রকাশ করেছে এবং জনগণ যদি দলটিকে ক্ষমা না করত, তাহলে সাম্প্রতিক নির্বাচনে তারা এত বড় জনসমর্থন পেত না।' তাদের কথা মেনে নিলে, কোনো অপরাধই আর প্রাসঙ্গিক থাকবে না। সময় গেলে সব ভুলে যাবে মানুষ। সময় সব গিলে ফেলবে। এর অন্য অর্থ দাঁড়ায়, অতীত ইতিহাস বলে কিছু থাকবে না।
​এক্ষেত্রে একটা বিষয় বিবেচনা করতে হবে। কোনো সাফল্য অতীতকে ভুলিয়ে দেয় না; বরং প্রশ্নটাকে আরও তির্যক করে। যেমন জার্মানি এবং ইতালিতে ফ্যাসিস্ট পার্টিগুলো ভোট পাচ্ছে, তাই বলে মানুষ কিন্তু তাদের অতীত কাজকে যুক্তিসংগত বলে স্বীকৃতি দিচ্ছে না। তাদের বিচার-শাস্তি হওয়া সত্ত্বেও অতীত কাজের দায় এড়াতে পারছে না। কিংবা আমাদের ভূখণ্ডের জনগণ কি ভুলে যাবে ব্রিটিশ শাসন, শোষণ ও নির্যাতনের কথা? এখন ইংল্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন আর মানুষ লন্ডনে যায় কি না, তা দ্বারা তো ব্রিটিশ শোষণ-নির্যাতন যুক্তিসংগত হয় না। কেউ কি ৩০০ বছর পার হয়েছে বলে এখন ভুলে যাবে ব্রিটিশ শোষণের কথা? কেউ কি তার সন্তানের নাম মীরজাফর কিংবা ঘসেটি বেগম রাখেন এখনো?
​তিনি লিখেছেন, বিভিন্ন সময়ে দলের ভেতরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত তা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তে রূপ নেয়নি। ২০১৬ সালে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুরোধে তিনি একটি বিবৃতির খসড়া তৈরি করেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল ১৯৭১ সালে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে জাতির সামনে একটি অবস্থান তুলে ধরা। খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য একাধিক বৈঠক হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি দলের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে পরিণত হয়নি। ফলে নতুন প্রজন্ম নেতৃত্বে এলেও জামায়াতের নাম, পরিচয় ও ঐতিহাসিক অবস্থানের কারণে ১৯৭১-এর প্রশ্ন বারবার সামনে আসবে। প্রজন্ম পরিবর্তন করলেই ঐতিহাসিক দায় এড়ানো যায় না।
​সেই স্বাধীনতার বিরোধিতা যারা করে তাদেরকে কীভাবে তারা ভুলে যাবে এবং ক্ষমা করবে? এত জীবন, রক্ত, কষ্ট এবং সংগ্রাম কি তাহলে কোনো মূল্য ধারণ করবে না? প্রতিটি দেশ গর্বের সঙ্গে তার পতাকা, সীমানা, সংস্কৃতি, সংগীত রক্ষা করতে চায়। এর পেছনের রক্তের স্রোত এবং চোখের জল তারা ভুলতে চায় না। তাই যে আমেরিকা পৃথিবীর দেশে দেশে স্বাধীনতা হরণে চ্যাম্পিয়ন, সে-ও মনে ধারণ করে ১৭৭৬ সালের স্বাধীনতার গৌরব। নেতৃত্ব পরিবর্তন, গঠনতন্ত্র সংশোধন কিংবা নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করলেই জামায়াতকে নিয়ে ১৯৭১-এর বিতর্ক শেষ হবে না। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিন দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা আলোচিত হবে আর সে সময় কার কি অবস্থান ছিল, তা আলোচনায় আসবে বারবার।
​লেখক: রাজনৈতিক সংগঠক ও লেখক

29/09/2026

নারীদের জীবন সংগ্রামে প্রীতিলতার লড়াই জড়িয়ে আছে --------- বাসদ নেতা আবু নাঈম খান বিপ্লব।

Address

২নং রেলগেইট, নারায়ণগঞ্জ।
Narayanganj
১৪০০

Telephone

+8801961840110

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice Of Workers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Voice Of Workers:

Shortcuts

Share