আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান

আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান

Share

আমরা মুক্তিযুদ্ধের কথা বলি,আমরা ৭১'এর কথা বলি।

06/11/2024

Congratulations Mr. President Donald J. Trump.The people of Bangladesh are happy with your historic victory.

Also, congratulations and best wishes to the people of America for voting for you.
Sir, after taking the oath for the second term, give some attention to the people of your country as well as the general people of Bangladesh. Extend your hand of cooperation.
Here the illegitimate Yunus government is running a streamroller on the common people. Common people are being beaten to death by creating mob justice.
A number of people are being tortured and killed In the name of interrogation.The leaders of the opposition party were taken to the police station, handcuffed and tortured in police custody. Dissent is being strangled by the fascist current illegitimate government. Humanity is in extreme danger here.
Please help us. Save the people of Bangladesh.
Wish you success again.
Jai Bangla

31/07/2024

যতদূর যাও পাখি দেখা হবে ফের,
স্বাধীন ঐ আকাশটা শেখ মুজিবের।

বিনম্র শ্রদ্ধা।

28/06/2024

ছবিতে নেত্রীর জাতীয় সংসদের অফিস কক্ষে পিছনে দাঁড়ানো হুইপ কমল, তার পাশে দাঁড়ানো রামু উপজেলা শিবির ক্যাডার নুরুল হক এবং সর্ব ডানে শিবিরের সাবেক ক্যাডার বর্তমান জামাত নেতা আব্দুল্লাহ শিকদার।

এসব দেখলে শরীরে আগুন ধরে যায়!
হুইপ কমল এখনো হুইপ থাকে কি করে?

22/06/2024

বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ,তার যাত্রা শুরু হয়েছিলো এই পদ্মা-মেঘনা-যমুনা অববাহিকার বসবাসকারী মানুষের রাজনৈতিক ভাবনার প্রতীক হিসেবে।

৪৭'এর দেশ বিভাগের পর থেকে,এই অঞ্চলের মানুষের আশা আকাঙ্খার বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে বারবার উচ্চকিত হয়েছে আওয়ামী লীগ।
সবশেষে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার যুদ্ধের মধ্য দিয়ে এই ভুখন্ডের শতাব্দী প্রাচীন অধীনতার অবসান ঘটে এই আওয়ামী লীগের হাত ধরেই।

সোনালী অতীত ও সাফল্যমন্ডিত বর্তমান নিয়ে বাংলাদেশের প্রগতিশীল অসাম্প্রদায়িক গনতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রতিনিধিত্ব করে চলেছে আওয়ামী লীগ।

সেই গৌরমান্বিত অতীতের সুত্র ধরে আওয়ামী লীগ আজও সাম্প্রদায়িক এবং স্বৈরাচারী শক্তির বিরুদ্ধে তার সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে।

মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও শেখ মুজিবুর রহমানেরর হাতে গড়া,তৎকালীন পাকিস্থানের রাজনীতিতে পট পরবর্তনকারী সেই আওয়ামী লীগ এখন মুজিবকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে।
এবং তা চলবে নিরন্তর।

জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।

★★★★
শুভ জন্মদিন,
পিতা মুজিবের আওয়ামী লীগ।
সংগ্রাম ও অর্জনে
গৌরবময়
পথচলার ৭৫ বছর!

10/06/2024

অন্ধকার থেকে আলোর পথে বাংলাদেশ।

দেশের জন্য তার অনন্তকাল লড়াই।
একা হাটছেন না তিনি,
তার হাত ধরেই হাটছে বাংলাদেশ।

[বঙ্গকন্যার কারামুক্তি দিবস]

সেনা সমর্থিত ১/১১-এর তত্ববধায়ক সরকারের সময়,(২০০৭ সালের ১৬ জুলাই) অন্যায় ভাবে গ্রেফতার করে ক্যাঙ্গারু কোর্টের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর সংসদ ভবন এলাকায় স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন তিনি,এবং চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে তার আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যান।

যত অন্যায়,অবিচারের কাছে-
"মাথা নত না করার নাম শেখ হাসিনা"

জয়তু শেখ হাসিনা,
জয় বাংলা,
জয় বঙ্গবন্ধু।

07/03/2024

লাখো কোটি বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র থেকেও যে ভয়ানক অস্ত্র বাঙালীর ছিলো,সেটি জনকের 'তর্জনী'।
একটি তর্জনীতে ঐক্যবদ্ধ এক জাতী,
তখন থেকেই স্বাধীনতা শব্দটি আমার।

এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
জয় বাংলা।

01/03/2024

একটি ভাষণ স্বাধীনতার মহাকাব্য,একটি ভাষণ একটি জাতি রাষ্ট্রের চির অনুপ্রেরণার প্রধান উৎস। একটি ভাষণ মহাকালের অভিশাপ মোচনের মন্ত্র হয়ে চিরকালের স্বপ্ন সারথি হতে পারে,তারই বাস্তব উদাহরণ বাঙালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের কালজয়ী ভাষণ।

৭,১৭,২৬ সংগ্রাম, জন্ম ও স্বাধীনতার মাস।

জয় বাংলা,
জয় বঙ্গবন্ধু।

21/02/2024

৮ ফাল্গুন ১৪৩০
বুধবার

20/02/2024

স্মার্ট সোনারগাঁ বিনির্মানের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা

03/02/2024

প্রজন্ম কাজে মন দাও,রাজনীতি করার আগে অর্থ কামাও।
কারণ মানুষের প্রিয় হতেও অর্থনৈতিক যোগ্যতা লাগে,
অর্থশূন্য মানুষ কখনো কারো প্রিয় হয় না!

29/01/2024

২৭ জানুয়ারি, আজ থেকে ঠিক ৪৭ বছর আগে ,মঙ্গলবার। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রী নীহার বানু জানতেন না কি ঘোর অমঙ্গল নিয়ে দিনটি এসেছে তাঁর জীবনে।

স্বাধীনতা পরবর্তীকালে অরাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর ভেতর সবচেয়ে আলোড়িত-আলোচিত ও নৃশংস ঘটনা ছিল ১৯৭৬ সালে নীহার বানু হত্যাকাণ্ড।

১৯৫৩ সালের ৯ জানুয়ারি জন্মানো নীহার বানু চিরদিনের মতো হারিয়ে যান ২৩ বছর বয়সে। অথচ অপার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি ১৯৬৮ সালে এস,এস,সি এবং ১৯৭০ সালে এইচ,এস,সি সম্পন্ন করেছিলেন।

অনিন্দ্য সুন্দর এ মানুষটির বাবা শহীদ নাজিবুর রহমান ছিলেন একাত্তরের অগণিত শহীদদের একজন। স্বাধীন দেশের আরও বহু পরিবারের মতোই মা, পাঁচ বোন ও এক ভাই যুদ্ধের পরবর্তী যুদ্ধ ও দহনের ভেতর দিয়ে আশাবাদী ভবিষ্যতের দিকে চলছিলেন। তাঁর পুরো পরিবার নির্ভরশীল ছিল ডাক্তার বড় বোনের (ডাঃ মঞ্জিলা বেগম) উপার্জনের ওপর।

শীতের সেই বিকেলে নীহার বানু বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নেমে বাড়ি হেঁটে আসেননি। তাঁকে আর কোনদিনই কোন মানুষ বাড়ি ফিরতে দেখেননি।

সন্ধ্যের পর তাঁর বড় বোন ডাঃ মঞ্জিলা ফিরে এলে, উৎকণ্ঠিত মা জানালেন নীহারের ফিরে না আসার ঘটনা। হাসপাতাল, থানা থেকে শুরু করে সম্ভাব্য সবগুলো স্থানেই খোঁজ এবং একাত্তরের পর আবারও আরেকটি দীর্ঘ নিকষ কালো রাত পেরিয়ে ভোরের সূর্যের অপেক্ষায় কাটালেন তাঁরা। পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ক্লাসমেট, শিক্ষক সবাই জানলেন নীহার বানু বাড়ি ফেরেননি। এবং নিশ্চিত করলেন আগের দিন তাঁর ক্লাসে উপস্থিতি।

নীহার বানু নিখোঁজের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আহমেদ হোসেন বাবু এবং তার বন্ধু মিন্টূ। নীহার বানুর পরিবারের পরিচিত মুখ ছিল মিন্টূ। নীহার বানুর অন্তর্ধানের পর থেকে মিন্টূর আচরণে পরিবর্তনের বিষয়টি তাঁর পরিবারের সদস্যরা লক্ষ্য করেন। বিষয়টি পুলিশকেও জানান তাঁরা।

একটি ক্ষত ও রহস্য উন্মোচনঃ
★★★★★★★★★★★★★★★

কিন্তু কোন অকাট্য তথ্য ও প্রমাণ তখনো পুলিশের হাতে নেই। আহমেদ হোসেন বাবু, মিন্টূ'র প্রতি পুলিশের নজরদারির কালে হাতে কখনো রুমাল অথবা ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরছিল সেতু নামে তাদের আরেক বন্ধু। পুলিশের নজরদারিতে সেও ছিল।

পুলিশ পিছু নিলেও ঘুণাক্ষরে কখনো টের পায়নি সেতু। এক বিকালে সেতু রাজশাহী শহরের এক চিকিৎসকের চেম্বারে যায়,বাইরে তার অজ্ঞাতে দাঁড়িয়ে থাকে অনুসরণকারী পুলিশ। ঘণ্টাখানেক পর বেরিয়ে আসে হাতে নতুন ব্যান্ডেজ নিয়ে। সেতুকে অনুসরণকারী পুলিশের কর্মকর্তা সেই চিকিৎসকের কাছে জানতে চান সেতু সম্পর্কে।

সেই চিকিৎসক জানালেন, যে যুবক এসেছিল, তার বাঁ হাতে বড় একটি ক্ষত রয়েছে। যুবকটি তাকে কুকুরে কামড়েছে বলে জানালেও তিনি সন্দেহ করছেন এটি সম্ভবত মানুষের কামড়ের দাগ। পুলিশ কর্মকর্তা দ্রুত বেরিয়ে পড়লেন। বেশ ক'দিন সেতুর পেছনে ঘুরতে ঘুরতে সেতু'র সব আস্তানাই চেনা হয়ে গেছে।

এবার অপেক্ষায় রইলেন তিনি পুরো ফোর্স নিয়ে। সেতু বের হবার সাথে সাথেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। সাথে প্রশ্ন 'তার হাতের ক্ষত কীসের'? প্রশ্নে ঘাবড়ে যায় সেতু। যদিও পুলিশ কিন্তু তখনও নিশ্চিত নয়। সেতুর হাতের সেই ক্ষত'কে কেন্দ্র করেই পুলিশ এগুচ্ছে নীহার বানু অন্তর্ধানের রহস্য উন্মোচনের পানে।

পুলিশী জেরার মুখে একপর্যায়ে সেতুর মুখ থেকে বেরিয়ে আসে রোমহর্ষক নৃশংস এক বিবরণ। নীহার বানু নিরুদ্দেশ অথবা বেঁচে আছেন এমন ক্ষীণ আশার চির সমাপ্তি ঘটে সেতু'র জবানবন্দী থেকে।

২৭ জানুয়ারি ১৯৭৬ সাল,মঙ্গলবার গোধূলির লগ্নে অপার সম্ভাবনাময় মানুষ নীহার বানুকে হত্যা করা হয়েছিল নির্মম নির্যাতনের পর। হত্যার পর তাঁর মৃতদেহ ট্রাঙ্কের ভেতর রেখে। 'মীনা মঞ্জিলে'র ভেতর মাটি খুঁড়ে চাপা দেয়া হয়। পরবর্তীতে সেই মেঝে সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করা হয়েছিল।

হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা ও পরিকল্পনাকারী আহমেদ হোসেন বাবু তার বন্ধু মিন্টূ,সেতু সহ আরও ২/৩ জন মিলে 'মীনা মঞ্জিলে' হত্যা করে নীহার বানুকে। কারণ নীহার বানু, তাঁর খুনি সহপাঠী আহমেদ হোসেন বাবু'র একতরফা প্রেমের আহবানে সাড়া দেননি।

বেঁচে থাকার শেষ চেষ্টায়, মনুষ্যরুপী পশুদের প্রতিরোধের ব্যর্থ চেষ্টার মুহূর্তে খুনি সেতুর হাতে কামড় দেয়ার সেই চিহ্নটি তাঁর মৃত্যুর সাক্ষী হয়ে দাঁড়ায়। হত্যার প্রায় ৬ মাস পর রাজশাহী শহরের উপকণ্ঠের মীনা মঞ্জিলের মেঝে খুঁড়ে ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় নীহার বানু'র কঙ্কাল। সে মুহূর্তে তাঁর পরনে একটি চমৎকার নকশী পুলওভার ছিল। সেই পুলওভার পরিহিত ছবিটি আজও আছে একজন 'নির্বাসিত নীহার বানু'র চিহ্ন হিসেবে। তুলনাহীন জীবনের সুগন্ধ পৃথিবীকে দেবার সুযোগ পাননি তিনি।

একাত্তরে পিতাকে হারাবার পাঁচ বছরের মাথায় তাঁকেও চলে যেতে হয়েছিল পিতার কাছেই। কি হৃদয় বিদারক যন্ত্রণা, তাঁদের দুজনকেই বর্বর পশুদের হাতে মৃত্যুবরণ করতে হয়।

আসামিদের নামঃ(মামলার চার্জশিট অনুসারে)
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★

১. আহমদ হোসেন বাবু (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র, বাড়ি : রংপুরের গংগাচড়া থানার বানিয়াটারী গ্রামে, পিতা: মো. আবেদ আলী)।

২. মো. আহসানুল হক (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র)

৩. শহীদুল ইসলাম নীলু (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র)

৪. মো. এনামুল হক (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র)

৫. ফেতু (মীনা মঞ্জিলের কেয়ারটেকার)

৬. আজিজুর রহমান আজু (রাজশাহী কলেজের অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র)

৭. ওয়াহেদুল ইসলাম (ব্যাচেলর ইন আর্টস)।

বিচার পর্ব ও পলাতক খুনিদ্বয়ঃ
★★★★★★★★★★★★★★★

১৯৭৭ সালে দেশে তখন সামরিক শাসন চলছে। বগুড়ায় স্থাপিত দেশের উত্তরাঞ্চলের বিশেষ সামরিক আদালতে বিচার (?) হয়েছিল দেশ কাঁপানো 'নীহার বানু' হত্যাকাণ্ডের। মূল আসামি আহমেদ হোসেন বাবু সহ দুই নরপশুর অনুপস্থিতিতে বিচার সম্পন্ন হয়েছিল। পলাতক দু'জনসহ মোট তিন আসামিকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়, আরেকজনকে দেয়া হয়েছিল কয়েক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।

নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামী আহমদ হোসেন বাবু, শহীদুল ইসলাম নীলু ও আহসানুল হক এ তিনজনকে ফাঁসির দণ্ড দেয়া হয়। পরবর্তীতে নীলুর ফাঁসি কার্যকর করা হলেও, প্রধান আসামি বাবু ও আহসান আজ অবধি পলাতক। তাদের কোন খোঁজ এখনও মেলে নি। রুহুল আমিন ফেতুকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়। অন্য আসামীরা দোষী সাব্যস্ত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছিল।

কিছু কথাঃ
★★★★★★

বন্ধ হয়ে যাওয়া সাপ্তাহিক পত্রিকা 'বিচিত্রা', ১৯৭৬ সালে সংঘটিত এই হৃদয় বিদারক হত্যাকাণ্ডের ওপর রাজশাহী প্রতিবেদক আহমেদ শফিউদ্দিন বিস্তারিত লিখেছিলেন। সেই প্রতিবেদন সমগ্র বাংলাদেশকে আক্ষরিক অর্থে কাঁপিয়ে দিয়েছিল। রাজশাহী শহরে খুনিদের ছবিসহ পোস্টার সাঁটানো হয়েছিল।

এবং বছরখানেক পর এই হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য নিয়ে 'নির্বাসিতা নীহার বানু' শিরোনামে একটি গ্রন্থ প্রকাশ করেন মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন হাবীব।

আমরা কি করতে পারি?
★★★★★★★★★★★★

গত প্রায় এক দশক ধরে সীমিত সাধ্য ও ক্ষমতায় এই হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি আহমেদ হোসেন বাবু'র ও আহসানের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। কিন্তু, দুর্ভাগ্যবশত তাঁর সম্পর্কে কোন তথ্য সংগ্রহ করতে পারিনি শুধুমাত্র তাঁর সম্ভাব্য অবস্থান জার্মানি ব্যতীত।

সাম্প্রতিক ইতিহাসে একাধিক ঘটনা আছে যেখানে হত্যাকাণ্ডের ২/৩/৪/৫ দশক পরেও খুনিকে বিচারের সম্মুখীন করা হয়েছে অথবা সাজা ভোগ করতে হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী মূল আসামি আহমেদ হোসেন বাবু ও আহসানুল হক'কে (যদি বেঁচে থাকে) খুঁজে বের করা এখন যে কোন সময়ের চাইতে সহজ।

পরম করুনাময়ের কাছে নীহার বানুর চিরশান্তি প্রার্থনা করছি।

Photos from আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান's post 24/01/2024

শুধু হোসাইনিয়া মাদ্রাসায় নয়,বাংলাদেশের সব ক্বওমি মাদ্রাসাতেই সমকাম চলে। মাদ্রাসার হোস্টেলে,মসজিদে, রান্নাঘরে এমনকি বাথরুমেও। শিক্ষক-ছাত্রে,ছাত্রে ছাত্রে। তারা এটাকে বলে খেদমত!

প্রশ্নঃ হুজুর আপনি কি সমকামী!

Want your business to be the top-listed Government Service in Narayanganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Narayangonj
Narayanganj